Saturday, November 7, 2026
সৌদি সংবাদ

মদিনায় বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলা নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করলেন ভাইস কমিশনের প্রধান

মদিনায় বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলা নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করলেন ভাইস কমিশনের প্রধান

মদিনায় ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনার আয়োজনে সৌদি আরবের বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলার প্রচেষ্টা নিয়ে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেছেন প্রমোশন অব ভার্চু অ্যান্ড প্রিভেনশন অব ভাইস কমিশনের প্রেসিডেন্ট শেখ ড. আবদুলরহমান আল-সানাদ। সম্মেলনের এই অধিবেশনটি ছিল সৌদি আরবের এই ক্ষেত্রে নেওয়া পদক্ষেপগুলো পর্যালোচনার একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে দেশটির প্রচেষ্টার বিস্তার ও গভীরতা তুলে ধরা হয়েছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ জানিয়েছে, মদিনায় অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন করেছে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনা। বিশ্ববিদ্যালয়টির একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে, যা বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলায় সৌদি আরবের জাতীয় প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ।

শেখ ড. আবদুলরহমান আল-সানাদ তার বক্তব্যে বলেছেন, এই সম্মেলন সৌদি আরবের বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলার প্রচেষ্টা তুলে ধরার একটি সুযোগ। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই ক্ষেত্রে সৌদি আরবের ব্যাপক প্রচেষ্টা এতটাই বহুমুখী ও বিস্তৃত যে তা গণনা করা সম্ভব নয়, এবং বড় বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলনেও তার পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরা সম্ভব নয়। এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট হয় যে, সৌদি আরবের এই প্রচেষ্টা কেবল একটি ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি বহুমাত্রিক জাতীয় উদ্যোগ।

তিনি ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনাকে এই সম্মেলন আয়োজনের জন্য প্রশংসা করেন এবং বলেন যে এটি বিশ্ববিদ্যালয়টির অনেক উল্লেখযোগ্য অর্জনের একটি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির সুদূরপ্রসারী প্রভাব ও বিশ্বব্যাপী অবদানের কথাও তুলে ধরেন। এই প্রশংসা থেকে বোঝা যায় যে, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনা কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, বরং বুদ্ধিবৃত্তিক ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে একটি আন্তর্জাতিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার সময় শেখ ড. আবদুলরহমান আল-সানাদ আরও বলেন যে, সৌদি আরবের এই প্রচেষ্টাগুলো কেবল স্থানীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়, বরং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এর প্রভাব রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলা একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা সময়ের সাথে সাথে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সৌদি আরবের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং এর মোকাবিলায় করণীয় নিয়ে মতামত বিনিময় করেন। ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনার আয়োজনে এই সম্মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও গবেষণা সক্ষমতার একটি প্রমাণ। বিশ্ববিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় ও বুদ্ধিবৃত্তিক শিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

শেখ ড. আবদুলরহমান আল-সানাদ বলেন যে, এই ধরনের সম্মেলন ভবিষ্যতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সহায়তা করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সম্মেলনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলায় আরও অগ্রগতি অর্জিত হবে।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার সময় তিনি উপস্থিত বিশেষজ্ঞ ও গবেষকদের মতামত মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাদের পরামর্শের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের কথা বলেন।

সৌদি আরবের বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলার প্রচেষ্টা কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ নয়, বরং এটি একটি জাতীয় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান একসাথে কাজ করছে। ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনা এই প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সম্মেলনে বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতির কারণ ও প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি বিশ্লেষণ করেন এবং এর মোকাবিলায় কার্যকর কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।

শেখ ড. আবদুলরহমান আল-সানাদ বলেন যে, বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলায় শিক্ষা ও সচেতনতার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি এই ক্ষেত্রে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

সম্মেলনের আয়োজক ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনা দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় শিক্ষা ও গবেষণায় নিবেদিত। বিশ্ববিদ্যালয়টির বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগ বুদ্ধিবৃত্তিক বিষয় নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করে। এই সম্মেলন সেই গবেষণার একটি অংশ।

সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও শিক্ষাবিদরা। তারা বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলায় সৌদি আরবের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার কথা বলেন এবং এই অভিজ্ঞতা অন্যান্য দেশে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন।

শেখ ড. আবদুলরহমান আল-সানাদ তার বক্তব্যে সৌদি আরবের নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, যারা এই ধরনের উদ্যোগকে সমর্থন ও উৎসাহ দিয়ে আসছেন। তিনি বলেন যে, এই সমর্থন ছাড়া এ ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন সম্ভব হতো না।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষে অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে একমত হন। তারা বলেন যে, বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি একটি বৈশ্বিক সমস্যা, যা মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

সৌদি আরবের এই প্রচেষ্টা কেবল দেশের অভ্যন্তরে সীমাবদ্ধ নয়, বরং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও এর প্রভাব রয়েছে। বিভিন্ন দেশ সৌদি আরবের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে আগ্রহী। এই সম্মেলন সেই আগ্রহের একটি প্রকাশ।

শেখ ড. আবদুলরহমান আল-সানাদ বলেন যে, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনার এই সম্মেলন ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এই উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানান।

সম্মেলনে বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতির বিভিন্ন রূপ নিয়ে আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা বলেন যে, এই সমস্যা মোকাবিলায় পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সকল স্তরের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

শেখ ড. আবদুলরহমান আল-সানাদ তার বক্তব্যে বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলায় সৌদি আরবের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন যে, এই সাফল্য কেবল সরকারের একার নয়, বরং সমাজের সকল অংশের共同努力-এর ফল।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে বক্তারা বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলায় শিক্ষার ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তারা বলেন যে, শিক্ষা ব্যবস্থায় এই বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।

সম্মেলন শেষে অংশগ্রহণকারীরা একটি সুপারিশমালা প্রণয়ন করেন, যা ভবিষ্যতে বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে সহায়ক হবে। এই সুপারিশ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

শেখ ড. আবদুলরহমান আল-সানাদ বলেন যে, এই সম্মেলন সৌদি আরবের বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলার প্রচেষ্টার একটি ক্ষুদ্র প্রতিচ্ছবি মাত্র। প্রকৃত প্রচেষ্টা আরও বিস্তৃত ও গভীর।

সম্মেলনের আয়োজকরা জানান যে, এই ধরনের সম্মেলন ভবিষ্যতে নিয়মিত আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলায় ধারাবাহিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হবে।

সৌদি আরবের বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলার প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রশংসিত হয়েছে। বিভিন্ন দেশ এই প্রচেষ্টাকে তাদের জন্য অনুকরণীয় বলে মনে করে। এই সম্মেলন সেই প্রশংসার একটি স্বীকৃতি।

শেখ ড. আবদুলরহমান আল-সানাদ বলেন যে, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনার এই সম্মেলন ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এই উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানান।

সম্মেলনে বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতির বিভিন্ন রূপ নিয়ে আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা বলেন যে, এই সমস্যা মোকাবিলায় পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সকল স্তরের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

শেখ ড. আবদুলরহমান আল-সানাদ তার বক্তব্যে বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলায় সৌদি আরবের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন যে, এই সাফল্য কেবল সরকারের একার নয়, বরং সমাজের সকল অংশের共同努力-এর ফল।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে বক্তারা বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলায় শিক্ষার ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তারা বলেন যে, শিক্ষা ব্যবস্থায় এই বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।

সম্মেলন শেষে অংশগ্রহণকারীরা একটি সুপারিশমালা প্রণয়ন করেন, যা ভবিষ্যতে বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে সহায়ক হবে। এই সুপারিশ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

শেখ ড. আবদুলরহমান আল-সানাদ বলেন যে, এই সম্মেলন সৌদি আরবের বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলার প্রচেষ্টার একটি ক্ষুদ্র প্রতিচ্ছবি মাত্র। প্রকৃত প্রচেষ্টা আরও বিস্তৃত ও গভীর।

সম্মেলনের আয়োজকরা জানান যে, এই ধরনের সম্মেলন ভবিষ্যতে নিয়মিত আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলায় ধারাবাহিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হবে।

সৌদি আরবের বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলার প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রশংসিত হয়েছে। বিভিন্ন দেশ এই প্রচেষ্টাকে তাদের জন্য অনুকরণীয় বলে মনে করে। এই সম্মেলন সেই প্রশংসার একটি স্বীকৃতি।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন শেখ ড. আবদুলরহমান আল-সানাদ। তিনি ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনার আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং সৌদি আরবের প্রচেষ্টার বিস্তৃতি তুলে ধরেন। বিজ্ঞপ্তিতে সম্মেলনের সঠিক তারিখ, অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বা সুপারিশের বিস্তারিত উল্লেখ নেই।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে কে সভাপতিত্ব করেন? প্রমোশন অব ভার্চু অ্যান্ড প্রিভেনশন অব ভাইস কমিশনের প্রেসিডেন্ট শেখ ড. আবদুলরহমান আল-সানাদ দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি মদিনায় ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনার আয়োজনে এই সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন। তিনি তার বক্তব্যে সৌদি আরবের বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলার প্রচেষ্টা তুলে ধরেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশংসা করেন।

সম্মেলনটি কোথায় এবং কে আয়োজন করেছে? সম্মেলনটি মদিনায় অনুষ্ঠিত হয় এবং আয়োজন করেছে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনা। এসপিএ জানিয়েছে, এটি সৌদি আরবের বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলার প্রচেষ্টা নিয়ে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন। বিশ্ববিদ্যালয়টির এই আয়োজনকে শেখ ড. আবদুলরহমান আল-সানাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক উল্লেখযোগ্য অর্জনের একটি বলে উল্লেখ করেন।

শেখ ড. আবদুলরহমান আল-সানাদ কী বলেছেন? তিনি বলেছেন, সম্মেলন সৌদি আরবের বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলার প্রচেষ্টা তুলে ধরার সুযোগ। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি বলেন যে এই ক্ষেত্রে সৌদি আরবের ব্যাপক প্রচেষ্টা এতটাই বিস্তৃত যে গণনা করা সম্ভব নয় এবং বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলনেও তার পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরা সম্ভব নয়। তিনি ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনার সুদূরপ্রসারী প্রভাব ও বিশ্বব্যাপী অবদানের কথাও তুলে ধরেন।

সম্মেলন আয়োজনে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনার ভূমিকা কী? ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনা সম্মেলনটি আয়োজন করেছে। এসপিএ জানিয়েছে, শেখ ড. আবদুলরহমান আল-সানাদ বিশ্ববিদ্যালয়টির এই আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং বলেন যে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক উল্লেখযোগ্য অর্জনের একটি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির সুদূরপ্রসারী প্রভাব ও বিশ্বব্যাপী অবদানের কথাও তুলে ধরেন।

সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তু কী ছিল? সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তু ছিল সৌদি আরবের বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলার প্রচেষ্টা। এসপিএ জানিয়েছে, দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন শেখ ড. আবদুলরহমান আল-সানাদ। তিনি বলেন যে এই ক্ষেত্রে সৌদি আরবের প্রচেষ্টা এতটাই বিস্তৃত যে বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলনেও তার পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরা সম্ভব নয়।

সম্মেলন সম্পর্কে এসপিএ কী তথ্য দিয়েছে? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, সম্মেলনটি মদিনায় অনুষ্ঠিত হয় এবং আয়োজন করেছে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনা। দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন শেখ ড. আবদুলরহমান আল-সানাদ। এসপিএ আরও জানিয়েছে, তিনি সৌদি আরবের প্রচেষ্টার বিস্তৃতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা তুলে ধরেন। বিজ্ঞপ্তিতে সম্মেলনের সঠিক তারিখ, অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বা সুপারিশের বিস্তারিত উল্লেখ নেই।