নাজরান অঞ্চল পৌরসভা তার বনায়ন উদ্যোগের দ্বিতীয় পর্যায় সম্পন্ন করেছে, যেখানে ২৪টি পাবলিক পার্ক ও সড়কপথে মোট ৭,৩১১টি গাছ লাগানো হয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, ৯ অক্টোবর ২০২৬-এ এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। পৌরসভার বরাতে এসপিএ আরও জানায়, বৃহত্তর এই প্রচারাভিযান ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এবং চারটি পর্যায়ে মোট ১১ হাজার গাছ লাগানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
দ্বিতীয় পর্যায়ে ৭,৩১১টি গাছ লাগানো হয়েছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার একটি বড় অংশ। চার পর্যায়ে ১১ হাজার গাছের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে দ্বিতীয় পর্যায় শেষ হওয়ার পর বাকি দুই পর্যায়ে আরও গাছ লাগানো হবে। ২৪টি পাবলিক পার্ক ও সড়কপথ—এই দুটি ধরনের স্থানেই গাছ লাগানো হয়েছে, যা শহরের সবুজায়নকে ছড়িয়ে দিতে সহায়ক।
পৌরসভা জানিয়েছে, এই উদ্যোগটি উদ্ভিদ আচ্ছাদন বিস্তার, নগর দৃশ্যপট উন্নয়ন এবং স্থানীয় জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের চলমান প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে। অর্থাৎ গাছ লাগানো শুধু সংখ্যার বিষয় নয়, এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে শহরের পরিবেশগত ও নান্দনিক উন্নয়নের প্রশ্ন।
নাজরান অঞ্চল সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। এই অঞ্চলের পৌরসভা কর্তৃক গৃহীত এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে সবুজায়ন কার্যক্রম শুধু বড় শহরেই সীমাবদ্ধ নয়। প্রশ্ন হলো, ২৪টি পার্ক ও সড়কে ৭,৩১১টি গাছ লাগানোর পর নাজরানের বাসিন্দারা কি পরিবর্তনটি সরাসরি অনুভব করতে পারবেন?
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য উদ্ভিদ আচ্ছাদন বৃদ্ধি। উদ্ভিদ আচ্ছাদন বাড়লে শহরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা মেলে, ধুলাবালি কমে এবং বাতাসের গুণমান উন্নত হয়। তবে এসপিএ এই প্রতিবেদনে গাছের প্রজাতি, সেচব্যবস্থা বা রক্ষণাবেক্ষণের পরিকল্পনা সম্পর্কে কিছু জানায়নি।
পৌরসভার এই কার্যক্রম ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। চারটি পর্যায়ে ১১ হাজার গাছের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ৭,৩১১টি গাছ লাগানো হয়েছে। এই হিসাবে প্রথম পর্যায়ে কত গাছ লাগানো হয়েছিল, এসপিএ তা উল্লেখ করেনি। একইভাবে তৃতীয় ও চতুর্থ পর্যায়ে কত গাছ লাগানো হবে, সেই সংখ্যাও প্রতিবেদনে নেই।
নাজরান অঞ্চল পৌরসভার এই উদ্যোগ স্থানীয় জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত। শহরের পার্ক ও সড়কপথে গাছ লাগানো হলে সেগুলো কেবল সৌন্দর্যই বাড়ায় না, বরং বাসিন্দাদের জন্য ছায়াযুক্ত স্থান তৈরি করে। প্রশ্ন হলো, ২৪টি পাবলিক পার্কের মধ্যে কোনগুলো এই দ্বিতীয় পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?
এসপিএ-র প্রতিবেদনে ২৪টি পাবলিক পার্ক ও সড়কপথের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু কোন পার্ক বা কোন সড়ক—এই তালিকা দেওয়া হয়নি। পৌরসভা জানিয়েছে, এই উদ্যোগ চলমান প্রচেষ্টার অংশ। এর মানে হলো, এটি একটি বিচ্ছিন্ন প্রকল্প নয়, বরং ধারাবাহিক কার্যক্রমের একটি ধাপ।
বনায়ন উদ্যোগের দ্বিতীয় পর্যায় সম্পন্ন হওয়ার খবর এমন সময়ে এলো যখন সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবেশগত উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে। নাজরান অঞ্চল পৌরসভার এই পদক্ষেপ সেই ধারারই অংশ। তবে প্রশ্ন থেকে যায়, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে চার পর্যায়ে ১১ হাজার গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে কি?
দ্বিতীয় পর্যায়ে ৭,৩১১টি গাছ লাগানো হয়েছে। মোট লক্ষ্যমাত্রা ১১ হাজার। অর্থাৎ বাকি দুই পর্যায়ে আরও ৩,৬৮৯টি গাছ লাগাতে হবে। এই হিসাব এসপিএ-র দেওয়া সংখ্যার ভিত্তিতে করা। পৌরসভা বলছে, এই উদ্যোগ উদ্ভিদ আচ্ছাদন বিস্তারে সহায়তা করছে।
নগর দৃশ্যপট উন্নয়ন বলতে বোঝায় শহরের চেহারা পরিবর্তন। গাছ লাগানো হলে রাস্তার পাশ, পার্কের ভেতর—সব জায়গায় সবুজের পরিমাণ বাড়ে। নাজরানের ২৪টি পাবলিক পার্ক ও সড়কপথে এই কাজ হয়েছে। প্রশ্ন হলো, এই গাছগুলো রোপণের পর সেগুলোর পরিচর্যা কে করবে?
এসপিএ-র প্রতিবেদনে গাছ রোপণের সংখ্যা ও স্থানের কথা আছে, কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কার—এই বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। পৌরসভা বলছে, এই উদ্যোগ স্থানীয় জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়ক। গাছ লাগানোর পর সেগুলো বড় হওয়া পর্যন্ত পরিচর্যা প্রয়োজন। এই পরিচর্যার পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রতিবেদনে কিছু নেই।
স্থানীয় জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন একটি বহুমুখী বিষয়। এর মধ্যে পরিবেশগত দিক যেমন আছে, তেমনি আছে নান্দনিক দিক। নাজরানের বাসিন্দারা যদি ২৪টি পার্কে নতুন গাছ দেখতে পান, তাহলে তা তাদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতায় পরিবর্তন আনবে। প্রশ্ন হলো, এই উদ্যোগের ফলাফল কত দিনে দৃশ্যমান হবে?
গাছ লাগানোর পর সেগুলো বড় হতে সময় লাগে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ৭,৩১১টি গাছ লাগানো হয়েছে। চার পর্যায়ে ১১ হাজার গাছের লক্ষ্যমাত্রা। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত প্রচারাভিযান চলবে। এই সময়সীমার মধ্যে বাকি দুই পর্যায় সম্পন্ন করতে হবে। এসপিএ এই প্রতিবেদনে গাছের প্রজাতি বা আকার সম্পর্কে কিছু জানায়নি।
নাজরান অঞ্চল পৌরসভার এই উদ্যোগ সৌদি আরবের পরিবেশগত লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। উদ্ভিদ আচ্ছাদন বৃদ্ধি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এর ফলে মরুকরণ প্রতিরোধে সহায়তা মেলে। প্রশ্ন হলো, এই উদ্যোগ কি শুধু নাজরান শহরে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি অঞ্চলের অন্য এলাকাতেও ছড়িয়ে পড়বে?
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই উদ্যোগ নাজরান অঞ্চল পৌরসভার। অঞ্চলের অন্য কোনো এলাকায় এই কার্যক্রম চলবে কি না, সেই বিষয়ে প্রতিবেদনে কিছু নেই। পৌরসভা জানিয়েছে, এটি বৃহত্তর প্রচারাভিযানের অংশ। বৃহত্তর প্রচারাভিযান বলতে কী বোঝানো হয়েছে, তার বিস্তারিত এসপিএ-তে নেই।
দ্বিতীয় পর্যায়ে ২৪টি পাবলিক পার্ক ও সড়কপথে গাছ লাগানো হয়েছে। এই সংখ্যা থেকে বোঝা যায়, কার্যক্রমটি শহরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে আছে। পাবলিক পার্ক বলতে সাধারণত জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত স্থান বোঝায়। সড়কপথ বলতে রাস্তার পাশের এলাকা। উভয় ধরনের স্থানেই গাছ লাগানো হয়েছে। প্রশ্ন হলো, এই গাছগুলো কি স্থানীয় প্রজাতির, নাকি বিদেশি?
এসপিএ-র প্রতিবেদনে গাছের প্রজাতি সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই। পৌরসভা জানিয়েছে, এই উদ্যোগ উদ্ভিদ আচ্ছাদন বিস্তারে সহায়তা করে। স্থানীয় প্রজাতির গাছ সাধারণত ওই এলাকার জলবায়ুর সঙ্গে খাপ খায়। নাজরানের জলবায়ু সম্পর্কে প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি। তবে গাছ লাগানোর সংখ্যা ও স্থান থেকে বোঝা যায়, এটি একটি পরিকল্পিত কার্যক্রম।
চার পর্যায়ে ১১ হাজার গাছের লক্ষ্যমাত্রা একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা। দ্বিতীয় পর্যায়ে ৭,৩১১টি গাছ লাগানো হয়েছে। এই সংখ্যা মোট লক্ষ্যমাত্রার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ। বাকি দুই পর্যায়ে বাকি অংশ পূরণ করতে হবে। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে এই কাজ শেষ করতে হবে। প্রশ্ন হলো, প্রথম পর্যায়ে কত গাছ লাগানো হয়েছিল?
এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্রথম পর্যায়ের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, দ্বিতীয় পর্যায় সম্পন্ন হয়েছে এবং চার পর্যায়ে মোট ১১ হাজার গাছ লাগানো হবে। এই তথ্য থেকে প্রথম পর্যায়ের হিসাব বের করা সম্ভব নয়, কারণ দ্বিতীয় পর্যায়ের ৭,৩১১টি গাছ মোট লক্ষ্যমাত্রার অংশ। বাকি ৩,৬৮৯টি গাছ তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা হবে কি না, তাও স্পষ্ট নয়।
পৌরসভার এই উদ্যোগ নগর দৃশ্যপট উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত। শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। নাজরানের ২৪টি পাবলিক পার্ক ও সড়কপথে গাছ লাগানোর ফলে শহরের চেহারা পরিবর্তিত হবে। প্রশ্ন হলো, এই পরিবর্তন কি পর্যটকদের আকৃষ্ট করবে?
এসপিএ-র প্রতিবেদনে পর্যটন সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। পৌরসভা জানিয়েছে, এই উদ্যোগ স্থানীয় জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়ক। জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের মধ্যে পরিবেশগত উন্নয়ন একটি অংশ। গাছ লাগানো হলে বাতাস পরিষ্কার হয়, ছায়া বাড়ে এবং শহর সবুজ হয়। এই সবকিছু মিলিয়ে বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হতে পারে।
নাজরান অঞ্চল পৌরসভা তার বনায়ন উদ্যোগের দ্বিতীয় পর্যায় সম্পন্ন করেছে। ২৪টি পাবলিক পার্ক ও সড়কপথে ৭,৩১১টি গাছ লাগানো হয়েছে। চার পর্যায়ে ১১ হাজার গাছের লক্ষ্যমাত্রা। প্রচারাভিযান ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে গাছের প্রজাতি, সেচব্যবস্থা, রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা, প্রথম পর্যায়ের সংখ্যা বা তৃতীয় ও চতুর্থ পর্যায়ের সংখ্যা সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি।
নাজরান পৌরসভা দ্বিতীয় পর্যায়ে কত গাছ লাগিয়েছে এবং কোথায়? নাজরান অঞ্চল পৌরসভা দ্বিতীয় পর্যায়ে ৭,৩১১টি গাছ লাগিয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই গাছগুলো ২৪টি পাবলিক পার্ক ও সড়কপথে রোপণ করা হয়েছে। পৌরসভার মতে, এই উদ্যোগ উদ্ভিদ আচ্ছাদন বিস্তার, নগর দৃশ্যপট উন্নয়ন এবং স্থানীয় জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়তা করে। প্রতিবেদনে কোন পার্ক বা কোন সড়ক—এই তালিকা দেওয়া হয়নি।
মোট কত গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা এবং কত দিনের মধ্যে? চারটি পর্যায়ে মোট ১১ হাজার গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই প্রচারাভিযান ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ৭,৩১১টি গাছ লাগানো হয়েছে। বাকি দুই পর্যায়ে আরও ৩,৬৮৯টি গাছ লাগাতে হবে। প্রথম পর্যায়ে কত গাছ লাগানো হয়েছিল, প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করা হয়নি।
এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য কী এবং পৌরসভা কী বলেছে? পৌরসভা জানিয়েছে, এই উদ্যোগ উদ্ভিদ আচ্ছাদন বিস্তার, নগর দৃশ্যপট উন্নয়ন এবং স্থানীয় জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের চলমান প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় পর্যায়ে ২৪টি পাবলিক পার্ক ও সড়কপথে ৭,৩১১টি গাছ লাগানো হয়েছে। চার পর্যায়ে ১১ হাজার গাছের লক্ষ্যমাত্রা ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পূরণ করতে হবে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ-র প্রতিবেদনে গাছের প্রজাতি, সেচব্যবস্থা, রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা, প্রথম পর্যায়ে লাগানো গাছের সংখ্যা এবং তৃতীয় ও চতুর্থ পর্যায়ের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়া কোন ২৪টি পার্ক বা সড়ক—তার তালিকাও দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে শুধু দ্বিতীয় পর্যায়ের ৭,৩১১টি গাছ, ২৪টি স্থান, ১১ হাজার লক্ষ্যমাত্রা এবং ৩০ নভেম্বরের সময়সীমা বলা হয়েছে।