Saturday, October 31, 2026
অর্থনীতি

মধ্যপ্রাচ্য পোল্ট্রি এক্সপো ২০২৬ রিয়াদে শুরু, ২৫৭ কোটি রিয়ালের চুক্তি স্বাক্ষর

মধ্যপ্রাচ্য পোল্ট্রি এক্সপো ২০২৬ রিয়াদে শুরু, ২৫৭ কোটি রিয়ালের চুক্তি স্বাক্ষর

রিয়াদ আন্তর্জাতিক কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে রোববার পঞ্চম মধ্যপ্রাচ্য পোল্ট্রি এক্সপো উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধন করেন পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রী আবদুররহমান আলফাদলি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি ২৭টি চুক্তি স্বাক্ষর প্রত্যক্ষ করেন, যার মোট মূল্য ২.৫৭৪ বিলিয়ন রিয়ালের বেশি।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, এই চুক্তিগুলোর লক্ষ্য পোল্ট্রি খাতের উন্নয়ন, উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি, সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালীকরণ এবং বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ, যা সৌদি আরবের খাদ্য নিরাপত্তাকে আরও সমর্থন করবে।

এক্সপোতে সরকারি সংস্থা, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি, বিনিয়োগকারী ও শিল্প বিশেষজ্ঞরা একত্র হয়েছেন। ৪৫টি দেশের ৪০০টিরও বেশি কোম্পানি ও প্রদর্শক এতে অংশ নিচ্ছে। এই উপস্থিতি কি মধ্যপ্রাচ্যের পোল্ট্রি বাজারে সৌদি আরবের অবস্থানকে নতুনভাবে চিহ্নিত করবে না?

মন্ত্রী এক্সপোর প্যাভিলিয়ন পরিদর্শনকালে পোল্ট্রি পালন ও উৎপাদন, ফিড উৎপাদন, প্রাণী স্বাস্থ্য, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেজিংয়ের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও সমাধান পর্যালোচনা করেন। পণ্যের গুণমান ও দক্ষতা উন্নয়নে এসব সমাধানের ভূমিকা সম্পর্কে তিনি ব্রিফিং গ্রহণ করেন।

এক্সপোতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয় পোল্ট্রি খাতের উন্নয়ন, উৎপাদক ও বিনিয়োগকারীদের ক্ষমতায়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তি ও টেকসই চর্চা গ্রহণে উৎসাহ দেওয়ার তার প্রধান উদ্যোগগুলো প্রদর্শন করছে। খাতের প্রবৃদ্ধিকে সমর্থন করে এমন সেবা ও কর্মসূচিও তুলে ধরছে।

এক্সপোটি একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে, যা বিনিয়োগকারী, উৎপাদক, সরবরাহকারী, শিল্প বিশেষজ্ঞ ও বৈশ্বিক কোম্পানিগুলোকে এক ছাদের নিচে একত্র করে। এটি তাদের সৌদি ও আঞ্চলিক বাজারের সঙ্গে সংযুক্ত করে, অংশগ্রহণকারীদের পোল্ট্রি খাতের উন্নয়ন ও চাহিদা সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টি অর্জন, বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক সুযোগ অন্বেষণ এবং অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুযোগ দেয়।

২৭টি চুক্তির মোট মূল্য ২.৫৭৪ বিলিয়ন রিয়াল ছাড়িয়ে যাওয়া এই পরিসংখ্যান কি প্রমাণ করে না যে সৌদি পোল্ট্রি খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ক্রমে বাড়ছে? এসপিএ জানিয়েছে, চুক্তিগুলো পোল্ট্রি খাতের উন্নয়ন, উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি, সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালীকরণ এবং বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে। এসব লক্ষ্যের প্রতিটি খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

৪৫টি দেশের ৪০০টিরও বেশি কোম্পানি ও প্রদর্শকের উপস্থিতি এই এক্সপোকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণের একটি কেন্দ্রে পরিণত করেছে। সরকারি সংস্থা, বেসরকারি প্রতিনিধি, বিনিয়োগকারী ও শিল্প বিশেষজ্ঞদের এই সমাবেশ কি সৌদি আরবকে পোল্ট্রি খাতে আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে নিচ্ছে না?

মন্ত্রী তার সফরকালে পোল্ট্রি পালন ও উৎপাদন, ফিড উৎপাদন, প্রাণী স্বাস্থ্য, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং প্যাকেজিংয়ের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও সমাধান পর্যালোচনা করেন। এসব সমাধান কীভাবে পণ্যের গুণমান ও দক্ষতা উন্নয়নে ভূমিকা রাখে, সে বিষয়ে তিনি ব্রিফিং গ্রহণ করেন। প্রযুক্তি গ্রহণের এই প্রবণতা কি খাতের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সহায়ক হবে না?

পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয় এক্সপোতে তার প্রধান উদ্যোগগুলো প্রদর্শন করছে। এর মধ্যে রয়েছে পোল্ট্রি খাতের উন্নয়ন, উৎপাদক ও বিনিয়োগকারীদের ক্ষমতায়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তি ও টেকসই চর্চা গ্রহণে উৎসাহ দেওয়া। মন্ত্রণালয় খাতের প্রবৃদ্ধিকে সমর্থন করে এমন সেবা ও কর্মসূচিও তুলে ধরছে।

এক্সপোটি বিনিয়োগকারী, উৎপাদক, সরবরাহকারী, শিল্প বিশেষজ্ঞ ও বৈশ্বিক কোম্পানিগুলোকে এক ছাদের নিচে একত্র করে। এই প্ল্যাটফর্ম তাদের সৌদি ও আঞ্চলিক বাজারের সঙ্গে সংযুক্ত করে। অংশগ্রহণকারীরা এখানে পোল্ট্রি খাতের উন্নয়ন ও চাহিদা সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টি অর্জন, বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক সুযোগ অন্বেষণ এবং অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুযোগ পান। এই সংযোগ কি দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বের ভিত্তি তৈরি করবে না?

সৌদি আরবের খাদ্য নিরাপত্তা লক্ষ্যের সঙ্গে পোল্ট্রি খাতের সম্প্রসারণ ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। চুক্তিগুলোর লক্ষ্যের মধ্যে সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালীকরণ ও উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি উল্লেখযোগ্য। স্থানীয় উৎপাদন বাড়লে আমদানির ওপর নির্ভরতা কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়। এই লক্ষ্য অর্জনে বেসরকারি বিনিয়োগ কতটা ভূমিকা রাখতে পারবে?

পঞ্চম সংস্করণে পৌঁছানো এই এক্সপো আগের চারটি আয়োজনের ধারাবাহিকতায় দাঁড়িয়ে আছে। প্রতি সংস্করণে অংশগ্রহণকারী দেশ ও কোম্পানির সংখ্যা এবং স্বাক্ষরিত চুক্তির পরিমাণ খাতের গতিপথ সম্পর্কে ধারণা দেয়। এই ধারাবাহিকতা কি সৌদি পোল্ট্রি খাতের সংগঠিত সম্প্রসারণের সংকেত দিচ্ছে না?

এসপিএ জানিয়েছে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ২৭টি চুক্তি স্বাক্ষর প্রত্যক্ষ করেন। চুক্তিগুলোর মোট মূল্য ২.৫৭৪ বিলিয়ন রিয়ালের বেশি। এসপিএ আরও জানিয়েছে, এক্সপোতে ৪৫টি দেশের ৪০০টিরও বেশি কোম্পানি ও প্রদর্শক অংশ নিচ্ছে।

মন্ত্রী প্যাভিলিয়ন পরিদর্শনকালে পোল্ট্রি পালন, উৎপাদন, ফিড উৎপাদন, প্রাণী স্বাস্থ্য, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেজিংয়ের প্রযুক্তি ও সমাধান দেখেন। এসব সমাধানের ভূমিকা সম্পর্কে তিনি ব্রিফিং গ্রহণ করেন। প্রযুক্তি ও টেকসই চর্চার সমন্বয় কি খাতের ভবিষ্যৎ গঠনে নির্ধারক হবে না?

মন্ত্রণালয়ের প্রদর্শনীতে পোল্ট্রি খাতের উন্নয়ন, উৎপাদক ও বিনিয়োগকারীদের ক্ষমতায়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তি ও টেকসই চর্চা গ্রহণে উৎসাহ দেওয়ার উদ্যোগ স্থান পেয়েছে। খাতের প্রবৃদ্ধিকে সমর্থন করে এমন সেবা ও কর্মসূচিও এতে রয়েছে। এই উদ্যোগগুলো কি ছোট ও মাঝারি উৎপাদকদের জন্য সুযোগ তৈরি করবে?

এক্সপোর আন্তর্জাতিক চরিত্র অংশগ্রহণকারীদের সৌদি ও আঞ্চলিক বাজারের সঙ্গে সংযুক্ত করে। বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক সুযোগ অন্বেষণ এবং অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুযোগ এখানে তৈরি হয়। এই প্ল্যাটফর্ম কি আঞ্চলিক বাণিজ্য প্রবাহে নতুন গতির সঞ্চার করবে না?

এসপিএ প্রতিবেদনে চুক্তিগুলোর পক্ষগুলোর নাম, চুক্তির মেয়াদ, বাস্তবায়নের সময়সীমা বা নির্দিষ্ট প্রকল্পের বিবরণ দেয়নি। এক্সপোর সমাপ্তির তারিখ বা পরবর্তী সংস্করণের সময়সূচিও প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই। চুক্তির অর্থায়নের উৎস বা বিনিয়োগের ধরন সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

এক্সপোটি রিয়াদ আন্তর্জাতিক কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উদ্বোধনী দিনেই ২৭টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এসপিএ জানিয়েছে, চুক্তিগুলোর লক্ষ্য পোল্ট্রি খাতের উন্নয়ন, উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি, সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালীকরণ এবং বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ।

খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গে পোল্ট্রি খাতের সম্পর্ক সরাসরি। উৎপাদন দক্ষতা ও সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালী হলে খাদ্য সরবরাহে স্থিতিশীলতা আসে। বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ এই লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক ভূমিকা রাখে। এই সমন্বয় কি সৌদি আরবের খাদ্য নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও দৃঢ় করবে না?

৪৫টি দেশের অংশগ্রহণ এক্সপোকে বৈশ্বিক মঞ্চে পরিণত করেছে। ৪০০টিরও বেশি কোম্পানি ও প্রদর্শক তাদের প্রযুক্তি ও সমাধান উপস্থাপন করছে। এই বৈচিত্র্য কি সৌদি বাজারে নতুন প্রযুক্তি প্রবেশের গতি বাড়াবে না?

এসপিএ জানিয়েছে, মন্ত্রী এক্সপোর প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করেন এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও সমাধান পর্যালোচনা করেন। তিনি এসব সমাধানের ভূমিকা সম্পর্কে ব্রিফিং গ্রহণ করেন। মন্ত্রণালয়ের অংশগ্রহণ খাতের উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন ও আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণে উৎসাহ দেওয়ার উদ্যোগ তুলে ধরে।

চুক্তির সংখ্যা ২৭ এবং মূল্য ২.৫৭৪ বিলিয়ন রিয়ালের বেশি—এই দুটি তথ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সবচেয়ে স্পষ্ট পরিমাপ। এসপিএ প্রতিবেদনে এসব চুক্তির পক্ষ, প্রকল্প বা অর্থায়ন সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। ভবিষ্যতে এসব চুক্তির বাস্তবায়ন অগ্রগতি সম্পর্কে আরও তথ্য প্রকাশিত হলে খাতের প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে।

মধ্যপ্রাচ্য পোল্ট্রি এক্সপো ২০২৬ কোথায় এবং কে উদ্বোধন করেছেন? রিয়াদ আন্তর্জাতিক কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে রোববার পঞ্চম সংস্করণের এক্সপো উদ্বোধন করেন পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রী আবদুররহমান আলফাদলি। এসপিএ জানিয়েছে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি ২৭টি চুক্তি স্বাক্ষর প্রত্যক্ষ করেন, যার মোট মূল্য ২.৫৭৪ বিলিয়ন রিয়ালের বেশি। এক্সপোতে ৪৫টি দেশের ৪০০টিরও বেশি কোম্পানি ও প্রদর্শক অংশ নিচ্ছে।

স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলোর লক্ষ্য কী? এসপিএ জানিয়েছে, চুক্তিগুলোর লক্ষ্য পোল্ট্রি খাতের উন্নয়ন, উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি, সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালীকরণ এবং বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ। এসব লক্ষ্য সৌদি আরবের খাদ্য নিরাপত্তাকে আরও সমর্থন করে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ২৭টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার মোট মূল্য ২.৫৭৪ বিলিয়ন রিয়ালের বেশি।

মন্ত্রী প্যাভিলিয়ন পরিদর্শনকালে কী দেখেছেন? মন্ত্রী পোল্ট্রি পালন ও উৎপাদন, ফিড উৎপাদন, প্রাণী স্বাস্থ্য, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং প্যাকেজিংয়ের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও সমাধান পর্যালোচনা করেন। এসপিএ জানিয়েছে, পণ্যের গুণমান ও দক্ষতা উন্নয়নে এসব সমাধানের ভূমিকা সম্পর্কে তিনি ব্রিফিং গ্রহণ করেন। এক্সপোতে ৪৫টি দেশের ৪০০টিরও বেশি কোম্পানি ও প্রদর্শক অংশ নিচ্ছে।

মন্ত্রণালয় এক্সপোতে কী প্রদর্শন করছে? পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয় পোল্ট্রি খাতের উন্নয়ন, উৎপাদক ও বিনিয়োগকারীদের ক্ষমতায়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তি ও টেকসই চর্চা গ্রহণে উৎসাহ দেওয়ার উদ্যোগ প্রদর্শন করছে। এসপিএ জানিয়েছে, খাতের প্রবৃদ্ধিকে সমর্থন করে এমন সেবা ও কর্মসূচিও মন্ত্রণালয় তুলে ধরছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ২৭টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এক্সপোটি অংশগ্রহণকারীদের কী সুযোগ দেয়? এক্সপোটি বিনিয়োগকারী, উৎপাদক, সরবরাহকারী, শিল্প বিশেষজ্ঞ ও বৈশ্বিক কোম্পানিগুলোকে এক ছাদের নিচে একত্র করে এবং সৌদি ও আঞ্চলিক বাজারের সঙ্গে সংযুক্ত করে। এসপিএ জানিয়েছে, অংশগ্রহণকারীরা পোল্ট্রি খাতের উন্নয়ন ও চাহিদা সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টি অর্জন, বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক সুযোগ অন্বেষণ এবং অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুযোগ পান। এক্সপোতে ৪৫টি দেশের ৪০০টিরও বেশি কোম্পানি অংশ নিচ্ছে।

এসপিএ প্রতিবেদনে কোন তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ প্রতিবেদনে চুক্তিগুলোর পক্ষগুলোর নাম, চুক্তির মেয়াদ, বাস্তবায়নের সময়সীমা বা নির্দিষ্ট প্রকল্পের বিবরণ দেওয়া হয়নি। এক্সপোর সমাপ্তির তারিখ বা পরবর্তী সংস্করণের সময়সূচিও উল্লেখ নেই। চুক্তির অর্থায়নের উৎস বা বিনিয়োগের ধরন সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে শুধু ২৭টি চুক্তি ও ২.৫৭৪ বিলিয়ন রিয়ালের বেশি মূল্যের কথা বলা হয়েছে।