সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের দক্ষিণে রিফ দিমাশ্ক গভর্নরেটের সায়্যিদা জয়নব শহরে ৫০টি পরিবারের কাছে খাদ্য ঝুড়ি বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণটি সৌদি আরবের মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ সংস্থা কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (কেএসরিলিফ) পরিচালনা করেছে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, বুধবারের এই বিতরণ ১৪৪৬ হিজরি সালের রমজান মাসের ‘এতআম’ খাদ্য ঝুড়ি প্রকল্পের আওতায় সিরিয়ায় সম্পন্ন হয়েছে।
‘এতআম’ প্রকল্পটি তার চতুর্থ পর্যায়ে রয়েছে। এই পর্যায়ে রমজান মাসজুড়ে ২৭টি দেশে মোট ৩,৯০,১০৯টি খাদ্য ঝুড়ি বিতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই লক্ষ্যমাত্রার আওতায় মোট ২৩,০৪,১০৪ জন উপকৃত হবেন। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৬ কোটি ৭৬ লাখ ৪০ হাজার সৌদি রিয়ালের বেশি, অর্থাৎ ৬৭.৬৪ মিলিয়ন রিয়াল ছাড়িয়ে যাবে।
সিরিয়ায় এই বিতরণ কেবল একটি দিনের ঘটনা নয়। এটি সৌদি আরবের মানবিক সহায়তার ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ, যা المملكة তার মানবিক শাখা কেএসরিলিফের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে প্রয়োজনগ্রস্ত মানুষের কষ্ট লাঘব করতে পরিচালনা করে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই উদ্যোগ সেই ধারাবাহিক মানবিক ও ত্রাণ প্রকল্পেরই অংশ।
রিফ দিমাশ্ক গভর্নরেট সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের দক্ষিণে অবস্থিত একটি এলাকা। সায়্যিদা জয়নব শহরটি এই গভর্নরেটের অন্তর্গত। সেখানে ৫০টি পরিবার খাদ্য সহায়তা পেয়েছে। এই সংখ্যাটি এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বিতরণকৃত খাদ্য ঝুড়িতে কী কী পণ্য ছিল, তার বিস্তারিত তালিকা প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।
‘এতআম’ প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ের পরিধি বেশ বিস্তৃত। ২৭টি দেশে ৩,৯০,১০৯টি খাদ্য ঝুড়ি বিতরণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই হিসাবে প্রতি দেশে গড়ে প্রায় ১৪,৪৪৮টি ঝুড়ি পড়ে। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে দেশভিত্তিক আলাদা কোনো ভাগের হিসাব দেওয়া হয়নি। সিরিয়ার জন্য কতটি ঝুড়ি নির্ধারিত, তাও স্পষ্ট নয়।
উপকৃত মানুষের সংখ্যা ২৩,০৪,১০৪ জন। এই সংখ্যাটি মোট ঝুড়ির সংখ্যার প্রায় ছয় গুণের কাছাকাছি। অর্থাৎ প্রতিটি খাদ্য ঝুড়ি গড়ে প্রায় ছয়জনের একটি পরিবারের চাহিদা মেটাতে পারে বলে ধরে নেওয়া যায়। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে পরিবারের আকার বা প্রতি পরিবারে কতজন সদস্য ছিলেন, সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
প্রকল্পের মোট ব্যয় ৬৭.৬৪ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল ছাড়িয়ে যাবে। এই ব্যয়ের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী, পরিবহন, সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থাপনার খরচ অন্তর্ভুক্ত কি না, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। তবে এসপিএ জানিয়েছে, এটি সৌদি আরবের মানবিক ও ত্রাণ প্রকল্পের ধারাবাহিকতার অংশ।
রমজান মাস মুসলিম বিশ্বে সংযম, সহানুভূতি ও দানের মাস হিসেবে পরিচিত। এই সময়ে খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম সাধারণত বেড়ে যায়। ‘এতআম’ প্রকল্পটি সেই প্রেক্ষাপটে পরিচালিত হচ্ছে। এর নাম থেকেই বোঝা যায়, এটি খাদ্য সরবরাহের সঙ্গে সম্পর্কিত। এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্রকল্পের নাম ‘এতআম’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে এটি রমজান মাসের খাদ্য ঝুড়ি প্রকল্প।
সিরিয়ার পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে মানবিক সংকটের মধ্যে রয়েছে। রিফ দিমাশ্ক গভর্নরেটের সায়্যিদা জয়নব শহরে ৫০টি পরিবারের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌঁছানো সেই সংকটেরই একটি চিত্র। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে সিরিয়ার সার্বিক মানবিক অবস্থা বা সেখানে কতজন মানুষের সহায়তা প্রয়োজন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
কেএসরিলিফ সৌদি আরবের মানবিক সহায়তার প্রধান প্রতিষ্ঠান। المملكة তার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ত্রাণ ও সহায়তা পাঠায়। এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই উদ্যোগ সৌদি আরবের মানবিক ও ত্রাণ প্রকল্পের ধারাবাহিকতার অংশ, যা বিশ্বজুড়ে প্রয়োজনগ্রস্ত মানুষের কষ্ট লাঘব করার লক্ষ্যে পরিচালিত।
‘এতআম’ প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায় ১৪৪৬ হিজরি সালের রমজান মাসে চলছে। হিজরি সালের হিসাবে ১৪৪৬ সালটি ২০২৪-২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত। রমজান মাসটি ইসলামিক ক্যালেন্ডারের নবম মাস। এই মাসে সংযম ও দানের গুরুত্ব মুসলিমদের কাছে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
সিরিয়ায় বিতরণের সময়সূচি সম্পর্কে এসপিএ জানিয়েছে, বুধবার বিতরণ করা হয়েছে। তবে বুধবার বলতে কোন তারিখ বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। প্রতিবেদনের শুরুতে দামেস্ক থেকে ২৬ মার্চ ২০২৫ তারিখের উল্লেখ আছে। সেই হিসাবে বুধবার ২৬ মার্চ ২০২৫ হতে পারে। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে তারিখটি আলাদাভাবে বুধবারের সঙ্গে মিলিয়ে বলা হয়নি।
খাদ্য ঝুড়ি বিতরণের স্থান হিসেবে সায়্যিদা জয়নব শহরের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এই শহরটি রিফ দিমাশ্ক গভর্নরেটে অবস্থিত। গভর্নরেটটি সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের দক্ষিণে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে ভৌগোলিক এই বিবরণই দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় পরিস্থিতি বা সেখানে সহায়তা পৌঁছানোর চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি।
৫০টি পরিবার কতজন মানুষ ছিলেন, তা সরাসরি জানা যায় না। তবে প্রকল্পের সার্বিক হিসাবে ২৩,০৪,১০৪ জন উপকৃত হবেন বলে উল্লেখ আছে। এই সংখ্যা ২৭টি দেশের মোট হিসাব। সিরিয়ার জন্য আলাদা করে কতজন উপকৃত হবেন, তা এসপিএ-র প্রতিবেদনে নেই।
‘এতআম’ প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ের মোট ব্যয় ৬৭.৬৪ মিলিয়ন রিয়ালের বেশি। এই অর্থ কোথা থেকে আসছে বা কারা অনুদান দিচ্ছেন, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। তবে এসপিএ জানিয়েছে, এটি সৌদি আরবের মানবিক সহায়তার ধারাবাহিক প্রকল্পের অংশ।
খাদ্য ঝুড়ি বিতরণের লক্ষ্য প্রয়োজনগ্রস্ত মানুষের কষ্ট লাঘব করা। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই উদ্দেশ্যই প্রকাশ করা হয়েছে। সিরিয়ার রিফ দিমাশ্কে ৫০টি পরিবারের কাছে খাদ্য পৌঁছানো সেই লক্ষ্যের একটি বাস্তব প্রয়োগ। তবে এই সহায়তা কতদিন চলবে বা সিরিয়ায় আরও কতটি বিতরণ হবে, তা প্রতিবেদনে বলা হয়নি।
রমজান মাসে খাদ্য সহায়তার গুরুত্ব অনেক। রোজাদারদের জন্য সেহরি ও ইফতারের ব্যবস্থা করা এই ধরনের প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য হতে পারে। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে ‘এতআম’ প্রকল্পের খাদ্য ঝুড়িতে কী কী খাদ্যসামগ্রী থাকে, তার তালিকা দেওয়া হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, এটি রমজান মাসের খাদ্য ঝুড়ি প্রকল্প।
২৭টি দেশে প্রকল্পটি চলছে। কোন কোন দেশে এই বিতরণ হচ্ছে, তার তালিকা এসপিএ-র প্রতিবেদনে নেই। সিরিয়া সেই দেশগুলোর একটি। সিরিয়ার রিফ দিমাশ্ক গভর্নরেটের সায়্যিদা জয়নব শহরে বুধবার বিতরণের ঘটনা প্রতিবেদনে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
কেএসরিলিফের কার্যক্রম সৌদি আরবের মানবিক ভূমিকার একটি অংশ। এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, المملكة তার মানবিক শাখার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে প্রয়োজনগ্রস্ত মানুষের কষ্ট লাঘব করতে এই প্রকল্পগুলো পরিচালনা করে। সিরিয়ার বিতরণ সেই ধারাবাহিকতারই একটি উদাহরণ।
প্রতিবেদনের শেষে এসপিএ-র সূত্র উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয় সময় ০২:৪৯ এবং জিএমটি ২৩:৪৯ সময়ের উল্লেখ আছে। এছাড়া ০০২১ সংখ্যাটিও দেওয়া হয়েছে। এই সময় ও সংখ্যা প্রতিবেদনের মেটাডেটার অংশ।
সিরিয়ায় ৫০টি পরিবারের কাছে খাদ্য ঝুড়ি বিতরণের এই ঘটনা ছোট পরিসরের হলেও ‘এতআম’ প্রকল্পের বৃহত্তর লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে যুক্ত। ২৭টি দেশে ৩,৯০,১০৯টি ঝুড়ি এবং ২৩,০৪,১০৪ জন উপকৃত হওয়ার পরিকল্পনা সেই বৃহত্তর চিত্র। মোট ব্যয় ৬৭.৬৪ মিলিয়ন রিয়ালের বেশি। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই তথ্যগুলোই প্রধানভাবে উঠে এসেছে।
প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায় চলছে ১৪৪৬ হিজরি সালের রমজান মাসে। এই পর্যায়ের আগের তিনটি পর্যায় সম্পর্কে এসপিএ-র প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি। শুধু চতুর্থ পর্যায়ের লক্ষ্যমাত্রা ও ব্যয়ের তথ্য দেওয়া হয়েছে। সিরিয়ায় বুধবারের বিতরণ সেই পর্যায়ের একটি কার্যক্রম।
খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম সাধারণত স্থানীয় অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালিত হয়। তবে সিরিয়ার বিতরণে কারা স্থানীয়ভাবে সহযোগিতা করেছে, তা এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। শুধু কেএসরিলিফের বিতরণের কথা বলা হয়েছে।
সায়্যিদা জয়নব শহরে ৫০টি পরিবার খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন। এই সংখ্যাটি এসপিএ-র প্রতিবেদনে সরাসরি উল্লেখিত। পরিবারগুলোর পরিচয়, তাদের অবস্থা বা তারা কতদিন ধরে সহায়তা পাচ্ছেন, এসব তথ্য প্রতিবেদনে নেই।
‘এতআম’ প্রকল্পের নামটি আরবি শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ খাদ্য সরবরাহ করা। প্রকল্পটি রমজান মাসে বিশেষভাবে পরিচালিত হয়। চতুর্থ পর্যায়ে ২৭টি দেশে এটি চলছে। সিরিয়া সেই তালিকার একটি দেশ। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই তথ্যগুলো নিশ্চিত করা হয়েছে।
সৌদি আরবের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিচালিত হয়। কেএসরিলিফ সেই কার্যক্রমের প্রধান সংস্থা। সিরিয়ার রিফ দিমাশ্কে খাদ্য ঝুড়ি বিতরণ সেই কার্যক্রমের সাম্প্রতিক উদাহরণ। এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই উদ্যোগ প্রয়োজনগ্রস্ত মানুষের কষ্ট লাঘবের লক্ষ্যে পরিচালিত।
প্রতিবেদনে মোট ব্যয় ৬৭.৬৪ মিলিয়ন রিয়ালের বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ব্যয়ের হিসাব কীভাবে করা হয়েছে বা প্রতি ঝুড়িতে গড় খরচ কত, তা জানা যায় না। তবে মোট হিসাবটি এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে দেওয়া হয়েছে।
২৩,০৪,১০৪ জন উপকৃত হওয়ার হিসাবটি মোট ২৭টি দেশের জন্য। সিরিয়ার ৫০টি পরিবার সেই বৃহত্তর সংখ্যার একটি অংশ। এসপিএ-র প্রতিবেদনে সিরিয়ার জন্য আলাদা উপকৃত সংখ্যা দেওয়া হয়নি। শুধু ৫০টি পরিবারের কথা বলা হয়েছে।
রমজান মাসে খাদ্য সহায়তা কার্যক্রমের সময়সূচি সাধারণত মাসজুড়ে বিস্তৃত থাকে। ‘এতআম’ প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায় রমজান মাসে চলছে। সিরিয়ায় বুধবারের বিতরণ সেই সময়সূচির একটি দিনের ঘটনা। তবে পুরো মাসে সিরিয়ায় কতটি বিতরণ হবে, তা প্রতিবেদনে বলা হয়নি।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্থানীয় সময় ০২:৪৯ এবং জিএমটি ২৩:৪৯ উল্লেখ করা হয়েছে। এই সময়গুলো প্রতিবেদন প্রকাশের সময় নির্দেশ করে। এছাড়া ০০২১ সংখ্যাটি প্রতিবেদনের একটি রেফারেন্স নম্বর হতে পারে। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই সংখ্যার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
সিরিয়ার রিফ দিমাশ্ক গভর্নরেটে ৫০টি পরিবারের কাছে খাদ্য ঝুড়ি বিতরণের ঘটনাটি কেএসরিলিফের ‘এতআম’ প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ের অংশ। এই পর্যায়ে ২৭টি দেশে ৩,৯০,১০৯টি ঝুড়ি বিতরণের লক্ষ্য রয়েছে। মোট ২৩,০৪,১০৪ জন উপকৃত হবেন এবং ব্যয় ৬৭.৬৪ মিলিয়ন রিয়ালের বেশি হবে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই তথ্যগুলোই প্রধান।
প্রতিবেদনে খাদ্য ঝুড়ির উপাদান, সিরিয়ার জন্য নির্ধারিত ঝুড়ির সংখ্যা, স্থানীয় অংশীদার, পরিবারগুলোর বিস্তারিত পরিচয় বা ভবিষ্যতের বিতরণ পরিকল্পনা সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। এসপিএ শুধু বুধবারের বিতরণ, ৫০টি পরিবার, ‘এতআম’ প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায় এবং প্রকল্পের সার্বিক লক্ষ্যমাত্রা ও ব্যয়ের তথ্য দিয়েছে।
কেএসরিলিফ সিরিয়ার কোথায় খাদ্য ঝুড়ি বিতরণ করেছে? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, সিরিয়ার রিফ দিমাশ্ক গভর্নরেটের সায়্যিদা জয়নব শহরে খাদ্য ঝুড়ি বিতরণ করা হয়েছে। এই শহরটি সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের দক্ষিণে অবস্থিত। বুধবারের বিতরণে ৫০টি পরিবার উপকৃত হয়েছে। বিতরণটি ১৪৪৬ হিজরি সালের রমজান মাসের ‘এতআম’ খাদ্য ঝুড়ি প্রকল্পের আওতায় সিরিয়ায় সম্পন্ন হয়েছে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্থানীয় সময় ও জিএমটিসহ প্রকাশের সময়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
‘এতআম’ প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ের লক্ষ্যমাত্রা কী? এসপিএ জানিয়েছে, ‘এতআম’ প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ে রমজান মাসজুড়ে ২৭টি দেশে ৩,৯০,১০৯টি খাদ্য ঝুড়ি বিতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রার আওতায় মোট ২৩,০৪,১০৪ জন উপকৃত হবেন। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৬৭.৬৪ মিলিয়ন সৌদি রিয়ালের বেশি হবে। সিরিয়ার রিফ দিমাশ্কে ৫০টি পরিবারের কাছে বিতরণ সেই বৃহত্তর লক্ষ্যমাত্রার একটি অংশ।
সিরিয়ায় কতটি পরিবার খাদ্য সহায়তা পেয়েছে? এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিরিয়ার রিফ দিমাশ্ক গভর্নরেটের সায়্যিদা জয়নব শহরে ৫০টি পরিবার খাদ্য ঝুড়ি পেয়েছে। বিতরণটি বুধবার করা হয়েছে এবং এটি ‘এতআম’ প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ের আওতায় সিরিয়ায় পরিচালিত হয়েছে। প্রতিবেদনে পরিবারগুলোর পরিচয় বা তাদের সদস্য সংখ্যা সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। সিরিয়ার জন্য আলাদা কতটি ঝুড়ি নির্ধারিত, তাও উল্লেখ করা হয়নি।
খাদ্য সহায়তা কার্যক্রমটি কে পরিচালনা করেছে? সৌদি আরবের মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ সংস্থা কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (কেএসরিলিফ) বিতরণটি পরিচালনা করেছে। এসপিএ জানিয়েছে, এটি সৌদি আরবের মানবিক ও ত্রাণ প্রকল্পের ধারাবাহিকতার অংশ, যা المملكة তার মানবিক শাখার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে প্রয়োজনগ্রস্ত মানুষের কষ্ট লাঘব করতে পরিচালনা করে। সিরিয়ার বিতরণ সেই ধারাবাহিক কার্যক্রমের একটি উদাহরণ।
প্রকল্পের মোট ব্যয় কত এবং কত দেশে এটি চলছে? এসপিএ জানিয়েছে, ‘এতআম’ প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ের মোট ব্যয় ৬৭.৬৪ মিলিয়ন সৌদি রিয়ালের বেশি। প্রকল্পটি ২৭টি দেশে পরিচালিত হচ্ছে। এই দেশগুলোর তালিকা এসপিএ-র প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি। সিরিয়া সেই ২৭টি দেশের একটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রমজান মাসজুড়ে ৩,৯০,১০৯টি খাদ্য ঝুড়ি বিতরণের লক্ষ্য রয়েছে এবং ২৩,০৪,১০৪ জন উপকৃত হবেন।
বিতরণের সময় ও তারিখ সম্পর্কে কী জানা যায়? এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার বিতরণ করা হয়েছে এবং প্রতিবেদনের শুরুতে দামেস্ক থেকে ২৬ মার্চ ২০২৫ তারিখের উল্লেখ আছে। প্রতিবেদনে স্থানীয় সময় ০২:৪৯ এবং জিএমটি ২৩:৪৯ উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ০০২১ সংখ্যাটিও দেওয়া হয়েছে। তবে বুধবার বলতে কোন তারিখ বোঝানো হয়েছে, তা আলাদাভাবে স্পষ্ট করা হয়নি।