Sunday, October 25, 2026
সৌদি সংবাদ

রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার তীব্র নিন্দা জানালেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ

রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার তীব্র নিন্দা জানালেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ

রিয়াদস্থ কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি মিলিশিয়াদের হামলায় বেসামরিক নাগরিকদের হতাহতের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। ইসলামাবাদ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বেসামরিক নাগরিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর হুমকি।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, রোববার পাকিস্তানের সংবাদ সংস্থায় প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী শরিফ হুথি মিলিশিয়াদের প্রতি এসব হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানান। তিনি সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডের অখণ্ডতা ও নিরাপত্তার প্রতি পাকিস্তানের অবিচল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী শরিফ মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি এবং এর অধীনে গঠিত কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, এই কাঠামোর অধীনে সৌদি আরবের প্রতি পাকিস্তানের অবস্থান স্পষ্ট ও স্থায়ী।

বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় প্রাণ হারানো মানুষদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি সৌদি নেতৃত্বের প্রতি condolence প্রকাশ করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

শেহবাজ শরিফ আরও বলেন, নিজেদের জনগণকে রক্ষা এবং শহর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সুরক্ষার সৌদি আরবের বৈধ অধিকারে পাকিস্তান পূর্ণ সমর্থন দেয়। সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় পাকিস্তান পাশে থাকবে বলে তিনি জোর দেন।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলায় বেসামরিক নাগরিকরা নিহত ও আহত হয়েছেন। তবে হতাহতের সংখ্যা, হামলার সময় বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি।

প্রশ্ন থেকে যায়, বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করার এই ধরনের ঘটনা আন্তর্জাতিক আইনের কোন ধারায় পড়ে এবং এর পরিণতি কী হওয়া উচিত? আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর এর প্রভাব কতটা গভীর, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রসঙ্গ কেন এখানে গুরুত্বপূর্ণ? এই চুক্তি ও কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির সিদ্ধান্ত কীভাবে সৌদি আরবের নিরাপত্তা কাঠামোতে ভূমিকা রাখে, তা নিয়ে বিশ্লেষণ চলছে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর এই বিবৃতি কেবল কূটনৈতিক সমর্থনের বার্তা, নাকি এর বাইরেও কিছু বোঝায়? আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রে এই অবস্থানের প্রভাব কী হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল ও বাণিজ্যের ওপর কী প্রভাব ফেলতে পারে? বেসামরিক অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক সহযোগিতা কতটা জরুরি, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে হামলার দায় স্বীকারের বিষয়ে বা ঘটনার পরবর্তী তদন্ত সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। হতাহতের সংখ্যা, হামলার ধরন বা ব্যবহৃত অস্ত্রের বিবরণও দেওয়া হয়নি।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতিতে সৌদি আরবের প্রতি সংহতি ও সমর্থনের বার্তা স্পষ্ট। তবে এই হামলার পর আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি কীভাবে এগোবে, সে বিষয়ে সূত্রটি নীরব থেকেছে।

হামলার ঘটনায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কী বলেছেন? পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ রিয়াদস্থ কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি মিলিশিয়াদের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বেসামরিক নাগরিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর হুমকি। তিনি হুথি মিলিশিয়াদের এসব হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানান এবং সৌদি আরবের প্রতি পাকিস্তানের পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেন।

পাকিস্তান কোন চুক্তির অধীনে সৌদি আরবের পাশে থাকার কথা বলেছে? প্রধানমন্ত্রী শরিফ মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি এবং এর অধীনে গঠিত কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এই কাঠামোর অধীনে সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডের অখণ্ডতা ও নিরাপত্তার প্রতি পাকিস্তানের অঙ্গীকার অবিচল। নিজেদের জনগণকে রক্ষা ও শহর এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সুরক্ষার সৌদি আরবের বৈধ অধিকারে পাকিস্তান পূর্ণ সমর্থন দেয় বলেও তিনি জানান।

হামলায় হতাহতের বিষয়ে কী জানা গেছে? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, হামলায় বেসামরিক নাগরিকরা নিহত ও আহত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শরিফ নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন এবং সৌদি নেতৃত্বের প্রতি condolence প্রকাশ করেছেন। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে হতাহতের সংখ্যা, হামলার সময় বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি। হামলার দায় স্বীকার বা তদন্ত সম্পর্কেও বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিয়ে কী অবস্থান জানিয়েছেন? শেহবাজ শরিফ বলেছেন, সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় পাকিস্তান পাশে থাকবে। তিনি সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডের অখণ্ডতা ও নিরাপত্তার প্রতি পাকিস্তানের অবিচল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। নিজেদের জনগণকে রক্ষা এবং শহর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সুরক্ষার সৌদি আরবের বৈধ অধিকারে পূর্ণ সমর্থনের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।