ঐতিহাসিক জেদ্দায় অবস্থিত লোহিত সাগর জাদুঘরে গতকাল ‘ফটোগ্রাফিং ডিস্ট্যান্স’ নামের একটি প্রদর্শনী উদ্বোধন করা হয়েছে। আর্জেন্টিনার শিল্পী মাতিলদে মারিনের এই প্রদর্শনী সৌদি আরবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং এটি ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। জাদুঘরটি মিউজিয়াম কমিশনের অধীনে পরিচালিত হয়।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৯ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, প্রদর্শনীতে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের বাতিঘর নিয়ে ফটোগ্রাফি ও ভিডিও ইনস্টলেশন দেখানো হচ্ছে। এর মধ্যে জেদ্দা ও ইয়ানবুর বাতিঘরও রয়েছে। এসব কাজে বাতিঘরের সমুদ্রপথে নৌচলাচলে ভূমিকা, মানুষের স্মৃতি এবং মানুষ ও স্থানের মধ্যকার সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে।
প্রদর্শনীটি শিল্পীর ২০০৫ সালে শুরু করা ‘ফারুস’ প্রকল্পের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এই প্রকল্পে বাতিঘরকে কেবল নৌচলাচলের উপকরণ হিসেবে নয়, বরং পথনির্দেশ ও আশার স্থায়ী প্রতীক হিসেবে দেখা হয়েছে। শিল্পী তাঁর কাজের মাধ্যমে বাতিঘরের এই বিস্তৃত অর্থ তুলে ধরেছেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিল্পী নিজে একটি গাইডেড ট্যুর পরিচালনা করেন। এছাড়া একটি আলোচনা সেশন এবং একটি সঙ্গীত পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। এই আয়োজনে সমসাময়িক শিল্পকে লোহিত সাগরের সামুদ্রিক ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
প্রদর্শনীর সঙ্গে একটি চলমান পাবলিক প্রোগ্রামও চলছে। এতে রয়েছে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, কবিতা সন্ধ্যা, সৃজনশীল ফটোগ্রাফি কর্মশালা এবং পরিবারের জন্য বাতিঘরের মডেল তৈরির মতো কার্যক্রম। এই কর্মসূচিগুলো দর্শনার্থীদের জন্য প্রদর্শনীর অভিজ্ঞতাকে আরও বিস্তৃত করে তুলছে।
এই আয়োজন মিউজিয়াম কমিশনের উদ্যোগের অংশ। কমিশন আন্তর্জাতিক শিল্প অভিজ্ঞতা আয়োজনের মাধ্যমে রাজ্যের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলকে সমৃদ্ধ করতে এবং সৃজনশীল সংলাপ উৎসাহিত করতে কাজ করছে। লোহিত সাগর জাদুঘরে আয়োজিত এই প্রদর্শনী সেই লক্ষ্যেরই একটি অংশ।
প্রদর্শনীটি ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে বলে জানানো হয়েছে। তবে এসপিএর প্রতিবেদনে প্রদর্শনীর দর্শনার্থীদের সংখ্যা, টিকিটের মূল্য বা দৈনিক সময়সূচি সম্পর্কে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
প্রদর্শনীটি কোথায় এবং কতদিন চলবে? প্রদর্শনীটি ঐতিহাসিক জেদ্দায় অবস্থিত লোহিত সাগর জাদুঘরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা মিউজিয়াম কমিশনের অধীনে পরিচালিত। এসপিএ জানিয়েছে, এটি গতকাল উদ্বোধন করা হয়েছে এবং ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। এটি আর্জেন্টিনার শিল্পী মাতিলদে মারিনের কাজের সৌদি আরবে প্রথম প্রদর্শনী।
প্রদর্শনীতে কী ধরনের শিল্পকর্ম দেখানো হচ্ছে? প্রদর্শনীতে ফটোগ্রাফি ও ভিডিও ইনস্টলেশন দেখানো হচ্ছে, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের বাতিঘর তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে জেদ্দা ও ইয়ানবুর বাতিঘরও রয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এসব কাজে বাতিঘরের নৌচলাচলে ভূমিকা, মানুষের স্মৃতি এবং মানুষ ও স্থানের সম্পর্ক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
প্রদর্শনীটি কোন প্রকল্পের ওপর ভিত্তি করে তৈরি? প্রদর্শনীটি শিল্পীর ২০০৫ সালে শুরু করা ‘ফারুস’ প্রকল্পের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এসপিএ জানিয়েছে, এই প্রকল্পে বাতিঘরকে কেবল নৌচলাচলের উপকরণ হিসেবে নয়, বরং পথনির্দেশ ও আশার স্থায়ী প্রতীক হিসেবে দেখা হয়েছে। শিল্পী তাঁর কাজে বাতিঘরের এই বিস্তৃত অর্থ তুলে ধরেছেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কী কী কার্যক্রম ছিল? উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিল্পী নিজে একটি গাইডেড ট্যুর পরিচালনা করেন। এসপিএ জানিয়েছে, এছাড়া একটি আলোচনা সেশন এবং একটি সঙ্গীত পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। এই আয়োজনে সমসাময়িক শিল্পকে লোহিত সাগরের সামুদ্রিক ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
প্রদর্শনীর সঙ্গে আর কী কী কার্যক্রম চলছে? প্রদর্শনীর সঙ্গে একটি চলমান পাবলিক প্রোগ্রাম চলছে। এসপিএ জানিয়েছে, এতে রয়েছে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, কবিতা সন্ধ্যা, সৃজনশীল ফটোগ্রাফি কর্মশালা এবং পরিবারের জন্য বাতিঘরের মডেল তৈরির মতো কার্যক্রম। এই কর্মসূচিগুলো দর্শনার্থীদের অভিজ্ঞতাকে আরও বিস্তৃত করে তুলছে।
এই আয়োজন কার উদ্যোগের অংশ? এই আয়োজন মিউজিয়াম কমিশনের উদ্যোগের অংশ। এসপিএ জানিয়েছে, কমিশন আন্তর্জাতিক শিল্প অভিজ্ঞতা আয়োজনের মাধ্যমে রাজ্যের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল সমৃদ্ধ করতে এবং সৃজনশীল সংলাপ উৎসাহিত করতে কাজ করছে। লোহিত সাগর জাদুঘরে আয়োজিত এই প্রদর্শনী সেই লক্ষ্যেরই একটি অংশ।