Saturday, October 24, 2026
সৌদি সংবাদ

ইরাকের প্রেসিডেন্সি বাদশাহ খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার নিন্দা জানিয়েছে

ইরাকের প্রেসিডেন্সি বাদশাহ খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার নিন্দা জানিয়েছে

ইরাকের প্রেসিডেন্সি বাদশাহ খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। রোববার এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্সি জানায়, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করে পরিচালিত সব শত্রুতামূলক কাজ তারা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে, যা নাগরিকদের জীবন ও বেসামরিক স্থাপনার নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, ইরাকের প্রেসিডেন্সি আরও বলেছে যে বেসামরিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্যবস্তু করা আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতির পরিপন্থী এবং এটি এমন একটি উত্তেজনা যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।

বাদশাহ খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত একটি প্রধান বেসামরিক বিমানবন্দর। ইরাকের প্রেসিডেন্সির বিবৃতিতে এই হামলাকে কেন্দ্র করে সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানের গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্সি বলেছে, আঞ্চলিক উত্তেজনা ও সংঘাত আরও বাড়তে না দিয়ে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করতে হবে।

বিবৃতিতে হামলার সময়, স্থান বা কোনও পক্ষের নাম উল্লেখ করা হয়নি। ইরাকের প্রেসিডেন্সি কেবল নিন্দা ও সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিবৃতিটি রোববার জারি করা হয়েছে এবং এতে বেসামরিক বিমানবন্দর লক্ষ্যবস্তু করাকে আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতির লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইরাকের প্রেসিডেন্সির এই বিবৃতি এমন সময় এল যখন আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। তবে বিবৃতিতে হামলার সঙ্গে জড়িত কোনও গোষ্ঠী বা দেশের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি। প্রেসিডেন্সি বলেছে, এই ধরনের কাজ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারে এবং এতে নাগরিক ও বেসামরিক স্থাপনার ঝুঁকি বাড়ে।

প্রেসিডেন্সি আরও বলেছে, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং অঞ্চলকে আরও উত্তেজনা ও সংঘাত থেকে দূরে রাখতে কাজ করতে হবে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বেসামরিক বিমানবন্দর লক্ষ্যবস্তু করা আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকের প্রেসিডেন্সি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করে সব শত্রুতামূলক কাজ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। বিবৃতিতে নাগরিকদের জীবন ও বেসামরিক স্থাপনার নিরাপত্তার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।

বাদশাহ খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সৌদি আরবের অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দর। এই বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনায় ইরাকের প্রেসিডেন্সি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে। তবে বিবৃতিতে হামলার প্রকৃতি, ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি।

ইরাকের প্রেসিডেন্সির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও নীতির পরিপন্থী এবং এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। প্রেসিডেন্সি বলেছে, সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানকে প্রাধান্য দিয়ে অঞ্চলকে আরও সংঘাত থেকে রক্ষা করতে হবে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিবৃতিটি রোববার জারি করা হয়েছে এবং এতে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ইরাকের প্রেসিডেন্সি বলেছে, বেসামরিক বিমানবন্দর লক্ষ্যবস্তু করা আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতির লঙ্ঘন এবং এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারে।

প্রেসিডেন্সির বিবৃতিতে হামলার নিন্দা জানিয়ে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করে সব শত্রুতামূলক কাজ প্রত্যাখ্যান করা হয়। এতে নাগরিকদের জীবন ও বেসামরিক স্থাপনার নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইরাকের প্রেসিডেন্সি বলেছে, আঞ্চলিক উত্তেজনা ও সংঘাত বাড়তে না দিয়ে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করতে সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানের পথ বেছে নিতে হবে। বিবৃতিতে এই বিষয়ে সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকের প্রেসিডেন্সি বাদশাহ খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে। তবে বিবৃতিতে হামলার সময়, স্থান বা জড়িত পক্ষ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।

বাদশাহ খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রিয়াদের প্রধান বেসামরিক বিমানবন্দর হিসেবে পরিচিত। এই বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ইরাকের প্রেসিডেন্সি বলেছে, এই ধরনের কাজ আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতির পরিপন্থী।

প্রেসিডেন্সির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বেসামরিক বিমানবন্দর লক্ষ্যবস্তু করা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি এবং এটি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

ইরাকের প্রেসিডেন্সি বলেছে, সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দিয়ে অঞ্চলকে আরও উত্তেজনা ও সংঘাত থেকে দূরে রাখতে কাজ করতে হবে। বিবৃতিতে এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বানও থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকের প্রেসিডেন্সি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করে সব শত্রুতামূলক কাজ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। বিবৃতিতে নাগরিকদের জীবন ও বেসামরিক স্থাপনার নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

বাদশাহ খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় ইরাকের প্রেসিডেন্সির নিন্দা আঞ্চলিক কূটনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে বিবৃতিতে হামলার সঙ্গে জড়িত কোনও পক্ষের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

প্রেসিডেন্সি বলেছে, বেসামরিক বিমানবন্দর লক্ষ্যবস্তু করা আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতির লঙ্ঘন এবং এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। এ ধরনের কাজ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

ইরাকের প্রেসিডেন্সি আরও বলেছে, আঞ্চলিক উত্তেজনা ও সংঘাত বাড়তে না দিয়ে সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানের পথ বেছে নিতে হবে। এই বিষয়ে সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকের প্রেসিডেন্সি বাদশাহ খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার ওপর জোর দিয়েছে। তবে বিবৃতিতে হামলার প্রকৃতি বা ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।

বাদশাহ খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত। এই বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। ইরাকের প্রেসিডেন্সি বলেছে, এই ধরনের কাজ আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতির পরিপন্থী এবং এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারে।

প্রেসিডেন্সির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করে সব শত্রুতামূলক কাজ প্রত্যাখ্যান করা হয় এবং নাগরিকদের জীবন ও বেসামরিক স্থাপনার নিরাপত্তা রক্ষা করা প্রয়োজন।

ইরাকের প্রেসিডেন্সি বলেছে, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং অঞ্চলকে আরও উত্তেজনা ও সংঘাত থেকে দূরে রাখতে কাজ করতে হবে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকের প্রেসিডেন্সি বাদশাহ খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে। তবে বিবৃতিতে হামলার সময়, স্থান বা জড়িত পক্ষ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।

ইরাকের প্রেসিডেন্সি কী নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে? ইরাকের প্রেসিডেন্সি বাদশাহ খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। রোববার জারি করা ওই বিবৃতিতে প্রেসিডেন্সি বলেছে, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করে সব শত্রুতামূলক কাজ তারা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে। বিবৃতিতে নাগরিকদের জীবন ও বেসামরিক স্থাপনার নিরাপত্তার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিবৃতিতে হামলার সময়, স্থান বা জড়িত পক্ষের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

বেসামরিক বিমানবন্দর লক্ষ্যবস্তু করা সম্পর্কে প্রেসিডেন্সি কী বলেছে? ইরাকের প্রেসিডেন্সি বলেছে, বেসামরিক বিমানবন্দর লক্ষ্যবস্তু করা আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতির পরিপন্থী। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এটি এমন একটি উত্তেজনা যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। প্রেসিডেন্সি আরও বলেছে, এই ধরনের কাজ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিবৃতিতে হামলার প্রকৃতি বা ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।

প্রেসিডেন্সি কী সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে? ইরাকের প্রেসিডেন্সি সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক উত্তেজনা ও সংঘাত আরও বাড়তে না দিয়ে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করতে হবে। প্রেসিডেন্সি বলেছে, অঞ্চলকে আরও উত্তেজনা ও সংঘাত থেকে দূরে রাখতে কাজ করতে হবে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিবৃতিতে এই বিষয়ে সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

বাদশাহ খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কোথায় অবস্থিত? বাদশাহ খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত একটি প্রধান বেসামরিক বিমানবন্দর। এই বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনায় ইরাকের প্রেসিডেন্সি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিবৃতিতে হামলার সময়, স্থান বা জড়িত পক্ষ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে কী কী তথ্য দেওয়া হয়েছে? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, ইরাকের প্রেসিডেন্সি বাদশাহ খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার নিন্দা জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিবৃতিটি রোববার জারি করা হয়েছে এবং এতে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এসপিএ আরও জানিয়েছে, প্রেসিডেন্সি বলেছে বেসামরিক বিমানবন্দর লক্ষ্যবস্তু করা আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতির লঙ্ঘন। তবে প্রতিবেদনে হামলার প্রকৃতি বা ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।