ইন্দোনেশিয়ার মধ্য জাভা প্রদেশের বিভিন্ন শহরের অভাবী পরিবারগুলোর মাঝে ৪৫০টি খাদ্য বাস্কেট বিতরণ করা হয়েছে, যার ফলে ১,৬৮৭ জন ব্যক্তি উপকৃত হয়েছেন।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৫ মার্চ ২০২৫-এ জানিয়েছে, কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (KSrelief) এই কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এটি ইন্দোনেশিয়ায় ১৪৪৬ হিজরির “Etaam” রমজান ফুড বাস্কেট প্রকল্পের অংশ হিসেবে করা হয়েছে।
এই প্রকল্পের চতুর্থ ধাপের লক্ষ্য হলো পবিত্র রমজান মাসে ২৭টি দেশে ৩৯০,১০৯টি খাদ্য বাস্কেট বিতরণ করা। এর মাধ্যমে মোট ২,৩০৪,১০৪ জন ব্যক্তি উপকৃত হবেন এবং এর মোট ব্যয় ৬৭.০৬৪ মিলিয়ন সৌদি রিয়ালের বেশি।
এই উদ্যোগটি বিশ্বজুড়ে অভাবী মানুষ ও দেশগুলোকে সহায়তা করার জন্য সৌদি আরবের মানবিক সহায়তাকারী সংস্থা KSrelief-এর মাধ্যমে পরিচালিত চলমান মানবিক ও ত্রাণ প্রচেষ্টার অংশ।
ইন্দোনেশিয়ার মধ্য জাভায় কতজন উপকৃত হয়েছেন? ইন্দোনেশিয়ার মধ্য জাভা প্রদেশের বিভিন্ন শহরের অভাবী পরিবারগুলোর মাঝে ৪৫০টি খাদ্য বাস্কেট বিতরণ করা হয়েছে। এর ফলে মোট ১,৬৮৭ জন ব্যক্তি উপকৃত হয়েছেন।
এই বিতরণ কার্যক্রমটি কোন প্রকল্পের অংশ? এই বিতরণ কার্যক্রমটি ইন্দোনেশিয়ায় ১৪৪৬ হিজরির “Etaam” রমজান ফুড বাস্কেট প্রকল্পের অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়েছে। এটি KSrelief দ্বারা বাস্তবায়িত।
Etaam প্রকল্পের চতুর্থ ধাপের লক্ষ্য কী? প্রকল্পের চতুর্থ ধাপের লক্ষ্য ২৭টি দেশে ৩৯০,১০৯টি খাদ্য বাস্কেট বিতরণ করা। এর মাধ্যমে ২,৩০৪,১০৪ জন ব্যক্তি উপকৃত হবেন এবং এর মোট ব্যয় ৬৭.০৬৪ মিলিয়ন সৌদি রিয়ালের বেশি।