সুদানের পোর্ট সুদানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত পানির ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট পুনর্বাসন প্রকল্প পরিদর্শন করেছে কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (কেএসরিলিফ) এর একটি দল। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এই মাঠ পরিদর্শন সম্পন্ন হয়।
প্ল্যান্টটিতে দুটি ইউনিট রয়েছে, যার প্রতিটি দৈনিক ১,৫০০ ঘনমিটার পানি উৎপাদন করে। ফলে প্ল্যান্টটির মোট দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়ায় ৩,০০০ ঘনমিটার। সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্বকারী কেএসরিলিফ প্ল্যান্টটি পুনর্বাসন করেছে যাতে পোর্ট সুদানের প্রায় ৫০টি এলাকা ও আবাসিক ব্লকের জন্য বিশুদ্ধ ডিস্যালিনেটেড পানীয় জল সরবরাহ করা যায়।
এসপিএ জানিয়েছে, পোর্ট সুদানের ওই এলাকাগুলোতে পানীয় জলের উপযোগী ভূগর্ভস্থ পানি পর্যাপ্ত পরিমাণে নেই। এই ঘাটতির কারণেই ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টের ওপর নির্ভরতা বেশি। প্ল্যান্টটি পুনর্বাসনের মাধ্যমে ওই ৫০টি এলাকা ও আবাসিক ব্লকের বাসিন্দারা বিশুদ্ধ ডিস্যালিনেটেড পানি পাচ্ছেন।
কেএসরিলিফের এই প্রকল্পটি সৌদি আরবের মানবিক ও ত্রাণ সহায়তার অংশ। এসপিএ জানিয়েছে, সুদানের বিভিন্ন রাজ্যে পানির ও স্যানিটেশন খাতকে সহায়তা করা এবং প্রয়োজনগ্রস্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করাই এই সহায়তার উদ্দেশ্য।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্ল্যান্টটি পুনর্বাসনের ফলে দৈনিক ৩,০০০ ঘনমিটার বিশুদ্ধ পানি উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে। এই পানি পোর্ট সুদানের দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ৫০টি এলাকা ও আবাসিক ব্লকে সরবরাহ করা হচ্ছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্ল্যান্টটি দুটি ইউনিটে বিভক্ত এবং প্রতিটি ইউনিটের দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ১,৫০০ ঘনমিটার। দুই ইউনিট মিলিয়ে মোট ৩,০০০ ঘনমিটার দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা নির্ধারিত হয়েছে।
পোর্ট সুদানের যে এলাকাগুলোতে এই পানি সরবরাহ করা হচ্ছে, সেখানে পানীয় জলের জন্য উপযুক্ত ভূগর্ভস্থ পানি নেই বলে এসপিএ উল্লেখ করেছে। ফলে ডিস্যালিনেটেড পানির সরবরাহ ওই এলাকার বাসিন্দাদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
কেএসরিলিফের মাঠ পরিদর্শন দলটি সরেজমিনে প্রকল্পের অবস্থা পরিদর্শন করেছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই পরিদর্শন ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে পোর্ট সুদানে অনুষ্ঠিত হয়।
সৌদি আরব কেএসরিলিফের মাধ্যমে সুদানের বিভিন্ন রাজ্যে পানির ও স্যানিটেশন খাতে সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সহায়তার লক্ষ্য প্রয়োজনগ্রস্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করা।
প্ল্যান্টটি পুনর্বাসনের আগে কী অবস্থায় ছিল বা পুনর্বাসনে কত সময় লেগেছে, এসপিএ-র প্রতিবেদনে সেই তথ্য নেই। প্ল্যান্ট পুনর্বাসনের ব্যয়, প্রকল্পের সময়সীমা বা ভবিষ্যতে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সম্পর্কেও প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্ল্যান্টের উৎপাদন ক্ষমতা, সরবরাহকৃত এলাকার সংখ্যা এবং প্রকল্পের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে। তবে প্ল্যান্টটি কোন সংস্থা বা ঠিকাদার পুনর্বাসন করেছে, সেই তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
সুদানের পোর্ট সুদান শহরের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত এই প্ল্যান্টটি পুনর্বাসনের ফলে ওই এলাকার বাসিন্দারা বিশুদ্ধ ডিস্যালিনেটেড পানীয় জল পাচ্ছেন। এসপিএ জানিয়েছে, এই প্রকল্প সৌদি আরবের মানবিক ও ত্রাণ সহায়তার অংশ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।
কেএসরিলিফের মাঠ পরিদর্শন দলটি প্ল্যান্টের দুটি ইউনিট পরিদর্শন করেছে বলে এসপিএ জানিয়েছে। প্রতিটি ইউনিটের দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ১,৫০০ ঘনমিটার এবং মোট দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ৩,০০০ ঘনমিটার।
পোর্ট সুদানের প্রায় ৫০টি এলাকা ও আবাসিক ব্লকে এই পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। এসপিএ জানিয়েছে, ওই এলাকাগুলোতে পানীয় জলের উপযোগী ভূগর্ভস্থ পানি নেই।
সৌদি আরবের এই সহায়তা সুদানের বিভিন্ন রাজ্যে পানির ও স্যানিটেশন খাতে প্রদান করা হচ্ছে। এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সহায়তার উদ্দেশ্য প্রয়োজনগ্রস্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করা।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্ল্যান্ট পুনর্বাসনের সঠিক তারিখ, ব্যয় বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। প্রতিবেদনে শুধু ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের মাঠ পরিদর্শনের তথ্য এবং প্ল্যান্টের উৎপাদন ক্ষমতা ও সরবরাহকৃত এলাকার সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে।
কেএসরিলিফ দল কোথায় মাঠ পরিদর্শন করেছে? কেএসরিলিফের একটি দল সুদানের পোর্ট সুদানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত পানির ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট পুনর্বাসন প্রকল্প পরিদর্শন করেছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই পরিদর্শন ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়। প্ল্যান্টটি পুনর্বাসনের ফলে পোর্ট সুদানের প্রায় ৫০টি এলাকা ও আবাসিক ব্লকে বিশুদ্ধ ডিস্যালিনেটেড পানীয় জল সরবরাহ করা হচ্ছে।
প্ল্যান্টটির উৎপাদন ক্ষমতা কত? প্ল্যান্টটিতে দুটি ইউনিট রয়েছে এবং প্রতিটি ইউনিট দৈনিক ১,৫০০ ঘনমিটার পানি উৎপাদন করে। এসপিএ জানিয়েছে, দুই ইউনিট মিলিয়ে প্ল্যান্টটির মোট দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ৩,০০০ ঘনমিটার। এই পানি পোর্ট সুদানের প্রায় ৫০টি এলাকা ও আবাসিক ব্লকে সরবরাহ করা হয়, যেখানে পানীয় জলের উপযোগী ভূগর্ভস্থ পানি পর্যাপ্ত নয়।
এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য কী? এসপিএ জানিয়েছে, প্রকল্পটি সৌদি আরবের মানবিক ও ত্রাণ সহায়তার অংশ। এর উদ্দেশ্য সুদানের বিভিন্ন রাজ্যে পানির ও স্যানিটেশন খাতে সহায়তা করা এবং প্রয়োজনগ্রস্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করা। প্ল্যান্টটি পুনর্বাসনের মাধ্যমে পোর্ট সুদানের দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ৫০টি এলাকা ও আবাসিক ব্লকে বিশুদ্ধ ডিস্যালিনেটেড পানীয় জল সরবরাহ করা হচ্ছে।
পোর্ট সুদানের ওই এলাকাগুলোতে কেন ডিস্যালিনেটেড পানির প্রয়োজন? এসপিএ জানিয়েছে, পোর্ট সুদানের যে এলাকাগুলোতে এই পানি সরবরাহ করা হচ্ছে, সেখানে পানীয় জলের জন্য উপযুক্ত ভূগর্ভস্থ পানি পর্যাপ্ত পরিমাণে নেই। এই ঘাটতির কারণেই ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টের ওপর নির্ভরতা বেশি। প্ল্যান্টটি পুনর্বাসনের ফলে ওই প্রায় ৫০টি এলাকা ও আবাসিক ব্লকের বাসিন্দারা বিশুদ্ধ ডিস্যালিনেটেড পানীয় জল পাচ্ছেন।
প্রতিবেদনে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্ল্যান্ট পুনর্বাসনের ব্যয়, প্রকল্পের সময়সীমা বা ভবিষ্যতে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। প্ল্যান্টটি কোন সংস্থা বা ঠিকাদার পুনর্বাসন করেছে, সেই তথ্যও প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই। প্রতিবেদনে শুধু ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের মাঠ পরিদর্শন, প্ল্যান্টের উৎপাদন ক্ষমতা ও সরবরাহকৃত এলাকার সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে।





