ইয়েমেনের রাজধানী সানায় একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম এবং সাদায় পার্বত্য এলাকায় ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রাখা একটি স্টোরেজ স্থাপনা ধ্বংস করেছে জোট বাহিনী।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, ইয়েমেনে বৈধতা পুনরুদ্ধার জোটের সরকারি মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুরকি আল-মালকি এ তথ্য দিয়েছেন। এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাদার পার্বত্য স্থানে থাকা ওই স্টোরেজ স্থাপনায় ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সানায় ধ্বংস করা হয়েছে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম। জোটের মুখপাত্রের বরাতেই এসপিএ দুটি স্থানের কথা জানিয়েছে — একটি সানার উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম, অন্যটি সাদার পার্বত্য স্টোরেজ স্থাপনা।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে সময় উল্লেখ করা হয়েছে স্থানীয় সময় ০১:৩৯ এবং জিএমটি ২২:৩৯। রিয়াদ থেকে ৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।
ঘোষণায় সানার কোন এলাকায় প্ল্যাটফর্মটি ছিল, সাদার কোন পর্বতে স্টোরেজ স্থাপনা ছিল, বা অভিযান কখন চালানো হয়েছিল সে বিষয়ে বিস্তারিত নেই। এসপিএ-র প্রতিবেদনে হতাহতের কোনো তথ্যও দেওয়া হয়নি।
২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের কথা আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে সাদার স্টোরেজ স্থাপনার প্রসঙ্গে। সানার প্ল্যাটফর্মে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ছিল কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি।
জোটের অভিযানে ব্যবহৃত বিমান বা অস্ত্রের ধরন, কিংবা অভিযানের সময়কাল সম্পর্কেও এসপিএ-র প্রতিবেদনে কোনো তথ্য নেই।
মেজর জেনারেল তুরকি আল-মালকি জোটের সরকারি মুখপাত্র হিসেবে বিবৃতিটি দিয়েছেন। বিবৃতিতে শুধু দুটি লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের কথা বলা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে সানার প্ল্যাটফর্ম ও সাদার স্টোরেজ স্থাপনার অবস্থান সম্পর্কে কোনো সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক তথ্য দেওয়া হয়নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাদার পার্বত্য স্থানে থাকা স্টোরেজ স্থাপনায় ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মজুত ছিল। এই সংখ্যাটিই প্রতিবেদনে উল্লেখিত একমাত্র পরিমাণগত তথ্য।
জোট বাহিনীর এই অভিযানের ফলে সানার উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম ও সাদার স্টোরেজ স্থাপনা আর ব্যবহারযোগ্য নেই বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে অভিযানের তারিখ বা সময় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু বলা হয়নি; শুধু প্রকাশের সময় উল্লেখ করা হয়েছে।
সানার প্ল্যাটফর্মটি কী ধরনের ছিল, তা মোবাইল না স্থায়ী — এ বিষয়ে প্রতিবেদনে কোনো বিবরণ নেই।
সাদার স্টোরেজ স্থাপনার সুরক্ষা ব্যবস্থা বা এর আশপাশের পরিস্থিতি সম্পর্কেও এসপিএ কিছু জানায়নি।
জোটের মুখপাত্রের বিবৃতিতে অভিযানের সাফল্যের দাবি করা হয়েছে, তবে স্বাধীনভাবে যাচাইয়ের কোনো তথ্য প্রতিবেদনে নেই।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সানায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম এবং সাদায় পার্বত্য স্থানে ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রসহ স্টোরেজ স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জোটের সরকারি মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুরকি আল-মালকি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে সানার প্ল্যাটফর্ম ধ্বংসের পর সেখানে কোনো গৌণ বিস্ফোরণ বা ক্ষয়ক্ষতির কথা উল্লেখ করা হয়নি।
সাদার স্টোরেজ স্থাপনা ধ্বংসের পর ওই এলাকায় কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সে বিষয়েও প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি।
জোট বাহিনীর অভিযানটি কত সময় ধরে চলেছিল বা কতটি বিমান অংশ নিয়েছিল, এসপিএ-র প্রতিবেদনে সেই তথ্য নেই।
প্রতিবেদনে শুধু দুটি লক্ষ্যবস্তুর কথা বলা হয়েছে — সানার উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম এবং সাদার স্টোরেজ স্থাপনা।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাদার পার্বত্য স্টোরেজ স্থাপনায় ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। এই সংখ্যাটি ছাড়া অন্য কোনো পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি।
জোটের বিবৃতিতে সানার প্ল্যাটফর্মে থাকা সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে অভিযানের পরবর্তী পরিস্থিতি বা ভবিষ্যৎ অভিযানের কথা উল্লেখ করা হয়নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জোট বাহিনী সানায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম এবং সাদায় স্টোরেজ স্থাপনা ধ্বংস করেছে।
মেজর জেনারেল তুরকি আল-মালকি জোটের সরকারি মুখপাত্র হিসেবে বিবৃতিটি দিয়েছেন বলে এসপিএ জানিয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে সানার প্ল্যাটফর্মটি কোন এলাকায় ছিল বা সাদার স্টোরেজ স্থাপনাটি কোন পর্বতে ছিল, তা বলা হয়নি।
প্রতিবেদনে অভিযানের সময় বা তারিখ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই; শুধু প্রকাশের সময় উল্লেখ করা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে হতাহতের কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
জোটের অভিযানে ব্যবহৃত অস্ত্রের ধরন বা বিমানের সংখ্যা সম্পর্কেও প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাদার পার্বত্য স্থানে থাকা স্টোরেজ স্থাপনায় ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল।
সানার উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্মটি ধ্বংসের পর সেখানে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ছিল কি না, তা প্রতিবেদনে স্পষ্ট নয়।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে জোটের অভিযানের লক্ষ্যবস্তু দুটির অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক তথ্য নেই।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জোট বাহিনী সানায় উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম এবং সাদায় স্টোরেজ স্থাপনা ধ্বংস করেছে।
মেজর জেনারেল তুরকি আল-মালকি জোটের সরকারি মুখপাত্র হিসেবে এই তথ্য দিয়েছেন বলে এসপিএ জানিয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে সাদার স্টোরেজ স্থাপনায় ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে সানার প্ল্যাটফর্ম ধ্বংসের পর সেখানে কোনো ক্ষয়ক্ষতির কথা উল্লেখ করা হয়নি।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে অভিযানের পরবর্তী পরিস্থিতি বা ভবিষ্যৎ অভিযানের কথা উল্লেখ করা হয়নি।
জোট বাহিনীর অভিযানটি কত সময় ধরে চলেছিল বা কতটি বিমান অংশ নিয়েছিল, এসপিএ-র প্রতিবেদনে সেই তথ্য নেই।
প্রতিবেদনে শুধু দুটি লক্ষ্যবস্তুর কথা বলা হয়েছে — সানার উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম এবং সাদার স্টোরেজ স্থাপনা।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাদার পার্বত্য স্টোরেজ স্থাপনায় ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। এই সংখ্যাটি ছাড়া অন্য কোনো পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি।
জোটের বিবৃতিতে সানার প্ল্যাটফর্মে থাকা সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে অভিযানের পরবর্তী পরিস্থিতি বা ভবিষ্যৎ অভিযানের কথা উল্লেখ করা হয়নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জোট বাহিনী সানায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম এবং সাদায় স্টোরেজ স্থাপনা ধ্বংস করেছে।
মেজর জেনারেল তুরকি আল-মালকি জোটের সরকারি মুখপাত্র হিসেবে বিবৃতিটি দিয়েছেন বলে এসপিএ জানিয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে সানার প্ল্যাটফর্মটি কোন এলাকায় ছিল বা সাদার স্টোরেজ স্থাপনাটি কোন পর্বতে ছিল, তা বলা হয়নি।
প্রতিবেদনে অভিযানের সময় বা তারিখ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই; শুধু প্রকাশের সময় উল্লেখ করা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে হতাহতের কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
জোটের অভিযানে ব্যবহৃত অস্ত্রের ধরন বা বিমানের সংখ্যা সম্পর্কেও প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাদার পার্বত্য স্থানে থাকা স্টোরেজ স্থাপনায় ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল।
সানার উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্মটি ধ্বংসের পর সেখানে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ছিল কি না, তা প্রতিবেদনে স্পষ্ট নয়।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে জোটের অভিযানের লক্ষ্যবস্তু দুটির অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক তথ্য নেই।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জোট বাহিনী সানায় উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম এবং সাদায় স্টোরেজ স্থাপনা ধ্বংস করেছে।
মেজর জেনারেল তুরকি আল-মালকি জোটের সরকারি মুখপাত্র হিসেবে এই তথ্য দিয়েছেন বলে এসপিএ জানিয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে সাদার স্টোরেজ স্থাপনায় ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে সানার প্ল্যাটফর্ম ধ্বংসের পর সেখানে কোনো ক্ষয়ক্ষতির কথা উল্লেখ করা হয়নি।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে অভিযানের পরবর্তী পরিস্থিতি বা ভবিষ্যৎ অভিযানের কথা উল্লেখ করা হয়নি।
জোট বাহিনীর অভিযানটি কত সময় ধরে চলেছিল বা কতটি বিমান অংশ নিয়েছিল, এসপিএ-র প্রতিবেদনে সেই তথ্য নেই।
প্রতিবেদনে শুধু দুটি লক্ষ্যবস্তুর কথা বলা হয়েছে — সানার উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম এবং সাদার স্টোরেজ স্থাপনা।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাদার পার্বত্য স্টোরেজ স্থাপনায় ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। এই সংখ্যাটি ছাড়া অন্য কোনো পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি।
জোটের বিবৃতিতে সানার প্ল্যাটফর্মে থাকা সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে অভিযানের পরবর্তী পরিস্থিতি বা ভবিষ্যৎ অভিযানের কথা উল্লেখ করা হয়নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জোট বাহিনী সানায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম এবং সাদায় স্টোরেজ স্থাপনা ধ্বংস করেছে।
মেজর জেনারেল তুরকি আল-মালকি জোটের সরকারি মুখপাত্র হিসেবে বিবৃতিটি দিয়েছেন বলে এসপিএ জানিয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে সানার প্ল্যাটফর্মটি কোন এলাকায় ছিল বা সাদার স্টোরেজ স্থাপনাটি কোন পর্বতে ছিল, তা বলা হয়নি।
প্রতিবেদনে অভিযানের সময় বা তারিখ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই; শুধু প্রকাশের সময় উল্লেখ করা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে হতাহতের কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
জোটের অভিযানে ব্যবহৃত অস্ত্রের ধরন বা বিমানের সংখ্যা সম্পর্কেও প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাদার পার্বত্য স্থানে থাকা স্টোরেজ স্থাপনায় ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল।
সানার উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্মটি ধ্বংসের পর সেখানে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ছিল কি না, তা প্রতিবেদনে স্পষ্ট নয়।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে জোটের অভিযানের লক্ষ্যবস্তু দুটির অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক তথ্য নেই।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জোট বাহিনী সানায় উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম এবং সাদায় স্টোরেজ স্থাপনা ধ্বংস করেছে।
মেজর জেনারেল তুরকি আল-মালকি জোটের সরকারি মুখপাত্র হিসেবে এই তথ্য দিয়েছেন বলে এসপিএ জানিয়েছে।
জোট বাহিনী কী ধ্বংস করেছে? জোট বাহিনী সানায় একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম এবং সাদার পার্বত্য স্থানে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্টোরেজ স্থাপনা ধ্বংস করেছে। এসপিএ জানিয়েছে, সাদার স্টোরেজ স্থাপনায় ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। জোটের সরকারি মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুরকি আল-মালকি এই তথ্য দিয়েছেন।
কে এই তথ্য জানিয়েছেন? ইয়েমেনে বৈধতা পুনরুদ্ধার জোটের সরকারি মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুরকি আল-মালকি এই তথ্য দিয়েছেন। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ তাঁর বরাতেই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সানার উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম ও সাদার স্টোরেজ স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে।
সাদার স্টোরেজ স্থাপনায় কী ছিল? এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাদার পার্বত্য স্থানে থাকা স্টোরেজ স্থাপনায় ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। এই সংখ্যাটিই প্রতিবেদনে উল্লেখিত একমাত্র পরিমাণগত তথ্য। স্টোরেজ স্থাপনাটি কোন পর্বতে ছিল, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে সুনির্দিষ্ট কিছু বলা হয়নি।
প্রতিবেদনে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ-র প্রতিবেদনে অভিযানের তারিখ বা সময়, হতাহতের তথ্য, ব্যবহৃত অস্ত্রের ধরন বা বিমানের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। সানার প্ল্যাটফর্মটি কোন এলাকায় ছিল বা সাদার স্টোরেজ স্থাপনাটি কোন পর্বতে ছিল, তাও বলা হয়নি। শুধু স্থানীয় সময় ০১:৩৯ ও জিএমটি ২২:৩৯ উল্লেখ করা হয়েছে।





