Sunday, September 20, 2026
অর্থনীতি

সৌদি আরবে ক্রান্তীয় ফলের প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে জাজান

সৌদি আরবে ক্রান্তীয় ফলের প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে জাজান

সৌদি আরবে ক্রান্তীয় ফল উৎপাদনের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে জাজান অঞ্চল, যেখানে বর্তমানে ১০ লাখের বেশি আম গাছ রয়েছে এবং বার্ষিক ৬৫ হাজার টন আম উৎপাদিত হয়।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৯ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, জাজান দেশের মোট আম উৎপাদনের প্রায় ৬০ শতাংশ সরবরাহ করে এবং এটি সৌদি আরবের বৃহত্তম আম উৎপাদনকারী অঞ্চল।

এই অঞ্চলে ৮ লাখের বেশি পেঁপে গাছ থেকে ৪০ হাজার টনের বেশি ফল, ১০ লাখের বেশি কলা গাছ থেকে ১৫ হাজার টন ফল, ৬ হাজারেরও বেশি পেয়ারা গাছ থেকে প্রায় ৬০ টন এবং ৪ হাজার ২০০টির বেশি কাস্টার্ড অ্যাপেল গাছ থেকে বছরে ৪২ টনের বেশি ফল উৎপাদিত হচ্ছে।

ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যমাত্রার অংশ হিসেবে ২ মিলিয়ন বর্গমিটার জমিতে ৬০০ মিলিয়ন রিয়ালের বেশি বিনিয়োগ করে ‘ক্রান্তীয় ফল এবং গ্রিনহাউস’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পণ্যের মূল্য সংযোজন করা।

জাজান অঞ্চলে আম উৎপাদনের পরিমাণ কত? জাজান অঞ্চলে ১০ লাখের বেশি আম গাছ রয়েছে এবং এখান থেকে বার্ষিক ৬৫ হাজার টন আম উৎপাদিত হয়। এটি সৌদি আরবের মোট আম উৎপাদনের প্রায় ৬০ শতাংশ সরবরাহ করে।

অন্যান্য ক্রান্তীয় ফলের উৎপাদন পরিস্থিতি কী? এখানে ৮ লাখের বেশি পেঁপে গাছ থেকে ৪০ হাজার টনের বেশি এবং ১০ লাখ কলা গাছ থেকে ১৫ হাজার টন ফল উৎপাদিত হয়। এছাড়া পেয়ারা থেকে ৬০ টন এবং কাস্টার্ড অ্যাপেল থেকে ৪২ টনের বেশি ফল পাওয়া যায়।

কৃষি উন্নয়নে কোন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে? ভিশন ২০৩০-এর আওতায় ২ মিলিয়ন বর্গমিটার জমিতে ৬০০ মিলিয়ন রিয়ালের বেশি বিনিয়োগে ‘ক্রান্তীয় ফল এবং গ্রিনহাউস’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর লক্ষ্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার।