Tuesday, November 3, 2026
অর্থনীতি

মিসর মাইনিং ফোরামে সৌদির প্রতিযোগিতামূলক খনি খাতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরলেন আল-মুদাইফার

মিসর মাইনিং ফোরামে সৌদির প্রতিযোগিতামূলক খনি খাতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরলেন আল-মুদাইফার

মিসরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত মিসর মাইনিং ফোরাম ২০২৬-এর পঞ্চম সংস্করণে সৌদি আরবের খনি খাতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। শিল্প ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের খনি বিষয়ক ভাইস মিনিস্টার প্রকৌশলী খালিদ আল-মুদাইফার একটি অধিবেশনে বক্তব্য দেন এবং রাজ্যের আরও প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব খনি খাত গড়ে তোলার অভিজ্ঞতার কথা জানান।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, ফোরামটি ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা, কোম্পানির নেতৃবৃন্দ, বিনিয়োগকারী ও খনি ও খনিজ খাতের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। ফোরামের পঞ্চম সংস্করণের এই অধিবেশনে সৌদি আরবের খনি খাতের রূপান্তরের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

অধিবেশনের মূল আলোচ্য ছিল সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যমাত্রার অধীনে সৌদি আরবের খনি খাতের রূপান্তর। এর মধ্যে রয়েছে আইনগত ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর উন্নয়ন, ভূতাত্ত্বিক তথ্যে বিস্তৃত প্রবেশাধিকার, অনুসন্ধান কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা, অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগ সহায়ক ও প্রণোদনা। এসপিএ জানিয়েছে, এই প্রচেষ্টাগুলো রাজ্যের ভূতাত্ত্বিক সম্ভাবনাকে বিনিয়োগ সুযোগ ও প্রকল্পে রূপান্তরিত করতে সহায়তা করে।

ফোরামে সৌদি আরবের উপস্থিতি খনি খাতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করার প্রচেষ্টার অংশ। এর মধ্যে রয়েছে খনিজ উৎপাদনকারী দেশগুলোর সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রযুক্তিগত ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্বের বিস্তৃত সুযোগ অন্বেষণ এবং মূল্য শৃঙ্খলের বিভিন্ন পর্যায়ে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বাড়ানো। এসপিএ জানিয়েছে, রাজ্যটি মিসরের সঙ্গেও খনি সহযোগিতা সম্প্রসারণ করতে চায়।

এই অংশগ্রহণ খনিজ খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক সংলাপ বিস্তৃত করার ক্ষেত্রে রাজ্যের ভূমিকার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এই সংলাপের একটি প্ল্যাটফর্ম হলো ফিউচার মিনারেলস ফোরাম, যার ষষ্ঠ সংস্করণ রিয়াদে ১২ থেকে ১৪ জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এসপিএ জানিয়েছে, এই ফোরাম সরকার, শিল্প নেতা, বিনিয়োগকারী এবং সেবা ও প্রযুক্তি সরবরাহকারীদের একত্রিত করে আরও স্থিতিস্থাপক খনিজ মূল্য শৃঙ্খল গড়ে তুলতে কাজ করে।

খনি খাতকে ঘিরে সৌদি আরবের এই ধরনের আন্তর্জাতিক উপস্থিতি কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে? সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে খনি খাতকে অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যের একটি প্রধান স্তম্ভ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আইনগত ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর উন্নয়ন এবং ভূতাত্ত্বিক তথ্যে প্রবেশাধিকার বাড়ানোর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের জন্য অনিশ্চয়তা কমিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই পদক্ষেপগুলো রাজ্যের ভূতাত্ত্বিক সম্ভাবনাকে প্রকৃত বিনিয়োগ সুযোগে রূপান্তর করতে সহায়তা করে।

অনুসন্ধান কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং অবকাঠামো সম্প্রসারণ কীভাবে খনি খাতের প্রতিযোগিতা বাড়াতে পারে? এসপিএ জানিয়েছে, খনি খাতের রূপান্তরের মধ্যে অনুসন্ধান কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং অবকাঠামো সম্প্রসারণ দুটোই অন্তর্ভুক্ত। এসব পদক্ষেপ বিনিয়োগ সহায়ক ও প্রণোদনার সঙ্গে মিলিয়ে কাজ করে। ফলে খনি খাতে বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত হওয়ার পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়তে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

মিসর মাইনিং ফোরামের পঞ্চম সংস্করণে মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা, কোম্পানির নেতৃবৃন্দ, বিনিয়োগকারী ও বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতি এই খাতের আন্তর্জাতিক গুরুত্বকে সামনে আনে। এসপিএ জানিয়েছে, ফোরামটি ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। এই ধরনের সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা খনি ও খনিজ খাতের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময়ের সুযোগ পান।

খনিজ উৎপাদনকারী দেশগুলোর সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় সৌদি আরবের জন্য কেন প্রয়োজনীয়? এসপিএ জানিয়েছে, রাজ্যের উপস্থিতির উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে খনিজ উৎপাদনকারী দেশগুলোর সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রযুক্তিগত ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্বের বিস্তৃত সুযোগ অন্বেষণ। এর মাধ্যমে খনি খাতের বিভিন্ন পর্যায়ে সহযোগিতার নতুন পথ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।

মূল্য শৃঙ্খলের বিভিন্ন পর্যায়ে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বাড়ানো হলে তার প্রভাব কী হতে পারে? এসপিএ জানিয়েছে, রাজ্য মূল্য শৃঙ্খলের বিভিন্ন পর্যায়ে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বাড়াতে চায়। খনি খাতের মূল্য শৃঙ্খলে অনুসন্ধান থেকে শুরু করে প্রক্রিয়াকরণ পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপ থাকে। বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়লে এই ধাপগুলোতে বিনিয়োগ ও দক্ষতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়, যা খাতের সার্বিক বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে।

সৌদি আরব ও মিসরের মধ্যে খনি সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্য কী? এসপিএ জানিয়েছে, রাজ্যটি মিসরের সঙ্গে খনি সহযোগিতা সম্প্রসারণ করতে চায়। এই লক্ষ্য আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করার broader প্রচেষ্টার অংশ। দুই দেশের মধ্যে অভিজ্ঞতা ও সম্পদের আদান-প্রদান খনি খাতের উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে বলে ইঙ্গিত মেলে। তবে এসপিএ এই সহযোগিতার নির্দিষ্ট রূপ বা সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

ফিউচার মিনারেলস ফোরামের ষষ্ঠ সংস্করণ কেন খনি খাতের ভবিষ্যৎ আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ? এসপিএ জানিয়েছে, ফিউচার মিনারেলস ফোরামের ষষ্ঠ সংস্করণ রিয়াদে ১২ থেকে ১৪ জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এই ফোরাম সরকার, শিল্প নেতা, বিনিয়োগকারী এবং সেবা ও প্রযুক্তি সরবরাহকারীদের একত্রিত করে। এর উদ্দেশ্য আরও স্থিতিস্থাপক খনিজ মূল্য শৃঙ্খল গড়ে তোলা। এই ধরনের প্ল্যাটফর্ম খনি খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক সংলাপ বিস্তৃত করতে সহায়তা করে।

সৌদি আরবের খনি খাতের রূপান্তরে বিনিয়োগ সহায়ক ও প্রণোদনার ভূমিকা কী? এসপিএ জানিয়েছে, সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যমাত্রার অধীনে খনি খাতের রূপান্তরের মধ্যে বিনিয়োগ সহায়ক ও প্রণোদনা অন্তর্ভুক্ত। আইনগত ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর উন্নয়ন এবং ভূতাত্ত্বিক তথ্যে প্রবেশাধিকারের সঙ্গে এই প্রণোদনাগুলো মিলিয়ে কাজ করে। এসব ব্যবস্থা বিনিয়োগকারীদের জন্য খনি খাতে অংশগ্রহণের পরিবেশ উন্নত করতে সহায়ক বলে এসপিএ উল্লেখ করেছে।

খনি খাতে আন্তর্জাতিক সংলাপ বিস্তৃত করার ক্ষেত্রে সৌদি আরবের ভূমিকা কীভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে? এসপিএ জানিয়েছে, মিসর মাইনিং ফোরামে রাজ্যের অংশগ্রহণ এবং ফিউচার মিনারেলস ফোরামের আয়োজন—এই দুটোই খনিজ খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক সংলাপ বিস্তৃত করার রাজ্যের ভূমিকার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। ফিউচার মিনারেলস ফোরামের ষষ্ঠ সংস্করণ রিয়াদে ১২ থেকে ১৪ জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এই ফোরাম বিভিন্ন পক্ষকে একত্রিত করে স্থিতিস্থাপক খনিজ মূল্য শৃঙ্খল গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে।

মিসর মাইনিং ফোরাম ২০২৬-এ সৌদি আরবের উপস্থিতি আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে কী বার্তা বহন করে? এসপিএ জানিয়েছে, এই উপস্থিতি খনি খাতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করার প্রচেষ্টার অংশ। এর মধ্যে রয়েছে অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রযুক্তিগত ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্বের সুযোগ অন্বেষণ এবং বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বাড়ানো। এসপিএ জানিয়েছে, রাজ্যটি মিসরের সঙ্গে খনি সহযোগিতা সম্প্রসারণ করতে চায়।

সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অধীনে খনি খাতের রূপান্তরের মূল উপাদানগুলো কী কী? এসপিএ জানিয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে আইনগত ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর উন্নয়ন, ভূতাত্ত্বিক তথ্যে বিস্তৃত প্রবেশাধিকার, অনুসন্ধান কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা, অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগ সহায়ক ও প্রণোদনা। এসপিএ জানিয়েছে, এই প্রচেষ্টাগুলো রাজ্যের ভূতাত্ত্বিক সম্ভাবনাকে বিনিয়োগ সুযোগ ও প্রকল্পে রূপান্তরিত করতে সহায়তা করে।

ফোরামের পঞ্চম সংস্করণে কারা অংশ নিয়েছিলেন এবং এর তাৎপর্য কী? এসপিএ জানিয়েছে, ফোরামটি ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা, কোম্পানির নেতৃবৃন্দ, বিনিয়োগকারী এবং খনি ও খনিজ খাতের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। এই ধরনের অংশগ্রহণ খনি খাতের বিভিন্ন অংশীজনের মধ্যে সংলাপ ও সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করে। ফোরামের পঞ্চম সংস্করণ হওয়ায় এটি একটি চলমান আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে বোঝা যায়।

এসপিএ জানিয়েছে, খনি বিষয়ক ভাইস মিনিস্টার প্রকৌশলী খালিদ আল-মুদাইফার কায়রোতে ফোরামের একটি অধিবেশনে বক্তব্য দেন। তিনি রাজ্যের আরও প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব খনি খাত গড়ে তোলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এসপিএ জানিয়েছে, অধিবেশনটি সৌদি আরবের খনি খাতের রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করে।

সৌদি আরবের খনি খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য কোন কোন ক্ষেত্রে কাজ চলছে? এসপিএ জানিয়েছে, আইনগত ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর উন্নয়ন, ভূতাত্ত্বিক তথ্যে প্রবেশাধিকার, অনুসন্ধান কার্যক্রম, অবকাঠামো এবং বিনিয়োগ সহায়ক ও প্রণোদনা—এই ক্ষেত্রগুলোতে কাজ চলছে। এসপিএ জানিয়েছে, এসব প্রচেষ্টা ভূতাত্ত্বিক সম্ভাবনাকে বিনিয়োগ সুযোগে রূপান্তর করতে সহায়তা করে। এই ধরনের সমন্বিত подход খনি খাতের প্রতিযোগিতা বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।

এসপিএ জানিয়েছে, ফিউচার মিনারেলস ফোরামের ষষ্ঠ সংস্করণ রিয়াদে ১২ থেকে ১৪ জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ফোরামটি সরকার, শিল্প নেতা, বিনিয়োগকারী এবং সেবা ও প্রযুক্তি সরবরাহকারীদের একত্রিত করে। এর লক্ষ্য আরও স্থিতিস্থাপক খনিজ মূল্য শৃঙ্খল গড়ে তোলা। এসপিএ জানিয়েছে, এই ফোরাম খনিজ খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক সংলাপ বিস্তৃত করার রাজ্যের ভূমিকার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

মিসর মাইনিং ফোরাম ২০২৬-এ সৌদি আরবের অংশগ্রহণ খনি খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কোন দিকগুলো সামনে আনে? এসপিএ জানিয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা, খনিজ উৎপাদনকারী দেশগুলোর সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রযুক্তিগত ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্বের সুযোগ অন্বেষণ এবং বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বাড়ানো। এসপিএ জানিয়েছে, রাজ্যটি মিসরের সঙ্গে খনি সহযোগিতা সম্প্রসারণ করতে চায়।

সৌদি আরবের খনি খাতের রূপান্তর নিয়ে এসপিএ যে তথ্য দিয়েছে, তাতে কোন দিকটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, অধিবেশনটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যমাত্রার অধীনে খনি খাতের রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করে। এর মধ্যে আইনগত ও নিয়ন্ত্রক কাঠামো, ভূতাত্ত্বিক তথ্য, অনুসন্ধান, অবকাঠামো এবং বিনিয়োগ সহায়ক ও প্রণোদনা অন্তর্ভুক্ত। এসপিএ জানিয়েছে, এসব প্রচেষ্টা ভূতাত্ত্বিক সম্ভাবনাকে বিনিয়োগ সুযোগ ও প্রকল্পে রূপান্তর করতে সহায়তা করে।

খনি খাতে সৌদি আরব ও মিসরের সহযোগিতা ভবিষ্যতে কোন দিকে এগোতে পারে? এসপিএ জানিয়েছে, রাজ্যটি মিসরের সঙ্গে খনি সহযোগিতা সম্প্রসারণ করতে চায়। এই লক্ষ্য আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করার প্রচেষ্টার অংশ। এসপিএ এই সহযোগিতার নির্দিষ্ট প্রকল্প, সময়সীমা বা পরিধি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। ফলে সহযোগিতার সুনির্দিষ্ট রূপ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় না।

এসপিএ জানিয়েছে, মিসর মাইনিং ফোরাম ২০২৬-এর পঞ্চম সংস্করণ ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। ফোরামে মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা, কোম্পানির নেতৃবৃন্দ, বিনিয়োগকারী ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। সৌদি আরবের পক্ষ থেকে খনি বিষয়ক ভাইস মিনিস্টার প্রকৌশলী খালিদ আল-মুদাইফার একটি অধিবেশনে বক্তব্য দেন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি রাজ্যের আরও প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব খনি খাত গড়ে তোলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

সৌদি আরবের খনি খাতের রূপান্তরে ভূতাত্ত্বিক তথ্যে প্রবেশাধিকার বাড়ানোর তাৎপর্য কী? এসপিএ জানিয়েছে, খনি খাতের রূপান্তরের মধ্যে ভূতাত্ত্বিক তথ্যে বিস্তৃত প্রবেশাধিকার অন্তর্ভুক্ত। এই তথ্য বিনিয়োগকারীদের জন্য রাজ্যের ভূতাত্ত্বিক সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা দিতে সহায়ক হতে পারে। এসপিএ জানিয়েছে, এসব প্রচেষ্টা ভূতাত্ত্বিক সম্ভাবনাকে বিনিয়োগ সুযোগ ও প্রকল্পে রূপান্তর করতে সহায়তা করে।

এসপিএ জানিয়েছে, ফিউচার মিনারেলস ফোরামের ষষ্ঠ সংস্করণ রিয়াদে ১২ থেকে ১৪ জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ফোরামটি সরকার, শিল্প নেতা, বিনিয়োগকারী এবং সেবা ও প্রযুক্তি সরবরাহকারীদের একত্রিত করে আরও স্থিতিস্থাপক খনিজ মূল্য শৃঙ্খল গড়ে তুলতে কাজ করে। এসপিএ জানিয়েছে, এই ফোরাম খনিজ খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক সংলাপ বিস্তৃত করার রাজ্যের ভূমিকার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

মিসর মাইনিং ফোরাম ২০২৬-এ সৌদি আরবের অংশগ্রহণের পেছনে কোন উদ্দেশ্যগুলো কাজ করছে? এসপিএ জানিয়েছে, এই অংশগ্রহণ খনি খাতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করার প্রচেষ্টার অংশ। এর মধ্যে রয়েছে খনিজ উৎপাদনকারী দেশগুলোর সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রযুক্তিগত ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্বের সুযোগ অন্বেষণ এবং মূল্য শৃঙ্খলের বিভিন্ন পর্যায়ে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বাড়ানো। এসপিএ জানিয়েছে, রাজ্যটি মিসরের সঙ্গে খনি সহযোগিতা সম্প্রসারণ করতে চায়।

সৌদি আরবের খনি খাতের রূপান্তর নিয়ে এসপিএ যে তথ্য দিয়েছে, তাতে কোন বিষয়টি অনুপস্থিত? এসপিএ জানিয়েছে, খনি খাতের রূপান্তরের মধ্যে আইনগত ও নিয়ন্ত্রক কাঠামো, ভূতাত্ত্বিক তথ্য, অনুসন্ধান, অবকাঠামো এবং বিনিয়োগ সহায়ক ও প্রণোদনা অন্তর্ভুক্ত। তবে এসপিএ এই পদক্ষেপগুলোর নির্দিষ্ট ফলাফল, বিনিয়োগের পরিমাণ বা সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। ফলে খনি খাতের রূপান্তরের অগ্রগতির সুনির্দিষ্ট চিত্র পাওয়া যায় না।

মিসর মাইনিং ফোরাম ২০২৬-এ সৌদি আরবের পক্ষ থেকে কে বক্তব্য দেন এবং কী বিষয়ে? শিল্প ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের খনি বিষয়ক ভাইস মিনিস্টার প্রকৌশলী খালিদ আল-মুদাইফার কায়রোতে ফোরামের একটি অধিবেশনে বক্তব্য দেন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি রাজ্যের আরও প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব খনি খাত গড়ে তোলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। অধিবেশনটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যমাত্রার অধীনে খনি খাতের রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করে।

ফোরামটি কবে অনুষ্ঠিত হয় এবং কারা অংশ নেন? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, মিসর মাইনিং ফোরাম ২০২৬-এর পঞ্চম সংস্করণ ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। এতে মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা, কোম্পানির নেতৃবৃন্দ, বিনিয়োগকারী এবং খনি ও খনিজ খাতের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। ফোরামটি কায়রোতে অনুষ্ঠিত হয়।

সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অধীনে খনি খাতের রূপান্তরের মধ্যে কী কী অন্তর্ভুক্ত? এসপিএ জানিয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে আইনগত ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর উন্নয়ন, ভূতাত্ত্বিক তথ্যে বিস্তৃত প্রবেশাধিকার, অনুসন্ধান কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা, অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগ সহায়ক ও প্রণোদনা। এসপিএ জানিয়েছে, এই প্রচেষ্টাগুলো রাজ্যের ভূতাত্ত্বিক সম্ভাবনাকে বিনিয়োগ সুযোগ ও প্রকল্পে রূপান্তরিত করতে সহায়তা করে।

ফিউচার মিনারেলস ফোরামের ষষ্ঠ সংস্করণ কবে এবং কোথায় অনুষ্ঠিত হবে? এসপিএ জানিয়েছে, ফিউচার মিনারেলস ফোরামের ষষ্ঠ সংস্করণ রিয়াদে ১২ থেকে ১৪ জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ফোরামটি সরকার, শিল্প নেতা, বিনিয়োগকারী এবং সেবা ও প্রযুক্তি সরবরাহকারীদের একত্রিত করে আরও স্থিতিস্থাপক খনিজ মূল্য শৃঙ্খল গড়ে তুলতে কাজ করে। এসপিএ জানিয়েছে, এটি খনিজ খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক সংলাপ বিস্তৃত করার রাজ্যের ভূমিকার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

সৌদি আরব মিসরের সঙ্গে খনি সহযোগিতা সম্প্রসারণে কী লক্ষ্য রাখছে? এসপিএ জানিয়েছে, রাজ্যটি মিসরের সঙ্গে খনি সহযোগিতা সম্প্রসারণ করতে চায়। এই লক্ষ্য খনি খাতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করার broader প্রচেষ্টার অংশ। এর মধ্যে রয়েছে অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রযুক্তিগত ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্বের সুযোগ অন্বেষণ এবং বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বাড়ানো। এসপিএ এই সহযোগিতার নির্দিষ্ট রূপ বা সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি।