জেদ্দায় ২৯–৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ওআইসি পরিসংখ্যান কমিশনের (ওআইসি-স্ট্যাটকম) ১৫তম অধিবেশন আয়োজন করেছে সৌদি জেনারেল অথরিটি ফর স্ট্যাটিস্টিকস (জিএএসটিএটি)। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পরিসংখ্যান সংস্থার প্রধান ও প্রতিনিধিরা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, অধিবেশনে সদস্য রাষ্ট্রজুড়ে পরিসংখ্যান কাজ এগিয়ে নেওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত কয়েকটি বিষয় আলোচিত হয়। মূল এজেন্ডা আইটেমের মধ্যে ছিল ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে জনসংখ্যা ও আবাসন পরিসংখ্যান আধুনিকীকরণ, সিস্টেম অব ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টস (এসএনএ) ২০২৫ বাস্তবায়ন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) সূচক পর্যবেক্ষণ।
অধিবেশনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সরকারি পরিসংখ্যানে আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের অভিজ্ঞতাও পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি পূর্ববর্তী অধিবেশনের পর থেকে সম্পাদিত কার্যক্রমও পর্যালোচিত হয়।
উদ্বোধনী অধিবেশনে জিএএসটিএটির প্রেসিডেন্ট ফাহাদ আল-দোসারি সৌদি আরবের পক্ষে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, এই অধিবেশন আয়োজন পরিসংখ্যান কাজ এগিয়ে নেওয়ার প্রতি রাজ্যের প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে এবং পরিবর্তনশীল প্রবণতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার পাশাপাশি বাড়তে থাকা তথ্যের চাহিদা পূরণে সংস্থার ভূমিকা বাড়ায়।
তিনি সরকারি পরিসংখ্যান উন্নয়নে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের গুরুত্বও তুলে ধরেন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তার জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য সরবরাহের ওপর জোর দেন। তাহলে প্রশ্ন জাগে, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পরিসংখ্যান সংস্থাগুলো কি এই প্রযুক্তি গ্রহণে সমান গতিতে এগোচ্ছে?
জিএএসটিএটি জানায়, নভেম্বর ২০২৬-এ রিয়াদে অনুষ্ঠেয় ষষ্ঠ জাতিসংঘ ওয়ার্ল্ড ডেটা ফোরাম আয়োজনের প্রস্তুতিও তারা তুলে ধরে। এ ছাড়া ফোরামের আগে সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যে ‘রোড টু রিয়াদ’ কার্যক্রমের আওতায় কর্মশালা ও প্যানেল আলোচনার মতো উদ্যোগের কথাও জানানো হয়।
অধিবেশনে জনসংখ্যা ও আবাসন পরিসংখ্যান আধুনিকীকরণের বিষয়টি গুরুত্ব পায়, যেখানে ডিজিটাল সিস্টেমের ব্যবহার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার ধরন বদলে দিতে পারে বলে আলোচনা হয়। প্রশ্ন হলো, ডিজিটাল সিস্টেমে রূপান্তরের পথে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী?
এসএনএ ২০২৫ বাস্তবায়নও এজেন্ডার একটি বড় অংশ ছিল। জাতীয় হিসাব ব্যবস্থার এই হালনাগাদ কাঠামো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান তুলনাযোগ্য করতে সহায়ক হতে পারে বলে আলোচনায় উঠে আসে। কিন্তু সব সদস্য রাষ্ট্র কি একই সময়ে এই কাঠামো গ্রহণ করতে সক্ষম হবে?
এসডিজি সূচক পর্যবেক্ষণের বিষয়টিও অধিবেশনে আলোচিত হয়। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার অগ্রগতি মাপার জন্য নির্ভরযোগ্য ও সময়োপযোগী তথ্য কতটা জরুরি, তা নিয়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিরা মত বিনিময় করেন। প্রশ্ন করা যায়, এসডিজি সূচকে তথ্যের ঘাটতি থাকলে অগ্রগতির মূল্যায়ন কতটা নির্ভুল হবে?
সরকারি পরিসংখ্যানে আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়টি অধিবেশনে বিশেষ মনোযোগ পায়। এআই কীভাবে তথ্য সংগ্রহ, যাচাই ও বিশ্লেষণে সহায়ক হতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়। তাহলে কি এআই সরকারি পরিসংখ্যানের নির্ভরযোগ্যতা বাড়াতে পারে, নাকি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে?
জিএএসটিএটির প্রেসিডেন্টের বক্তব্যে রাজ্যের প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি বাড়তে থাকা তথ্যের চাহিদা মেটানোর বিষয়টি উঠে আসে। তিনি বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারি পরিসংখ্যান উন্নয়ন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক নির্ভরযোগ্য তথ্য সরবরাহ করা গুরুত্বপূর্ণ। প্রশ্ন জাগে, নির্ভরযোগ্য তথ্য ছাড়া নীতি নির্ধারণ কতটা কার্যকর হতে পারে?
জিএএসটিএটি রিয়াদে ষষ্ঠ জাতিসংঘ ওয়ার্ল্ড ডেটা ফোরাম আয়োজনের প্রস্তুতির কথাও জানায়। নভেম্বর ২০২৬-এ অনুষ্ঠেয় এই ফোরামকে কেন্দ্র করে ‘রোড টু রিয়াদ’ কার্যক্রমের আওতায় কর্মশালা ও প্যানেল আলোচনার আয়োজন করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য ফোরামের আগে সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়। তাহলে কি এই প্রস্তুতি ফোরামের ফলাফলকে আরও শক্তিশালী করবে?
অধিবেশনে পূর্ববর্তী অধিবেশনের পর থেকে সম্পাদিত কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পরিসংখ্যান সংস্থাগুলোর অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়। প্রশ্ন করা যায়, এই ধারাবাহিক পর্যালোচনা কি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে সহায়ক হচ্ছে?
ওআইসি-স্ট্যাটকমের এই অধিবেশনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পরিসংখ্যান সংস্থার প্রধান ও প্রতিনিধিরা ছাড়াও আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এই বহুমুখী অংশগ্রহণ পরিসংখ্যান কাজে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে। কিন্তু এই সহযোগিতা কি বাস্তব ফলাফলে রূপ নিচ্ছে?
সৌদি আরবের জেদ্দায় আয়োজিত এই অধিবেশন পরিসংখ্যান খাতে রাজ্যের সক্রিয় ভূমিকাকে সামনে আনে। জিএএসটিএটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত দুই দিনের এই বৈঠকে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অভিজ্ঞতা বিনিময় ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রশ্ন জাগে, এই ধরনের বৈঠক কি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পরিসংখ্যান ব্যবস্থার মধ্যে দূরত্ব কমাতে পারবে?
এসপিএ জানিয়েছে, অধিবেশনে আলোচিত মূল বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে জনসংখ্যা ও আবাসন পরিসংখ্যান আধুনিকীকরণ, এসএনএ ২০২৫ বাস্তবায়ন এবং এসডিজি সূচক পর্যবেক্ষণ। এ ছাড়া আধুনিক প্রযুক্তি ও এআই ব্যবহারের অভিজ্ঞতা এবং পূর্ববর্তী অধিবেশনের পরের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়।
জিএএসটিএটির প্রেসিডেন্ট ফাহাদ আল-দোসারি উদ্বোধনী অধিবেশনে রাজ্যের বক্তব্য দেন। তিনি পরিসংখ্যান কাজ এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি, পরিবর্তনশীল প্রবণতার সঙ্গে তাল মেলানো এবং বাড়তে থাকা তথ্যের চাহিদা পূরণের বিষয়টি তুলে ধরেন। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্ভরযোগ্য তথ্য সরবরাহের গুরুত্বও তিনি উল্লেখ করেন।
রিয়াদে নভেম্বর ২০২৬-এ ষষ্ঠ জাতিসংঘ ওয়ার্ল্ড ডেটা ফোরাম আয়োজনের প্রস্তুতি এবং ‘রোড টু রিয়াদ’ কার্যক্রমের আওতায় কর্মশালা ও প্যানেল আলোচনার কথা জিএএসটিএটি জানায়। এসব কার্যক্রমের লক্ষ্য ফোরামের আগে সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়। প্রশ্ন করা যায়, এই প্রস্তুতি কি ফোরামকে আরও ফলপ্রসূ করতে সহায়ক হবে?
অধিবেশনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পরিসংখ্যান সংস্থার প্রতিনিধিরা ছাড়াও আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এই অংশগ্রহণ পরিসংখ্যান খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি চিত্র তুলে ধরে। তাহলে কি এই সহযোগিতা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর তথ্য ব্যবস্থার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে?
এসপিএ-র প্রতিবেদনে অধিবেশনে গৃহীত সিদ্ধান্ত, সুপারিশ বা ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার বিস্তারিত উল্লেখ নেই। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারী সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা, নির্দিষ্ট কোনো দেশের অভিজ্ঞতার বিবরণ বা পরবর্তী অধিবেশনের তারিখ ও স্থান সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
ওআইসি-স্ট্যাটকমের ১৫তম অধিবেশন কোথায় ও কখন অনুষ্ঠিত হয়? জেদ্দায় ২৯–৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ওআইসি পরিসংখ্যান কমিশনের ১৫তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এটি আয়োজন করে সৌদি জেনারেল অথরিটি ফর স্ট্যাটিস্টিকস (জিএএসটিএটি)। এসপিএ জানিয়েছে, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পরিসংখ্যান সংস্থার প্রধান ও প্রতিনিধিরা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।
অধিবেশনের মূল এজেন্ডা আইটেমগুলো কী ছিল? মূল এজেন্ডা আইটেমের মধ্যে ছিল ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে জনসংখ্যা ও আবাসন পরিসংখ্যান আধুনিকীকরণ, সিস্টেম অব ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টস (এসএনএ) ২০২৫ বাস্তবায়ন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) সূচক পর্যবেক্ষণ। এ ছাড়া সরকারি পরিসংখ্যানে আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের অভিজ্ঞতা এবং পূর্ববর্তী অধিবেশনের পরের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়।
উদ্বোধনী অধিবেশনে কে বক্তব্য দেন এবং কী বলেন? উদ্বোধনী অধিবেশনে জিএএসটিএটির প্রেসিডেন্ট ফাহাদ আল-দোসারি রাজ্যের বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, এই অধিবেশন আয়োজন পরিসংখ্যান কাজ এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে এবং পরিবর্তনশীল প্রবণতার সঙ্গে তাল মেলানো ও বাড়তে থাকা তথ্যের চাহিদা পূরণে সংস্থার ভূমিকা বাড়ায়। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্ভরযোগ্য তথ্য সরবরাহের গুরুত্বও তিনি তুলে ধরেন।
রিয়াদে জাতিসংঘ ওয়ার্ল্ড ডেটা ফোরাম নিয়ে জিএএসটিএটি কী জানায়? জিএএসটিএটি জানায়, নভেম্বর ২০২৬-এ রিয়াদে ষষ্ঠ জাতিসংঘ ওয়ার্ল্ড ডেটা ফোরাম আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। এ ছাড়া ‘রোড টু রিয়াদ’ কার্যক্রমের আওতায় কর্মশালা ও প্যানেল আলোচনার আয়োজন করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য ফোরামের আগে সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করা।
অধিবেশনে কারা অংশ নেন? অধিবেশনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পরিসংখ্যান সংস্থার প্রধান ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। এসপিএ জানিয়েছে, এই বহুমুখী অংশগ্রহণ পরিসংখ্যান কাজে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে।
অধিবেশনে কী কী বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় হয়? অধিবেশনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সরকারি পরিসংখ্যানে আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করা হয়। এ ছাড়া ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে জনসংখ্যা ও আবাসন পরিসংখ্যান আধুনিকীকরণ, এসএনএ ২০২৫ বাস্তবায়ন এবং এসডিজি সূচক পর্যবেক্ষণ নিয়ে আলোচনা হয়। পূর্ববর্তী অধিবেশনের পরের কার্যক্রমও পর্যালোচিত হয়।





