ফোর্বস মিডল ইস্ট, ন্যাশনাল সেন্টার ফর রেসপনসিবিলিটি অ্যান্ড স্টাডিজের সহযোগিতায় সৌদি আরবের মানবিক সংস্থা কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (ক্ষ্রিলিফ)-কে টেকসইতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রে শীর্ষ ৭০টি সৌদি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় নির্বাচিত করেছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৯ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই নির্বাচন কেন্দ্রটির অসাধারণ প্রচেষ্টা, মানবিক প্রভাব এবং দান ও উদ্ভাবনের মূল্যবোধ প্রচারের প্রতিশ্রুতিকে প্রতিফলিত করে।
নির্বাচনের ভিত্তি কী ছিল? এসপিএ জানিয়েছে, ক্ষ্রিলিফের অবদানের পরিধি ও প্রভাব এবং টেকসইতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রে তার শীর্ষস্থানীয় কর্মসূচির ভিত্তিতে এই নির্বাচন করা হয়েছে। নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর জমা দেওয়া প্রতিবেদন ও তথ্যের ভিত্তিতে এবং গত পাঁচ বছরের তাদের পারফরম্যান্স বিবেচনায় নিয়ে এই মূল্যায়ন করা হয়।
ক্ষ্রিলিফ তার সব মানবিক, ত্রাণ ও উন্নয়ন কর্মসূচি এবং কার্যক্রমে সামাজিক দায়বদ্ধতা অন্তর্ভুক্ত করে। সংস্থাটি এমন বিস্তৃত কর্মসূচির মাধ্যমে উচ্চমানের সেবা দেওয়ার চেষ্টা করে, যা টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নেয় এবং সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সামাজিক দায়বদ্ধতার সংস্কৃতি গড়ে তোলে।
তালিকায় থাকা মানে কী? সৌদি আরবের মানবিক সহায়তার প্রধান শাখা হিসেবে ক্ষ্রিলিফের এই স্বীকৃতি দেশের সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রে বৃহত্তর ধারার অংশ। ফোর্বস মিডল ইস্ট ও ন্যাশনাল সেন্টার ফর রেসপনসিবিলিটি অ্যান্ড স্টাডিজের এই যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানগুলোর পাঁচ বছরের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করা হয়েছে।
এসপিএ আরও জানিয়েছে, ক্ষ্রিলিফের মানবিক, ত্রাণ ও উন্নয়ন কার্যক্রমে সামাজিক দায়বদ্ধতার অন্তর্ভুক্তি এবং টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য এই স্বীকৃতির মূল ভিত্তি। সংস্থাটি উচ্চমানের সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে, যা সামাজিক দায়বদ্ধতার সংস্কৃতি গড়ে তোলার পাশাপাশি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর উদ্দেশ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।
তবে এসপিএর প্রতিবেদনে তালিকার বাকি ৬৯টি প্রতিষ্ঠানের নাম, নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট মানদণ্ডের বিস্তারিত, বা ক্ষ্রিলিফের কোন নির্দিষ্ট কর্মসূচি এই স্বীকৃতির জন্য বিবেচিত হয়েছে তা উল্লেখ করা হয়নি। প্রতিবেদনে ক্ষ্রিলিফের অবদানের কোনো সংখ্যা বা পরিসংখ্যানও দেওয়া হয়নি।
ক্ষ্রিলিফকে কোন তালিকায় নির্বাচিত করা হয়েছে? ফোর্বস মিডল ইস্ট, ন্যাশনাল সেন্টার ফর রেসপনসিবিলিটি অ্যান্ড স্টাডিজের সহযোগিতায় ক্ষ্রিলিফকে টেকসইতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রে শীর্ষ ৭০টি সৌদি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় নির্বাচিত করেছে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, এই নির্বাচন কেন্দ্রটির অসাধারণ প্রচেষ্টা, মানবিক প্রভাব এবং দান ও উদ্ভাবনের মূল্যবোধ প্রচারের প্রতিশ্রুতিকে প্রতিফলিত করে। ক্ষ্রিলিফ সৌদি আরবের মানবিক সহায়তার প্রধান শাখা।
নির্বাচনের ভিত্তি কী ছিল? এসপিএ জানিয়েছে, ক্ষ্রিলিফের অবদানের পরিধি ও প্রভাব এবং টেকসইতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রে তার শীর্ষস্থানীয় কর্মসূচির ভিত্তিতে এই নির্বাচন করা হয়েছে। নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর জমা দেওয়া প্রতিবেদন ও তথ্যের ভিত্তিতে এবং গত পাঁচ বছরের তাদের পারফরম্যান্স বিবেচনায় নিয়ে মূল্যায়ন করা হয়। প্রতিবেদনে তালিকার বাকি প্রতিষ্ঠানের নাম বা সুনির্দিষ্ট মানদণ্ডের বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।
ক্ষ্রিলিফ কীভাবে সামাজিক দায়বদ্ধতা বাস্তবায়ন করে? এসপিএ জানিয়েছে, ক্ষ্রিলিফ তার সব মানবিক, ত্রাণ ও উন্নয়ন কর্মসূচি এবং কার্যক্রমে সামাজিক দায়বদ্ধতা অন্তর্ভুক্ত করে। সংস্থাটি বিস্তৃত কর্মসূচির মাধ্যমে উচ্চমানের সেবা দেওয়ার চেষ্টা করে, যা টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নেয় এবং সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সামাজিক দায়বদ্ধতার সংস্কৃতি গড়ে তোলে। প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট কোনো কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়নি।
এই স্বীকৃতির সঙ্গে সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সম্পর্ক কী? এসপিএ জানিয়েছে, ক্ষ্রিলিফ এমন কর্মসূচির মাধ্যমে সেবা দেয় যা টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নেয় এবং সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সামাজিক দায়বদ্ধতার সংস্কৃতি গড়ে তোলে। সংস্থাটি তার সব মানবিক, ত্রাণ ও উন্নয়ন কার্যক্রমে সামাজিক দায়বদ্ধতা অন্তর্ভুক্ত করে। প্রতিবেদনে ভিশন ২০৩০-এর কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য বা সূচক উল্লেখ করা হয়নি।