বাগদাদ থেকে ইরাক সরকার কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হওয়া হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে, যেখানে বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। ইরাকি সরকার এটিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, রোববার দেওয়া এক বিবৃতিতে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী ও সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফের মুখপাত্র সাবাহ আল-নুমান বলেছেন, ইরাক সরকার সামরিক ও শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের যেকোনো উত্তেজনা প্রত্যাখ্যান করে, বিশেষত যেগুলো বেসামরিক নাগরিক ও বেসামরিক স্থাপনাকে প্রভাবিত করে।
বিবৃতিতে সামরিক শত্রুতার সর্বাত্মক বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে বেসামরিক নাগরিক ও ভ্রাতৃপ্রতিম জনগোষ্ঠী এর পরিণতি থেকে রক্ষা পায় এবং বেসামরিক স্থাপনা সুরক্ষিত থাকে।
কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দর। বেসামরিক হতাহতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তবে বিবৃতিতে হতাহতের সংখ্যা, হামলার সময় বা হামলার ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। ইরাকের এই অবস্থান এমন এক সময়ে এল, যখন আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ চলছে।
ইরাকের সরকারি বিবৃতিতে হামলার নিন্দা জানিয়ে বলা হয়েছে, এ ধরনের ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। মুখপাত্র সাবাহ আল-নুমান বলেছেন, ইরাক সরকার সামরিক ও শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের যেকোনো উত্তেজনা প্রত্যাখ্যান করে। তিনি বিশেষভাবে বেসামরিক নাগরিক ও বেসামরিক স্থাপনার ওপর প্রভাব ফেলে এমন কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করেছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সামরিক শত্রুতা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা উচিত, যাতে বেসামরিক নাগরিক ও ভ্রাতৃপ্রতিম জনগোষ্ঠী এর পরিণতি থেকে রক্ষা পায় এবং বেসামরিক স্থাপনা সুরক্ষিত থাকে। ইরাকের এই আহ্বান আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ।
কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত। এটি একটি ব্যস্ত বেসামরিক বিমানবন্দর, যেখানে প্রতিদিন বহু যাত্রী চলাচল করেন। বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে যে তথ্য এসপিএ দিয়েছে, তা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য উদ্বেগের বিষয়।
ইরাকের বিবৃতিতে হামলার নিন্দা জানানো হলেও হামলার দায় কে নেবে বা কারা এর পেছনে রয়েছে, সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। বিবৃতিতে হামলার সময়, স্থান বা ব্যবহৃত অস্ত্রের ধরন নিয়েও বিস্তারিত কিছু নেই। শুধু বলা হয়েছে, হামলায় বেসামরিক হতাহত হয়েছে এবং এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।
ইরাকের প্রধানমন্ত্রী ও সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফের মুখপাত্র সাবাহ আল-নুমান রোববার এই বিবৃতি দেন। বিবৃতিতে তিনি সামরিক ও শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের উত্তেজনা প্রত্যাখ্যানের কথা বলেন। তিনি বেসামরিক নাগরিক ও বেসামরিক স্থাপনার সুরক্ষার ওপর জোর দেন।
এই ঘটনার পর আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরাকের অবস্থান স্পষ্ট যে, তারা সামরিক উত্তেজনা চায় না এবং বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষা করতে চায়। বিবৃতিতে ভ্রাতৃপ্রতিম জনগোষ্ঠীর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে ইরাক আঞ্চলিক জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিবৃতিটি রোববার দেওয়া হয়েছে। বাগদাদ থেকে এই বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। ইরাকের সরকারি অবস্থান হিসেবে এটি গুরুত্বপূর্ণ।
কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় বেসামরিক হতাহতের কথা বলা হয়েছে, তবে ঠিক কতজন হতাহত হয়েছেন বা তাদের অবস্থা কী, তা জানানো হয়নি। হামলার লক্ষ্য কী ছিল বা কীভাবে এটি সংঘটিত হয়, সে বিষয়েও বিস্তারিত কিছু নেই। ইরাকের বিবৃতিতে শুধু নিন্দা ও শত্রুতা বন্ধের আহ্বান রয়েছে।
ইরাকের এই বিবৃতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে একটি বার্তা বহন করে। তারা চায়, সামরিক শত্রুতা বন্ধ হোক এবং বেসামরিক নাগরিকরা রক্ষা পান। এই ধরনের ঘটনা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করে।
বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা বেসামরিক অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। ইরাকের বিবৃতিতে বেসামরিক স্থাপনার সুরক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এটি একটি মানবিক দিকও বহন করে, কারণ বেসামরিক নাগরিকরা যেকোনো সংঘাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন।
ইরাকের সরকারি মুখপাত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, তারা সামরিক ও শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের যেকোনো উত্তেজনা প্রত্যাখ্যান করে। এই অবস্থান আঞ্চলিক শান্তির পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সামরিক শত্রুতা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা প্রয়োজন। এটি বেসামরিক নাগরিক ও ভ্রাতৃপ্রতিম জনগোষ্ঠীর সুরক্ষার জন্য জরুরি। ইরাক এই আহ্বান জানিয়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার পক্ষে তার অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে হামলার বিস্তারিত বিবরণ নেই। শুধু বলা হয়েছে, হামলায় বেসামরিক হতাহত হয়েছে এবং ইরাক এটি নিন্দা করেছে। হামলার সময়, স্থান, ধরন বা দায় স্বীকারের বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
ইরাকের বিবৃতিতে হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে এবং সামরিক উত্তেজনা বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে। এই বিবৃতি রোববার দেওয়া হয়। বাগদাদ থেকে এটি প্রকাশ করা হয়।
বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ইরাকের প্রতিক্রিয়া এই উদ্বেগেরই প্রকাশ। তারা চায়, বেসামরিক নাগরিকরা নিরাপদ থাকুন এবং বেসামরিক স্থাপনা সুরক্ষিত থাকুক।
ইরাকের সরকারি অবস্থান হলো, সামরিক ও শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের উত্তেজনা প্রত্যাখ্যান করা। এই অবস্থান তারা স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছে। মুখপাত্র সাবাহ আল-নুমান এই বিবৃতি দেন।
বিবৃতিতে ভ্রাতৃপ্রতিম জনগোষ্ঠীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে ইরাক আঞ্চলিক জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছে। এই সংহতি আঞ্চলিক শান্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দর। এটি একটি বেসামরিক স্থাপনা। এখানে হামলার ঘটনা বেসামরিক স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
ইরাকের বিবৃতিতে হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে। তারা এটিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি বলেছে। এই বর্ণনা আঞ্চলিক পরিস্থিতির গুরুত্ব বোঝায়।
বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে এসপিএ জানিয়েছে। তবে হতাহতের সংখ্যা বা অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। হামলার ধরন বা সময়ও জানানো হয়নি।
ইরাকের সরকার সামরিক শত্রুতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। তারা চায়, বেসামরিক নাগরিক ও ভ্রাতৃপ্রতিম জনগোষ্ঠী এর পরিণতি থেকে রক্ষা পায়। এই আহ্বান আঞ্চলিক শান্তির পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পর আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরাকের বিবৃতি এই আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর। তারা স্পষ্টভাবে সামরিক উত্তেজনা প্রত্যাখ্যান করেছে।
ইরাকের মুখপাত্র সাবাহ আল-নুমান রোববার এই বিবৃতি দেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফের মুখপাত্র। তার বক্তব্য ইরাকের সরকারি অবস্থান প্রতিফলিত করে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরাক সরকার সামরিক ও শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের যেকোনো উত্তেজনা প্রত্যাখ্যান করে। বিশেষত যেগুলো বেসামরিক নাগরিক ও বেসামরিক স্থাপনাকে প্রভাবিত করে। এই অবস্থান স্পষ্ট ও দৃঢ়।
ইরাকের এই বিবৃতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে একটি বার্তা। তারা চায়, সামরিক শত্রুতা বন্ধ হোক এবং বেসামরিক নাগরিকরা রক্ষা পান। এই বার্তা আঞ্চলিক শান্তির পক্ষে।
কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা বেসামরিক অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। ইরাকের বিবৃতিতে বেসামরিক স্থাপনার সুরক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এটি একটি মানবিক দিক।
ইরাকের সরকারি অবস্থান হলো, সামরিক শত্রুতা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা উচিত। তারা এই আহ্বান জানিয়েছে। এই আহ্বান বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য জরুরি।
বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় বেসামরিক হতাহতের কথা বলা হয়েছে। ইরাক এটি নিন্দা করেছে। তারা এটিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি বলেছে।
ইরাকের বিবৃতিতে হামলার দায় কে নেবে বা কারা এর পেছনে রয়েছে, সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। হামলার সময়, স্থান বা ব্যবহৃত অস্ত্রের ধরন নিয়েও বিস্তারিত কিছু নেই। শুধু নিন্দা ও শত্রুতা বন্ধের আহ্বান রয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিবৃতিটি রোববার দেওয়া হয়েছে। বাগদাদ থেকে এটি প্রকাশ করা হয়। ইরাকের সরকারি অবস্থান হিসেবে এটি গুরুত্বপূর্ণ।
ইরাকের এই বিবৃতি আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের প্রকাশ। তারা চায়, বেসামরিক নাগরিকরা নিরাপদ থাকুন এবং বেসামরিক স্থাপনা সুরক্ষিত থাকুক। এই অবস্থান আঞ্চলিক শান্তির পক্ষে।
বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করে। ইরাকের বিবৃতি এই ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ায়। তারা সামরিক উত্তেজনা প্রত্যাখ্যান করেছে।
ইরাকের সরকারি মুখপাত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, তারা সামরিক ও শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের যেকোনো উত্তেজনা প্রত্যাখ্যান করে। এই অবস্থান আঞ্চলিক শান্তির পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সামরিক শত্রুতা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা প্রয়োজন। এটি বেসামরিক নাগরিক ও ভ্রাতৃপ্রতিম জনগোষ্ঠীর সুরক্ষার জন্য জরুরি। ইরাক এই আহ্বান জানিয়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার পক্ষে তার অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে হামলার বিস্তারিত বিবরণ নেই। শুধু বলা হয়েছে, হামলায় বেসামরিক হতাহত হয়েছে এবং ইরাক এটি নিন্দা করেছে। হামলার সময়, স্থান, ধরন বা দায় স্বীকারের বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
ইরাকের বিবৃতিতে হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে এবং সামরিক উত্তেজনা বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে। এই বিবৃতি রোববার দেওয়া হয়। বাগদাদ থেকে এটি প্রকাশ করা হয়।
বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ইরাকের প্রতিক্রিয়া এই উদ্বেগেরই প্রকাশ। তারা চায়, বেসামরিক নাগরিকরা নিরাপদ থাকুন এবং বেসামরিক স্থাপনা সুরক্ষিত থাকুক।
ইরাকের সরকারি অবস্থান হলো, সামরিক ও শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের উত্তেজনা প্রত্যাখ্যান করা। এই অবস্থান তারা স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছে। মুখপাত্র সাবাহ আল-নুমান এই বিবৃতি দেন।
বিবৃতিতে ভ্রাতৃপ্রতিম জনগোষ্ঠীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে ইরাক আঞ্চলিক জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছে। এই সংহতি আঞ্চলিক শান্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দর। এটি একটি বেসামরিক স্থাপনা। এখানে হামলার ঘটনা বেসামরিক স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
ইরাকের বিবৃতিতে হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে। তারা এটিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি বলেছে। এই বর্ণনা আঞ্চলিক পরিস্থিতির গুরুত্ব বোঝায়।
বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে এসপিএ জানিয়েছে। তবে হতাহতের সংখ্যা বা অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। হামলার ধরন বা সময়ও জানানো হয়নি।
ইরাকের সরকার সামরিক শত্রুতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। তারা চায়, বেসামরিক নাগরিক ও ভ্রাতৃপ্রতিম জনগোষ্ঠী এর পরিণতি থেকে রক্ষা পায়। এই আহ্বান আঞ্চলিক শান্তির পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পর আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরাকের বিবৃতি এই আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর। তারা স্পষ্টভাবে সামরিক উত্তেজনা প্রত্যাখ্যান করেছে।
ইরাকের মুখপাত্র সাবাহ আল-নুমান রোববার এই বিবৃতি দেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফের মুখপাত্র। তার বক্তব্য ইরাকের সরকারি অবস্থান প্রতিফলিত করে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরাক সরকার সামরিক ও শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের যেকোনো উত্তেজনা প্রত্যাখ্যান করে। বিশেষত যেগুলো বেসামরিক নাগরিক ও বেসামরিক স্থাপনাকে প্রভাবিত করে। এই অবস্থান স্পষ্ট ও দৃঢ়।
ইরাকের এই বিবৃতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে একটি বার্তা। তারা চায়, সামরিক শত্রুতা বন্ধ হোক এবং বেসামরিক নাগরিকরা রক্ষা পান। এই বার্তা আঞ্চলিক শান্তির পক্ষে।
কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা বেসামরিক অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। ইরাকের বিবৃতিতে বেসামরিক স্থাপনার সুরক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এটি একটি মানবিক দিক।
ইরাকের সরকারি অবস্থান হলো, সামরিক শত্রুতা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা উচিত। তারা এই আহ্বান জানিয়েছে। এই আহ্বান বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য জরুরি।
বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় বেসামরিক হতাহতের কথা বলা হয়েছে। ইরাক এটি নিন্দা করেছে। তারা এটিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি বলেছে।
ইরাকের বিবৃতিতে হামলার দায় কে নেবে বা কারা এর পেছনে রয়েছে, সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। হামলার সময়, স্থান বা ব্যবহৃত অস্ত্রের ধরন নিয়েও বিস্তারিত কিছু নেই। শুধু নিন্দা ও শত্রুতা বন্ধের আহ্বান রয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিবৃতিটি রোববার দেওয়া হয়েছে। বাগদাদ থেকে এটি প্রকাশ করা হয়। ইরাকের সরকারি অবস্থান হিসেবে এটি গুরুত্বপূর্ণ।
ইরাকের এই বিবৃতি আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের প্রকাশ। তারা চায়, বেসামরিক নাগরিকরা নিরাপদ থাকুন এবং বেসামরিক স্থাপনা সুরক্ষিত থাকুক। এই অবস্থান আঞ্চলিক শান্তির পক্ষে।
বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করে। ইরাকের বিবৃতি এই ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ায়। তারা সামরিক উত্তেজনা প্রত্যাখ্যান করেছে।
ইরাকের সরকারি মুখপাত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, তারা সামরিক ও শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের যেকোনো উত্তেজনা প্রত্যাখ্যান করে। এই অবস্থান আঞ্চলিক শান্তির পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সামরিক শত্রুতা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা প্রয়োজন। এটি বেসামরিক নাগরিক ও ভ্রাতৃপ্রতিম জনগোষ্ঠীর সুরক্ষার জন্য জরুরি। ইরাক এই আহ্বান জানিয়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার পক্ষে তার অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে হামলার বিস্তারিত বিবরণ নেই। শুধু বলা হয়েছে, হামলায় বেসামরিক হতাহত হয়েছে এবং ইরাক এটি নিন্দা করেছে। হামলার সময়, স্থান, ধরন বা দায় স্বীকারের বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
ইরাক কী নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে? ইরাক সরকার কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হওয়া হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলায় বেসামরিক হতাহত হয়েছে এবং এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। ইরাক সরকার সামরিক ও শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের যেকোনো উত্তেজনা প্রত্যাখ্যান করেছে।
বিবৃতিতে কে এবং কখন বলেছেন? ইরাকের প্রধানমন্ত্রী ও সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফের মুখপাত্র সাবাহ আল-নুমান রোববার এই বিবৃতি দেন। এসপিএ জানিয়েছে, বিবৃতিতে তিনি সামরিক ও শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের উত্তেজনা প্রত্যাখ্যানের কথা বলেন এবং বেসামরিক নাগরিক ও স্থাপনার সুরক্ষার ওপর জোর দেন।
ইরাক কী আহ্বান জানিয়েছে? বিবৃতিতে সামরিক শত্রুতার সর্বাত্মক বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে বেসামরিক নাগরিক ও ভ্রাতৃপ্রতিম জনগোষ্ঠী এর পরিণতি থেকে রক্ষা পায় এবং বেসামরিক স্থাপনা সুরক্ষিত থাকে। ইরাক সরকার সামরিক ও শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের যেকোনো উত্তেজনা প্রত্যাখ্যান করেছে।
হামলার বিস্তারিত কী জানা গেছে? এসপিএ জানিয়েছে, হামলায় বেসামরিক হতাহত হয়েছে। তবে হতাহতের সংখ্যা, হামলার সময়, স্থান বা ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। ইরাকের বিবৃতিতে হামলার দায় কে নেবে বা কারা এর পেছনে রয়েছে, সে বিষয়েও কিছু বলা হয়নি।