Saturday, September 26, 2026
অর্থনীতি

কাসিম ইউনিভার্সিটিতে সোলার পিভি প্রকল্প চালু করল Tarshid

কাসিম ইউনিভার্সিটিতে সোলার পিভি প্রকল্প চালু করল Tarshid

কাসিম ইউনিভার্সিটির ভবন ও স্থাপনাগুলোতে সোলার প্যানেল স্থাপনের একটি প্রকল্প ঘোষণা করেছে ন্যাশনাল এনার্জি সার্ভিসেস কোম্পানি (Tarshid) এবং কাসিম ইউনিভার্সিটি। এই প্রকল্পের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা হবে ৫,১৩৭ কিলোওয়াট এবং এর মাধ্যমে বার্ষিক ৮.৬ মিলিয়ন কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৪ মার্চ ২০২৫-এ জানিয়েছে, Tarshid-এর বোর্ড সদস্য ও সিইও ওয়ালিদ আল-ঘরেরি জানান যে, ব্যাপক মাঠ জরিপ এবং কারিগরি গবেষণার পর ছাদগুলোতে সোলার প্যানেল ও সিস্টেম স্থাপনের মাধ্যমে জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ চিহ্নিত করা হয়েছে। এই উদ্যোগটি সর্বোচ্চ বৈশ্বিক মান মেনে পরিচ্ছন্ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির স্ব-ব্যবহারকে উৎসাহিত করে।

প্রকল্পটির লক্ষ্য হলো বার্ষিক বিদ্যুৎ খরচ প্রায় ১৮৬ মিলিয়ন কিলোওয়াট ঘণ্টা থেকে কমিয়ে ১৭৮ মিলিয়ন কিলোওয়াট ঘণ্টায় নামিয়ে আনা। এর ফলে প্রতি বছর ১৩,০০০ ব্যারেল তেলের সমপরিমাণ জ্বালানি সাশ্রয় হবে এবং প্রায় ৪,০০০ মেট্রিক টন কার্বন নিঃসরণ রোধ করা সম্ভব হবে, যা বার্ষিক ৮২,০০০-এর বেশি গাছের চারা রোপণের পরিবেশগত প্রভাবের সমান।

এই উদ্যোগটি Vision 2030-এর অধীনে জ্বালানি সংরক্ষণ এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের মাধ্যমে সৌদি আরবের কৌশলগত স্থায়িত্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে Tarshid-এর লক্ষ্যমালার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

প্রকল্পটির বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ও সাশ্রয় কত? এই প্রকল্পের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫,১৩৭ কিলোওয়াট। এর মাধ্যমে বার্ষিক ৮.৬ মিলিয়ন কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পরিবেশগত প্রভাব কী হবে? প্রকল্পটি বার্ষিক প্রায় ৪,০০০ মেট্রিক টন কার্বন নিঃসরণ রোধ করবে। এটি বছরে ৮২,০০০-এর বেশি গাছের চারা রোপণের পরিবেশগত প্রভাবের সমান বলে জানানো হয়েছে।

জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা কত? প্রকল্পটির লক্ষ্য বার্ষিক বিদ্যুৎ খরচ ১৮৬ মিলিয়ন কিলোওয়াট ঘণ্টা থেকে কমিয়ে ১৭৮ মিলিয়ন কিলোওয়াট ঘণ্টায় আনা। এতে প্রতি বছর ১৩,০০০ ব্যারেল তেলের সমপরিমাণ জ্বালানি সাশ্রয় হবে।

এই উদ্যোগটি কোন লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? এই উদ্যোগটি Vision 2030-এর অধীনে সৌদি আরবের কৌশলগত স্থায়িত্ব লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এটি মূলত জ্বালানি সংরক্ষণ এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের ওপর গুরুত্ব দেয়।