Monday, November 2, 2026
অর্থনীতি

এনডিএফ ও ইতালির কাসা দেপোজিতি ই প্রেস্তিতি উন্নয়ন সহযোগিতা জোরদারে সমঝোতা স্মারক সই

এনডিএফ ও ইতালির কাসা দেপোজিতি ই প্রেস্তিতি উন্নয়ন সহযোগিতা জোরদারে সমঝোতা স্মারক সই

রিয়াদে জাতীয় উন্নয়ন তহবিল (এনডিএফ) সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের ফাঁকে এনডিএফ ও ইতালির কাসা দেপোজিতি ই প্রেস্তিতি (সিডিপি) উন্নয়ন সহযোগিতা জোরদার এবং উন্নয়ন অর্থায়ন ও বিনিয়োগে সহযোগিতার কাঠামো প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ জানিয়েছে, সমঝোতা স্মারকে সই করেন এনডিএফ-এর গভর্নর আবদুলআজিজ বিন আবদুলরহমান আল-আরিফি ও সিডিপি-র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দারিও স্কান্নাপিয়েকো।

বৈঠকটি দুই পক্ষের যৌথ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন তহবিল ও ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা এবং উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা সৌদি আরব রাজ্য ও ইতালি প্রজাতন্ত্রের মধ্যে উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা করেন এবং প্রকল্প অর্থায়ন, যৌথ বিনিয়োগ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগকে সহায়তা এবং বাণিজ্য ও রপ্তানি অর্থায়নে চলমান উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ সুযোগ পর্যালোচনা করেন।

তারা উভয় পক্ষের কাছে available আর্থিক উপকরণ কাজে লাগানোর সুযোগও খতিয়ে দেখেন এবং সম্ভাব্য যৌথ প্রকল্প ও উদ্যোগ চিহ্নিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সংযোগ জোরদার করেন। তাহলে এই সমঝোতা স্মারক কেবল কাগজে থাকবে, নাকি প্রকৃত প্রকল্পে রূপ নেবে?

সমঝোতা স্মারকটি যৌথ অর্থায়ন ও বিনিয়োগের সুযোগ অন্বেষণ, উন্নয়ন অর্থায়নে জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময় এবং প্রাতিষ্ঠানিক ও মানবসম্পদ সক্ষমতা উন্নয়নকে অন্তর্ভুক্ত করে। সহযোগিতার পরিধি এনডিএফ-এর ইকোসিস্টেমের মধ্যে থাকা উন্নয়ন তহবিল ও ব্যাংকগুলোর মধ্যেও বিস্তৃত হবে, যাতে তারা সমঝোতা স্মারকের অধীনে প্রাসঙ্গিক সুযোগ, দক্ষতা ও সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র থেকে উপকৃত হতে পারে।

এতে অগ্রাধিকার খাতকে সহায়তা এবং সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন তহবিল ও ব্যাংকগুলোর অবদানে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করার মতো অর্থায়ন ও বিনিয়োগ সমাধান অন্বেষণও অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া সমঝোতা স্মারক উভয় পক্ষকে অগ্রাধিকার উদ্যোগ চিহ্নিত করতে এবং সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোকে কার্যকর প্রকল্পে রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নির্ধারণ করতে সক্ষম করে।

এনডিএফ-এর ইকোসিস্টেম বলতে কী বোঝায় এবং এর মধ্যে কোন কোন তহবিল ও ব্যাংক রয়েছে? এসপিএ-র প্রতিবেদনে এনডিএফ-এর ইকোসিস্টেমের সুনির্দিষ্ট তালিকা দেওয়া হয়নি। তবে বৈঠকে সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন তহবিল ও ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যা ইঙ্গিত দেয় যে সহযোগিতার পরিধি কেবল দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।

প্রকল্প অর্থায়ন, যৌথ বিনিয়োগ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ সহায়তা এবং বাণিজ্য ও রপ্তানি অর্থায়ন—এই চারটি ক্ষেত্রকে বৈঠকে বিশেষভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে দুই দেশের অভিজ্ঞতা ও আর্থিক উপকরণ একত্রে কাজে লাগানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রশ্ন হলো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলো কি এই সহযোগিতার সুফল সরাসরি পাবে?

উন্নয়ন অর্থায়নে জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময় সমঝোতা স্মারকের একটি প্রধান স্তম্ভ। এর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও মানবসম্পদ উন্নয়নও রয়েছে। দুই পক্ষের লক্ষ্য হলো এমন একটি কাঠামো দাঁড় করানো, যেখানে অভিজ্ঞতা ও সর্বোত্তম চর্চা বিনিময়ের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা গড়ে ওঠে।

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী উভয় পক্ষ অগ্রাধিকার উদ্যোগ চিহ্নিত করবে এবং সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোকে বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্পে রূপান্তরের ধাপ নির্ধারণ করবে। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া, যা সাধারণত সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর ধাপে ধাপে এগোয়। কিন্তু অগ্রাধিকার উদ্যোগ নির্ধারণের কোনো সময়সীমা কি নির্ধারিত হয়েছে?

বৈঠকে উভয় পক্ষের কাছে available আর্থিক উপকরণ কাজে লাগানোর সুযোগও পর্যালোচনা করা হয়। এর লক্ষ্য হলো সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সংযোগ জোরদার করা এবং সম্ভাব্য যৌথ প্রকল্প ও উদ্যোগ চিহ্নিত করা। এই সংযোগ কেবল দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নয়, বরং তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেও বিস্তৃত।

সৌদি আরব ও ইতালির মধ্যে উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করা বৈঠকের মূল আলোচ্য ছিল। অংশগ্রহণকারীরা চলমান উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ সুযোগ পর্যালোচনা করেন। এই সহযোগিতা কি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করবে?

এনডিএফ-এর গভর্নর আবদুলআজিজ বিন আবদুলরহমান আল-আরিফি এবং সিডিপি-র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দারিও স্কান্নাপিয়েকো সমঝোতা স্মারকে সই করেন। বৈঠকটি দুই পক্ষের যৌথ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন তহবিল ও ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা এবং উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সমঝোতা স্মারকের আওতায় যৌথ অর্থায়ন ও বিনিয়োগের সুযোগ অন্বেষণের পাশাপাশি উন্নয়ন অর্থায়নে জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময় এবং প্রাতিষ্ঠানিক ও মানবসম্পদ সক্ষমতা উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতি পরিমাপের কোনো নির্দিষ্ট সূচক কি নির্ধারিত হয়েছে?

এনডিএফ-এর ইকোসিস্টেমের উন্নয়ন তহবিল ও ব্যাংকগুলো সমঝোতা স্মারকের সুযোগ থেকে উপকৃত হতে পারবে। এর মধ্যে প্রাসঙ্গিক সুযোগ, দক্ষতা ও সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত। এটি ইঙ্গিত দেয় যে সমঝোতা স্মারকের প্রভাব কেবল দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এর সুবিধা বিস্তৃত হবে।

অগ্রাধিকার খাতকে সহায়তা এবং বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করার লক্ষ্যে অর্থায়ন ও বিনিয়োগ সমাধান অন্বেষণের কথা সমঝোতা স্মারকে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন তহবিল ও ব্যাংকগুলোর অবদান এই লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়াতে কী কী প্রণোদনা থাকবে?

বৈঠকে প্রকল্প অর্থায়ন, যৌথ বিনিয়োগ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ সহায়তা এবং বাণিজ্য ও রপ্তানি অর্থায়নে চলমান উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ সুযোগ পর্যালোচনা করা হয়। এসব ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর উভয় পক্ষ অগ্রাধিকার উদ্যোগ চিহ্নিত করে সেগুলোকে কার্যকর প্রকল্পে রূপান্তরের ধাপ নির্ধারণ করবে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সহযোগিতা বাস্তবে রূপ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ, অর্থমূল্য বা নির্দিষ্ট প্রকল্পের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

এনডিএফ ও সিডিপি-র মধ্যে এই সমঝোতা স্মারক উন্নয়ন অর্থায়নের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি উদাহরণ। দুই প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও সম্পদের সমন্বয়ে নতুন প্রকল্প ও উদ্যোগ গড়ে উঠতে পারে। এই সহযোগিতা কি অন্যান্য দেশের জন্য অনুরূপ মডেল হয়ে উঠবে?

বৈঠকে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন তহবিল ও ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই উপস্থিতি ইঙ্গিত দেয় যে সহযোগিতার পরিধি বিস্তৃত এবং এতে একাধিক প্রতিষ্ঠান সম্পৃক্ত।

সমঝোতা স্মারকের অধীনে উভয় পক্ষ যৌথ অর্থায়ন ও বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজবে, উন্নয়ন অর্থায়নে জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময় করবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক ও মানবসম্পদ সক্ষমতা গড়ে তুলবে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে দুই দেশের উন্নয়ন সহযোগিতা আরও গভীর হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে সমঝোতা স্মারকের নির্দিষ্ট অর্থমূল্য, সময়সীমা বা কোন কোন প্রকল্প প্রথমে অগ্রাধিকার পাবে তা উল্লেখ করা হয়নি। বৈঠকে আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে প্রকল্প অর্থায়ন, যৌথ বিনিয়োগ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ সহায়তা এবং বাণিজ্য ও রপ্তানি অর্থায়ন অন্যতম।

সমঝোতা স্মারকে সই করেন কারা? এনডিএফ-এর গভর্নর আবদুলআজিজ বিন আবদুলরহমান আল-আরিফি ও সিডিপি-র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দারিও স্কান্নাপিয়েকো সমঝোতা স্মারকে সই করেন। এসপিএ জানিয়েছে, সইটি রিয়াদে এনডিএফ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের ফাঁকে হয়। বৈঠকটি দুই পক্ষের যৌথ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন তহবিল ও ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সমঝোতা স্মারক কোন কোন ক্ষেত্র কভার করে? সমঝোতা স্মারক যৌথ অর্থায়ন ও বিনিয়োগের সুযোগ অন্বেষণ, উন্নয়ন অর্থায়নে জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময় এবং প্রাতিষ্ঠানিক ও মানবসম্পদ সক্ষমতা উন্নয়ন কভার করে। এতে অগ্রাধিকার খাতকে সহায়তা ও বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করার অর্থায়ন সমাধানও রয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, সহযোগিতার পরিধি এনডিএফ-এর ইকোসিস্টেমের উন্নয়ন তহবিল ও ব্যাংকগুলোতেও বিস্তৃত হবে।

বৈঠকে কী কী বিষয় আলোচনা হয়? বৈঠকে সৌদি আরব ও ইতালির মধ্যে উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা প্রকল্প অর্থায়ন, যৌথ বিনিয়োগ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ সহায়তা এবং বাণিজ্য ও রপ্তানি অর্থায়নে চলমান উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ সুযোগ পর্যালোচনা করেন। এসপিএ জানিয়েছে, তারা উভয় পক্ষের আর্থিক উপকরণ কাজে লাগানোর সুযোগও খতিয়ে দেখেন।

এনডিএফ-এর ইকোসিস্টেম বলতে কী বোঝায়? সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী সহযোগিতার পরিধি এনডিএফ-এর ইকোসিস্টেমের উন্নয়ন তহবিল ও ব্যাংকগুলোতে বিস্তৃত হবে। এসব প্রতিষ্ঠান সমঝোতা স্মারকের অধীনে প্রাসঙ্গিক সুযোগ, দক্ষতা ও সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র থেকে উপকৃত হতে পারবে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে ইকোসিস্টেমের সুনির্দিষ্ট তালিকা দেওয়া হয়নি, তবে বৈঠকে সংশ্লিষ্ট তহবিল ও ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন।

সমঝোতা স্মারকের পরবর্তী ধাপ কী? সমঝোতা স্মারক উভয় পক্ষকে অগ্রাধিকার উদ্যোগ চিহ্নিত করতে এবং সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোকে কার্যকর প্রকল্পে রূপান্তরের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নির্ধারণ করতে সক্ষম করে। এর মাধ্যমে যৌথ অর্থায়ন ও বিনিয়োগের সুযোগ বাস্তবে রূপ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ, অর্থমূল্য বা নির্দিষ্ট প্রকল্পের নাম উল্লেখ করা হয়নি।