Tuesday, October 27, 2026
সাধারণ

জাজান ইউনিভার্সিটিতে তারশিদ-এর জ্বালানি দক্ষতা প্রকল্প সম্পন্ন

জাজান ইউনিভার্সিটিতে তারশিদ-এর জ্বালানি দক্ষতা প্রকল্প সম্পন্ন

জাজান ইউনিভার্সিটির ৮০টি ভবন ও স্থাপনায় জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য একটি রেট্রোফিট প্রকল্প সম্পন্ন করেছে ন্যাশনাল এনার্জি সার্ভিসেস কোম্পানি (Tarshid)। আন্তর্জাতিক মান এবং স্থায়িত্বের সর্বোত্তম অনুশীলন অনুসরণ করে এই প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক জ্বালানি খরচ হ্রাস করা।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৭ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামোতে জ্বালানি সাশ্রয়ী ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে এই প্রকল্পের জন্য মোট কত অর্থ ব্যয় করা হয়েছে, তা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।

তারশিদের বোর্ড সদস্য এবং সিইও ওয়ালিদ বিন আবদুল্লাহ আল-ঘরেরি জানান, প্রকল্পের আওতাভুক্ত স্থাপনাগুলোতে ব্যাপক সাইট সমীক্ষা এবং প্রযুক্তিগত মূল্যায়ন করা হয়েছে। এই মূল্যায়নের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনগুলোতে বিদ্যুৎ খরচ কমানোর এবং জ্বালানি কার্যকারিতা উন্নত করার উল্লেখযোগ্য সুযোগ চিহ্নিত করা হয়েছে। এই বিশাল পরিকাঠামোতে কীভাবে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ করা সম্ভব ছিল?

প্রকল্পের অংশ হিসেবে ১৫টি মূল জ্বালানি দক্ষতা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে কন্ট্রোল সিস্টেম, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (air-conditioning) এবং লাইটিং সিস্টেমের আপগ্রেড অন্তর্ভুক্ত ছিল। এছাড়া চিলার কন্ট্রোল ইউনিট প্রতিস্থাপন, এয়ার হ্যান্ডলিং ইউনিটের সময়সূচী অপ্টিমাইজ করা এবং অপারেশনাল পারফরম্যান্স ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ভেরিয়েবল ফ্রিকোয়েন্সি ড্রাইভ (VFDs) স্থাপন করা হয়েছে। এই প্রযুক্তিগত পরিবর্তনগুলো কি দীর্ঘমেয়াদে খরচ কমাতে সাহায্য করবে?

লাইটিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে তারশিদ প্রচলিত আলোর পরিবর্তে উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন এবং জ্বালানি-সাশ্রয়ী LED লাইটিং সমাধান স্থাপন করেছে। এর পাশাপাশি অকুপেন্সি সেন্সর এবং স্মার্ট মোশন ডিটেক্টর বসানো হয়েছে যাতে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ খরচ বন্ধ হয়। স্মার্ট সেন্সরগুলোর ব্যবহার কি ক্যাম্পাসের পরিবেশকে আরও আধুনিক করে তুলবে?

প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, বার্ষিক বিদ্যুৎ খরচের বেসলাইন ছিল প্রায় ১৮১ মিলিয়ন কিলোওয়াট-ঘণ্টা (kWh)। রেট্রোফিট কাজ শেষ হওয়ার পর, বার্ষিক বিদ্যুৎ খরচ কমে প্রায় ১৩৫ মিলিয়ন কিলোওয়াট-ঘণ্টায় নেমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে প্রায় ২৫% বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। এই বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় কি অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে?

জ্বালানি সাশ্রয়ের এই প্রভাবটি পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। প্রত্যাশিত এই সাশ্রয় বার্ষিক ৭০,০০০ ব্যারেল তেলের সমতুল্য। এছাড়া এর পরিবেশগত প্রভাব প্রতি বছর ৪ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি চারাগাছ রোপণের সমান বলে জানানো হয়েছে। এই সবুজ উদ্যোগটি কি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভূমিকা রাখবে? বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামোতে এই পরিবর্তনগুলো কি শিক্ষার্থীদের জন্য আরও আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করবে?

তারশিদের এই পদক্ষেপটি সৌদি আরবের সামগ্রিক জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে প্রকল্পের নির্দিষ্ট রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বা ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ পরিকল্পনা সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রদান করা হয়নি।

জাজান ইউনিভার্সিটির এই প্রকল্পে কী কী কাজ করা হয়েছে? এই প্রকল্পে ১৫টি মূল জ্বালানি দক্ষতা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে কন্ট্রোল সিস্টেম, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ এবং লাইটিং সিস্টেমের আপগ্রেড, চিলার কন্ট্রোল ইউনিট প্রতিস্থাপন এবং ভেরিয়েবল ফ্রিকোয়েন্সি ড্রাইভ (VFDs) স্থাপন অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া প্রচলিত লাইটের বদলে LED লাইটিং এবং স্মার্ট মোশন ডিটেক্টর বসানো হয়েছে।

বিদ্যুৎ খরচের লক্ষ্যমাত্রা কতটুকু হ্রাস পাবে? প্রকল্পের আগে বার্ষিক বিদ্যুৎ খরচের বেসলাইন ছিল প্রায় ১৮১ মিলিয়ন কিলোওয়াট-ঘণ্টা (kWh)। রেট্রোফিট কাজ শেষ হওয়ার পর এটি কমে প্রায় ১৩৫ মিলিয়ন কিলোওয়াট-ঘণ্টায় নেমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা প্রায় ২৫% হ্রাস।

এই প্রকল্পের পরিবেশগত প্রভাব কী? এই প্রকল্পের মাধ্যমে বার্ষিক ৭০,০০০ ব্যারেল তেলের সমতুল্য জ্বালানি সাশ্রয় হবে। এছাড়া এর পরিবেশগত প্রভাব প্রতি বছর ৪ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি চারাগাছ রোপণের সমান বলে জানানো হয়েছে।