মক্কায় অনুষ্ঠিত ৪৬তম আন্তর্জাতিক রাজা আবদুল আজিজ পবিত্র কুরআন মুখস্থকরণ, তিলাওয়াত এবং তাফসির প্রতিযোগিতার ভেন্যুতে ইন্টারঅ্যাক্টিভ রোবোটিক্স এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি মোতায়েন করেছে ইসলামি বিষয়ক, দাওয়াত ও নির্দেশনা মন্ত্রণালয়।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৯ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো অংশগ্রহণকারী এবং দর্শকদের তথ্য ও নির্দেশনা প্রদান করা এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তিগত সমাধানের মাধ্যমে পরিষেবা প্রাপ্তি সহজ করা।
ইন্টারঅ্যাক্টিভ স্ক্রিনযুক্ত এই মোবাইল রোবটগুলো প্রতিযোগিতার কর্মসূচি, কার্যক্রমের স্থান এবং উপলব্ধ পরিষেবা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করে। এই রোবটগুলো ৯০টিরও বেশি ভাষায় অংশগ্রহণকারী ও দর্শকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম, যা তাদের সময় বাঁচাতে এবং অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করতে সহায়তা করে।
মন্ত্রণালয় আধুনিক প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের মাধ্যমে ডিজিটাল রূপান্তর এবং উদ্ভাবনকে কুরআনের সেবায় নিয়োজিত করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে রোবটের নির্দিষ্ট মডেল বা সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।
কুরআন প্রতিযোগিতায় রোবটের ভূমিকা কী? এই মোবাইল রোবটগুলো অংশগ্রহণকারী ও দর্শকদের প্রতিযোগিতার কর্মসূচি, কার্যক্রমের স্থান এবং উপলব্ধ পরিষেবা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করে। এগুলো ৯০টিরও বেশি ভাষায় প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দর্শকদের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করে এবং সময় বাঁচায়।
এই প্রযুক্তির লক্ষ্য কী? ইসলামি বিষয়ক, দাওয়াত ও নির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের লক্ষ্য হলো উদ্ভাবনী প্রযুক্তিগত সমাধানের মাধ্যমে পরিষেবা প্রাপ্তি সহজ করা। এর মাধ্যমে ডিজিটাল রূপান্তর এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কুরআনের সেবায় নিয়োজিত করা হচ্ছে।
রোবটগুলো কীভাবে কাজ করে? রোবটগুলো ইন্টারঅ্যাক্টিভ স্ক্রিন দ্বারা সজ্জিত এবং মোবাইল বা গতিশীল। এগুলো ৯০টিরও বেশি ভাষায় যোগাযোগ করতে পারে এবং দর্শকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও তথ্য প্রদান করে।