Sunday, November 1, 2026
সাধারণ

সৌদি আবহাওয়া কেন্দ্র: জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা ও মদিনায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

সৌদি আবহাওয়া কেন্দ্র: জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা ও মদিনায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা ও মদিনা অঞ্চলের কিছু অংশে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে এবং বৃষ্টির সঙ্গে শিলাপাতও পড়তে পারে বলে জানিয়েছে জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র। শুক্রবারের এই পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এসব অঞ্চলের কিছু অংশে কুয়াশাও তৈরি হতে পারে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, একই সঙ্গে পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায়ও কুয়াশা জমতে পারে। অর্থাৎ যারা ভোরের দিকে সড়কে নামবেন বা উপকূল ঘেঁষে যাবেন, তাদের জন্য দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তাহলে শুক্রবারের দিনটি কি সৌদি আরবের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের জন্য বৃষ্টির দিন হিসেবেই কাটবে? জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের পূর্বাভাস বলছে, জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা ও মদিনা—এই পাঁচ অঞ্চলের কিছু অংশে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে শিলাপাত পড়ার কথাও বলা হয়েছে। শিলাপাত মানে কেবল ভেজা রাস্তা নয়, খোলা আকাশের নিচে থাকা মানুষ ও সম্পদের জন্যও বাড়তি ঝুঁকি।

একই পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এসব অঞ্চলের কিছু অংশে কুয়াশা তৈরি হতে পারে। কুয়াশা সাধারণত বৃষ্টির পর বা বৃষ্টির ফাঁকে জমে, আর তখন সড়কপথে দৃশ্যমানতা কমে যায়। পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকাতেও কুয়াশার কথা বলা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় কুয়াশা জমলে সমুদ্রপথে চলাচল ও বন্দর-সংলগ্ন সড়কে যাতায়াত—দুটোই প্রভাবিত হতে পারে।

অন্যদিকে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে তাবুক, আল-জউফ, হাইল, কাসিম, উত্তর সীমান্ত ও পূর্বাঞ্চলের কিছু অংশে। এই অঞ্চলগুলোর জন্য বৃষ্টির তীব্রতা তুলনামূলক কম, তবে বৃষ্টি মানেই রাস্তা ভেজা ও পিচ্ছিল। আর এসব অঞ্চলের কিছু অংশে ধুলাবাহী বাতাস বইবে। একই সঙ্গে রিয়াদ অঞ্চলের কিছু অংশেও ধুলাবাহী বাতাসের কথা বলা হয়েছে।

ধুলাবাহী বাতাস মানে কী? এর মানে হলো বাতাসের সঙ্গে বালি ও ধুলিকণা উড়ে আসবে, যা দৃশ্যমানতা কমাতে পারে এবং শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা থাকা মানুষের জন্য অস্বস্তির কারণ হতে পারে। বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকা অঞ্চলে ধুলাবাহী বাতাস একসঙ্গে থাকলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে—কোথাও বৃষ্টি, কোথাও ধুলো।

লোহিত সাগরে বাতাসের গতি ও দিক নিয়েও পূর্বাভাস দিয়েছে জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র। বলা হয়েছে, লোহিত সাগরে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে পশ্চিম দিকে ১২ থেকে ৩৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে বইবে। এছাড়া উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ১২ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে এবং উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে বাতাস বইবে।

লোহিত সাগরে ঢেউয়ের উচ্চতা আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি পর্যন্ত হতে পারে। সমুদ্র শান্ত থেকে উত্তাল থাকবে। তাহলে লোহিত সাগরে যারা নৌযানে বা জাহাজে চলাচল করবেন, তাদের কি বাড়তি সতর্কতা নেওয়া উচিত নয়? ঢেউ দুই মিটারের বেশি হলে ছোট নৌকার জন্য তা কম ঝুঁকির নয়।

আরব সাগর বা পারস্য উপসাগরের ক্ষেত্রে পূর্বাভাস কিছুটা ভিন্ন। পারস্য উপসাগরে বাতাস দক্ষিণ থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ১২ থেকে ৩৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে বইবে। এছাড়া পূর্ব থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ১০ থেকে ৩৩ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে বাতাস বইবে। পারস্য উপসাগরে ঢেউ আধা মিটার থেকে দেড় মিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে এবং সমুদ্র তুলনামূলকভাবে শান্ত থাকবে।

লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরের মধ্যে এই পার্থক্য কেন? কারণ বাতাসের গতিবেগ ও ঢেউয়ের উচ্চতা দুই জায়গায় আলাদা। লোহিত সাগরে বাতাসের সর্বোচ্চ গতি ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা পর্যন্ত, আর পারস্য উপসাগরে তা ৩৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। ঢেউয়ের উচ্চতাও লোহিত সাগরে দুই মিটারের বেশি, পারস্য উপসাগরে দেড় মিটার পর্যন্ত।

জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের এই পূর্বাভাস শুক্রবারের জন্য। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে এবং গ্রিনিচ মান সময় সকাল ৫টা ৫৫ মিনিটে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনের সূত্র হিসেবে এসপিএ নিজেই উল্লেখ করেছে জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রকে।

জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা ও মদিনা—এই পাঁচ অঞ্চল সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিম ও পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। এসব অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি ও শিলাপাতের পূর্বাভাস মানে পাহাড়ি ও উপত্যকা এলাকায় পানি জমার সম্ভাবনা। তবে পূর্বাভাসে বৃষ্টির পরিমাণ, সময়কাল বা কোন এলাকায় কতটুকু বৃষ্টি হবে—সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

তাবুক, আল-জউফ, হাইল, কাসিম, উত্তর সীমান্ত ও পূর্বাঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির কথা বলা হয়েছে। এসব অঞ্চলের কিছু অংশে ধুলাবাহী বাতাস বইবে। রিয়াদ অঞ্চলের কিছু অংশেও ধুলাবাহী বাতাসের পূর্বাভাস রয়েছে। তাহলে কি রাজধানী রিয়াদেও ধুলোর প্রভাব পড়বে? পূর্বাভাসে বলা হয়েছে রিয়াদ অঞ্চলের কিছু অংশে ধুলাবাহী বাতাস বইবে, তবে বৃষ্টির কথা রিয়াদের জন্য বলা হয়নি।

পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় কুয়াশার পূর্বাভাস আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় কুয়াশা জমলে সমুদ্রপথে দৃশ্যমানতা কমতে পারে। একই সঙ্গে উপকূলীয় সড়কেও প্রভাব পড়তে পারে। পূর্বাঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির কথাও বলা হয়েছে, তাই কুয়াশা ও বৃষ্টি একসঙ্গে থাকলে পরিস্থিতি কেমন হবে—সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো বিবরণ পূর্বাভাসে নেই।

লোহিত সাগরে বাতাসের তিনটি ভিন্ন গতি ও দিকের কথা বলা হয়েছে। প্রথমটি উত্তর-পশ্চিম থেকে পশ্চিম দিকে ১২ থেকে ৩৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। দ্বিতীয়টি উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ১২ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। তৃতীয়টি উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। এই তিনটি আলাদা আলাদা এলাকার জন্য প্রযোজ্য বলে ধরে নেওয়া যায়, কারণ পূর্বাভাসে আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

লোহিত সাগরে ঢেউ আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি পর্যন্ত হতে পারে এবং সমুদ্র শান্ত থেকে উত্তাল থাকবে। পারস্য উপসাগরে ঢেউ আধা মিটার থেকে দেড় মিটার পর্যন্ত এবং সমুদ্র তুলনামূলকভাবে শান্ত থাকবে। তাহলে শুক্রবারে সমুদ্রে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে কোন সাগরটি বেশি নিরাপদ? পূর্বাভাস অনুযায়ী পারস্য উপসাগরের অবস্থা লোহিত সাগরের চেয়ে কিছুটা শান্ত।

পারস্য উপসাগরে বাতাস দক্ষিণ থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ১২ থেকে ৩৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে এবং পূর্ব থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ১০ থেকে ৩৩ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে বইবে। এই দুই দিক ও গতিও আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পারস্য উপসাগরের ঢেউ আধা মিটার থেকে দেড় মিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের পূর্বাভাসে বৃষ্টি, শিলাপাত, কুয়াশা, ধুলাবাহী বাতাস, সমুদ্রের বাতাসের গতি ও ঢেউয়ের উচ্চতা—এই ছয় ধরনের তথ্য রয়েছে। প্রতিটি তথ্য আলাদা আলাদা অঞ্চলের জন্য দেওয়া হয়েছে। জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা ও মদিনার জন্য মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি ও শিলাপাত। এসব অঞ্চলের কিছু অংশে কুয়াশা এবং পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় কুয়াশা।

তাবুক, আল-জউফ, হাইল, কাসিম, উত্তর সীমান্ত ও পূর্বাঞ্চলের কিছু অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। এসব অঞ্চলের কিছু অংশে এবং রিয়াদ অঞ্চলের কিছু অংশে ধুলাবাহী বাতাস। লোহিত সাগরে তিন ধরনের বাতাসের গতি ও দিক এবং পারস্য উপসাগরে দুই ধরনের বাতাসের গতি ও দিক।

শুক্রবারের এই পূর্বাভাস প্রকাশের সময় স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৫৫ মিনিট এবং গ্রিনিচ মান সময় সকাল ৫টা ৫৫ মিনিট। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ এই তথ্য প্রকাশ করেছে। পূর্বাভাসে কোনো সতর্কতা জারি করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। ক্ষতির সম্ভাবনা, বৃষ্টির পরিমাণ বা কোন সময়ে বৃষ্টি শুরু হবে—এসব বিষয়েও নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পূর্বাভাসে নেই।

তাহলে শুক্রবারের পূর্বাভাস থেকে সাধারণ মানুষ কী বুঝবেন? যারা জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা ও মদিনায় থাকেন, তাদের মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি ও শিলাপাতের সম্ভাবনার কথা মাথায় রাখতে হবে। এসব অঞ্চলে কুয়াশাও হতে পারে। তাবুক, আল-জউফ, হাইল, কাসিম, উত্তর সীমান্ত, পূর্বাঞ্চল ও রিয়াদ অঞ্চলের কিছু অংশে ধুলাবাহী বাতাসের সম্ভাবনা রয়েছে।

সমুদ্রে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে লোহিত সাগরে ঢেউ দুই মিটারের বেশি হতে পারে এবং সমুদ্র শান্ত থেকে উত্তাল থাকবে। পারস্য উপসাগরে ঢেউ দেড় মিটার পর্যন্ত এবং সমুদ্র তুলনামূলকভাবে শান্ত থাকবে। বাতাসের গতিও লোহিত সাগরে সর্বোচ্চ ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা এবং পারস্য উপসাগরে সর্বোচ্চ ৩৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।

পূর্বাভাসে বৃষ্টির পরিমাণ, সময়কাল, সতর্কতার মাত্রা বা ক্ষতির সম্ভাবনা—এসবের কোনো উল্লেখ নেই। জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের পক্ষ থেকে শুধু সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

শুক্রবার কোন কোন অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে? জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের পূর্বাভাস অনুযায়ী জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা ও মদিনা অঞ্চলের কিছু অংশে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে এবং বৃষ্টির সঙ্গে শিলাপাত পড়তে পারে। এসব অঞ্চলের কিছু অংশে কুয়াশাও তৈরি হতে পারে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

কুয়াশা কোথায় তৈরি হতে পারে? পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা ও মদিনা অঞ্চলের কিছু অংশে কুয়াশা তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকাতেও কুয়াশার কথা বলা হয়েছে। কুয়াশা জমলে দৃশ্যমানতা কমে যেতে পারে।

কোন অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও ধুলাবাহী বাতাসের পূর্বাভাস রয়েছে? তাবুক, আল-জউফ, হাইল, কাসিম, উত্তর সীমান্ত ও পূর্বাঞ্চলের কিছু অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। এসব অঞ্চলের কিছু অংশে ধুলাবাহী বাতাস বইবে। রিয়াদ অঞ্চলের কিছু অংশেও ধুলাবাহী বাতাসের পূর্বাভাস রয়েছে।

লোহিত সাগরে বাতাস ও ঢেউয়ের অবস্থা কেমন হবে? লোহিত সাগরে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে পশ্চিম দিকে ১২ থেকে ৩৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা, উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ১২ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা এবং উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে বইবে। ঢেউ আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি হতে পারে; সমুদ্র শান্ত থেকে উত্তাল থাকবে।

পারস্য উপসাগরে বাতাস ও ঢেউয়ের অবস্থা কেমন হবে? পারস্য উপসাগরে বাতাস দক্ষিণ থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ১২ থেকে ৩৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা এবং পূর্ব থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ১০ থেকে ৩৩ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে বইবে। ঢেউ আধা মিটার থেকে দেড় মিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে এবং সমুদ্র তুলনামূলকভাবে শান্ত থাকবে।

এই পূর্বাভাস কে এবং কখন প্রকাশ করেছে? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, পূর্বাভাসটি দিয়েছে জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র। তথ্যটি স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে এবং গ্রিনিচ মান সময় সকাল ৫টা ৫৫ মিনিটে প্রকাশ করা হয়েছে। পূর্বাভাসে বৃষ্টির পরিমাণ বা সময়কাল উল্লেখ করা হয়নি।