রোমে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) আয়োজিত বন কমিটির ২৮তম অধিবেশনে (COFO28) সৌদি আরব তার অংশগ্রহণ শেষ করেছে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত রোমে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করেছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর ভেজিটেশন কভার ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কমবেটিং ডেজার্টিফিকেশন (NCVC)।
এই অধিবেশনটি ১০তম বিশ্ব বন সপ্তাহের সাথে একসাথে অনুষ্ঠিত হয়, যার প্রতিপাদ্য ছিল “Forests for Food, Resilience, and Prosperity”। সৌদি আরব এই ফোরামে তার ভূমিকা তুলে ধরে এবং শুষ্ক ও অতিশুষ্ক পরিবেশে বনভূমির সম্মুখীন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনায় অবদান রাখে।
সৌদি আরব নিয়ার ইস্ট ফরেস্ট্রি অ্যান্ড রেঞ্জ কমিশনের সভাপতিত্বের কথা তুলে ধরে, যা সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে আগস্ট ২০২৭ পর্যন্ত চলবে। এই সভাপতিত্বের মাধ্যমে সৌদি আরব আন্তর্জাতিক সংলাপ প্ল্যাটফর্মে অঞ্চলের অগ্রাধিকার ও প্রয়োজনীয়তা পৌঁছে দিতে সহায়তা করছে।
NCVC প্রতিনিধিদল বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করে। এই বৈঠকগুলোতে ভূমি ও শুষ্ক বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বন ও তৃণভূমি ব্যবস্থাপনা, পানি সংগ্রহ, আধুনিক প্রযুক্তি, ইকোট্যুরিজম এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়ে আলোচনা হয়।
সৌদি আরবের এই অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক বন ফোরামে তার উপস্থিতি জোরদার করার এবং ভূমি ক্ষয় ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বৈশ্বিক প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার প্রতিফলন। দেশটি টেকসই বন ব্যবস্থাপনা ও বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এবং মরুকরণ মোকাবিলা ও বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টার কথা জানায়।
বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বনভূমি সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে সৌদি আরবের এই ধরনের আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা কীভাবে ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে? শুষ্ক অঞ্চলে বন ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সৌদি আরবের অভিজ্ঞতা অন্য দেশগুলোর জন্য কী শিক্ষা বহন করে? আন্তর্জাতিক ফোরামে সৌদি আরবের সভাপতিত্ব কীভাবে অঞ্চলের চাহিদাগুলোকে বিশ্ব মঞ্চে তুলে ধরতে সহায়তা করছে? জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ভূমি ক্ষয় মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কতটা কার্যকর হতে পারে? আধুনিক প্রযুক্তি ও পানি সংগ্রহ পদ্ধতি কীভাবে শুষ্ক অঞ্চলের বনায়নকে টেকসই করতে পারে? ইকোট্যুরিজম ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সৌদি আরবের অভিজ্ঞতা বিনিময় কীভাবে আরও গভীরতর হতে পারে? এই ধরনের আন্তর্জাতিক সংলাপ কীভাবে মরুকরণ মোকাবিলায় বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারে?
সৌদি আরবের এই অংশগ্রহণ শুধু একটি আনুষ্ঠানিক উপস্থিতি নয়, বরং শুষ্ক ও অতিশুষ্ক পরিবেশে বনভূমির টেকসই ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে তার দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতির প্রকাশ। NCVC-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার সাথে যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকগুলো করেছে, সেগুলোতে ভূমি ও শুষ্ক বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বন ও তৃণভূমি ব্যবস্থাপনা, পানি সংগ্রহ, আধুনিক প্রযুক্তি, ইকোট্যুরিজম এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উঠে এসেছে।
সৌদি আরব নিয়ার ইস্ট ফরেস্ট্রি অ্যান্ড রেঞ্জ কমিশনের সভাপতিত্ব করছে সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে আগস্ট ২০২৭ পর্যন্ত। এই সভাপতিত্বের মাধ্যমে দেশটি অঞ্চলের অগ্রাধিকার ও প্রয়োজনীয়তাগুলো আন্তর্জাতিক সংলাপ প্ল্যাটফর্মে পৌঁছে দিতে সহায়তা করছে। এই ভূমিকা শুধু সৌদি আরবের জন্যই নয়, বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ শুষ্ক ও অতিশুষ্ক পরিবেশে বনভূমি সংরক্ষণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
COFO28-এ সৌদি আরবের অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক বন ফোরামে তার উপস্থিতি জোরদার করার পাশাপাশি ভূমি ক্ষয় ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বৈশ্বিক প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার প্রতিফলন। দেশটি টেকসই বন ব্যবস্থাপনা ও বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এবং মরুকরণ মোকাবিলা ও বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টার কথা জানায়।
১০তম বিশ্ব বন সপ্তাহের সাথে একসাথে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে “Forests for Food, Resilience, and Prosperity” প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। এই প্রতিপাদ্য বনভূমির বহুমুখী ভূমিকা তুলে ধরে—খাদ্য নিরাপত্তা, স্থিতিস্থাপকতা এবং সমৃদ্ধি। শুষ্ক অঞ্চলে বনভূমি কীভাবে খাদ্য নিরাপত্তা ও জীবিকা নির্বাহে অবদান রাখতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা এই ফোরামে গুরুত্ব পেয়েছে।
সৌদি আরবের প্রতিনিধিদল বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকগুলো করেছে, সেগুলোতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনাও অন্বেষণ করা হয়েছে। ভূমি ও শুষ্ক বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বন ও তৃণভূমি ব্যবস্থাপনা, পানি সংগ্রহ, আধুনিক প্রযুক্তি, ইকোট্যুরিজম এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির মতো ক্ষেত্রগুলোতে এই সহযোগিতা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় শুষ্ক অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য বনভূমি সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার অত্যন্ত জরুরি। সৌদি আরব এই ক্ষেত্রে তার অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে ভাগ করে নিচ্ছে, যা অন্যান্য দেশের জন্যও সহায়ক হতে পারে। আন্তর্জাতিক বন ফোরামে সৌদি আরবের সক্রিয় অংশগ্রহণ ভবিষ্যতে আরও গভীর সহযোগিতার পথ প্রশস্ত করতে পারে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, এই প্রতিবেদনে মূল্য, ক্ষমতা বা ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি।
COFO28-এ সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব কে করেছে? সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করেছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর ভেজিটেশন কভার ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কমবেটিং ডেজার্টিফিকেশন (NCVC)। এসপিএ জানিয়েছে, ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত রোমে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে তারা অংশ নেয়। প্রতিনিধিদলটি শুষ্ক ও অতিশুষ্ক পরিবেশে বনভূমির চ্যালেঞ্জ নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনায় অবদান রাখে।
সৌদি আরব কোন আন্তর্জাতিক কমিশনের সভাপতিত্ব করছে? সৌদি আরব নিয়ার ইস্ট ফরেস্ট্রি অ্যান্ড রেঞ্জ কমিশনের সভাপতিত্ব করছে সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে আগস্ট ২০২৭ পর্যন্ত। এই সভাপতিত্বের মাধ্যমে দেশটি আন্তর্জাতিক সংলাপ প্ল্যাটফর্মে অঞ্চলের অগ্রাধিকার ও প্রয়োজনীয়তা পৌঁছে দিতে সহায়তা করছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই ভূমিকা শুষ্ক অঞ্চলের বন ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
COFO28-এর প্রতিপাদ্য কী ছিল? COFO28-এর সাথে ১০তম বিশ্ব বন সপ্তাহ অনুষ্ঠিত হয়, যার প্রতিপাদ্য ছিল “Forests for Food, Resilience, and Prosperity”। এই প্রতিপাদ্য বনভূমির বহুমুখী ভূমিকা তুলে ধরে—খাদ্য নিরাপত্তা, স্থিতিস্থাপকতা এবং সমৃদ্ধি। সৌদি আরব এই ফোরামে শুষ্ক পরিবেশে বনভূমির সম্মুখীন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনায় অংশ নেয়।
NCVC প্রতিনিধিদল কী ধরনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছে? NCVC প্রতিনিধিদল বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছে। এই বৈঠকগুলোতে ভূমি ও শুষ্ক বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বন ও তৃণভূমি ব্যবস্থাপনা, পানি সংগ্রহ, আধুনিক প্রযুক্তি, ইকোট্যুরিজম এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের আলোচনা হয়। এসপিএ জানিয়েছে, এই বৈঠকগুলো ভবিষ্যৎ সহযোগিতার পথ প্রশস্ত করতে পারে।
সৌদি আরবের এই অংশগ্রহণের মূল উদ্দেশ্য কী? সৌদি আরবের এই অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক বন ফোরামে তার উপস্থিতি জোরদার করা এবং ভূমি ক্ষয় ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বৈশ্বিক প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার লক্ষ্যে। দেশটি টেকসই বন ব্যবস্থাপনা ও বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এবং মরুকরণ মোকাবিলা ও বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টার কথা জানায়। এসপিএ জানিয়েছে, এই অংশগ্রহণ সৌদি আরবের আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।





