Monday, October 26, 2026
সৌদি সংবাদ

জুবাইলের পাঁচ স্কুল ইউনেস্কো অ্যাসোসিয়েটেড স্কুল নেটওয়ার্কে যুক্ত

জুবাইলের পাঁচ স্কুল ইউনেস্কো অ্যাসোসিয়েটেড স্কুল নেটওয়ার্কে যুক্ত

জুবাইলের পাঁচটি স্কুল ইউনেস্কো অ্যাসোসিয়েটেড স্কুল নেটওয়ার্কে (এএসপিনেট) যুক্ত হয়েছে। স্কুলগুলো রয়্যাল কমিশন ফর জুবাইল অ্যান্ড ইয়ানবুর (আরসিজেওয়াই) অধিভুক্ত। এই অন্তর্ভুক্তি ১৬৬টি দেশের ১০ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কে স্কুলগুলোকে যুক্ত করেছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৯ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সৌদি ন্যাশনাল কমিটি ফর এডুকেশন, কালচার অ্যান্ড সায়েন্সের সমন্বয়ে এই অন্তর্ভুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।

আরসিজেওয়াই-এর জুবাইল জেনারেল এডুকেশন ডিপার্টমেন্টের পরিচালক আবদুলরহমান আল-গামদি সৌদি সংবাদ সংস্থাকে বলেন, এই অর্জন স্থানীয় শিক্ষা খাতকে এগিয়ে নেওয়ার পথে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ এবং সৌদি স্কুলগুলোকে আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরার কাজ। তাহলে এই নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়াটা জুবাইলের শিক্ষার্থীদের জন্য বাস্তবে কী বদলে দেবে?

নেটওয়ার্কটির মূল বিষয় হলো টেকসই উন্নয়ন, বৈশ্বিক নাগরিকত্ব এবং আন্তঃসাংস্কৃতিক শিক্ষা। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক সম্পৃক্ততা এবং সর্বোত্তম চর্চার বিনিময় উৎসাহিত হয়। ১৬৬টি দেশের ১০ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একই প্ল্যাটফর্মে থাকা জুবাইলের এই পাঁচ স্কুলের জন্য কতটা বড় সুযোগ?

আল-গামদি উল্লেখ করেন, শিক্ষক ও সমন্বয়কদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য একটি কার্যক্রম পরিকল্পনা প্রস্তুত রয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে, যা টেকসইতা, সহনশীলতা এবং শান্তির সংস্কৃতির ওপর কেন্দ্রীভূত। নির্ধারিত পারফরম্যান্স সূচকের মাধ্যমে এসব প্রকল্প অনুসরণ করা হবে, যাতে শিক্ষার বাস্তব প্রভাব নিশ্চিত হয়। পারফরম্যান্স সূচক দিয়ে প্রকল্পের অগ্রগতি মাপা হলে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত অর্জন কীভাবে বোঝা যাবে?

তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগ সরাসরি সৌদি ভিশন ২০৩০ এবং হিউম্যান ক্যাপাবিলিটি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এটি শিক্ষার গুণমান ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আরসিজেওয়াই-এর অগ্রাধিকারগুলোকে সমর্থন করে। ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকা এই উদ্যোগ শিক্ষা খাতে দীর্ঘমেয়াদে কী প্রভাব ফেলতে পারে?

আরসিজেওয়াই-এর অধিভুক্ত স্কুলগুলো জুবাইল শিল্পাঞ্চলের পরিবারে শিক্ষা প্রদান করে। এই পাঁচ স্কুলের নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়া মানে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক সহযোগিতার অংশ হতে পারবে। আন্তঃসাংস্কৃতিক শিক্ষা ও বৈশ্বিক নাগরিকত্বের চর্চা শ্রেণিকক্ষে কেমন দেখাবে বলে আপনি মনে করেন?

নেটওয়ার্কের সদস্যপদ শুধু প্রতীকী নয়; এর সঙ্গে যুক্ত হয় শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষার্থী প্রকল্প এবং মূল্যায়ন ব্যবস্থা। টেকসইতা, সহনশীলতা ও শান্তির সংস্কৃতির মতো বিষয়গুলো পাঠ্যক্রমের বাইরে প্রকল্পভিত্তিক কাজে কীভাবে রূপ নেবে?

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও জাতীয় কমিটির সমন্বয় এই অন্তর্ভুক্তিকে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে। ১৬৬টি দেশের নেটওয়ার্কে সৌদি স্কুলের উপস্থিতি বাড়লে আন্তর্জাতিক শিক্ষা বিনিময়ে সৌদি আরবের ভূমিকা কতটা জোরালো হবে?

আল-গামদি জানান, কার্যক্রম পরিকল্পনায় শিক্ষক ও সমন্বয়কদের দক্ষতা উন্নয়ন অন্তর্ভুক্ত। শিক্ষার্থীদের প্রকল্প টেকসইতা, সহনশীলতা ও শান্তির সংস্কৃতিকে ঘিরে সাজানো। নির্ধারিত সূচকে অগ্রগতি মাপা হবে। এই ধরনের কাঠামো থাকলে স্কুলগুলোর দৈনন্দিন শিক্ষাদানে কী পরিবর্তন আসবে?

সৌদি ভিশন ২০৩০ ও হিউম্যান ক্যাপাবিলিটি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের সঙ্গে সংগতি এই উদ্যোগকে নীতি সমর্থন দেয়। আরসিজেওয়াই শিক্ষার গুণমান ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতাকে অগ্রাধিকার দেয়। নীতি সমর্থন থাকলেও মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন কতটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়া পাঁচ স্কুলের নাম, শিক্ষার্থী সংখ্যা বা কার্যক্রম পরিকল্পনার সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি। এসব তথ্য ছাড়া অগ্রগতির মূল্যায়ন কতটা সম্ভব?

কোন স্কুলগুলো ইউনেস্কো নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়েছে? জুবাইলের পাঁচটি স্কুল যুক্ত হয়েছে, যেগুলো রয়্যাল কমিশন ফর জুবাইল অ্যান্ড ইয়ানবুর (আরসিজেওয়াই) অধিভুক্ত। অন্তর্ভুক্তি হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সৌদি ন্যাশনাল কমিটি ফর এডুকেশন, কালচার অ্যান্ড সায়েন্সের সমন্বয়ে। এসপিএ জানিয়েছে, এই নেটওয়ার্ক ১৬৬টি দেশের ১০ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানে বিস্তৃত।

নেটওয়ার্কটির মূল লক্ষ্য কী? নেটওয়ার্কের কেন্দ্রে আছে টেকসই উন্নয়ন, বৈশ্বিক নাগরিকত্ব এবং আন্তঃসাংস্কৃতিক শিক্ষা। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক সম্পৃক্ততা ও সর্বোত্তম চর্চার বিনিময় উৎসাহিত হয়। আরসিজেওয়াই-এর জুবাইল জেনারেল এডুকেশন ডিপার্টমেন্টের পরিচালক আবদুলরহমান আল-গামদি এসপিএ-কে বলেন, এই অন্তর্ভুক্তি স্থানীয় শিক্ষা খাতকে এগিয়ে নেওয়ার কৌশলগত পদক্ষেপ।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য কী পরিকল্পনা আছে? আল-গামদি জানান, শিক্ষক ও সমন্বয়কদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য একটি কার্যক্রম পরিকল্পনা প্রস্তুত রয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে, যা টেকসইতা, সহনশীলতা এবং শান্তির সংস্কৃতির ওপর কেন্দ্রীভূত। নির্ধারিত পারফরম্যান্স সূচকের মাধ্যমে প্রকল্প অনুসরণ করা হবে, যাতে শিক্ষার বাস্তব প্রভাব নিশ্চিত হয়।

এই উদ্যোগ সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে কীভাবে যুক্ত? আল-গামদি বলেন, এই উদ্যোগ সরাসরি সৌদি ভিশন ২০৩০ এবং হিউম্যান ক্যাপাবিলিটি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এটি শিক্ষার গুণমান ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আরসিজেওয়াই-এর অগ্রাধিকারগুলোকে সমর্থন করে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তর্ভুক্তির ফলে স্কুলগুলো আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের অংশ হয়েছে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে কী তথ্য অনুপস্থিত? প্রতিবেদনে নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়া পাঁচ স্কুলের নাম উল্লেখ করা হয়নি। শিক্ষার্থী সংখ্যা, কার্যক্রম পরিকল্পনার সময়সীমা বা বাজেটের কোনো তথ্যও দেওয়া হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, নির্ধারিত পারফরম্যান্স সূচকের মাধ্যমে প্রকল্প অনুসরণ করা হবে। ফলে অগ্রগতির বিস্তারিত মূল্যায়নের জন্য অতিরিক্ত তথ্য প্রয়োজন।