Saturday, October 31, 2026
সৌদি সংবাদ

ফিলিস্তিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গাজায় ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়েছে

ফিলিস্তিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গাজায় ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়েছে

গাজা উপত্যকায় একটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টে আজ ভোরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে চারজন নারী, এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে চলমান গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের অংশ।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, অধিকৃত জেরুজালেম থেকে ৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে এই বিবৃতি দেওয়া হয়। মন্ত্রণালয় বলেছে, এই আগ্রাসন এবং যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে ইসরায়েলের অব্যাহত অস্বীকৃতি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা মেনে না নেওয়া, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজোলিউশন ২৮০৩ মেনে না চলা এবং চলমান দুর্ভিক্ষ ও দুর্দশা সত্ত্বেও মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধা দেওয়া—এসবই ইসরায়েলের গণহত্যা ও ফিলিস্তিনি জনগণকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার অভিপ্রায় নিশ্চিত করে।

এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে জবাবদিহিতার প্রক্রিয়া সক্রিয় করার আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। প্রশ্ন হলো, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কি অবশেষে জবাবদিহিতার প্রক্রিয়া সক্রিয় করবে, নাকি শুধু নিন্দা ও বিবৃতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে?

মন্ত্রণালয় সব ধরনের শাস্তিহীনতার অবসান ঘটানো এবং ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। এই আহ্বান কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করছে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের রাজনৈতিক ইচ্ছার উপর।

মন্ত্রণালয় আরও দাবি করেছে, আগ্রাসনের একটি ব্যাপক ও টেকসই বন্ধ, গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, মানবিক সহায়তার অবাধ প্রবেশ এবং পুনরুদ্ধার ও পুনর্নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে হবে। প্রশ্ন হলো, গাজায় দুর্ভিক্ষ ও দুর্দশার মধ্যে মানবিক সহায়তা অবাধে প্রবেশ করতে না দেওয়ার পেছনে কোন যুক্তি থাকতে পারে?

মন্ত্রণালয়ের মতে, এই পদক্ষেপগুলো শেষ পর্যন্ত ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের অবৈধ দখলের অবসান, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার বাস্তবায়নের দিকে নিয়ে যাওয়া উচিত।

এসপিএ জানিয়েছে, হামলাটি আজ ভোরে একটি আবাসিক ভবনে চালানো হয়। নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন নারী ছিলেন এবং আহতদের সংখ্যা তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই হামলা ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে চলমান গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের ধারাবাহিকতার অংশ। প্রশ্ন হলো, বেসামরিক আবাসিক ভবনে হামলা চালিয়ে নারীসহ বেসামরিক নাগরিক হত্যার ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের কোন বিধানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ?

বিবৃতিতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে, তারা যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হচ্ছে না এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা মানছে না। প্রশ্ন হলো, শান্তি পরিকল্পনা ও নিরাপত্তা পরিষদের রেজোলিউশন মানতে অস্বীকৃতি জানানোর অর্থ কী—এটি কি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সিদ্ধান্তকে প্রত্যাখ্যান করার সমান নয়?

মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, ইসরায়েল জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজোলিউশন ২৮০৩ মেনে চলছে না। এই রেজোলিউশন বাস্তবায়নে বাধা দেওয়ার পরিণতি কী হওয়া উচিত, সে প্রশ্নও উঠছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, চলমান দুর্ভিক্ষ ও দুর্দশা সত্ত্বেও ইসরায়েল মানবিক সহায়তা প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। প্রশ্ন হলো, দুর্ভিক্ষের মুখে মানবিক সহায়তা আটকে রাখা কি যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত নয়?

মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব ঘটনা ইসরায়েলের গণহত্যা ও ফিলিস্তিনি জনগণকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার অভিপ্রায় নিশ্চিত করে।

এই পরিস্থিতিতে মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন জবাবদিহিতার প্রক্রিয়া সক্রিয় করে, সব ধরনের শাস্তিহীনতার অবসান ঘটায় এবং ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে। প্রশ্ন হলো, শাস্তিহীনতার অবসান না হলে ভবিষ্যতে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার নিশ্চয়তা কোথায়?

মন্ত্রণালয় আগ্রাসনের একটি ব্যাপক ও টেকসই বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, মানবিক সহায়তার অবাধ প্রবেশ এবং পুনরুদ্ধার ও পুনর্নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি সৃষ্টির দাবি জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের মতে, এই পদক্ষেপগুলো শেষ পর্যন্ত ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের অবৈধ দখলের অবসান ঘটাবে, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করবে এবং ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার নিশ্চিত করবে। প্রশ্ন হলো, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার পথে সবচেয়ে বড় বাধা কী—দখল, নাকি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষ্ক্রিয়তা?

এসপিএ জানিয়েছে, বিবৃতিটি অধিকৃত জেরুজালেম থেকে ৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে দেওয়া হয় এবং স্থানীয় সময় ১৬:৩৯ মিনিটে (জিএমটি ১৩:৩৯) প্রকাশিত হয়।

এসপিএর প্রতিবেদনে আহতদের সংখ্যা, হামলার সময় ব্যবহৃত অস্ত্রের ধরন, হতাহতদের পরিচয় বা হামলার দায় স্বীকারের বিষয়ে কোনো অতিরিক্ত তথ্য দেওয়া হয়নি। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে হামলার স্থান বা সময় সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

হামলায় কতজন নিহত ও আহত হয়েছেন? গাজা উপত্যকায় একটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টে আজ ভোরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে চারজন নারী। এসপিএ জানিয়েছে, আরও অনেকে আহত হয়েছেন। মন্ত্রণালয় এই হামলাকে ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে চলমান গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের অংশ বলে অভিহিত করেছে। আহতদের সংখ্যা বা পরিচয় এসপিএর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

ফিলিস্তিন মন্ত্রণালয় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ করেছে? মন্ত্রণালয় বলেছে, ইসরায়েল যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হচ্ছে না, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা মানছে না এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজোলিউশন ২৮০৩ মেনে চলছে না। এছাড়া চলমান দুর্ভিক্ষ ও দুর্দশা সত্ত্বেও মানবিক সহায়তা প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। মন্ত্রণালয়ের মতে, এসব ইসরায়েলের গণহত্যা ও ফিলিস্তিনি জনগণকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার অভিপ্রায় নিশ্চিত করে।

মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে কী দাবি জানিয়েছে? মন্ত্রণালয় জবাবদিহিতার প্রক্রিয়া সক্রিয় করার, সব ধরনের শাস্তিহীনতার অবসান ঘটানোর এবং ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি আগ্রাসনের ব্যাপক ও টেকসই বন্ধ, গাজা থেকে ইসরায়েলের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, মানবিক সহায়তার অবাধ প্রবেশ এবং পুনরুদ্ধার ও পুনর্নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি সৃষ্টির দাবি জানিয়েছে। এসপিএ এই দাবিগুলো নিশ্চিত করেছে।

মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত লক্ষ্য কী? মন্ত্রণালয়ের মতে, এসব পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের অবৈধ দখলের অবসান ঘটাবে, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করবে এবং ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার নিশ্চিত করবে। এসপিএ জানিয়েছে, বিবৃতিতে এই লক্ষ্যগুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় এসব লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করছে।

বিবৃতিটি কখন ও কোথা থেকে দেওয়া হয়? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, বিবৃতিটি অধিকৃত জেরুজালেম থেকে ৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে দেওয়া হয়। প্রতিবেদনটি স্থানীয় সময় ১৬:৩৯ মিনিটে এবং জিএমটি ১৩:৩৯ মিনিটে প্রকাশিত হয়। এসপিএর প্রতিবেদনে আহতদের সংখ্যা, হামলার সময় ব্যবহৃত অস্ত্রের ধরন বা হতাহতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনো অতিরিক্ত তথ্য দেওয়া হয়নি।