রিয়াদে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদ সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সম্ভাবনা, সহযোগিতার পথ এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাব্য সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি তারা অঞ্চলের সর্বশেষ উন্নয়ন নিয়েও কথা বলেন।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, ৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে রিয়াদে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই নেতা ভ্রাতৃপ্রতিম দুই দেশের সম্পর্ক ও সহযোগিতার বিষয়গুলো পর্যালোচনা করেন।
সৌদি পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বিন আবদুল্লাহ, রাষ্ট্রমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্য ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. মুসাইদ বিন মোহাম্মদ আল-আইবান, ক্রাউন প্রিন্সের সচিব ড. বন্দর বিন ওবাইদ আল-রশিদ এবং রয়্যাল কোর্টের উপদেষ্টা খালিদ বিন ফরিদ হাদরাউই।
সিরিয়ার পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র ও প্রবাসী বিষয়ক মন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি এবং রিয়াদে সিরিয়ার দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মোহসেন মাহবাশ। এসপিএ জানিয়েছে, বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক ও আঞ্চলিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্থানীয় সময় ১৭:৫৪ এবং জিএমটি ১৪:৫৪ উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনের সূত্র হিসেবে এসপিএ-র নাম দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে এসপিএ জানিয়েছে। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানো হবে, তার বিস্তারিত বিবরণ প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।
আঞ্চলিক উন্নয়ন বলতে কী বোঝানো হয়েছে, এসপিএ-র প্রতিবেদনে তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। বৈঠকে আলোচিত বিষয়গুলোর বিস্তারিতও প্রতিবেদনে নেই।
সৌদি আরব ও সিরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক ও সহযোগিতা নিয়ে এই বৈঠককে কেন্দ্র করে কোন যৌথ বিবৃতি বা চুক্তি স্বাক্ষরের কথা এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই। বৈঠকের সময়কাল বা পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়েও প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের স্থান হিসেবে রিয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তারিখ হিসেবে ৬ অক্টোবর ২০২৬ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে দুই নেতার আলোচনার বিষয়বস্তু সংক্ষেপে তুলে ধরা হয়েছে।
সৌদি পক্ষ থেকে যারা উপস্থিত ছিলেন, তাদের নাম ও পদবি এসপিএ-র প্রতিবেদনে দেওয়া হয়েছে। সিরিয়ার পক্ষ থেকেও দুইজন কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সম্ভাবনা ও সহযোগিতার পথ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে এসপিএ জানিয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাব্য সুযোগ নিয়েও কথা হয়েছে।
অঞ্চলের সর্বশেষ উন্নয়ন নিয়ে দুই নেতা আলোচনা করেছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তবে কোন কোন উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের সময়কাল, স্থান ও উপস্থিত ব্যক্তিদের নাম দেওয়া হয়েছে। বৈঠকের ফলাফল বা কোন সিদ্ধান্তের কথা প্রতিবেদনে নেই।
সৌদি আরব ও সিরিয়ার মধ্যে এই বৈঠক দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই বৈঠকের তাৎপর্য নিয়ে কোন বিশ্লেষণ দেওয়া হয়নি।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, দুই নেতা ভ্রাতৃপ্রতিম দুই দেশের সম্পর্ক ও সহযোগিতার বিষয়গুলো পর্যালোচনা করেছেন।
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারার এই সফর নিয়ে এসপিএ-র প্রতিবেদনে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। শুধু বৈঠকের বিষয়বস্তু ও উপস্থিত ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে অঞ্চলের সর্বশেষ উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এই উন্নয়নগুলো কী কী, তা স্পষ্ট করা হয়নি।
সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের এই বৈঠক আঞ্চলিক কূটনীতির একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই বিষয়ে কোন মন্তব্য করা হয়নি।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাব্য সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে এসপিএ জানিয়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে এই সহযোগিতা বাড়ানো হবে, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের সময় স্থানীয় সময় ১৭:৫৪ এবং জিএমটি ১৪:৫৪ উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনের শেষে এসপিএ-র নাম দেওয়া হয়েছে।
সৌদি আরব ও সিরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক ও সহযোগিতা নিয়ে এই বৈঠককে ঘিরে কোন যৌথ সংবাদ সম্মেলন বা বিবৃতির কথা এসপিএ-র প্রতিবেদনে নেই।
বৈঠকে দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সম্ভাবনা ও সহযোগিতার পথ নিয়ে আলোচনা করেছেন। এসপিএ জানিয়েছে, তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাব্য সুযোগ নিয়েও কথা বলেছেন।
অঞ্চলের সর্বশেষ উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে এসপিএ জানিয়েছে। তবে এই আলোচনার বিস্তারিত বিবরণ প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।
সৌদি পক্ষ থেকে বৈঠকে যারা উপস্থিত ছিলেন, তাদের মধ্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, ক্রাউন প্রিন্সের সচিব ও রয়্যাল কোর্টের উপদেষ্টা রয়েছেন। সিরিয়ার পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র ও প্রবাসী বিষয়ক মন্ত্রী এবং রিয়াদে সিরিয়ার দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স উপস্থিত ছিলেন।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের বিষয়বস্তু সংক্ষেপে তুলে ধরা হয়েছে। তবে বৈঠকের ফলাফল বা কোন সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করা হয়নি।
সৌদি আরব ও সিরিয়ার মধ্যে এই বৈঠক দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি পদক্ষেপ। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই বৈঠকের তাৎপর্য নিয়ে কোন বিশ্লেষণ দেওয়া হয়নি।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, দুই নেতা ভ্রাতৃপ্রতিম দুই দেশের সম্পর্ক ও সহযোগিতার বিষয়গুলো পর্যালোচনা করেছেন।
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারার এই সফর নিয়ে এসপিএ-র প্রতিবেদনে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। শুধু বৈঠকের বিষয়বস্তু ও উপস্থিত ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে অঞ্চলের সর্বশেষ উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এই উন্নয়নগুলো কী কী, তা স্পষ্ট করা হয়নি।
সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের এই বৈঠক আঞ্চলিক কূটনীতির একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই বিষয়ে কোন মন্তব্য করা হয়নি।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাব্য সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে এসপিএ জানিয়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে এই সহযোগিতা বাড়ানো হবে, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের সময় স্থানীয় সময় ১৭:৫৪ এবং জিএমটি ১৪:৫৪ উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনের শেষে এসপিএ-র নাম দেওয়া হয়েছে।
সৌদি আরব ও সিরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক ও সহযোগিতা নিয়ে এই বৈঠককে ঘিরে কোন যৌথ সংবাদ সম্মেলন বা বিবৃতির কথা এসপিএ-র প্রতিবেদনে নেই।
বৈঠকে দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সম্ভাবনা ও সহযোগিতার পথ নিয়ে আলোচনা করেছেন। এসপিএ জানিয়েছে, তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাব্য সুযোগ নিয়েও কথা বলেছেন।
অঞ্চলের সর্বশেষ উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে এসপিএ জানিয়েছে। তবে এই আলোচনার বিস্তারিত বিবরণ প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।
সৌদি পক্ষ থেকে বৈঠকে যারা উপস্থিত ছিলেন, তাদের মধ্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, ক্রাউন প্রিন্সের সচিব ও রয়্যাল কোর্টের উপদেষ্টা রয়েছেন। সিরিয়ার পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র ও প্রবাসী বিষয়ক মন্ত্রী এবং রিয়াদে সিরিয়ার দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স উপস্থিত ছিলেন।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের বিষয়বস্তু সংক্ষেপে তুলে ধরা হয়েছে। তবে বৈঠকের ফলাফল বা কোন সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করা হয়নি।
সৌদি আরব ও সিরিয়ার মধ্যে এই বৈঠক দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি পদক্ষেপ। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই বৈঠকের তাৎপর্য নিয়ে কোন বিশ্লেষণ দেওয়া হয়নি।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, দুই নেতা ভ্রাতৃপ্রতিম দুই দেশের সম্পর্ক ও সহযোগিতার বিষয়গুলো পর্যালোচনা করেছেন।
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারার এই সফর নিয়ে এসপিএ-র প্রতিবেদনে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। শুধু বৈঠকের বিষয়বস্তু ও উপস্থিত ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে অঞ্চলের সর্বশেষ উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এই উন্নয়নগুলো কী কী, তা স্পষ্ট করা হয়নি।
সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের এই বৈঠক আঞ্চলিক কূটনীতির একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই বিষয়ে কোন মন্তব্য করা হয়নি।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাব্য সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে এসপিএ জানিয়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে এই সহযোগিতা বাড়ানো হবে, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের সময় স্থানীয় সময় ১৭:৫৪ এবং জিএমটি ১৪:৫৪ উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনের শেষে এসপিএ-র নাম দেওয়া হয়েছে।
সৌদি আরব ও সিরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক ও সহযোগিতা নিয়ে এই বৈঠককে ঘিরে কোন যৌথ সংবাদ সম্মেলন বা বিবৃতির কথা এসপিএ-র প্রতিবেদনে নেই।
বৈঠকে দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সম্ভাবনা ও সহযোগিতার পথ নিয়ে আলোচনা করেছেন। এসপিএ জানিয়েছে, তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাব্য সুযোগ নিয়েও কথা বলেছেন।
অঞ্চলের সর্বশেষ উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে এসপিএ জানিয়েছে। তবে এই আলোচনার বিস্তারিত বিবরণ প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।
সৌদি পক্ষ থেকে বৈঠকে যারা উপস্থিত ছিলেন, তাদের মধ্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, ক্রাউন প্রিন্সের সচিব ও রয়্যাল কোর্টের উপদেষ্টা রয়েছেন। সিরিয়ার পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র ও প্রবাসী বিষয়ক মন্ত্রী এবং রিয়াদে সিরিয়ার দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স উপস্থিত ছিলেন।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের বিষয়বস্তু সংক্ষেপে তুলে ধরা হয়েছে। তবে বৈঠকের ফলাফল বা কোন সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করা হয়নি।
সৌদি আরব ও সিরিয়ার মধ্যে এই বৈঠক দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি পদক্ষেপ। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই বৈঠকের তাৎপর্য নিয়ে কোন বিশ্লেষণ দেওয়া হয়নি।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, দুই নেতা ভ্রাতৃপ্রতিম দুই দেশের সম্পর্ক ও সহযোগিতার বিষয়গুলো পর্যালোচনা করেছেন।
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারার এই সফর নিয়ে এসপিএ-র প্রতিবেদনে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। শুধু বৈঠকের বিষয়বস্তু ও উপস্থিত ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে অঞ্চলের সর্বশেষ উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এই উন্নয়নগুলো কী কী, তা স্পষ্ট করা হয়নি।
সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের এই বৈঠক আঞ্চলিক কূটনীতির একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই বিষয়ে কোন মন্তব্য করা হয়নি।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাব্য সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে এসপিএ জানিয়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে এই সহযোগিতা বাড়ানো হবে, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের সময় স্থানীয় সময় ১৭:৫৪ এবং জিএমটি ১৪:৫৪ উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনের শেষে এসপিএ-র নাম দেওয়া হয়েছে।
সৌদি আরব ও সিরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক ও সহযোগিতা নিয়ে এই বৈঠককে ঘিরে কোন যৌথ সংবাদ সম্মেলন বা বিবৃতির কথা এসপিএ-র প্রতিবেদনে নেই।
বৈঠকে সৌদি পক্ষ থেকে কারা উপস্থিত ছিলেন? সৌদি পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বিন আবদুল্লাহ, রাষ্ট্রমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্য ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. মুসাইদ বিন মোহাম্মদ আল-আইবান, ক্রাউন প্রিন্সের সচিব ড. বন্দর বিন ওবাইদ আল-রশিদ এবং রয়্যাল কোর্টের উপদেষ্টা খালিদ বিন ফরিদ হাদরাউই। এসপিএ এই নামগুলো প্রকাশ করেছে।
সিরিয়ার পক্ষ থেকে কারা বৈঠকে অংশ নেন? সিরিয়ার পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র ও প্রবাসী বিষয়ক মন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি এবং রিয়াদে সিরিয়ার দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মোহসেন মাহবাশ। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই দুই কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক ও আঞ্চলিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সম্ভাবনা, সহযোগিতার পথ এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাব্য সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি অঞ্চলের সর্বশেষ উন্নয়ন নিয়েও দুই নেতা কথা বলেছেন। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানো হবে, তার বিস্তারিত প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।
বৈঠক কোথায় ও কখন অনুষ্ঠিত হয়? এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈঠকটি রিয়াদে ৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবেদনে স্থানীয় সময় ১৭:৫৪ এবং জিএমটি ১৪:৫৪ উল্লেখ করা হয়েছে। বৈঠকে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান এবং সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারা অংশ নেন।
বৈঠকের ফলাফল কী? এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের কোন সুনির্দিষ্ট ফলাফল বা সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করা হয়নি। প্রতিবেদনে শুধু বলা হয়েছে, দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, সহযোগিতার পথ ও আঞ্চলিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেছেন। কোন যৌথ বিবৃতি বা চুক্তি স্বাক্ষরের কথা প্রতিবেদনে নেই।





