তাবুক অঞ্চলে ২০২৫ সালের এপ্রিলে ৮,০০০ ডুনামের বেশি জমিতে ছড়িয়ে থাকা ৯০ হাজারের বেশি সাইট্রাস গাছে ফুল ফুটেছে। এর মধ্যে কমলা, লেবু, ট্যানজারিন, কুমকোয়াট ও অঞ্চলের অন্যান্য পরিচিত সাইট্রাস ফল রয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, তাবুক অঞ্চল উন্নত অবকাঠামো ও ব্যাপক সরকারি সহায়তার কারণে রাজ্যের অন্যতম প্রধান কৃষি এলাকা হিসেবে পরিচিত। এখানে ১৪,৫০০-এর বেশি খামার রয়েছে, যা ২,৭০,০০০ হেক্টরের বেশি জমি জুড়ে বিস্তৃত। এই খামারগুলো ফসলের বৈচিত্র্য এবং উদ্ভাবনী কৃষি পদ্ধতির বিকাশে সহায়তা করছে। এসব প্রচেষ্টা পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক টেকসইতা অর্জনে এবং স্থানীয় বাজারের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এসপিএ-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের তাবুক শাখার মহাপরিচালক প্রকৌশলী আমজাদ বিন আবদুল্লাহ থাল্লাব অঞ্চলটির উল্লেখযোগ্য কৃষি সম্পদ তুলে ধরেন, যা খাতটির প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নে অবদান রেখেছে। তিনি উল্লেখ করেন, সাইট্রাস চাষ তাবুকের অন্যতম প্রধান কৃষি উদ্যোগ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
থাল্লাব জোর দিয়ে বলেন, মন্ত্রণালয় কৃষি অর্থায়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষকদের সহায়তা করছে, আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করছে এবং সর্বোত্তম কৃষি পদ্ধতির প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।
তাবুকের কৃষি প্রবৃদ্ধি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে খাতটির ক্রমবর্ধমান গুরুত্বকে তুলে ধরে, যেখানে খাদ্য নিরাপত্তা উন্নত করা এবং রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারসাম্যপূর্ণ, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করা গুরুত্ব পায়।
এসপিএ জানিয়েছে, তাবুক অঞ্চলে ২০২৫ সালের এপ্রিলে ৮,০০০ ডুনামের বেশি জমিতে ৯০ হাজারের বেশি সাইট্রাস গাছে ফুল ফুটেছে। এসব গাছের মধ্যে কমলা, লেবু, ট্যানজারিন, কুমকোয়াট এবং অঞ্চলের অন্যান্য বিখ্যাত সাইট্রাস ফল রয়েছে।
তাবুক অঞ্চল রাজ্যের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় কৃষি এলাকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এর পেছনে রয়েছে উন্নত অবকাঠামো এবং ব্যাপক সরকারি সহায়তা। অঞ্চলটিতে ১৪,৫০০-এর বেশি খামার রয়েছে, যা ২,৭০,০০০ হেক্টরের বেশি জমি জুড়ে বিস্তৃত। এই খামারগুলো ফসলের বৈচিত্র্য এবং উদ্ভাবনী কৃষি পদ্ধতির বিকাশে সহায়তা করছে। এসব প্রচেষ্টা পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক টেকসইতা অর্জনে এবং স্থানীয় বাজারের চাহিদা মেটাতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।
পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের তাবুক শাখার মহাপরিচালক প্রকৌশলী আমজাদ বিন আবদুল্লাহ থাল্লাব এসপিএ-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে অঞ্চলটির উল্লেখযোগ্য কৃষি সম্পদ তুলে ধরেন, যা খাতটির প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নে অবদান রেখেছে। তিনি উল্লেখ করেন, সাইট্রাস চাষ তাবুকের অন্যতম প্রধান কৃষি উদ্যোগ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
থাল্লাব জোর দিয়ে বলেন, মন্ত্রণালয় কৃষি অর্থায়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষকদের সহায়তা করছে, আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করছে এবং সর্বোত্তম কৃষি পদ্ধতির প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।
তাবুকের কৃষি প্রবৃদ্ধি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে খাতটির ক্রমবর্ধমান গুরুত্বকে তুলে ধরে, যেখানে খাদ্য নিরাপত্তা উন্নত করা এবং রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারসাম্যপূর্ণ, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করা গুরুত্ব পায়।
এসপিএ আরও জানিয়েছে, তাবুক অঞ্চলে ২০২৫ সালের এপ্রিলে ৮,০০০ ডুনামের বেশি জমিতে ৯০ হাজারের বেশি সাইট্রাস গাছে ফুল ফুটেছে। এসব গাছের মধ্যে কমলা, লেবু, ট্যানজারিন, কুমকোয়াট এবং অঞ্চলের অন্যান্য বিখ্যাত সাইট্রাস ফল রয়েছে।
তাবুক অঞ্চল রাজ্যের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় কৃষি এলাকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এর পেছনে রয়েছে উন্নত অবকাঠামো এবং ব্যাপক সরকারি সহায়তা। অঞ্চলটিতে ১৪,৫০০-এর বেশি খামার রয়েছে, যা ২,৭০,০০০ হেক্টরের বেশি জমি জুড়ে বিস্তৃত। এই খামারগুলো ফসলের বৈচিত্র্য এবং উদ্ভাবনী কৃষি পদ্ধতির বিকাশে সহায়তা করছে। এসব প্রচেষ্টা পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক টেকসইতা অর্জনে এবং স্থানীয় বাজারের চাহিদা মেটাতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।
পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের তাবুক শাখার মহাপরিচালক প্রকৌশলী আমজাদ বিন আবদুল্লাহ থাল্লাব এসপিএ-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে অঞ্চলটির উল্লেখযোগ্য কৃষি সম্পদ তুলে ধরেন, যা খাতটির প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নে অবদান রেখেছে। তিনি উল্লেখ করেন, সাইট্রাস চাষ তাবুকের অন্যতম প্রধান কৃষি উদ্যোগ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
থাল্লাব জোর দিয়ে বলেন, মন্ত্রণালয় কৃষি অর্থায়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষকদের সহায়তা করছে, আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করছে এবং সর্বোত্তম কৃষি পদ্ধতির প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।
তাবুকের কৃষি প্রবৃদ্ধি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে খাতটির ক্রমবর্ধমান গুরুত্বকে তুলে ধরে, যেখানে খাদ্য নিরাপত্তা উন্নত করা এবং রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারসাম্যপূর্ণ, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করা গুরুত্ব পায়।
তাবুক অঞ্চলে কত সাইট্রাস গাছ ফুটেছে এবং কত জমিতে? তাবুক অঞ্চলে ২০২৫ সালের এপ্রিলে ৮,০০০ ডুনামের বেশি জমিতে ৯০ হাজারের বেশি সাইট্রাস গাছে ফুল ফুটেছে। এসব গাছের মধ্যে কমলা, লেবু, ট্যানজারিন, কুমকোয়াট এবং অঞ্চলের অন্যান্য বিখ্যাত সাইট্রাস ফল রয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই ফুল ফোটার ঘটনা অঞ্চলটির কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির অংশ।
তাবুক অঞ্চলে মোট কত খামার এবং কত হেক্টর জমি রয়েছে? তাবুক অঞ্চলে ১৪,৫০০-এর বেশি খামার রয়েছে, যা ২,৭০,০০০ হেক্টরের বেশি জমি জুড়ে বিস্তৃত। এসব খামার ফসলের বৈচিত্র্য এবং উদ্ভাবনী কৃষি পদ্ধতির বিকাশে সহায়তা করছে। এসপিএ জানিয়েছে, এসব প্রচেষ্টা পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক টেকসইতা অর্জনে এবং স্থানীয় বাজারের চাহিদা মেটাতে ভূমিকা রাখে।
মন্ত্রণালয় কৃষকদের কীভাবে সহায়তা করছে? পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের তাবুক শাখার মহাপরিচালক প্রকৌশলী আমজাদ বিন আবদুল্লাহ থাল্লাব জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয় কৃষি অর্থায়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষকদের সহায়তা করছে। এছাড়া আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করছে এবং সর্বোত্তম কৃষি পদ্ধতির প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই সহায়তা খাতটির প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নে অবদান রাখছে।
তাবুকের কৃষি প্রবৃদ্ধি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে কীভাবে সম্পর্কিত? তাবুকের কৃষি প্রবৃদ্ধি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে খাতটির ক্রমবর্ধমান গুরুত্বকে তুলে ধরে। ভিশন ২০৩০-এ খাদ্য নিরাপত্তা উন্নত করা এবং রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারসাম্যপূর্ণ, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করা গুরুত্ব পায়। এসপিএ জানিয়েছে, তাবুকের কৃষি সম্প্রসারণ এই লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।





