Wednesday, October 14, 2026
সাধারণ

জেদ্দায় ওআইসি মহাসচিব ও ইউএনএ মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ

জেদ্দায় ওআইসি মহাসচিব ও ইউএনএ মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ

জেদ্দায় অবস্থিত অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন (OIC)-এর জেনারেল সেক্রেটারিয়েট সদর দপ্তরে মঙ্গলবার ওআইসি মহাসচিব ইসমাইল উলদ শেখ আহমেদ এবং ইউনিয়ন অফ ওআইসি নিউজ এজেন্সিস (UNA)-এর মহাপরিচালক মোহাম্মদ আল-ইয়ামি এক বৈঠকে মিলিত হন।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, এই সাক্ষাতের সময় মোহাম্মদ আল-ইয়ামি ইউএনএ-র সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অর্জন এবং এর উন্নয়ন কর্মসূচিগুলো পর্যালোচনা করেন। তিনি বিশেষ করে মিডিয়া কাজে ডিজিটাল রূপান্তর এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে অর্জিত অগ্রগতির কথা উল্লেখ করেন। ডিজিটাল যুগে মিডিয়ার এই পরিবর্তন কি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে তথ্যের আদান-প্রদানকে আরও সহজ করবে?

বৈঠকে মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং পরিষেবাগুলোর উন্নয়ন এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সংবাদ সংস্থাগুলোর মধ্যে সহযোগিতা ও সংহতি জোরদার করার লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক মিডিয়া বাজারে এই ধরনের সমন্বিত উদ্যোগ কতটা কার্যকর হতে পারে? ইউএনএ-র এই ডিজিটাল রূপান্তর কি ইসলামিক বিশ্বের সংবাদ পরিবেশনে নতুন মাত্রা যোগ করবে?

ওআইসি মহাসচিব ইসমাইল উলদ শেখ আহমেদ ইউএনএ-র এই সামগ্রিক উন্নয়ন এবং মিডিয়া কার্যক্রম উন্নত করার প্রচেষ্টাকে উচ্চ প্রশংসা করেন। তিনি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সংবাদ সংস্থাগুলোর মধ্যে পেশাদার সহযোগিতা জোরদার করার প্রচেষ্টাকে সমর্থন জানান। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ওআইসি-র কার্যক্রমের দৃশ্যমানতা বৃদ্ধিতে এই পদক্ষেপগুলো কি যথেষ্ট হবে?

মহাসচিব আরও নিশ্চিত করেন যে, ওআইসি-র মিডিয়া উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং এর বিভিন্ন কার্যক্রম ও উদ্যোগগুলোকে সামনে আনার জন্য ইউএনএ-র পরিকল্পনা ও কর্মসূচিগুলোর প্রতি তার পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে এই পেশাদার বন্ধন কি দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হবে? মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর এই আধুনিকায়ন কি সাধারণ মানুষের কাছে ওআইসি-র বার্তা পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে?

এই উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় ডিজিটাল রূপান্তরের পাশাপাশি পেশাদার সংহতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে এই কর্মসূচিগুলোর বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট সময়সীমা বা বাজেটের বিষয়ে এসপিএ-র প্রতিবেদনে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।

বৈঠকটি কোথায় এবং কখন অনুষ্ঠিত হয়েছে? বৈঠকটি ১৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জেদ্দায় অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন (OIC)-এর জেনারেল সেক্রেটারিয়েট সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে ওআইসি মহাসচিব ইসমাইল উলদ শেখ আহমেদ এবং ইউএনএ মহাপরিচালক মোহাম্মদ আল-ইয়ামি সাক্ষাৎ করেন।

ইউএনএ-র কোন অর্জনগুলো আলোচনা করা হয়েছে? মোহাম্মদ আল-ইয়ামি ইউএনএ-র উল্লেখযোগ্য অর্জন, উন্নয়ন কর্মসূচি এবং ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে মিডিয়া কাজে AI প্রযুক্তির ব্যবহার এবং মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য ইউএনএ-র লক্ষ্য কী? ইউএনএ-র লক্ষ্য হলো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সংবাদ সংস্থাগুলোর মধ্যে সহযোগিতা ও সংহতি জোরদার করা। এর পাশাপাশি ওআইসি-র মিডিয়া উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং এর কার্যক্রম ও উদ্যোগগুলো হাইলাইট করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ওআইসি মহাসচিবের প্রতিক্রিয়া কী ছিল? মহাসচিব ইসমাইল উলদ শেখ আহমেদ ইউএনএ-র উন্নয়ন এবং পেশাদার সহযোগিতা জোরদার করার প্রচেষ্টাকে প্রশংসা করেছেন। তিনি ওআইসি-র মিডিয়া উপস্থিতি বাড়ানোর পরিকল্পনা ও কর্মসূচিগুলোতে তার পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।