সাকাকা, দুমাত আল-জান্দাল ও তাবারজালের চারণ এলাকায় দেশীয় বন্য ও চারণযোগ্য উদ্ভিদের বীজ ছড়ানোর কাজ সম্পন্ন করেছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর ভেজিটেশন কভার ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কমব্যাটিং ডেজার্টিফিকেশন (এনসিভিসি)। সংস্থাটি বলেছে, বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও বীজ ছড়ানোর মাধ্যমে প্রাকৃতিক চারণভূমি পুনরুদ্ধার কর্মসূচির তৃতীয় মৌসুমের অংশ হিসেবে এই কাজ করা হয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১৭ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, বীজ ছড়ানো ক্ষয়িষ্ণু ভূমি পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে, উৎপাদনশীলতা বাড়ায় এবং দেশীয় উদ্ভিদ প্রজাতি সংরক্ষণ করে। এই উদ্যোগ ২০২৬ সালের জাতীয় সবুজায়ন মৌসুমের সঙ্গে মিলে যায় এবং সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভের ১০ বিলিয়ন গাছ রোপণ ও রাজ্যজুড়ে ৪০ মিলিয়ন হেক্টর পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যমাত্রাকে সমর্থন করে।
আল-জউফ অঞ্চলের উত্তরাঞ্চলীয় এই তিনটি এলাকা কেন বেছে নেওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। এসপিএ জানিয়েছে, এগুলো চারণ এলাকা এবং এখানেই বীজ ছড়ানোর কাজ হয়েছে। সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, ক্ষয়িষ্ণু ভূমি পুনরুদ্ধারই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।
বীজ ছড়ানোর সঙ্গে বৃষ্টির পানি সংগ্রহকে যুক্ত করা হয়েছে কেন? এনসিভিসির ব্যাখ্যা হলো, বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও বীজ ছড়ানো একসঙ্গে প্রাকৃতিক চারণভূমি পুনরুদ্ধারের কর্মসূচির অংশ। অর্থাৎ শুধু বীজ ছড়িয়েই থেমে থাকছে না উদ্যোগ, পানি ধরে রাখার ব্যবস্থাও এর সঙ্গে জড়িত।
দেশীয় বন্য ও চারণযোগ্য উদ্ভিদের বীজ ব্যবহারের তাৎপর্য কী? সংস্থা বলছে, এতে দেশীয় উদ্ভিদ প্রজাতি সংরক্ষণ হয়। সেই সঙ্গে চারণভূমির উৎপাদনশীলতাও বাড়ে বলে সংস্থার দাবি।
তৃতীয় মৌসুম বলতে কী বোঝায়? এসপিএ জানিয়েছে, এটি প্রাকৃতিক চারণভূমি পুনরুদ্ধার কর্মসূচির তৃতীয় মৌসুম। আগের মৌসুমগুলোতে কী অর্জিত হয়েছে, তা অবশ্য এই প্রতিবেদনে বলা হয়নি।
২০২৬ সালের জাতীয় সবুজায়ন মৌসুমের সঙ্গে এই কাজের সময় মিলে যাওয়াকে সংস্থা গুরুত্ব দিয়েছে। এসপিএ বলছে, এই উদ্যোগ জাতীয় সবুজায়ন মৌসুমের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভের লক্ষ্যমাত্রার কথা সংস্থা স্মরণ করিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১০ বিলিয়ন গাছ রোপণ এবং ৪০ মিলিয়ন হেক্টর জমি পুনরুদ্ধার। এসপিএ জানিয়েছে, বীজ ছড়ানোর এই কাজ সেই লক্ষ্যমাত্রাকে সমর্থন করে।
আল-জউফ অঞ্চলে কত হেক্টর জমিতে বীজ ছড়ানো হলো, কত কিলোগ্রাম বীজ ব্যবহার হলো, বা কোন কোন প্রজাতির বীজ ছড়ানো হলো—এসপিএ এসব তথ্য দেয়নি। বীজ ছড়ানোর নির্দিষ্ট তারিখও প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
এনসিভিসি আল-জউফে কী কাজ সম্পন্ন করেছে? ন্যাশনাল সেন্টার ফর ভেজিটেশন কভার ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কমব্যাটিং ডেজার্টিফিকেশন (এনসিভিসি) আল-জউফ অঞ্চলের সাকাকা, দুমাত আল-জান্দাল ও তাবারজালের চারণ এলাকায় দেশীয় বন্য ও চারণযোগ্য উদ্ভিদের বীজ ছড়ানোর কাজ সম্পন্ন করেছে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, এটি প্রাকৃতিক চারণভূমি পুনরুদ্ধার কর্মসূচির তৃতীয় মৌসুমের অংশ। বীজ ছড়ানোর সঙ্গে বৃষ্টির পানি সংগ্রহও যুক্ত।
বীজ ছড়ানো কোন কোন লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করে? সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, বীজ ছড়ানো ক্ষয়িষ্ণু ভূমি পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে, চারণভূমির উৎপাদনশীলতা বাড়ায় এবং দেশীয় উদ্ভিদ প্রজাতি সংরক্ষণ করে। এসপিএ জানিয়েছে, এই কাজ ২০২৬ সালের জাতীয় সবুজায়ন মৌসুমের সঙ্গে মিলে যায়। এটি সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভের ১০ বিলিয়ন গাছ রোপণ ও ৪০ মিলিয়ন হেক্টর জমি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যমাত্রাকেও সমর্থন করে।
সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভের লক্ষ্যমাত্রা কী? এসপিএ জানিয়েছে, সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রয়েছে রাজ্যজুড়ে ১০ বিলিয়ন গাছ রোপণ এবং ৪০ মিলিয়ন হেক্টর জমি পুনরুদ্ধার। আল-জউফ অঞ্চলে বীজ ছড়ানোর কাজ সেই লক্ষ্যমাত্রাকে সমর্থন করে বলে সংস্থা জানিয়েছে। প্রতিবেদনে অবশ্য এই লক্ষ্যমাত্রার কোন অংশ ইতিমধ্যে পূরণ হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
কর্মসূচির তৃতীয় মৌসুম সম্পর্কে কী জানা যায়? এসপিএ জানিয়েছে, আল-জউফে বীজ ছড়ানোর কাজ প্রাকৃতিক চারণভূমি পুনরুদ্ধার কর্মসূচির তৃতীয় মৌসুমের অংশ। এই মৌসুমে বীজ ছড়ানোর সঙ্গে বৃষ্টির পানি সংগ্রহও যুক্ত করা হয়েছে। তবে আগের দুটি মৌসুমে কী অর্জিত হয়েছে, কত জমি পুনরুদ্ধার হয়েছে বা কত বীজ ব্যবহার হয়েছে, এসপিএ সেই তথ্য দেয়নি।
আল-জউফ অঞ্চলের কোন এলাকাগুলোতে কাজ হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, আল-জউফ অঞ্চলের তিনটি এলাকায় বীজ ছড়ানোর কাজ সম্পন্ন হয়েছে—সাকাকা, দুমাত আল-জান্দাল ও তাবারজাল। এগুলো চারণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, এসব এলাকায় দেশীয় বন্য ও চারণযোগ্য উদ্ভিদের বীজ ছড়ানো হয়েছে। প্রতিবেদনে অবশ্য কোন এলাকায় কতটুকু জমিতে বীজ ছড়ানো হলো, তা উল্লেখ করা হয়নি।
প্রতিবেদনে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ প্রতিবেদনে বীজ ছড়ানোর নির্দিষ্ট তারিখ, মোট আয়তন, ব্যবহৃত বীজের পরিমাণ বা প্রজাতির তালিকা দেওয়া হয়নি। বৃষ্টির পানি সংগ্রহের কৌশল বা অবকাঠামো সম্পর্কেও বিস্তারিত নেই। তৃতীয় মৌসুমের বাজেট বা সময়সীমা, কিংবা আগের মৌসুমের ফলাফলও উল্লেখ করা হয়নি। এসব তথ্য ছাড়া কর্মসূচির প্রকৃত অগ্রগতি পরিমাপ করা কঠিন।