Thursday, October 15, 2026
সৌদি সংবাদ

জিএএমআই ভারপ্রাপ্ত গভর্নর কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজে সামরিক শিল্প নিয়ে বক্তৃতা দিলেন

জিএএমআই ভারপ্রাপ্ত গভর্নর কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজে সামরিক শিল্প নিয়ে বক্তৃতা দিলেন

রিয়াদে কিং আবদুল্লাহ বিন আবদুলআজিজ কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজে সামরিক শিল্প, স্থানীয়করণ ও টেকসই জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার বিষয়ে বক্তৃতা দিয়েছেন মন্ত্রী অব স্টেট, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং জেনারেল অথরিটি ফর মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিজের (জিএএমআই) ভারপ্রাপ্ত গভর্নর বান্দার আলখোরায়েফ।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১৪ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, বক্তৃতায় কলেজের কমান্ডার মেজর জেনারেল আবদুল্লাহ বিন সালেহ আল-আনাজি এবং মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তৃতায় আলখোরায়েফ সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অধীনে সামরিক শিল্প খাতের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। এর মধ্যে শিল্প ও প্রযুক্তির স্থানীয়করণের প্রচেষ্টা এবং টেকসই প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলার বিষয় রয়েছে, যা সৌদি আরবের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনকে শক্তিশালী করে।

স্থানীয়করণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অংশীদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলায় সামরিক খাতের ভূমিকার ওপর জোর দেন।

তিনি জাতীয় রক্ষীবাহিনী মন্ত্রণালয়ের স্থানীয়করণ কর্মসূচির প্রশংসা করেন, যা দেশীয় সক্ষমতার ওপর বেশি নির্ভরতা বাড়াতে সহায়তা করছে।

সৌদি আরবের সামরিক শিল্প খাত কীভাবে ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয়করণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অংশীদারিত্ব কতটা জরুরি, সেটিও আলোচনার বিষয়।

বক্তৃতায় সামরিক খাতকে উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। দেশীয় সক্ষমতার ওপর নির্ভরতা বাড়ানোর বিষয়টিও উঠে আসে।

জাতীয় রক্ষীবাহিনী মন্ত্রণালয়ের স্থানীয়করণ কর্মসূচির প্রশংসা করেন জিএএমআইয়ের ভারপ্রাপ্ত গভর্নর। এই কর্মসূচি দেশীয় সক্ষমতার ওপর নির্ভরতা বাড়াতে কাজ করছে।

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা টেকসই করতে প্রযুক্তি ও শিল্পের স্থানীয়করণ কতটা ভূমিকা রাখবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন শক্তিশালীকরণে এই প্রচেষ্টা কীভাবে সহায়তা করবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

বক্তৃতায় ভিশন ২০৩০-এর অধীনে সামরিক শিল্প খাতের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। শিল্প ও প্রযুক্তির স্থানীয়করণ এবং টেকসই প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রচেষ্টার কথা বলা হয়।

অংশীদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন আলখোরায়েফ। স্থানীয়করণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এই অংশীদারিত্ব কীভাবে কাজ করবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়।

সামরিক খাত উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলায় ভূমিকা রাখে বলে উল্লেখ করেন তিনি। জাতীয় রক্ষীবাহিনী মন্ত্রণালয়ের স্থানীয়করণ কর্মসূচির প্রশংসাও করেন।

দেশীয় সক্ষমতার ওপর নির্ভরতা বাড়ানোর বিষয়টি কর্মসূচির লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে।

সৌদি আরবের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন শক্তিশালীকরণে সামরিক শিল্প খাতের ভূমিকা কী, সেটি নিয়ে আলোচনা চলছে। স্থানীয়করণের প্রচেষ্টা এই লক্ষ্যে কতটা এগিয়ে নেবে, তা সময়ই বলে দেবে।

বক্তৃতায় উপস্থিত ছিলেন কলেজের কমান্ডার মেজর জেনারেল আবদুল্লাহ বিন সালেহ আল-আনাজি এবং মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা। এসপিএ জানিয়েছে, বক্তৃতাটি সামরিক শিল্প, স্থানীয়করণ ও টেকসই জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার বিষয়ে ছিল।

ভিশন ২০৩০-এর অধীনে সামরিক শিল্প খাতের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। শিল্প ও প্রযুক্তির স্থানীয়করণ এবং টেকসই প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রচেষ্টার কথা উঠে আসে।

অংশীদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে আলখোরায়েফ বলেন, স্থানীয়করণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এটি সহায়ক। সামরিক খাত উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলায় ভূমিকা রাখে।

জাতীয় রক্ষীবাহিনী মন্ত্রণালয়ের স্থানীয়করণ কর্মসূচির প্রশংসা করেন তিনি। এই কর্মসূচি দেশীয় সক্ষমতার ওপর নির্ভরতা বাড়াতে কাজ করছে।

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা টেকসই করতে স্থানীয়করণ কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন শক্তিশালীকরণে এই প্রচেষ্টা কীভাবে সহায়তা করবে, সেটিও আলোচনার বিষয়।

এসপিএ জানিয়েছে, বক্তৃতাটি ১৪ অক্টোবর ২০২৬-এ রিয়াদে অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সময় অনুযায়ী এটি ২৩:৫৯ এবং জিএমটি অনুযায়ী ২০:৫৯-এ প্রকাশিত হয়।

বক্তৃতায় সামরিক শিল্প, স্থানীয়করণ ও টেকসই জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হয়। ভিশন ২০৩০-এর অধীনে সামরিক শিল্প খাতের অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয়।

শিল্প ও প্রযুক্তির স্থানীয়করণ এবং টেকসই প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রচেষ্টার কথা বলা হয়। কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন শক্তিশালীকরণের বিষয়টিও উঠে আসে।

অংশীদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন আলখোরায়েফ। স্থানীয়করণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এই অংশীদারিত্ব কীভাবে কাজ করবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়।

সামরিক খাত উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলায় ভূমিকা রাখে বলে উল্লেখ করেন তিনি। জাতীয় রক্ষীবাহিনী মন্ত্রণালয়ের স্থানীয়করণ কর্মসূচির প্রশংসাও করেন।

দেশীয় সক্ষমতার ওপর নির্ভরতা বাড়ানোর বিষয়টি কর্মসূচির লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে।

সৌদি আরবের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন শক্তিশালীকরণে সামরিক শিল্প খাতের ভূমিকা কী, সেটি নিয়ে আলোচনা চলছে। স্থানীয়করণের প্রচেষ্টা এই লক্ষ্যে কতটা এগিয়ে নেবে, তা সময়ই বলে দেবে।

বক্তৃতায় উপস্থিত ছিলেন কলেজের কমান্ডার মেজর জেনারেল আবদুল্লাহ বিন সালেহ আল-আনাজি এবং মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা। এসপিএ জানিয়েছে, বক্তৃতাটি সামরিক শিল্প, স্থানীয়করণ ও টেকসই জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার বিষয়ে ছিল।

ভিশন ২০৩০-এর অধীনে সামরিক শিল্প খাতের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। শিল্প ও প্রযুক্তির স্থানীয়করণ এবং টেকসই প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রচেষ্টার কথা উঠে আসে।

অংশীদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে আলখোরায়েফ বলেন, স্থানীয়করণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এটি সহায়ক। সামরিক খাত উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলায় ভূমিকা রাখে।

জাতীয় রক্ষীবাহিনী মন্ত্রণালয়ের স্থানীয়করণ কর্মসূচির প্রশংসা করেন তিনি। এই কর্মসূচি দেশীয় সক্ষমতার ওপর নির্ভরতা বাড়াতে কাজ করছে।

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা টেকসই করতে স্থানীয়করণ কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন শক্তিশালীকরণে এই প্রচেষ্টা কীভাবে সহায়তা করবে, সেটিও আলোচনার বিষয়।

এসপিএ জানিয়েছে, বক্তৃতাটি ১৪ অক্টোবর ২০২৬-এ রিয়াদে অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সময় অনুযায়ী এটি ২৩:৫৯ এবং জিএমটি অনুযায়ী ২০:৫৯-এ প্রকাশিত হয়।

বক্তৃতায় সামরিক শিল্প, স্থানীয়করণ ও টেকসই জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হয়। ভিশন ২০৩০-এর অধীনে সামরিক শিল্প খাতের অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয়।

শিল্প ও প্রযুক্তির স্থানীয়করণ এবং টেকসই প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রচেষ্টার কথা বলা হয়। কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন শক্তিশালীকরণের বিষয়টিও উঠে আসে।

অংশীদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন আলখোরায়েফ। স্থানীয়করণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এই অংশীদারিত্ব কীভাবে কাজ করবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়।

সামরিক খাত উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলায় ভূমিকা রাখে বলে উল্লেখ করেন তিনি। জাতীয় রক্ষীবাহিনী মন্ত্রণালয়ের স্থানীয়করণ কর্মসূচির প্রশংসাও করেন।

দেশীয় সক্ষমতার ওপর নির্ভরতা বাড়ানোর বিষয়টি কর্মসূচির লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে।

সৌদি আরবের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন শক্তিশালীকরণে সামরিক শিল্প খাতের ভূমিকা কী, সেটি নিয়ে আলোচনা চলছে। স্থানীয়করণের প্রচেষ্টা এই লক্ষ্যে কতটা এগিয়ে নেবে, তা সময়ই বলে দেবে।

বক্তৃতায় উপস্থিত ছিলেন কলেজের কমান্ডার মেজর জেনারেল আবদুল্লাহ বিন সালেহ আল-আনাজি এবং মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা। এসপিএ জানিয়েছে, বক্তৃতাটি সামরিক শিল্প, স্থানীয়করণ ও টেকসই জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার বিষয়ে ছিল।

ভিশন ২০৩০-এর অধীনে সামরিক শিল্প খাতের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। শিল্প ও প্রযুক্তির স্থানীয়করণ এবং টেকসই প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রচেষ্টার কথা উঠে আসে।

অংশীদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে আলখোরায়েফ বলেন, স্থানীয়করণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এটি সহায়ক। সামরিক খাত উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলায় ভূমিকা রাখে।

জাতীয় রক্ষীবাহিনী মন্ত্রণালয়ের স্থানীয়করণ কর্মসূচির প্রশংসা করেন তিনি। এই কর্মসূচি দেশীয় সক্ষমতার ওপর নির্ভরতা বাড়াতে কাজ করছে।

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা টেকসই করতে স্থানীয়করণ কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন শক্তিশালীকরণে এই প্রচেষ্টা কীভাবে সহায়তা করবে, সেটিও আলোচনার বিষয়।

এসপিএ জানিয়েছে, বক্তৃতাটি ১৪ অক্টোবর ২০২৬-এ রিয়াদে অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সময় অনুযায়ী এটি ২৩:৫৯ এবং জিএমটি অনুযায়ী ২০:৫৯-এ প্রকাশিত হয়।

বক্তৃতায় সামরিক শিল্প, স্থানীয়করণ ও টেকসই জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হয়। ভিশন ২০৩০-এর অধীনে সামরিক শিল্প খাতের অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয়।

শিল্প ও প্রযুক্তির স্থানীয়করণ এবং টেকসই প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রচেষ্টার কথা বলা হয়। কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন শক্তিশালীকরণের বিষয়টিও উঠে আসে।

অংশীদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন আলখোরায়েফ। স্থানীয়করণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এই অংশীদারিত্ব কীভাবে কাজ করবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়।

সামরিক খাত উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলায় ভূমিকা রাখে বলে উল্লেখ করেন তিনি। জাতীয় রক্ষীবাহিনী মন্ত্রণালয়ের স্থানীয়করণ কর্মসূচির প্রশংসাও করেন।

দেশীয় সক্ষমতার ওপর নির্ভরতা বাড়ানোর বিষয়টি কর্মসূচির লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে।

সৌদি আরবের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন শক্তিশালীকরণে সামরিক শিল্প খাতের ভূমিকা কী, সেটি নিয়ে আলোচনা চলছে। স্থানীয়করণের প্রচেষ্টা এই লক্ষ্যে কতটা এগিয়ে নেবে, তা সময়ই বলে দেবে।

বক্তৃতায় উপস্থিত ছিলেন কলেজের কমান্ডার মেজর জেনারেল আবদুল্লাহ বিন সালেহ আল-আনাজি এবং মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা। এসপিএ জানিয়েছে, বক্তৃতাটি সামরিক শিল্প, স্থানীয়করণ ও টেকসই জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার বিষয়ে ছিল।

এসপিএর প্রতিবেদনে বক্তৃতার সময়কাল, অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বা স্থানীয়করণের নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখ করা হয়নি।

বক্তৃতাটি কে দিয়েছেন এবং কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে? মন্ত্রী অব স্টেট, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং জেনারেল অথরিটি ফর মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিজের ভারপ্রাপ্ত গভর্নর বান্দার আলখোরায়েফ বক্তৃতাটি দিয়েছেন। স্থান ছিল রিয়াদে কিং আবদুল্লাহ বিন আবদুলআজিজ কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ। এসপিএ জানিয়েছে, বক্তৃতাটি সামরিক শিল্প, স্থানীয়করণ ও টেকসই জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার বিষয়ে ছিল।

বক্তৃতায় কারা উপস্থিত ছিলেন? কলেজের কমান্ডার মেজর জেনারেল আবদুল্লাহ বিন সালেহ আল-আনাজি এবং মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এসপিএ জানিয়েছে, বক্তৃতাটি ১৪ অক্টোবর ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সময় অনুযায়ী এটি ২৩:৫৯ এবং জিএমটি অনুযায়ী ২০:৫৯-এ প্রকাশিত হয়।

বক্তৃতায় ভিশন ২০৩০-এর কোন দিকগুলো উঠে এসেছে? বক্তৃতায় সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অধীনে সামরিক শিল্প খাতের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। এর মধ্যে শিল্প ও প্রযুক্তির স্থানীয়করণ এবং টেকসই প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা রয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই প্রচেষ্টা সৌদি আরবের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন শক্তিশালী করে।

অংশীদারিত্বের গুরুত্ব কীভাবে তুলে ধরা হয়েছে? আলখোরায়েফ স্থানীয়করণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অংশীদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি সামরিক খাতের ভূমিকার ওপর জোর দেন, যা উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলে। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি জাতীয় রক্ষীবাহিনী মন্ত্রণালয়ের স্থানীয়করণ কর্মসূচির প্রশংসা করেন, যা দেশীয় সক্ষমতার ওপর নির্ভরতা বাড়ায়।

জাতীয় রক্ষীবাহিনী মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচি নিয়ে কী বলা হয়েছে? আলখোরায়েফ জাতীয় রক্ষীবাহিনী মন্ত্রণালয়ের স্থানীয়করণ কর্মসূচির প্রশংসা করেন। এই কর্মসূচি দেশীয় সক্ষমতার ওপর বেশি নির্ভরতা বাড়াতে সহায়তা করছে। এসপিএ জানিয়েছে, বক্তৃতায় সামরিক খাতকে উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

এসপিএর প্রতিবেদনে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএর প্রতিবেদনে বক্তৃতার সময়কাল, অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বা স্থানীয়করণের নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখ করা হয়নি। প্রতিবেদনে শুধু বলা হয়েছে, বক্তৃতাটি সামরিক শিল্প, স্থানীয়করণ ও টেকসই জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার বিষয়ে ছিল। স্থানীয় সময় অনুযায়ী এটি ২৩:৫৯ এবং জিএমটি অনুযায়ী ২০:৫৯-এ প্রকাশিত হয়।