জুরিখে আইবিএমের সঙ্গে যৌথভাবে কোয়ান্টাম টেকনোলজিস লিডারশিপ প্রোগ্রাম শেষ করেছে সৌদি যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল কম্পিউটিং, যোগাযোগ ও সেন্সিংয়ে কোয়ান্টাম প্রযুক্তির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে নেতা ও সিদ্ধান্তগ্রহণকারীদের প্রস্তুতি বাড়ানো এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে সহায়তা করা।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৫ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, আইবিএম রিসার্চ ইউরোপ – জুরিখ কর্মসূচিটি আয়োজন করে। এতে জ্ঞানভিত্তিক ও ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা দেওয়া হয়, যা কোয়ান্টাম প্রযুক্তির সম্ভাবনা ও ঝুঁকি মূল্যায়ন, বিভিন্ন খাতে এর ভবিষ্যৎ প্রভাব পূর্বানুমান এবং প্রস্তুতি সহায়ক নীতি প্রণয়নে কেন্দ্রীভূত ছিল।
কর্মসূচিতে ব্যবহারিক সিমুলেশনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক কেস স্টাডি যুক্ত করা হয়, যাতে অংশগ্রহণকারীরা প্রযুক্তিগত জ্ঞানকে তথ্যভিত্তিক কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রয়োগ করতে পারেন। প্রশ্ন হলো, কোয়ান্টাম প্রযুক্তির ঝুঁকি ও সম্ভাবনা একসঙ্গে মূল্যায়নের এই পদ্ধতি কি সৌদি নীতিনির্ধারকদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বদলাতে পারবে?
কর্মসূচির অংশ হিসেবে সুইজারল্যান্ডের বাজেলে QuantumBasel পরিদর্শন করেন অংশগ্রহণকারীরা। সেখানে তাঁরা কোয়ান্টাম কম্পিউটিং উদ্ভাবন ইকোসিস্টেম ও তার ব্যবহারিক প্রয়োগ দেখেন এবং কেন্দ্রটির IonQ-এর সঙ্গে সহযোগিতা সম্পর্কে জানেন। এতে কোয়ান্টাম প্রযুক্তিকে গবেষণা থেকে বাণিজ্যিক প্রয়োগে রূপান্তরের পথ সম্পর্কে নেতাদের বোঝাপড়া গভীর হয়।
এসপিএ জানিয়েছে, কর্মসূচিটি জুরিখে অনুষ্ঠিত হয় এবং আইবিএম রিসার্চ ইউরোপ – জুরিখ এটি আয়োজন করে। তবে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা, কর্মসূচির মেয়াদ বা এর ফলাফল সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া হয়নি। প্রশ্ন থেকে যায়, এই ধরনের আন্তর্জাতিক কর্মসূচি সৌদি আরবের প্রযুক্তি নেতৃত্বের প্রস্তুতিতে কতটা দৃশ্যমান পরিবর্তন আনবে?
কর্মসূচিটি কোথায় অনুষ্ঠিত হয়? কর্মসূচিটি সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অনুষ্ঠিত হয় এবং আইবিএম রিসার্চ ইউরোপ – জুরিখ এটি আয়োজন করে। এসপিএ জানিয়েছে, এতে জ্ঞানভিত্তিক ও ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা দেওয়া হয়। অংশগ্রহণকারীরা বাজেলের QuantumBasel-ও পরিদর্শন করেন।
কর্মসূচির মূল লক্ষ্য কী ছিল? কম্পিউটিং, যোগাযোগ ও সেন্সিংয়ে কোয়ান্টাম প্রযুক্তির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে নেতা ও সিদ্ধান্তগ্রহণকারীদের প্রস্তুতি বাড়ানো ছিল মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে সহায়তা করার কথা এসপিএ জানিয়েছে।
অংশগ্রহণকারীরা কী শিখেছেন? তাঁরা কোয়ান্টাম প্রযুক্তির সম্ভাবনা ও ঝুঁকি মূল্যায়ন, বিভিন্ন খাতে এর ভবিষ্যৎ প্রভাব পূর্বানুমান এবং প্রস্তুতি সহায়ক নীতি প্রণয়ন সম্পর্কে জানেন। ব্যবহারিক সিমুলেশন ও আন্তর্জাতিক কেস স্টাডির মাধ্যমে প্রযুক্তিগত জ্ঞান কৌশলগত সিদ্ধান্তে প্রয়োগের অভিজ্ঞতাও পান।
QuantumBasel পরিদর্শনে কী দেখা হয়েছে? অংশগ্রহণকারীরা কোয়ান্টাম কম্পিউটিং উদ্ভাবন ইকোসিস্টেম ও তার ব্যবহারিক প্রয়োগ দেখেন। কেন্দ্রটির IonQ-এর সঙ্গে সহযোগিতা সম্পর্কেও তাঁরা জানেন, যা গবেষণা থেকে বাণিজ্যিক প্রয়োগে রূপান্তরের পথ বোঝাতে সহায়তা করে।