Wednesday, September 9, 2026
Uncategorized

যুব ক্ষমতায়নের আহ্বান জানিয়েছে ওআইসি-র মানবাধিকার কমিশন

যুব ক্ষমতায়নের আহ্বান জানিয়েছে ওআইসি-র মানবাধিকার কমিশন

আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০২৬ উপলক্ষে তরুণদের অবদান, আকাঙ্ক্ষা এবং স্থিতিস্থাপকতা উদযাপনের পাশাপাশি তাদের অধিকার রক্ষা ও ক্ষমতায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন (OIC)-এর ইন্ডিপেন্ডেন্ট পারমানেন্ট হিউম্যান রাইটস কমিশন।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১২ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, কমিশন উল্লেখ করেছে যে OIC সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম এবং গতিশীল যুব জনসংখ্যা রয়েছে, যা উদ্ভাবন, উন্নয়ন এবং শান্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। এই জনতাত্ত্বিক সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের জন্য তরুণদের অধিকারের পথে বাধা দূর করা এবং বঞ্চনার শিকারদের প্রয়োজন মেটানোর জন্য নিরবচ্ছিন্ন পদক্ষেপের প্রয়োজন।

কমিশনের ২০২৬-২০৩০ কৌশলগত কাঠামোতে যুব অধিকারের প্রসার, ক্ষমতায়ন এবং অর্থবহ অংশগ্রহণকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উচ্চমানের শিক্ষা নিশ্চিত করা, দক্ষতা উন্নয়ন, ডিজিটাল সাক্ষরতা বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ উদীয়মান প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ও অধিকার-ভিত্তিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

গাজা উপত্যকা এবং পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি দখলদারিত্বের কারণে ফিলিস্তিনি যুবকদের জীবনহানি, বাস্তুচ্যুতি এবং শিক্ষা সুযোগ ধ্বংসের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কমিশন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক আইন অনুযায়ী ফিলিস্তিনি শিশু ও যুবকদের জীবন, মর্যাদা, শিক্ষা এবং নিরাপত্তার অধিকার রক্ষার আহ্বান জানানো হয়েছে।

OIC মানবাধিকার কমিশনের কৌশলগত লক্ষ্য কী? কমিশনের ২০২৬-২০৩০ কৌশলগত কাঠামোতে যুব অধিকারের প্রসার, ক্ষমতায়ন এবং অর্থবহ অংশগ্রহণকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উচ্চমানের শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং ডিজিটাল সাক্ষরতা বৃদ্ধির লক্ষ্য রয়েছে।

প্রযুক্তিগত বিষয়ে কমিশন কী গুরুত্ব দিয়েছে? কমিশন ডিজিটাল বিভাজন দূর করা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উদীয়মান প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। তারা চায় এই প্রযুক্তিগুলো অধিকার-ভিত্তিক উপায়ে বিকশিত হোক যাতে তরুণদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়।

ফিলিস্তিনি যুবকদের বিষয়ে কমিশনের অবস্থান কী? ইসরায়েলি দখলদারিত্বের ফলে গাজা ও পশ্চিম তীরের যুবকদের জীবনহানি এবং শিক্ষা সুযোগ ধ্বংসের বিষয়ে কমিশন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ফিলিস্তিনিদের জীবন, মর্যাদা ও নিরাপত্তার অধিকার রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে।