জাপানের মধ্যাঞ্চলে ৫.৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যা আইচি প্রিফেকচারসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রভাব ফেলেছে এবং জাপানি গণমাধ্যমের খবরে কয়েক ডজন আহতের কথা বলা হয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, জাপান আবহাওয়া সংস্থার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে ভূমিকম্পটি রিখটার স্কেলে ৫.৭ মাত্রার ছিল এবং এটি রোববার ভোররাতে আঘাত হানে।
সরকারি ভূকম্পীয় মূল্যায়ন অনুযায়ী, ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় রাত ১টা ০৪ মিনিটে শিজুওকা প্রিফেকচারের ভূগর্ভে প্রায় ৪০ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়।
ভূমিকম্পটি যে ভোরে আঘাত হেনেছে, সেই সময়ে বহু মানুষ ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ কম্পনে ঘরবাড়ি কেঁপে ওঠে, কেউ কেউ ঘুম থেকে জেগে বাইরে বেরিয়ে আসেন। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের প্রথম প্রতিক্রিয়া কী হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন জাগে।
এসপিএ জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি বিস্তীর্ণ এলাকায় অনুভূত হয়েছে, যার মধ্যে আইচি প্রিফেকচার অন্যতম। জাপানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের কারণে কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন।
জাপান আবহাওয়া সংস্থা ভূমিকম্পের মাত্রা ও গভীরতার তথ্য দিয়েছে, আর সরকারি ভূকম্পীয় মূল্যায়ন থেকে স্থান ও সময়ের বিবরণ পাওয়া গেছে। তবে ভূমিকম্পটি কোন ফাটলরেখা বা কোন ভূতাত্ত্বিক কারণ থেকে সৃষ্টি হয়েছে, এসপিএর প্রতিবেদনে সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
রিখটার স্কেলে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পকে সাধারণত মাঝারি মাত্রার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে গভীরতা প্রায় ৪০ কিলোমিটার হওয়ায় কম্পন বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে। প্রশ্ন হলো, গভীরতার এই পার্থক্য কি ভূপৃষ্ঠে কম্পনের তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়?
ভূমিকম্পটি শিজুওকা প্রিফেকচারের ভূগর্ভে সংঘটিত হলেও এর প্রভাব পড়েছে প্রতিবেশী এলাকাগুলোতেও। আইচি প্রিফেকচার তার মধ্যে রয়েছে। জাপানের মধ্যাঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ হওয়ায় সেখানে এ ধরনের ঘটনা নতুন কিছু নয়। কিন্তু প্রতিবারই প্রশ্ন থাকে, প্রস্তুতি কতটা কার্যকর ছিল?
জাপানি গণমাধ্যমের খবরে আহতের সংখ্যা কয়েক ডজন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আহতদের অবস্থা, তাদের চিকিৎসার ধরন বা কোন এলাকায় কতজন আহত হয়েছেন, এসপিএর প্রতিবেদনে সে বিস্তারিত নেই।
ভোররাতের এই ভূমিকম্পের পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়েও প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি। ভবন, সড়ক বা অবকাঠামোর কোনো ক্ষতির কথা উল্লেখ করা হয়নি। তাহলে আহতের সংখ্যা কেবল কম্পনের তীব্রতার কারণেই হয়েছে, নাকি অন্য কোনো কারণও রয়েছে?
জাপান আবহাওয়া সংস্থা ভূমিকম্পের তথ্য প্রকাশ করেছে। সরকারি ভূকম্পীয় মূল্যায়ন থেকে জানা গেছে, কম্পনটি রাত ১টা ০৪ মিনিটে শুরু হয় এবং এর কেন্দ্র ছিল শিজুওকা প্রিফেকচারে, ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৪০ কিলোমিটার নিচে।
এসপিএর প্রতিবেদনে সময় উল্লেখ করা হয়েছে স্থানীয় সময় ও গ্রিনিচ মান সময় অনুযায়ী। প্রতিবেদনটি টোকিও থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল কি না, এসপিএর প্রতিবেদনে তা বলা হয়নি। ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে সাধারণত বড় সুনামির আশঙ্কা কম থাকে, তবে গভীরতা ও অবস্থানের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নিয়েছিল, তা জানা যায়নি।
জাপানে ভূমিকম্প হলে সাধারণত ট্রেন চলাচল বন্ধ বা ধীর করা হয়, বিদ্যুৎ সরবরাহ পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু এই ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে এমন কোনো ব্যবস্থার কথা প্রতিবেদনে নেই। তাহলে কি কম্পনের প্রভাব এতটা তীব্র ছিল না?
আইচি প্রিফেকচার জাপানের শিল্প ও উৎপাদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। সেখানে ভূমিকম্পের প্রভাব পড়লে কারখানা বা উৎপাদন কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন ঘটেছে কি না, সে তথ্য এসপিএর প্রতিবেদনে নেই।
ভোররাতের কম্পনে মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে এলেও পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি কেমন ছিল, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। উদ্ধার বা সহায়তা কার্যক্রমের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
জাপান আবহাওয়া সংস্থা ভূমিকম্পের মাত্রা ৫.৭ বলে জানিয়েছে। সরকারি ভূকম্পীয় মূল্যায়নে গভীরতা প্রায় ৪০ কিলোমিটার এবং কেন্দ্রস্থল শিজুওকা প্রিফেকচার বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসপিএর প্রতিবেদনে আহতের সংখ্যা কয়েক ডজন বলে জাপানি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে। তবে আহতদের পরিচয়, বয়স বা অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
ভূমিকম্পটি রোববার ভোরে আঘাত হানে। স্থানীয় সময় ছিল রাত ১টা ০৪ মিনিট। গ্রিনিচ মান সময় অনুযায়ী তা ছিল ০২টা ৫৫ মিনিট।
ভূমিকম্পের পরবর্তী কম্পন বা আফটারশক সম্পর্কে প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি। বড় ভূমিকম্পের পর সাধারণত ছোট ছোট কম্পন অনুভূত হয়, কিন্তু এখানে সে তথ্য নেই। তাহলে কি পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছিল?
জাপানের মধ্যাঞ্চলে ভূমিকম্পপ্রবণতা নিয়ে বহু গবেষণা হয়েছে। তবে এই নির্দিষ্ট ভূমিকম্পটি কোন ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ার ফল, তা এসপিএর প্রতিবেদনে ব্যাখ্যা করা হয়নি।
আহতের সংখ্যা কয়েক ডজন হলেও তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে ভর্তি বা চিকিৎসার প্রয়োজন হয়েছে কি না, সে তথ্য নেই। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতি এসেছে কি না, তাও জানা যায়নি।
এসপিএর প্রতিবেদনে ভূমিকম্পের প্রভাবের ব্যাপ্তি নিয়ে বলা হয়েছে, এটি বিস্তীর্ণ এলাকায় অনুভূত হয়েছে। আইচি প্রিফেকচার তার মধ্যে রয়েছে। কিন্তু কোন কোন শহর বা এলাকায় কম্পন কতটা তীব্র ছিল, তা উল্লেখ করা হয়নি।
ভূমিকম্পের সময় স্থানীয় সময় রাত ১টা ০৪ মিনিট হওয়ায় অনেকেই ঘুমে ছিলেন। এ সময়ে আহত হওয়ার ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকে।
জাপান আবহাওয়া সংস্থা ও সরকারি ভূকম্পীয় মূল্যায়নের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা, স্থান ও সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এসপিএ এসব তথ্য প্রকাশ করেছে।
তবে ভূমিকম্পের পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ, আহতদের সর্বশেষ অবস্থা, উদ্ধার কার্যক্রম বা সুনামি সতর্কতা সম্পর্কে এসপিএর প্রতিবেদনে কোনো তথ্য নেই। ভবিষ্যতে আরও কম্পনের আশঙ্কা আছে কি না, সে বিষয়েও কিছু বলা হয়নি।
ভূমিকম্পটি কখন ও কোথায় আঘাত হেনেছিল? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, জাপান আবহাওয়া সংস্থার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে ভূমিকম্পটি রিখটার স্কেলে ৫.৭ মাত্রার ছিল এবং রোববার ভোররাতে আঘাত হানে। সরকারি ভূকম্পীয় মূল্যায়ন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় রাত ১টা ০৪ মিনিটে শিজুওকা প্রিফেকচারের ভূগর্ভে প্রায় ৪০ কিলোমিটার গভীরে এটি সংঘটিত হয়। গ্রিনিচ মান সময় অনুযায়ী তা ছিল ০২টা ৫৫ মিনিট।
ভূমিকম্পে কতজন আহত হয়েছেন এবং কোথায় প্রভাব পড়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, জাপানি গণমাধ্যমের খবরে ভূমিকম্পের কারণে কয়েক ডজন আহতের কথা বলা হয়েছে। ভূমিকম্পটি বিস্তীর্ণ এলাকায় অনুভূত হয়েছে, যার মধ্যে আইচি প্রিফেকচার অন্যতম। তবে আহতদের পরিচয়, অবস্থা বা কোন এলাকায় কতজন আহত হয়েছেন, সে বিস্তারিত প্রতিবেদনে নেই। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও জানানো হয়নি।
ভূমিকম্পের মাত্রা ও গভীরতা কে নির্ধারণ করেছে? জাপান আবহাওয়া সংস্থা ভূমিকম্পের মাত্রা ৫.৭ বলে জানিয়েছে। সরকারি ভূকম্পীয় মূল্যায়ন থেকে গভীরতা প্রায় ৪০ কিলোমিটার এবং কেন্দ্রস্থল শিজুওকা প্রিফেকচার বলে জানা গেছে। এসপিএ এসব তথ্য প্রকাশ করেছে। তবে ভূমিকম্পটি কোন ফাটলরেখা বা ভূতাত্ত্বিক কারণ থেকে সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি।
ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতা বা উদ্ধার কার্যক্রমের কোনো তথ্য আছে কি? এসপিএর প্রতিবেদনে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। উদ্ধার বা সহায়তা কার্যক্রমের কথাও উল্লেখ নেই। আহতদের চিকিৎসার ধরন বা হাসপাতালে ভর্তির তথ্যও প্রতিবেদনে নেই। ভবিষ্যতে আরও কম্পনের আশঙ্কা আছে কি না, সে বিষয়েও কিছু জানানো হয়নি।
ভূমিকম্পটি কোন সময়ে আঘাত হেনেছিল এবং এর প্রভাব কেমন ছিল? সরকারি ভূকম্পীয় মূল্যায়ন অনুযায়ী, ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় রাত ১টা ০৪ মিনিটে আঘাত হানে। গ্রিনিচ মান সময় অনুযায়ী তা ছিল ০২টা ৫৫ মিনিট। ভোররাতের এই কম্পন বিস্তীর্ণ এলাকায় অনুভূত হয় এবং আইচি প্রিফেকচারসহ আশপাশের অঞ্চলে প্রভাব ফেলে। জাপানি গণমাধ্যমের খবরে কয়েক ডজন আহতের কথা বলা হয়েছে।





