রিয়াদে যৌথ বাহিনীর সদর দপ্তরে শনিবার এক সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন যৌথ বাহিনীর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাহদ বিন হামাদ আল-সালমান এবং ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের কমান্ডার ও প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্য জেনারেল তারিক সালেহ। সাক্ষাতের মূল আলোচ্য ছিল ইয়েমেনের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং যৌথ প্রচেষ্টা জোরদার ও সমন্বয়ের উপায়।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, বৈঠকে ইয়েমেনের উন্নয়ন পর্যালোচনা করা হয় এবং রাষ্ট্র ও তার জাতীয় প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সব ফ্রন্টে ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তুতি সমর্থনে যৌথ প্রচেষ্টা জোরদার ও সমন্বয়ের বিষয়ে আলোচনা হয়।
এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাহদ আল-সালমান প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলে জেনারেল তারিক সালেহের নেতৃত্বের ভূমিকা এবং ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের কমান্ডের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি রাষ্ট্র পুনরুদ্ধার ও অভ্যুত্থান অবসানের লড়াইয়ে ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ও তার সদস্যদের বিরাট ত্যাগের কথাও স্মরণ করেন।
অন্যদিকে জেনারেল তারিক সালেহ যৌথ বাহিনী কমান্ডের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী ও ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের সক্ষমতা বাড়াতে কমান্ডের দেওয়া অবিরাম সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি সারি মিলিয়ে কাজ করা এবং বাহিনীকে জাতীয় দায়িত্ব পালনের উপযোগী করে পুনর্বাসনের প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন।
জেনারেল তারিক সালেহ ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন এবং জাতীয় দায়িত্ব পালনে তাদের অটল সংকল্পের কথা বলেন। তিনি এই পর্যায় অতিক্রম করার গুরুত্ব এবং পরবর্তী ধাপের চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুতি, সমন্বয় ও প্রচেষ্টার সমন্বয় বাড়িয়ে চলার ওপর জোর দেন।
উভয় পক্ষ ঐক্য, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সমন্বিত ভূমিকার গুরুত্ব এবং মনোবল বাড়ানো, ইউনিট পুনর্গঠন ও যুদ্ধপ্রস্তুতি উন্নীত করার জন্য ধারাবাহিক সমন্বয় ও যৌথ পদক্ষেপের ওপর জোর দেন। এসপিএ জানিয়েছে, এই লড়াই রাষ্ট্র ও তার প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে, যা ইয়েমেনি জনগণের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফেরানো এবং ভবিষ্যৎ গড়ার আকাঙ্ক্ষা পূরণে ভূমিকা রাখবে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাক্ষাৎটি রিয়াদে যৌথ বাহিনীর কমান্ড সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবেদনে সময় উল্লেখ করা হয়েছে স্থানীয় সময় ২১:২৮ এবং গ্রিনিচ মান সময় ১৮:২৮।
এসপিএ আরও জানিয়েছে, বৈঠকে ইয়েমেনের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং যৌথ প্রচেষ্টা জোরদার ও সমন্বয়ের উপায় খোঁজা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচনার লক্ষ্য ছিল সব ফ্রন্টে ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তুতি সমর্থন করা, যাতে রাষ্ট্র ও তার জাতীয় প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধার করা যায়।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাহদ আল-সালমানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিষয়টি এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি জেনারেল তারিক সালেহের নেতৃত্বের ভূমিকা এবং ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের কমান্ডের কথা আলাদাভাবে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ও তার সদস্যদের বিরাট ত্যাগের কথাও উল্লেখ করেন।
জেনারেল তারিক সালেহের প্রশংসার বিষয়টিও প্রতিবেদনে রয়েছে। তিনি যৌথ বাহিনী কমান্ডের ভূমিকা এবং ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী ও ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের সক্ষমতা বাড়াতে দেওয়া অবিরাম সমর্থনের কথা বলেন। তিনি সারি মিলিয়ে কাজ করা এবং বাহিনীকে জাতীয় দায়িত্ব পালনের উপযোগী করে পুনর্বাসনের প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেনারেল তারিক সালেহ ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন এবং জাতীয় দায়িত্ব পালনে তাদের অটল সংকল্পের কথা বলেন। তিনি এই পর্যায় অতিক্রম করার গুরুত্ব এবং পরবর্তী ধাপের চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুতি, সমন্বয় ও প্রচেষ্টার সমন্বয় বাড়িয়ে চলার ওপর জোর দেন।
উভয় পক্ষের সম্মিলিত অবস্থানের বিষয়টিও এসপিএ-র প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তারা ঐক্য, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সমন্বিত ভূমিকার গুরুত্ব এবং ধারাবাহিক সমন্বয় ও যৌথ পদক্ষেপের ওপর জোর দেন। এর লক্ষ্য ছিল মনোবল বাড়ানো, ইউনিট পুনর্গঠন এবং যুদ্ধপ্রস্তুতি উন্নীত করা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই লড়াই রাষ্ট্র ও তার প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। এসপিএ জানিয়েছে, এটি ইয়েমেনি জনগণের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফেরানো এবং ভবিষ্যৎ গড়ার আকাঙ্ক্ষা পূরণে ভূমিকা রাখবে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে সাক্ষাতের স্থান হিসেবে রিয়াদে যৌথ বাহিনীর কমান্ড সদর দপ্তরের কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে সময় উল্লেখ করা হয়েছে স্থানীয় সময় ২১:২৮ এবং গ্রিনিচ মান সময় ১৮:২৮।
প্রতিবেদনে সাক্ষাতের তারিখ হিসেবে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে। এসপিএ-র বরাতে বলা হয়েছে, সাক্ষাৎটি ওই দিনই অনুষ্ঠিত হয়।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাহদ বিন হামাদ আল-সালমানকে যৌথ বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। জেনারেল তারিক সালেহকে উল্লেখ করা হয়েছে ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের কমান্ডার এবং প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে ইয়েমেনের উন্নয়ন পর্যালোচনা করা হয় এবং যৌথ প্রচেষ্টা জোরদার ও সমন্বয়ের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনার লক্ষ্য ছিল সব ফ্রন্টে ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তুতি সমর্থন করা।
এসপিএ জানিয়েছে, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাহদ আল-সালমান জেনারেল তারিক সালেহের নেতৃত্বের ভূমিকা এবং ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের কমান্ডের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ও তার সদস্যদের বিরাট ত্যাগের কথাও স্মরণ করেন।
জেনারেল তারিক সালেহ যৌথ বাহিনী কমান্ডের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী ও ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের সক্ষমতা বাড়াতে দেওয়া অবিরাম সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি সারি মিলিয়ে কাজ করা এবং বাহিনীকে পুনর্বাসনের প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেনারেল তারিক সালেহ ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন এবং জাতীয় দায়িত্ব পালনে তাদের অটল সংকল্পের কথা বলেন। তিনি এই পর্যায় অতিক্রম করার গুরুত্ব এবং পরবর্তী ধাপের চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুতি, সমন্বয় ও প্রচেষ্টার সমন্বয় বাড়িয়ে চলার ওপর জোর দেন।
উভয় পক্ষ ঐক্য, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সমন্বিত ভূমিকার গুরুত্ব এবং ধারাবাহিক সমন্বয় ও যৌথ পদক্ষেপের ওপর জোর দেন। এর লক্ষ্য ছিল মনোবল বাড়ানো, ইউনিট পুনর্গঠন এবং যুদ্ধপ্রস্তুতি উন্নীত করা।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই লড়াই রাষ্ট্র ও তার প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। এটি ইয়েমেনি জনগণের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফেরানো এবং ভবিষ্যৎ গড়ার আকাঙ্ক্ষা পূরণে ভূমিকা রাখবে।
প্রতিবেদনে সাক্ষাতের স্থান হিসেবে রিয়াদে যৌথ বাহিনীর কমান্ড সদর দপ্তরের কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে সময় উল্লেখ করা হয়েছে স্থানীয় সময় ২১:২৮ এবং গ্রিনিচ মান সময় ১৮:২৮।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে সাক্ষাতের তারিখ হিসেবে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাহদ বিন হামাদ আল-সালমানকে যৌথ বাহিনীর কমান্ডার এবং জেনারেল তারিক সালেহকে ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের কমান্ডার ও প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকে আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে ইয়েমেনের উন্নয়ন এবং যৌথ প্রচেষ্টা জোরদার ও সমন্বয়ের উপায় উল্লেখ করা হয়েছে। আলোচনার লক্ষ্য ছিল সব ফ্রন্টে ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তুতি সমর্থন করা, যাতে রাষ্ট্র ও তার জাতীয় প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধার করা যায়।
প্রতিবেদনে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাহদ আল-সালমানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি জেনারেল তারিক সালেহের নেতৃত্বের ভূমিকা এবং ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের কমান্ডের কথা আলাদাভাবে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ও তার সদস্যদের বিরাট ত্যাগের কথাও উল্লেখ করেন।
জেনারেল তারিক সালেহের প্রশংসার বিষয়টিও প্রতিবেদনে রয়েছে। তিনি যৌথ বাহিনী কমান্ডের ভূমিকা এবং ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী ও ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের সক্ষমতা বাড়াতে দেওয়া অবিরাম সমর্থনের কথা বলেন। তিনি সারি মিলিয়ে কাজ করা এবং বাহিনীকে জাতীয় দায়িত্ব পালনের উপযোগী করে পুনর্বাসনের প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেনারেল তারিক সালেহ ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন এবং জাতীয় দায়িত্ব পালনে তাদের অটল সংকল্পের কথা বলেন। তিনি এই পর্যায় অতিক্রম করার গুরুত্ব এবং পরবর্তী ধাপের চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুতি, সমন্বয় ও প্রচেষ্টার সমন্বয় বাড়িয়ে চলার ওপর জোর দেন।
উভয় পক্ষের সম্মিলিত অবস্থানের বিষয়টিও এসপিএ-র প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তারা ঐক্য, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সমন্বিত ভূমিকার গুরুত্ব এবং ধারাবাহিক সমন্বয় ও যৌথ পদক্ষেপের ওপর জোর দেন। এর লক্ষ্য ছিল মনোবল বাড়ানো, ইউনিট পুনর্গঠন এবং যুদ্ধপ্রস্তুতি উন্নীত করা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই লড়াই রাষ্ট্র ও তার প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। এসপিএ জানিয়েছে, এটি ইয়েমেনি জনগণের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফেরানো এবং ভবিষ্যৎ গড়ার আকাঙ্ক্ষা পূরণে ভূমিকা রাখবে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে সাক্ষাতের স্থান হিসেবে রিয়াদে যৌথ বাহিনীর কমান্ড সদর দপ্তরের কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে সময় উল্লেখ করা হয়েছে স্থানীয় সময় ২১:২৮ এবং গ্রিনিচ মান সময় ১৮:২৮।
প্রতিবেদনে সাক্ষাতের তারিখ হিসেবে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে। এসপিএ-র বরাতে বলা হয়েছে, সাক্ষাৎটি ওই দিনই অনুষ্ঠিত হয়।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাহদ বিন হামাদ আল-সালমানকে যৌথ বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। জেনারেল তারিক সালেহকে উল্লেখ করা হয়েছে ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের কমান্ডার এবং প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে ইয়েমেনের উন্নয়ন পর্যালোচনা করা হয় এবং যৌথ প্রচেষ্টা জোরদার ও সমন্বয়ের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনার লক্ষ্য ছিল সব ফ্রন্টে ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তুতি সমর্থন করা।
এসপিএ জানিয়েছে, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাহদ আল-সালমান জেনারেল তারিক সালেহের নেতৃত্বের ভূমিকা এবং ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের কমান্ডের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ও তার সদস্যদের বিরাট ত্যাগের কথাও স্মরণ করেন।
জেনারেল তারিক সালেহ যৌথ বাহিনী কমান্ডের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী ও ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের সক্ষমতা বাড়াতে দেওয়া অবিরাম সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি সারি মিলিয়ে কাজ করা এবং বাহিনীকে পুনর্বাসনের প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেনারেল তারিক সালেহ ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন এবং জাতীয় দায়িত্ব পালনে তাদের অটল সংকল্পের কথা বলেন। তিনি এই পর্যায় অতিক্রম করার গুরুত্ব এবং পরবর্তী ধাপের চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুতি, সমন্বয় ও প্রচেষ্টার সমন্বয় বাড়িয়ে চলার ওপর জোর দেন।
উভয় পক্ষ ঐক্য, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সমন্বিত ভূমিকার গুরুত্ব এবং ধারাবাহিক সমন্বয় ও যৌথ পদক্ষেপের ওপর জোর দেন। এর লক্ষ্য ছিল মনোবল বাড়ানো, ইউনিট পুনর্গঠন এবং যুদ্ধপ্রস্তুতি উন্নীত করা।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই লড়াই রাষ্ট্র ও তার প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। এটি ইয়েমেনি জনগণের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফেরানো এবং ভবিষ্যৎ গড়ার আকাঙ্ক্ষা পূরণে ভূমিকা রাখবে।
প্রতিবেদনে সাক্ষাতের স্থান হিসেবে রিয়াদে যৌথ বাহিনীর কমান্ড সদর দপ্তরের কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে সময় উল্লেখ করা হয়েছে স্থানীয় সময় ২১:২৮ এবং গ্রিনিচ মান সময় ১৮:২৮।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে সাক্ষাতের তারিখ হিসেবে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাহদ বিন হামাদ আল-সালমানকে যৌথ বাহিনীর কমান্ডার এবং জেনারেল তারিক সালেহকে ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের কমান্ডার ও প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকে আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে ইয়েমেনের উন্নয়ন এবং যৌথ প্রচেষ্টা জোরদার ও সমন্বয়ের উপায় উল্লেখ করা হয়েছে। আলোচনার লক্ষ্য ছিল সব ফ্রন্টে ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তুতি সমর্থন করা, যাতে রাষ্ট্র ও তার জাতীয় প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধার করা যায়।
প্রতিবেদনে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাহদ আল-সালমানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি জেনারেল তারিক সালেহের নেতৃত্বের ভূমিকা এবং ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের কমান্ডের কথা আলাদাভাবে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ও তার সদস্যদের বিরাট ত্যাগের কথাও উল্লেখ করেন।
জেনারেল তারিক সালেহের প্রশংসার বিষয়টিও প্রতিবেদনে রয়েছে। তিনি যৌথ বাহিনী কমান্ডের ভূমিকা এবং ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী ও ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের সক্ষমতা বাড়াতে দেওয়া অবিরাম সমর্থনের কথা বলেন। তিনি সারি মিলিয়ে কাজ করা এবং বাহিনীকে জাতীয় দায়িত্ব পালনের উপযোগী করে পুনর্বাসনের প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেনারেল তারিক সালেহ ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন এবং জাতীয় দায়িত্ব পালনে তাদের অটল সংকল্পের কথা বলেন। তিনি এই পর্যায় অতিক্রম করার গুরুত্ব এবং পরবর্তী ধাপের চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুতি, সমন্বয় ও প্রচেষ্টার সমন্বয় বাড়িয়ে চলার ওপর জোর দেন।
উভয় পক্ষের সম্মিলিত অবস্থানের বিষয়টিও এসপিএ-র প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তারা ঐক্য, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সমন্বিত ভূমিকার গুরুত্ব এবং ধারাবাহিক সমন্বয় ও যৌথ পদক্ষেপের ওপর জোর দেন। এর লক্ষ্য ছিল মনোবল বাড়ানো, ইউনিট পুনর্গঠন এবং যুদ্ধপ্রস্তুতি উন্নীত করা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই লড়াই রাষ্ট্র ও তার প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। এসপিএ জানিয়েছে, এটি ইয়েমেনি জনগণের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফেরানো এবং ভবিষ্যৎ গড়ার আকাঙ্ক্ষা পূরণে ভূমিকা রাখবে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে সাক্ষাতের স্থান হিসেবে রিয়াদে যৌথ বাহিনীর কমান্ড সদর দপ্তরের কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে সময় উল্লেখ করা হয়েছে স্থানীয় সময় ২১:২৮ এবং গ্রিনিচ মান সময় ১৮:২৮।
প্রতিবেদনে সাক্ষাতের তারিখ হিসেবে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে। এসপিএ-র বরাতে বলা হয়েছে, সাক্ষাৎটি ওই দিনই অনুষ্ঠিত হয়।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাহদ বিন হামাদ আল-সালমানকে যৌথ বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। জেনারেল তারিক সালেহকে উল্লেখ করা হয়েছে ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের কমান্ডার এবং প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে ইয়েমেনের উন্নয়ন পর্যালোচনা করা হয় এবং যৌথ প্রচেষ্টা জোরদার ও সমন্বয়ের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনার লক্ষ্য ছিল সব ফ্রন্টে ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তুতি সমর্থন করা।
এসপিএ জানিয়েছে, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাহদ আল-সালমান জেনারেল তারিক সালেহের নেতৃত্বের ভূমিকা এবং ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের কমান্ডের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ও তার সদস্যদের বিরাট ত্যাগের কথাও স্মরণ করেন।
জেনারেল তারিক সালেহ যৌথ বাহিনী কমান্ডের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী ও ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের সক্ষমতা বাড়াতে দেওয়া অবিরাম সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি সারি মিলিয়ে কাজ করা এবং বাহিনীকে পুনর্বাসনের প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেনারেল তারিক সালেহ ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন এবং জাতীয় দায়িত্ব পালনে তাদের অটল সংকল্পের কথা বলেন। তিনি এই পর্যায় অতিক্রম করার গুরুত্ব এবং পরবর্তী ধাপের চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুতি, সমন্বয় ও প্রচেষ্টার সমন্বয় বাড়িয়ে চলার ওপর জোর দেন।
উভয় পক্ষ ঐক্য, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সমন্বিত ভূমিকার গুরুত্ব এবং ধারাবাহিক সমন্বয় ও যৌথ পদক্ষেপের ওপর জোর দেন। এর লক্ষ্য ছিল মনোবল বাড়ানো, ইউনিট পুনর্গঠন এবং যুদ্ধপ্রস্তুতি উন্নীত করা।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই লড়াই রাষ্ট্র ও তার প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। এটি ইয়েমেনি জনগণের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফেরানো এবং ভবিষ্যৎ গড়ার আকাঙ্ক্ষা পূরণে ভূমিকা রাখবে।
প্রতিবেদনে সাক্ষাতের স্থান হিসেবে রিয়াদে যৌথ বাহিনীর কমান্ড সদর দপ্তরের কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে সময় উল্লেখ করা হয়েছে স্থানীয় সময় ২১:২৮ এবং গ্রিনিচ মান সময় ১৮:২৮।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে সাক্ষাতের তারিখ হিসেবে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাহদ বিন হামাদ আল-সালমানকে যৌথ বাহিনীর কমান্ডার এবং জেনারেল তারিক সালেহকে ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের কমান্ডার ও প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকে আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে ইয়েমেনের উন্নয়ন এবং যৌথ প্রচেষ্টা জোরদার ও সমন্বয়ের উপায় উল্লেখ করা হয়েছে। আলোচনার লক্ষ্য ছিল সব ফ্রন্টে ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তুতি সমর্থন করা, যাতে রাষ্ট্র ও তার জাতীয় প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধার করা যায়।
প্রতিবেদনে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাহদ আল-সালমানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি জেনারেল তারিক সালেহের নেতৃত্বের ভূমিকা এবং ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের কমান্ডের কথা আলাদাভাবে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ও তার সদস্যদের বিরাট ত্যাগের কথাও উল্লেখ করেন।
জেনারেল তারিক সালেহের প্রশংসার বিষয়টিও প্রতিবেদনে রয়েছে। তিনি যৌথ বাহিনী কমান্ডের ভূমিকা এবং ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী ও ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের সক্ষমতা বাড়াতে দেওয়া অবিরাম সমর্থনের কথা বলেন। তিনি সারি মিলিয়ে কাজ করা এবং বাহিনীকে জাতীয় দায়িত্ব পালনের উপযোগী করে পুনর্বাসনের প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেনারেল তারিক সালেহ ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন এবং জাতীয় দায়িত্ব পালনে তাদের অটল সংকল্পের কথা বলেন। তিনি এই পর্যায় অতিক্রম করার গুরুত্ব এবং পরবর্তী ধাপের চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুতি, সমন্বয় ও প্রচেষ্টার সমন্বয় বাড়িয়ে চলার ওপর জোর দেন।
উভয় পক্ষের সম্মিলিত অবস্থানের বিষয়টিও এসপিএ-র প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তারা ঐক্য, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সমন্বিত ভূমিকার গুরুত্ব এবং ধারাবাহিক সমন্বয় ও যৌথ পদক্ষেপের ওপর জোর দেন। এর লক্ষ্য ছিল মনোবল বাড়ানো, ইউনিট পুনর্গঠন এবং যুদ্ধপ্রস্তুতি উন্নীত করা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই লড়াই রাষ্ট্র ও তার প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। এসপিএ জানিয়েছে, এটি ইয়েমেনি জনগণের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফেরানো এবং ভবিষ্যৎ গড়ার আকাঙ্ক্ষা পূরণে ভূমিকা রাখবে।
সাক্ষাতে কারা উপস্থিত ছিলেন? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, যৌথ বাহিনীর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাহদ বিন হামাদ আল-সালমান এবং ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের কমান্ডার ও প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্য জেনারেল তারিক সালেহ সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকটি রিয়াদে যৌথ বাহিনীর কমান্ড সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবেদনে সময় উল্লেখ করা হয়েছে স্থানীয় সময় ২১:২৮ এবং গ্রিনিচ মান সময় ১৮:২৮।
বৈঠকে কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, বৈঠকে ইয়েমেনের উন্নয়ন পর্যালোচনা করা হয় এবং যৌথ প্রচেষ্টা জোরদার ও সমন্বয়ের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনার লক্ষ্য ছিল সব ফ্রন্টে ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তুতি সমর্থন করা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর উদ্দেশ্য ছিল রাষ্ট্র ও তার জাতীয় প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধার করা।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাহদ আল-সালমান কী বলেছেন? এসপিএ জানিয়েছে, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাহদ আল-সালমান জেনারেল তারিক সালেহের নেতৃত্বের ভূমিকা এবং ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের কমান্ডের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ও তার সদস্যদের বিরাট ত্যাগের কথাও স্মরণ করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ত্যাগ ছিল রাষ্ট্র পুনরুদ্ধার ও অভ্যুত্থান অবসানের লড়াইয়ে।
জেনারেল তারিক সালেহ কী বলেছেন? এসপিএ জানিয়েছে, জেনারেল তারিক সালেহ যৌথ বাহিনী কমান্ডের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী ও ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের সক্ষমতা বাড়াতে দেওয়া অবিরাম সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি সারি মিলিয়ে কাজ করা এবং বাহিনীকে পুনর্বাসনের প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন। তিনি ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন।
উভয় পক্ষ কোন বিষয়ে জোর দিয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, উভয় পক্ষ ঐক্য, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সমন্বিত ভূমিকার গুরুত্ব এবং ধারাবাহিক সমন্বয় ও যৌথ পদক্ষেপের ওপর জোর দেন। এর লক্ষ্য ছিল মনোবল বাড়ানো, ইউনিট পুনর্গঠন এবং যুদ্ধপ্রস্তুতি উন্নীত করা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই লড়াই রাষ্ট্র ও তার প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে।
সাক্ষাতের সময় ও তারিখ কী ছিল? এসপিএ-র প্রতিবেদনে সাক্ষাতের তারিখ হিসেবে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে সময় উল্লেখ করা হয়েছে স্থানীয় সময় ২১:২৮ এবং গ্রিনিচ মান সময় ১৮:২৮। সাক্ষাৎটি রিয়াদে যৌথ বাহিনীর কমান্ড সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়।





