কায়রোতে অনুষ্ঠিত আরব লীগের পরিবেশ বিষয়ক মন্ত্রী পরিষদের ৩৭তম অধিবেশনে বৃহস্পতিবার সৌদি আরব পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যৌথ আরব প্রচেষ্টা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, মিশরের রাজধানী কায়রোতে আরব লীগের সাধারণ সচিবালয়ের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে সৌদি আরবের পক্ষে বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রী আবদুররহমান আল-ফাদলি।
মন্ত্রী তার বক্তব্যে পরিবেশ সংরক্ষণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এর টেকসইতা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি অঞ্চলের সামনে থাকা পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
তবে এই চ্যালেঞ্জগুলো আসলে কী কী? এসপিএ জানিয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে মরুকরণ, ভূমিক্ষয়, খরা, জীববৈচিত্র্য হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তন। এই সমস্যাগুলো কি শুধু একটি অঞ্চলের সীমাবদ্ধ, নাকি এর প্রভাব সীমান্ত ছাড়িয়ে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে?
আল-ফাদলি বলেন, সৌদি আরব সৌদি ভিশন ২০৩০ এবং জাতীয় পরিবেশ কৌশলের মাধ্যমে জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবেশগত কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এই কৌশলের আওতায় একটি সমন্বিত প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে, যার লক্ষ্য পরিবেশ সুরক্ষা জোরদার করা, প্রাকৃতিক সম্পদ টেকসই করা এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা।
এসপিএ জানিয়েছে, এই কাঠামো অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের চাহিদার সঙ্গে পরিবেশ সুরক্ষার ভারসাম্য রক্ষা করে। মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, এই কাঠামোর অধীনে পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ পর্যবেক্ষণ ও মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সমর্থন দেওয়া হচ্ছে।
প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন কি সত্যিই মরুকরণ ও খরার মতো জটিল সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে? নাকি এর পাশাপাশি আরও সমন্বিত আঞ্চলিক উদ্যোগ প্রয়োজন?
মন্ত্রী বলেন, সৌদি আরব একীভূত আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের গুরুত্বে বিশ্বাস করে, তাই পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যৌথ প্রচেষ্টা জোরদার করে চলেছে।
তিনি মধ্যপ্রাচ্য গ্রিন ইনিশিয়েটিভ চালুর কথা উল্লেখ করেন, যেখানে এখন ৩৫টি আরব, এশীয় ও আফ্রিকান দেশ অন্তর্ভুক্ত। এসপিএ জানিয়েছে, এই উদ্যোগের পাশাপাশি প্রবালপ্রাচীর ও স্থলজ আবাসস্থল টেকসই করার লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি অগ্রণী পরিবেশগত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগগুলো জি২০ নেতাদের সমর্থন পেয়েছে।
৩৫টি দেশের অংশগ্রহণ কি এই উদ্যোগের কার্যকারিতার প্রমাণ? এই ধরনের আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা কি জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় মডেল হিসেবে কাজ করতে পারে?
এসপিএ আরও জানিয়েছে, মন্ত্রী তার বক্তব্যে সৌদি আরবের পরিবেশগত উদ্যোগের ধারাবাহিকতা তুলে ধরেন। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই উদ্যোগগুলোর নির্দিষ্ট বাজেট, সময়সীমা বা পরিমাপযোগ্য লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
আরব লীগের এই অধিবেশনে সৌদি আরবের আহ্বান আঞ্চলিক পরিবেশগত সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে এই আহ্বান বাস্তবায়নে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় কতটা কার্যকর হবে, তা সময়ই বলে দেবে।
সৌদি আরব কোন অধিবেশনে এই আহ্বান জানিয়েছে? সৌদি আরব আরব লীগের পরিবেশ বিষয়ক মন্ত্রী পরিষদের ৩৭তম অধিবেশনে এই আহ্বান জানিয়েছে। অধিবেশনটি বৃহস্পতিবার কায়রোতে আরব লীগের সাধারণ সচিবালয়ের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়। সৌদি আরবের পক্ষে বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রী আবদুররহমান আল-ফাদলি। এসপিএ এই তথ্য জানিয়েছে।
কোন পরিবেশগত চ্যালেঞ্জগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, অঞ্চলের সামনে থাকা প্রধান পরিবেশগত চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে রয়েছে মরুকরণ, ভূমিক্ষয়, খরা, জীববৈচিত্র্য হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তন। সৌদি আরব এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে। মন্ত্রী আল-ফাদলি এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যৌথ পদক্ষেপের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
সৌদি আরব কোন কৌশলের মাধ্যমে পরিবেশগত কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিচ্ছে? সৌদি আরব সৌদি ভিশন ২০৩০ এবং জাতীয় পরিবেশ কৌশলের মাধ্যমে জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবেশগত কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এই কৌশলের আওতায় একটি সমন্বিত প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই কাঠামোর লক্ষ্য পরিবেশ সুরক্ষা জোরদার করা, প্রাকৃতিক সম্পদ টেকসই করা এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা।
মধ্যপ্রাচ্য গ্রিন ইনিশিয়েটিভে কতটি দেশ অন্তর্ভুক্ত? এসপিএ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য গ্রিন ইনিশিয়েটিভে এখন ৩৫টি আরব, এশীয় ও আফ্রিকান দেশ অন্তর্ভুক্ত। মন্ত্রী আল-ফাদলি এই উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। এছাড়া প্রবালপ্রাচীর ও স্থলজ আবাসস্থল টেকসই করার লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি অগ্রণী পরিবেশগত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেগুলো জি২০ নেতাদের সমর্থন পেয়েছে।
সৌদি আরব কীভাবে পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তি ব্যবহার করছে? মন্ত্রী আল-ফাদলি জানান, জাতীয় পরিবেশ কৌশলের কাঠামোর অধীনে পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ পর্যবেক্ষণ ও মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সমর্থন দেওয়া হচ্ছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই কাঠামো অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের চাহিদার সঙ্গে পরিবেশ সুরক্ষার ভারসাম্য রক্ষা করে।
সৌদি আরবের উদ্যোগগুলো কি আন্তর্জাতিক সমর্থন পেয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, প্রবালপ্রাচীর ও স্থলজ আবাসস্থল টেকসই করার লক্ষ্যে নেওয়া অগ্রণী পরিবেশগত উদ্যোগগুলো জি২০ নেতাদের সমর্থন পেয়েছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্য গ্রিন ইনিশিয়েটিভে ৩৫টি আরব, এশীয় ও আফ্রিকান দেশ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। মন্ত্রী আল-ফাদলি একীভূত আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের গুরুত্বে সৌদি আরবের বিশ্বাসের কথা উল্লেখ করেন।





