Monday, October 26, 2026
সাধারণ

সৌদিতে শুক্রবার ধুলোবালির ঝড় ও শিলাবৃষ্টিসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, লোহিত সাগরে ঢেউ দুই মিটারের বেশি হতে পারে

সৌদিতে শুক্রবার ধুলোবালির ঝড় ও শিলাবৃষ্টিসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, লোহিত সাগরে ঢেউ দুই মিটারের বেশি হতে পারে

জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা, তাবুক, আল-জাউফ ও উত্তর সীমান্ত অঞ্চলের কিছু অংশে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে এবং সেই সঙ্গে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। শুক্রবারের এই পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, এসব এলাকায় ধুলোবালি উড়িয়ে দেওয়া বাতাস বইবে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের বরাত দিয়ে এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। রিয়াদ থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবারের আবহাওয়া পরিস্থিতি কয়েকটি অঞ্চলে বৃষ্টি ও বাতাসের তীব্রতা নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, মদিনা ও হাইল অঞ্চলের কিছু অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্বাঞ্চলের দক্ষিণাংশের ওপর দিয়ে বৃষ্টি-বাহী বজ্রমেঘ তৈরি হতে পারে। এছাড়া পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় রাত ও ভোরের দিকে কুয়াশা তৈরি হতে পারে।

লোহিত সাগরে বাতাসের গতি ও দিক নিয়েও বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র। লোহিত সাগরে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর দিকে ঘণ্টায় ১৮ থেকে ৩৮ কিলোমিটার বেগে বইবে। আবার কোথাও উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার বেগে এবং পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে।

লোহিত সাগরে ঢেউয়ের উচ্চতা আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি হতে পারে। সমুদ্র শান্ত থেকে উত্তাল থাকবে।

আরব উপসাগরেও বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩০ কিলোমিটার বেগে বইবে। পাশাপাশি উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগেও বাতাস বইতে পারে। আরব উপসাগরেও ঢেউ আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি হতে পারে এবং সমুদ্র শান্ত থেকে উত্তাল থাকবে।

শুক্রবারের এই পূর্বাভাসে সাতটি অঞ্চলে ধুলোবালি উড়িয়ে দেওয়া বাতাস ও বজ্রঝড়ের কথা বলা হয়েছে। জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা, তাবুক, আল-জাউফ ও উত্তর সীমান্ত অঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য এটি সতর্কতার বার্তা। বৃষ্টির সঙ্গে শিলাবৃষ্টি হলে তা ফসল ও সম্পদের ক্ষতি করতে পারে।

মদিনা ও হাইলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস তুলনামূলকভাবে কম তীব্রতার। তবে পূর্বাঞ্চলের দক্ষিণাংশে বজ্রমেঘ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় রাত ও ভোরে কুয়াশা দেখা দিতে পারে, যা সড়কপথে চলাচলে প্রভাব ফেলতে পারে।

লোহিত সাগরের বাতাসের গতির তারতম্য উল্লেখযোগ্য। কোথাও ঘণ্টায় ১৮ থেকে ৩৮ কিলোমিটার, কোথাও ১৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার এবং কোথাও ১০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইবে। এই ধরনের পরিবর্তনশীল বাতাস সমুদ্রযাত্রীদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

ঢেউয়ের উচ্চতা আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি হওয়ার কথা বলা হয়েছে। সমুদ্র শান্ত থেকে উত্তাল থাকবে। আরব উপসাগরেও একই ধরনের অবস্থা বিরাজ করবে। বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩০ কিলোমিটার এবং ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে বইবে।

জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের এই পূর্বাভাস শুক্রবারের জন্য প্রযোজ্য। তবে প্রতিবেদনে বৃষ্টির পরিমাণ, ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বা সতর্কতা জারির বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। শুধু আবহাওয়ার অবস্থা ও সমুদ্র পরিস্থিতির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা, তাবুক, আল-জাউফ ও উত্তর সীমান্ত অঞ্চলে ধুলোবালি উড়িয়ে দেওয়া বাতাস বইবে। এর সঙ্গে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি এবং শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সাতটি অঞ্চলের কিছু অংশে এই অবস্থা বিরাজ করতে পারে।

মদিনা ও হাইল অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পূর্বাঞ্চলের দক্ষিণাংশে বৃষ্টি-বাহী বজ্রমেঘ তৈরি হতে পারে। পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় রাত ও ভোরের দিকে কুয়াশা তৈরি হতে পারে।

লোহিত সাগরে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর দিকে ঘণ্টায় ১৮ থেকে ৩৮ কিলোমিটার বেগে বইবে। আবার উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার বেগে এবং পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। ঢেউ আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি হতে পারে। সমুদ্র শান্ত থেকে উত্তাল থাকবে।

আরব উপসাগরে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩০ কিলোমিটার বেগে বইবে। আবার উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। ঢেউ আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি হতে পারে। সমুদ্র শান্ত থেকে উত্তাল থাকবে।

এই পূর্বাভাস শুক্রবারের জন্য জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র থেকে দেওয়া হয়েছে। এসপিএ প্রতিবেদনটি রিয়াদ থেকে প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে স্থানীয় সময় ও জিএমটি সময় উল্লেখ করা হয়েছে।

আবহাওয়ার এই ধরনের পূর্বাভাস সাধারণত যাত্রী, কৃষক ও সমুদ্রযাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে প্রতিবেদনে কোনো সতর্কতা জারি বা স্কুল-অফিস বন্ধের কথা বলা হয়নি। শুধু আবহাওয়ার অবস্থা ও সমুদ্র পরিস্থিতির তথ্য দেওয়া হয়েছে।

জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা, তাবুক, আল-জাউফ ও উত্তর সীমান্ত অঞ্চলে ধুলোবালির ঝড় ও বৃষ্টির পূর্বাভাস একই সঙ্গে দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের মিশ্র আবহাওয়া যানবাহন চলাচলে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে প্রতিবেদনে সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ কিছু বলা হয়নি।

মদিনা ও হাইলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পূর্বাঞ্চলের দক্ষিণাংশে বজ্রমেঘ তৈরি হতে পারে। উপকূলীয় এলাকায় কুয়াশা রাত ও ভোরের দিকে তৈরি হতে পারে।

লোহিত সাগরে বাতাসের গতি ও দিকের তারতম্য এবং ঢেউয়ের উচ্চতা আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি হওয়ার কথা বলা হয়েছে। আরব উপসাগরেও একই ধরনের অবস্থা বিরাজ করবে। সমুদ্র শান্ত থেকে উত্তাল থাকবে।

জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের এই পূর্বাভাস শুক্রবারের জন্য প্রযোজ্য। প্রতিবেদনে বৃষ্টির পরিমাণ বা ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নিয়ে কিছু বলা হয়নি। শুধু আবহাওয়ার অবস্থা ও সমুদ্র পরিস্থিতির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবারের এই পূর্বাভাসে সাতটি অঞ্চলে ধুলোবালি উড়িয়ে দেওয়া বাতাস ও বজ্রঝড়ের কথা বলা হয়েছে। জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা, তাবুক, আল-জাউফ ও উত্তর সীমান্ত অঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য এটি সতর্কতার বার্তা। বৃষ্টির সঙ্গে শিলাবৃষ্টি হলে তা ফসল ও সম্পদের ক্ষতি করতে পারে।

মদিনা ও হাইলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস তুলনামূলকভাবে কম তীব্রতার। তবে পূর্বাঞ্চলের দক্ষিণাংশে বজ্রমেঘ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় রাত ও ভোরে কুয়াশা দেখা দিতে পারে, যা সড়কপথে চলাচলে প্রভাব ফেলতে পারে।

লোহিত সাগরের বাতাসের গতির তারতম্য উল্লেখযোগ্য। কোথাও ঘণ্টায় ১৮ থেকে ৩৮ কিলোমিটার, কোথাও ১৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার এবং কোথাও ১০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইবে। এই ধরনের পরিবর্তনশীল বাতাস সমুদ্রযাত্রীদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

ঢেউয়ের উচ্চতা আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি হওয়ার কথা বলা হয়েছে। সমুদ্র শান্ত থেকে উত্তাল থাকবে। আরব উপসাগরেও একই ধরনের অবস্থা বিরাজ করবে। বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩০ কিলোমিটার এবং ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে বইবে।

জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের এই পূর্বাভাস শুক্রবারের জন্য প্রযোজ্য। তবে প্রতিবেদনে বৃষ্টির পরিমাণ, ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বা সতর্কতা জারির বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। শুধু আবহাওয়ার অবস্থা ও সমুদ্র পরিস্থিতির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা, তাবুক, আল-জাউফ ও উত্তর সীমান্ত অঞ্চলে ধুলোবালি উড়িয়ে দেওয়া বাতাস বইবে। এর সঙ্গে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি এবং শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সাতটি অঞ্চলের কিছু অংশে এই অবস্থা বিরাজ করতে পারে।

মদিনা ও হাইল অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পূর্বাঞ্চলের দক্ষিণাংশে বৃষ্টি-বাহী বজ্রমেঘ তৈরি হতে পারে। পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় রাত ও ভোরের দিকে কুয়াশা তৈরি হতে পারে।

লোহিত সাগরে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর দিকে ঘণ্টায় ১৮ থেকে ৩৮ কিলোমিটার বেগে বইবে। আবার উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার বেগে এবং পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। ঢেউ আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি হতে পারে। সমুদ্র শান্ত থেকে উত্তাল থাকবে।

আরব উপসাগরে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩০ কিলোমিটার বেগে বইবে। আবার উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। ঢেউ আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি হতে পারে। সমুদ্র শান্ত থেকে উত্তাল থাকবে।

এই পূর্বাভাস শুক্রবারের জন্য জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র থেকে দেওয়া হয়েছে। এসপিএ প্রতিবেদনটি রিয়াদ থেকে প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে স্থানীয় সময় ও জিএমটি সময় উল্লেখ করা হয়েছে।

আবহাওয়ার এই ধরনের পূর্বাভাস সাধারণত যাত্রী, কৃষক ও সমুদ্রযাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে প্রতিবেদনে কোনো সতর্কতা জারি বা স্কুল-অফিস বন্ধের কথা বলা হয়নি। শুধু আবহাওয়ার অবস্থা ও সমুদ্র পরিস্থিতির তথ্য দেওয়া হয়েছে।

জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা, তাবুক, আল-জাউফ ও উত্তর সীমান্ত অঞ্চলে ধুলোবালির ঝড় ও বৃষ্টির পূর্বাভাস একই সঙ্গে দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের মিশ্র আবহাওয়া যানবাহন চলাচলে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে প্রতিবেদনে সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ কিছু বলা হয়নি।

মদিনা ও হাইলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পূর্বাঞ্চলের দক্ষিণাংশে বজ্রমেঘ তৈরি হতে পারে। উপকূলীয় এলাকায় কুয়াশা রাত ও ভোরের দিকে তৈরি হতে পারে।

লোহিত সাগরে বাতাসের গতি ও দিকের তারতম্য এবং ঢেউয়ের উচ্চতা আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি হওয়ার কথা বলা হয়েছে। আরব উপসাগরেও একই ধরনের অবস্থা বিরাজ করবে। সমুদ্র শান্ত থেকে উত্তাল থাকবে।

জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের এই পূর্বাভাস শুক্রবারের জন্য প্রযোজ্য। প্রতিবেদনে বৃষ্টির পরিমাণ বা ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নিয়ে কিছু বলা হয়নি। শুধু আবহাওয়ার অবস্থা ও সমুদ্র পরিস্থিতির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার কোন কোন অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে? জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের বরাত দিয়ে এসপিএ জানিয়েছে, জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা, তাবুক, আল-জাউফ ও উত্তর সীমান্ত অঞ্চলের কিছু অংশে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে এবং শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। এসব এলাকায় ধুলোবালি উড়িয়ে দেওয়া বাতাস বইবে। এছাড়া মদিনা ও হাইল অঞ্চলের কিছু অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

লোহিত সাগরে বাতাস ও ঢেউয়ের অবস্থা কেমন হবে? লোহিত সাগরে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর দিকে ঘণ্টায় ১৮ থেকে ৩৮ কিলোমিটার বেগে বইবে। কোথাও উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার এবং পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। ঢেউ আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি হতে পারে এবং সমুদ্র শান্ত থেকে উত্তাল থাকবে।

আরব উপসাগরে বাতাসের গতি ও ঢেউ কেমন থাকবে? আরব উপসাগরে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩০ কিলোমিটার বেগে বইবে। আবার উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। ঢেউ আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি হতে পারে এবং সমুদ্র শান্ত থেকে উত্তাল থাকবে। এসপিএ এই তথ্য জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের বরাত দিয়ে দিয়েছে।

পূর্বাঞ্চলে কুয়াশা ও বজ্রমেঘের সম্ভাবনা কেমন? পূর্বাভাস অনুযায়ী, পূর্বাঞ্চলের দক্ষিণাংশের ওপর দিয়ে বৃষ্টি-বাহী বজ্রমেঘ তৈরি হতে পারে। এছাড়া পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় রাত ও ভোরের দিকে কুয়াশা তৈরি হতে পারে। এসপিএ জানিয়েছে, এই পূর্বাভাস জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র থেকে দেওয়া হয়েছে এবং এটি শুক্রবারের জন্য প্রযোজ্য। প্রতিবেদনে বৃষ্টির পরিমাণ বা ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নিয়ে কিছু বলা হয়নি।

এই পূর্বাভাসে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? প্রতিবেদনে বৃষ্টির পরিমাণ, ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বা সতর্কতা জারির বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। শুধু আবহাওয়ার অবস্থা ও সমুদ্র পরিস্থিতির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, পূর্বাভাসটি জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের বরাত দিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এটি শুক্রবারের জন্য প্রযোজ্য। কোনো স্কুল-অফিস বন্ধের ঘোষণাও প্রতিবেদনে নেই।