Saturday, October 31, 2026
অর্থনীতি

সৌদি আরব, রাশিয়া, ইরাক, কুয়েত, কাজাখস্তান, আলজেরিয়া ও ওমান বাজার স্থিতিশীলতায় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করল

সৌদি আরব, রাশিয়া, ইরাক, কুয়েত, কাজাখস্তান, আলজেরিয়া ও ওমান বাজার স্থিতিশীলতায় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করল

সৌদি আরব, রাশিয়া, ইরাক, কুয়েত, কাজাখস্তান, আলজেরিয়া ও ওমান—এই সাতটি ওপেক প্লাস দেশ ৪ অক্টোবর ২০২৬-এ ভার্চুয়াল বৈঠকে মিলিত হয়ে নভেম্বর ২০২৬-এর জন্য সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর প্রয়োজনীয় উৎপাদন বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, এই সাতটি দেশ ২০২৩ সালের এপ্রিল ও নভেম্বরে অতিরিক্ত স্বেচ্ছামূলক সমন্বয় ঘোষণা করেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় তারা বিশ্ববাজারের পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য গতিপ্রকৃতি পর্যালোচনা করতে ৪ অক্টোবর ২০২৬-এ ভার্চুয়াল বৈঠকে বসে। বৈঠকে তারা সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর প্রয়োজনীয় উৎপাদন নভেম্বর ২০২৬-এর জন্যও বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।

এসপিএ আরও জানিয়েছে, সাতটি দেশ ডিক্লারেশন অব কো-অপারেশনের সঙ্গে পূর্ণ সামঞ্জস্য অর্জনের জন্য তাদের সম্মিলিত প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। পাশাপাশি তারা প্রতি মাসে বৈঠক চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, যাতে বাজারের পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যালোচনা করা যায়। পরবর্তী বৈঠক ১ নভেম্বর ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত হবে।

তাহলে এই সিদ্ধান্তের অর্থ কী দাঁড়াল? সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর উৎপাদনের মাত্রা নভেম্বর ২০২৬-এও অপরিবর্তিত থাকছে। অর্থাৎ আগামী দুই মাসের মধ্যে এই সাত দেশের সরবরাহ পরিকল্পনায় কোনো পরিবর্তন আসছে না। প্রশ্ন হলো, বিশ্ববাজারে সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য ধরে রাখতে এই স্থিতিশীলতা কতটা কার্যকর হবে?

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের এপ্রিল ও নভেম্বরে যে অতিরিক্ত স্বেচ্ছামূলক সমন্বয় ঘোষণা করা হয়েছিল, তার ভিত্তিতেই এই সাত দেশের উৎপাদন পরিকল্পনা নির্ধারিত হয়েছে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে অবশ্য সেই সমন্বয়ের নির্দিষ্ট পরিমাণ বা ব্যারেল-সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর প্রয়োজনীয় উৎপাদনের সারণি অনুযায়ী নভেম্বর ২০২৬-এর মাত্রা নির্ধারিত হবে।

ডিক্লারেশন অব কো-অপারেশন হলো ওপেক প্লাস কাঠামোর মূল ভিত্তি, যেখানে সদস্য দেশগুলো উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ও বাজার ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সমন্বয় করে। সাতটি দেশ তাদের সম্মিলিত প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে ঠিকই, কিন্তু পূর্ণ সামঞ্জস্য অর্জন বলতে ঠিক কী বোঝানো হয়েছে? ডিক্লারেশন অব কো-অপারেশনের শর্তাবলি প্রতিটি দেশ কতটা মেনে চলছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

ভার্চুয়াল বৈঠকটি ৪ অক্টোবর ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত হয়। এসপিএ-র তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে বিশ্ববাজারের বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা পর্যালোচনা করা হয়। সাতটি দেশের মধ্যে সৌদি আরব, রাশিয়া, ইরাক, কুয়েত, কাজাখস্তান, আলজেরিয়া ও ওমান অন্তর্ভুক্ত। এই সাত দেশের সমন্বিত সিদ্ধান্তই বৈঠকের মূল ফলাফল।

মাসিক বৈঠকের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ঘোষণা গুরুত্বপূর্ণ। এর অর্থ হলো, প্রতি মাসে বাজারের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে প্রয়োজন হলে উৎপাদন নীতি সমন্বয় করা হবে। পরবর্তী বৈঠকের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে। তাহলে প্রশ্ন দাঁড়ায়, ১ নভেম্বরের বৈঠকে কি নভেম্বরের পরবর্তী মাসগুলোর জন্য নতুন কোনো সিদ্ধান্ত আসবে?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারের পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য গতিপ্রকৃতি পর্যালোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ডিক্লারেশন অব কো-অপারেশনের সঙ্গে পূর্ণ সামঞ্জস্য অর্জনের প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

সাতটি দেশের এই সম্মিলিত অবস্থান আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে কী বার্তা বহন করে? উৎপাদন অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত সরবরাহ স্থিতিশীল রাখার ইঙ্গিত দেয়। তবে বাজারের চাহিদা, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি বা অন্যান্য উৎপাদনকারী দেশের পদক্ষেপ এই হিসাব বদলে দিতে পারে কি না, সে প্রশ্নও জরুরি।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে সাতটি দেশের প্রত্যেকটির আলাদা উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা বা কোটার উল্লেখ নেই। শুধু সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর প্রয়োজনীয় উৎপাদনের সারণির কথা বলা হয়েছে, যা নভেম্বর ২০২৬-এর জন্যও প্রযোজ্য থাকবে। সারণির বিস্তারিত তথ্য অবশ্য প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।

ভার্চুয়াল বৈঠকের সময় স্থানীয় সময় ১৪:২৩ এবং জিএমটি ১১:২৩ উল্লেখ করা হয়েছে। এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈঠক শেষে সাতটি দেশের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। ঘোষণায় উৎপাদন বহাল রাখা, ডিক্লারেশন অব কো-অপারেশনের প্রতি প্রতিশ্রুতি এবং মাসিক বৈঠক চালিয়ে যাওয়ার বিষয়গুলো উঠে আসে।

প্রশ্ন হলো, এই সিদ্ধান্ত কি শুধু নভেম্বর ২০২৬-এর জন্যই প্রযোজ্য, নাকি এর পরের মাসগুলোতেও একই নীতি চলবে? এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর প্রয়োজনীয় উৎপাদন নভেম্বর ২০২৬-এর জন্য বহাল থাকবে। পরবর্তী মাসগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে ১ নভেম্বর ২০২৬-এর বৈঠকে।

ওপেক প্লাস কাঠামোয় সাতটি দেশের এই ধরনের স্বেচ্ছামূলক সমন্বয় ২০২৩ সাল থেকেই চলে আসছে। ২০২৩ সালের এপ্রিল ও নভেম্বরে ঘোষিত অতিরিক্ত স্বেচ্ছামূলক সমন্বয়ের কথা এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় এই সাত দেশ আলাদাভাবে বৈঠক করে বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে।

ডিক্লারেশন অব কো-অপারেশন পূর্ণভাবে মেনে চলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে সাতটি দেশ তাদের সমন্বয় অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে। কিন্তু বাস্তবে প্রতিটি দেশ কতটা উৎপাদন করছে এবং তা লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে কতটা মিলছে, সেই যাচাইয়ের প্রক্রিয়া কী? এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই যাচাইয়ের কোনো বিবরণ নেই।

বিশ্ববাজারের পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য গতিপ্রকৃতি পর্যালোচনার কথা বলা হয়েছে, তবে প্রতিবেদনে সেই পরিস্থিতির কোনো নির্দিষ্ট বিবরণ দেওয়া হয়নি। বাজারদর, চাহিদা বা সরবরাহের কোনো সংখ্যা বা পূর্বাভাস এসপিএ-র এই প্রতিবেদনে নেই। শুধু সিদ্ধান্ত ও প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

তাহলে পাঠক হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে—উৎপাদন অপরিবর্তিত রাখার এই সিদ্ধান্ত ভোক্তা বা আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য কী ফল বয়ে আনবে? সরবরাহ স্থিতিশীল থাকলে দামও স্থিতিশীল থাকবে কি না, তা নির্ভর করে চাহিদার ওপর। আর সেই চাহিদার হিসাব প্রতি মাসের বৈঠকে পর্যালোচনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সাতটি দেশের মধ্যে সৌদি আরব, রাশিয়া, ইরাক, কুয়েত, কাজাখস্তান, আলজেরিয়া ও ওমান—এই তালিকা এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সাত দেশ ২০২৩ সালের এপ্রিল ও নভেম্বরে অতিরিক্ত স্বেচ্ছামূলক সমন্বয় ঘোষণা করেছিল বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

মাসিক বৈঠকের ধারাবাহিকতা মানে হলো, বাজার পরিস্থিতির যেকোনো পরিবর্তনে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ থাকছে। পরবর্তী বৈঠক ১ নভেম্বর ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত হবে। সেই বৈঠকে নভেম্বরের পরবর্তী সময়ের জন্য কী সিদ্ধান্ত হয়, সেদিকে নজর থাকবে বাজারের অংশীদারদের।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে উৎপাদন সারণির বিস্তারিত তথ্য, প্রতিটি দেশের কোটার পরিমাণ, বা সিদ্ধান্তের পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। শুধু সাতটি দেশের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত, ডিক্লারেশন অব কো-অপারেশনের প্রতি প্রতিশ্রুতি এবং পরবর্তী বৈঠকের তারিখ জানানো হয়েছে।

প্রশ্ন থেকে যায়, পূর্ণ সামঞ্জস্য অর্জনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা ব্যবস্থা আছে কি? এসপিএ-র প্রতিবেদনে সেই বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। শুধু সাতটি দেশের সম্মিলিত প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

সৌদি আরবসহ সাতটি দেশের এই ভার্চুয়াল বৈঠক ও তার সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে একটি নির্দিষ্ট বার্তা দেয়—উৎপাদন নীতি আপাতত অপরিবর্তিত থাকছে। তবে বাজারের গতিপ্রকৃতি প্রতি মাসে পর্যালোচনা করা হবে এবং প্রয়োজনে সমন্বয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সবশেষে বলা যায়, এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী সাতটি দেশ ৪ অক্টোবর ২০২৬-এ ভার্চুয়াল বৈঠকে মিলিত হয়, নভেম্বর ২০২৬-এর জন্য সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর প্রয়োজনীয় উৎপাদন বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেয়, ডিক্লারেশন অব কো-অপারেশনের প্রতি পূর্ণ সামঞ্জস্যের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে এবং ১ নভেম্বর ২০২৬-এ পরবর্তী বৈঠকের তারিখ ঘোষণা করে। প্রতিবেদনে উৎপাদনের নির্দিষ্ট পরিমাণ, বাজারদর বা সিদ্ধান্তের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

সাতটি ওপেক প্লাস দেশ কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে? সৌদি আরব, রাশিয়া, ইরাক, কুয়েত, কাজাখস্তান, আলজেরিয়া ও ওমান ৪ অক্টোবর ২০২৬-এ ভার্চুয়াল বৈঠকে নভেম্বর ২০২৬-এর জন্য সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর প্রয়োজনীয় উৎপাদন বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। এসপিএ জানিয়েছে, তারা ডিক্লারেশন অব কো-অপারেশনের সঙ্গে পূর্ণ সামঞ্জস্যের প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেছে।

এই সাত দেশ কেন আলাদাভাবে বৈঠক করে? এই সাতটি দেশ ২০২৩ সালের এপ্রিল ও নভেম্বরে অতিরিক্ত স্বেচ্ছামূলক সমন্বয় ঘোষণা করেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় তারা বিশ্ববাজারের পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য গতিপ্রকৃতি পর্যালোচনা করতে ভার্চুয়াল বৈঠকে মিলিত হয়। এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সাত দেশ ওপেক প্লাস কাঠামোর মধ্যে আলাদাভাবে সমন্বয় করে আসছে।

পরবর্তী বৈঠক কবে হবে? এসপিএ জানিয়েছে, সাতটি দেশ প্রতি মাসে বৈঠক চালিয়ে যাবে এবং পরবর্তী বৈঠক ১ নভেম্বর ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে বাজারের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে। প্রতিবেদনে অবশ্য পরবর্তী বৈঠকের আলোচ্যসূচি বা সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি।

ডিক্লারেশন অব কো-অপারেশন কী? ডিক্লারেশন অব কো-অপারেশন হলো ওপেক প্লাস কাঠামোর মূল ভিত্তি, যেখানে সদস্য দেশগুলো উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ও বাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমন্বয় করে। এসপিএ জানিয়েছে, সাতটি দেশ এই ডিক্লারেশনের সঙ্গে পূর্ণ সামঞ্জস্য অর্জনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। তবে পূর্ণ সামঞ্জস্য বলতে কী বোঝানো হয়েছে, প্রতিবেদনে তার বিস্তারিত নেই।

উৎপাদন বহাল রাখার সিদ্ধান্তের অর্থ কী? এর অর্থ হলো, সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর প্রয়োজনীয় উৎপাদনের মাত্রা নভেম্বর ২০২৬-এও অপরিবর্তিত থাকবে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর উৎপাদনের সারণির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা নভেম্বর ২০২৬-এর জন্য প্রযোজ্য। প্রতিবেদনে অবশ্য উৎপাদনের নির্দিষ্ট পরিমাণ বা ব্যারেল-সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।

প্রতিবেদনে কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্রতিটি দেশের আলাদা উৎপাদন কোটার পরিমাণ, বাজারদর, বা সিদ্ধান্তের পেছনে নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি। শুধু সাতটি দেশের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত, ডিক্লারেশন অব কো-অপারেশনের প্রতি প্রতিশ্রুতি এবং পরবর্তী বৈঠকের তারিখ জানানো হয়েছে। বৈঠকটি ৪ অক্টোবর ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত হয়।