মক্কার মসজিদুল হারামে শুক্রবারের খুতবায় ইমাম শেখ ড. মাহের আল-মুআইকলি বলেছেন, ইসলামের শিক্ষায় ক্ষমা ও সহনশীলতার একটি অত্যন্ত বিশেষ ও বিশিষ্ট স্থান রয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, খুতবায় তিনি ক্ষমার গুরুত্বের ওপর জোর দেন এবং বলেন যে ক্ষমার উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
তিনি আরও বলেন, অন্যকে ক্ষমা করা এবং নিজে ক্ষমা প্রার্থনা করার মাধ্যমে মুসলিমরা তাদের কঠিন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে পারেন এবং ইহকাল ও পরকাল উভয় জগতে প্রতিদান লাভ করতে পারেন।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে খুতবার সময়সূচি উল্লেখ করা হয়েছে—স্থানীয় সময় ১৫:১৭ মিনিট, গ্রিনিচ মান সময় ১২:১৭ মিনিট। প্রতিবেদনটি মক্কা থেকে ১১ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত হয়।
খুতবায় ক্ষমা ও সহনশীলতার বিষয়টি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? ইসলামের মৌলিক শিক্ষায় এই দুটি গুণ কেন বারবার সামনে আনা হয়? মুসলিম সমাজে ক্ষমার চর্চা কীভাবে দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করে? কঠিন পরিস্থিতিতে ক্ষমার আশ্রয় নেওয়া কেন সান্ত্বনার উৎস? পরকালীন প্রতিদানের প্রত্যাশা কীভাবে মানুষের আচরণ বদলায়? এই প্রশ্নগুলো খুতবার মূল বক্তব্যের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে আর কোনো অতিরিক্ত তথ্য, পরিসংখ্যান বা উদ্ধৃতি দেওয়া হয়নি।
খুতবায় ক্ষমার বিষয়ে কী বলা হয়েছে? মসজিদুল হারামের ইমাম শেখ ড. মাহের আল-মুআইকলি বলেছেন, ইসলামের শিক্ষায় ক্ষমা ও সহনশীলতার বিশেষ ও বিশিষ্ট স্থান রয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, খুতবায় তিনি ক্ষমার গুরুত্বের ওপর জোর দেন এবং বলেন যে ক্ষমার উদ্দেশ্য আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
ক্ষমা ও ক্ষমা প্রার্থনার ফলাফল কী? খুতবায় বলা হয়েছে, অন্যকে ক্ষমা করা ও নিজে ক্ষমা প্রার্থনা করার মাধ্যমে মুসলিমরা কঠিন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে পারেন। এসপিএ অনুযায়ী, এর ফলে ইহকাল ও পরকাল উভয় জগতে প্রতিদান পাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
খুতবাটি কোথায় ও কখন দেওয়া হয়? খুতবাটি মক্কার মসজিদুল হারামে শুক্রবার দেওয়া হয়। এসপিএ-র প্রতিবেদনে সময় উল্লেখ করা হয়েছে—স্থানীয় সময় ১৫:১৭ মিনিট, গ্রিনিচ মান সময় ১২:১৭ মিনিট। প্রতিবেদনটি ১১ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত।