Monday, November 2, 2026
সৌদি সংবাদ

কায়রোতে আরব পরিবেশ ফোরামে সৌদি আরবের চারণভূমি টেকসই প্রচেষ্টা তুলে ধরা

কায়রোতে আরব পরিবেশ ফোরামে সৌদি আরবের চারণভূমি টেকসই প্রচেষ্টা তুলে ধরা

মিশরের কায়রোতে আরব লীগের সাধারণ সচিবালয়ের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত পঞ্চম আরব পরিবেশ ফোরামে সৌদি আরব অংশ নিয়েছে। দেশটির প্রতিনিধিত্ব করেছে পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়। ফোরামের মূল বিষয় ছিল টেকসই চারণভূমি, যা সহনশীলতা বাড়াতে সহায়ক। এই ফোরাম আরব পরিবেশ বিষয়ক মন্ত্রী পরিষদের ৩৭তম অধিবেশনের আগে অনুষ্ঠিত হয়।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ জানিয়েছে, ভঙ্গুরতা থেকে সহনশীলতার উত্তরণ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের প্যানেল আলোচনায় চারণভূমি পুনরুদ্ধার ও সেই উত্তরণে অর্থায়নের দিকে মনোযোগ দেওয়া হয়।

ওই আলোচনায় পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ বিষয়ক উপমন্ত্রী ওসামা ফকিহা ভূমি ক্ষয় রোধে সৌদি আরবের প্রচেষ্টা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সৌদি আরব জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভূমি ক্ষয় রোধ এবং ক্ষয়প্রাপ্ত ভূমি তথা চারণভূমি পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। তাহলে কেন চারণভূমির অবক্ষয় শুধু সৌদি আরবের নয়, গোটা আরব অঞ্চলের জন্যই এত বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে?

ফকিহা মধ্যপ্রাচ্য সবুজ উদ্যোগ (এমজিআই) ও জি২০-র মাধ্যমে সৌদি আরবের প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি মরুকরণ মোকাবিলায় জাতিসংঘ কনভেনশনের (ইউএনসিসিডি) ১৬তম কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ (কপ১৬) অধিবেশনে সৌদি আরবের সভাপতিত্বের কথাও তিনি স্মরণ করেন। ওই সভাপতিত্বের ফলে চারণভূমি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এবং বেশ কিছু বাস্তবায়ন উদ্যোগ গৃহীত হয়।

তিনি জানান, সৌদি আরবে দুই হাজারের বেশি উদ্ভিদ প্রজাতি রয়েছে, যার অনেকগুলোই চারণভূমিতে পাওয়া যায়। দেশটির প্রায় ৭০ শতাংশ ভূখণ্ড চারণভূমি দ্বারা আচ্ছাদিত। এত বিশাল এলাকা জুড়ে থাকা এই চারণভূমি রক্ষায় আঞ্চলিক সহযোগিতা কতটা জরুরি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।

ফকিহা জোর দিয়ে বলেন, চারণভূমি মাটি স্থিতিশীল রাখতে, বন্যপ্রাণীকে সহায়তা করতে, ভূগর্ভস্থ পানি পুনরায় replenish করতে এবং ধুলিঝড় কমাতে সাহায্য করে। তিনি অতিরিক্ত পশুচারণ ও অকাল পশুচারণের পরিবেশগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়েও সতর্ক করেন। অতিরিক্ত পশুচারণ ঠেকাতে না পারলে চারণভূমির ভবিষ্যৎ কী হবে, সেই প্রশ্নও সামনে আসে।

ফোরামটি টেকসই চারণভূমিকে কেন্দ্র করে সাজানো হয়েছিল, যার লক্ষ্য সহনশীলতা বৃদ্ধি। আরব পরিবেশ বিষয়ক মন্ত্রী পরিষদের ৩৭তম অধিবেশনের আগে এই ফোরাম বসে। সৌদি আরবের অংশগ্রহণে দেশটির পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয় নেতৃত্ব দেয়। এই ধরনের আঞ্চলিক ফোরাম চারণভূমি পুনরুদ্ধারের অর্থায়ন নিয়ে কীভাবে বাস্তব অগ্রগতি আনতে পারে?

সৌদি আরবের জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অগ্রাধিকার ঘোষণায় স্পষ্ট, ভূমি ক্ষয় রোধ ও ক্ষয়প্রাপ্ত ভূমি পুনরুদ্ধার তাদের মূল লক্ষ্য। এর মধ্যে চারণভূমিও রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য সবুজ উদ্যোগ ও জি২০-র মাধ্যমে দেশটি এই লক্ষ্যে কাজ করছে। কপ১৬ সভাপতিত্বের ফলে চারণভূমি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়ন উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে। এই উদ্যোগগুলোর সুফল কত দ্রুত মাটিতে দেখা যাবে?

দুই হাজারের বেশি উদ্ভিদ প্রজাতির উপস্থিতি সৌদি আরবের জৈববৈচিত্র্যের পরিচয় দেয়। এর অনেকগুলোই চারণভূমিনির্ভর। দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা চারণভূমি। এই বিপুল এলাকার স্বাস্থ্য সরাসরি মাটির স্থিতিশীলতা, বন্যপ্রাণীর সহায়তা, ভূগর্ভস্থ পানির পুনরায় replenishment এবং ধুলিঝড় হ্রাসের সঙ্গে যুক্ত। চারণভূমি অবক্ষয় ঠেকাতে না পারলে এই উপকারগুলো কীভাবে টিকবে?

অতিরিক্ত পশুচারণ ও অকাল পশুচারণের পরিবেশগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন উপমন্ত্রী। এই অভ্যাস চারণভূমির উপর চাপ বাড়ায়। ফলে মাটি স্থিতিশীল রাখার ক্ষমতা, বন্যপ্রাণীর আবাস, ভূগর্ভস্থ পানির পুনঃভরণ এবং ধুলিঝড় নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাহলে টেকসই চারণ ব্যবস্থাপনা ছাড়া কি সহনশীলতা সম্ভব?

আরব পরিবেশ ফোরামের পঞ্চম আসর কায়রোতে আরব লীগের সাধারণ সচিবালয়ের সদর দপ্তরে বসে। ফোরামের কেন্দ্রীয় বিষয় ছিল টেকসই চারণভূমি, যা সহনশীলতা বাড়ায়। এরপর আরব পরিবেশ বিষয়ক মন্ত্রী পরিষদের ৩৭তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এই ধারাবাহিকতা আঞ্চলিক নীতিনির্ধারণে চারণভূমির প্রশ্নকে কতটা গুরুত্ব দেবে?

সৌদি আরবের পক্ষ থেকে উচ্চপর্যায়ের প্যানেলে ভঙ্গুরতা থেকে সহনশীলতার উত্তরণ, চারণভূমি পুনরুদ্ধার এবং সেই উত্তরণে অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা হয়। উপমন্ত্রী ওসামা ফকিহা সৌদি আরবের অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভূমি ক্ষয় রোধ ও পুনরুদ্ধারকে অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন। চারণভূমি পুনরুদ্ধারে অর্থায়ন কীভাবে দীর্ঘমেয়াদে সাশ্রয়ী হবে?

মধ্যপ্রাচ্য সবুজ উদ্যোগ ও জি২০-র পাশাপাশি কপ১৬ সভাপতিত্বের ফলে চারণভূমি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়ন উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে। এসব উদ্যোগ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মঞ্চ তৈরি করেছে। সৌদি আরবের দুই হাজারের বেশি উদ্ভিদ প্রজাতি এবং ৭০ শতাংশ চারণভূমি এই প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপট তৈরি করে। এই সংখ্যাগুলো নীতিনির্ধারকদের কাছে কতটা বাধ্যবাধকতা তৈরি করে?

চারণভূমি মাটি স্থিতিশীল রাখে, বন্যপ্রাণীকে সহায়তা করে, ভূগর্ভস্থ পানি পুনরায় replenish করে এবং ধুলিঝড় কমায়। এসব উপকার ছাড়া মরু অঞ্চলের পরিবেশ ও জীবিকা কীভাবে টিকবে? উপমন্ত্রী অতিরিক্ত পশুচারণ ও অকাল পশুচারণের পরিবেশগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়েও সতর্ক করেছেন। এই সতর্কবার্তা স্থানীয় সম্প্রদায় ও নীতিনির্ধারকদের কী বার্তা দেয়?

এসপিএ জানিয়েছে, ফোরামটি কায়রোতে আরব লীগের সাধারণ সচিবালয়ের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয় এবং এর কেন্দ্রীয় বিষয় ছিল টেকসই চারণভূমি। ফোরাম আরব পরিবেশ বিষয়ক মন্ত্রী পরিষদের ৩৭তম অধিবেশনের আগে বসে। সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করে পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়। এই ফোরামের সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে কে জবাবদিহি করবে?

উপমন্ত্রী ফকিহা সৌদি আরবের অগ্রাধিকার, এমজিআই ও জি২০-র ভূমিকা এবং কপ১৬ সভাপতিত্বের ফলাফল তুলে ধরেন। তিনি দেশের উদ্ভিদ বৈচিত্র্য ও চারণভূমির বিস্তার নিয়েও তথ্য দেন। চারণভূমির উপকারিতা ও অতিরিক্ত পশুচারণের ঝুঁকি নিয়েও তিনি সতর্ক করেন। এই তথ্যগুলো আঞ্চলিক সহযোগিতার ভিত্তি কতটা মজবুত করে?

সূত্রে ফোরামে গৃহীত সিদ্ধান্তের সংখ্যা, অর্থায়নের পরিমাণ, নির্দিষ্ট প্রকল্পের নাম বা সময়সীমা উল্লেখ নেই। চারণভূমি পুনরুদ্ধারের বাস্তবায়ন অগ্রগতি কেমন হবে, তা এই প্রতিবেদনে বলা হয়নি। ভবিষ্যতে এই বিষয়ে আরও তথ্য এলে চারণভূমি টেকসইকরণের চিত্র স্পষ্ট হবে।

ফোরামে সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব কে করেছে? সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করেছে পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়। এসপিএ জানিয়েছে, কায়রোতে আরব লীগের সাধারণ সচিবালয়ের সদর দপ্তরে পঞ্চম আরব পরিবেশ ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়। ফোরামের কেন্দ্রীয় বিষয় ছিল টেকসই চারণভূমি, যা সহনশীলতা বাড়ায়। ফোরামটি আরব পরিবেশ বিষয়ক মন্ত্রী পরিষদের ৩৭তম অধিবেশনের আগে বসে।

উপমন্ত্রী ফকিহা কী কী উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেছেন? পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ বিষয়ক উপমন্ত্রী ওসামা ফকিহা মধ্যপ্রাচ্য সবুজ উদ্যোগ (এমজিআই) ও জি২০-র মাধ্যমে সৌদি আরবের প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করেন। তিনি মরুকরণ মোকাবিলায় জাতিসংঘ কনভেনশনের ১৬তম কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ (কপ১৬) অধিবেশনে সৌদি আরবের সভাপতিত্বের কথাও স্মরণ করেন। এসপিএ জানিয়েছে, ওই সভাপতিত্বের ফলে চারণভূমি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়ন উদ্যোগ গৃহীত হয়।

সৌদি আরবে চারণভূমির বিস্তার কতটুকু? উপমন্ত্রী ফকিহা জানান, সৌদি আরবে দুই হাজারের বেশি উদ্ভিদ প্রজাতি রয়েছে, যার অনেকগুলোই চারণভূমিতে পাওয়া যায়। দেশটির প্রায় ৭০ শতাংশ ভূখণ্ড চারণভূমি দ্বারা আচ্ছাদিত। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি চারণভূমির উপকারিতা হিসেবে মাটি স্থিতিশীল রাখা, বন্যপ্রাণীকে সহায়তা করা, ভূগর্ভস্থ পানি পুনরায় replenish করা এবং ধুলিঝড় কমানোর কথা উল্লেখ করেন।

অতিরিক্ত পশুচারণ নিয়ে কী সতর্কতা দেওয়া হয়েছে? উপমন্ত্রী ফকিহা অতিরিক্ত পশুচারণ ও অকাল পশুচারণের পরিবেশগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে সতর্ক করেন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি ভূমি ক্ষয় রোধ ও ক্ষয়প্রাপ্ত ভূমি তথা চারণভূমি পুনরুদ্ধারকে সৌদি আরবের অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সৌদি আরব জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

ফোরামটি কোথায় ও কেন অনুষ্ঠিত হয়? এসপিএ জানিয়েছে, পঞ্চম আরব পরিবেশ ফোরাম মিশরের কায়রোতে আরব লীগের সাধারণ সচিবালয়ের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়। ফোরামের কেন্দ্রীয় বিষয় ছিল টেকসই চারণভূমি, যা সহনশীলতা বাড়াতে সহায়ক। ফোরামটি আরব পরিবেশ বিষয়ক মন্ত্রী পরিষদের ৩৭তম অধিবেশনের আগে অনুষ্ঠিত হয়। ফোরামে সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করে পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়।

সূত্রে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? সূত্রে ফোরামে গৃহীত সিদ্ধান্তের সংখ্যা, অর্থায়নের পরিমাণ, নির্দিষ্ট প্রকল্পের নাম বা সময়সীমা উল্লেখ নেই। চারণভূমি পুনরুদ্ধারের বাস্তবায়ন অগ্রগতি কেমন হবে, তাও বলা হয়নি। এসপিএ কেবল জানিয়েছে, কপ১৬ সভাপতিত্বের ফলে চারণভূমি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়ন উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে। ভবিষ্যতে এই বিষয়ে আরও তথ্য এলে চিত্র স্পষ্ট হবে।