Thursday, October 22, 2026
সৌদি সংবাদ

সারাওয়াত ও তুওয়াইক প্রকল্পে সৌদি নৌবাহিনী শক্তিশালী হচ্ছে, দেশীয় সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা গড়ার লক্ষ্য

সারাওয়াত ও তুওয়াইক প্রকল্পে সৌদি নৌবাহিনী শক্তিশালী হচ্ছে, দেশীয় সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা গড়ার লক্ষ্য

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আধুনিক যুদ্ধব্যবস্থা, উচ্চ পরিচালন দক্ষতা ও যোগ্য জাতীয় জনবলে সজ্জিত একটি আধুনিক নৌবাহিনী গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে নিচ্ছে। এই উদ্যোগের ভিত্তি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় উন্নয়ন কর্মসূচি, যা যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের দৃষ্টিভঙ্গির অধীনে চালু হয় এবং ২০১৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খাদেমুল হারামাইন শরিফাইন বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের অনুমোদন পায়।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২২ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই কর্মসূচি একটি পূর্ণাঙ্গ পরিচালন মডেল, সুশাসন কাঠামো ও সাংগঠনিক পরিকল্পনা নির্ধারণ করে, যার উদ্দেশ্য ব্যয়ের সর্বোত্তম ব্যবহার, অস্ত্রশস্ত্রের আধুনিকীকরণ, যৌথ পরিচালন শ্রেষ্ঠত্ব নির্মাণ, মনোবল বৃদ্ধি এবং সামরিক শিল্পের দেশীয়করণ। এই কৌশলের কেন্দ্রে রয়েছে রয়্যাল সৌদি নৌবাহিনীকে ক্ষমতায়ন করা, যাতে তারা রাজ্যের বিস্তীর্ণ লোহিত সাগর ও আরব উপসাগরীয় উপকূলরেখা রক্ষা করতে পারে, গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক করিডর নিরাপদ রাখতে পারে, কৌশলগত সম্পদ সুরক্ষিত রাখতে পারে এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক স্থিতিশীলতায় সহায়তা করতে পারে।

রাজ্যের উপকূলরেখা কতটা বিস্তৃত, আর সেই বিস্তৃত জলসীমা পাহারা দিতে কতটা সমন্বিত প্রস্তুতি দরকার—এই প্রশ্নই নৌবাহিনীর আধুনিকীকরণের মূল চালিকাশক্তি।

সারাওয়াত ও তুওয়াইক: পরিচালন প্রস্তুতি বাড়ানোর দুই স্তম্ভ

রয়্যাল সৌদি নৌবাহিনী যুদ্ধ প্রস্তুতি, কারিগরি ব্যবস্থা ও মানবসম্পদ উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত কর্মসূচির মাধ্যমে, যার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো সারাওয়াত ও তুওয়াইক প্রকল্প। এসপিএ জানিয়েছে, এই দুটি উদ্যোগই গুণগত আধুনিকীকরণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পায়ন, কর্মীবাহিনীর প্রশিক্ষণ এবং নৌঘাঁটির অবকাঠামো সম্প্রসারণে সরাসরি ভূমিকা রাখছে, যা সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।

সারাওয়াত প্রকল্প একটি সমন্বিত নৌ-পরিবেশ গড়ে তোলে, যার কেন্দ্রে রয়েছে বহুমুখী যুদ্ধজাহাজ, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সরবরাহের স্থায়িত্ব। এই উদ্যোগের আওতায় আটটি অ্যাভান্তে ২২০০ করভেট সরবরাহ, দীর্ঘমেয়াদি লজিস্টিক সহায়তা, রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা এবং উন্নত সিমুলেশন প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত।

প্রথম পর্যায়ে পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে—এইচএমএস আল জুবাইল, এইচএমএস আল দিরিয়া, এইচএমএস হাইল, এইচএমএস জাজান এবং এইচএমএস উনাইজা—যার সঙ্গে সিমুলেশন প্রশিক্ষণও যুক্ত। এই জাহাজগুলোর নামকরণ রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চল ও শহরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, যা দেশীয় পরিচয় ও সামুদ্রিক প্রতিরক্ষার মধ্যে সংযোগ তৈরি করে।

প্রশিক্ষণ ও সিমুলেশনের মতো বিষয়গুলো কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? কারণ আধুনিক যুদ্ধজাহাজ থাকলেও তা পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবল ছাড়া প্রকৃত সক্ষমতা অর্জন সম্ভব নয়।

সারাওয়াত প্রকল্পের লক্ষ্য শুধু জাহাজ সরবরাহ নয়, বরং একটি টেকসই নৌ-বাস্তুতন্ত্র গড়ে তোলা, যেখানে প্রযুক্তি হস্তান্তর ও স্থানীয় রক্ষণাবেক্ষণ সক্ষমতা একসঙ্গে বিকশিত হয়। এসপিএ জানিয়েছে, এই প্রকল্পের আওতায় দীর্ঘমেয়াদি লজিস্টিক সহায়তা ও রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধাও রয়েছে, যা জাহাজগুলোর দীর্ঘস্থায়ী পরিচালন সক্ষমতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সহায়ক।

দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পায়নের লক্ষ্যে প্রযুক্তি হস্তান্তর কতটা অগ্রগতি এনেছে, তা সময়ের সঙ্গে পরিমাপযোগ্য হবে। তবে এসপিএর তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্প সরাসরি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ এবং সামরিক শিল্পের দেশীয়করণে ভূমিকা রাখছে।

তুওয়াইক প্রকল্পও নৌবাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এসপিএ জানিয়েছে, সারাওয়াত ও তুওয়াইক—দুটি প্রকল্পই নৌবাহিনীর গুণগত আধুনিকীকরণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পায়ন, কর্মীবাহিনীর প্রশিক্ষণ এবং নৌঘাঁটির অবকাঠামো সম্প্রসারণে কাজ করছে।

নৌঘাঁটির অবকাঠামো সম্প্রসারণ কেন জরুরি? কারণ আধুনিক জাহাজ ও প্রযুক্তি পরিচালনার জন্য উপযুক্ত ঘাঁটি, রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র ও প্রশিক্ষণ সুবিধা প্রয়োজন, যা ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি পরিচালন সক্ষমতা টেকসই হয় না।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় একটি পূর্ণাঙ্গ পরিচালন মডেল, সুশাসন কাঠামো ও সাংগঠনিক পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই কাঠামোর উদ্দেশ্য ব্যয়ের সর্বোত্তম ব্যবহার, অস্ত্রশস্ত্রের আধুনিকীকরণ, যৌথ পরিচালন শ্রেষ্ঠত্ব নির্মাণ, মনোবল বৃদ্ধি এবং সামরিক শিল্পের দেশীয়করণ।

এই কর্মসূচি ২০১৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুমোদিত হয়, যা যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের দৃষ্টিভঙ্গির অধীনে চালু হয় এবং খাদেমুল হারামাইন শরিফাইন বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদ অনুমোদন করেন।

রয়্যাল সৌদি নৌবাহিনীর মূল দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে রাজ্যের বিস্তীর্ণ লোহিত সাগর ও আরব উপসাগরীয় উপকূলরেখা রক্ষা, গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক করিডর নিরাপদ রাখা, কৌশলগত সম্পদ সুরক্ষা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক স্থিতিশীলতায় সহায়তা করা। এসপিএ জানিয়েছে, এই দায়িত্ব পালনের জন্য নৌবাহিনী যুদ্ধ প্রস্তুতি, কারিগরি ব্যবস্থা ও মানবসম্পদ উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

সামুদ্রিক করিডর নিরাপদ রাখা কেন আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে যুক্ত? কারণ এসপিএর বর্ণনা অনুযায়ী, নৌবাহিনীর সক্ষমতা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক স্থিতিশীলতায় সহায়তা করার লক্ষ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।

সারাওয়াত প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ হয়েছে এবং সেগুলোর সঙ্গে সিমুলেশন প্রশিক্ষণ যুক্ত হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই জাহাজগুলোর মধ্যে রয়েছে এইচএমএস আল জুবাইল, এইচএমএস আল দিরিয়া, এইচএমএস হাইল, এইচএমএস জাজান এবং এইচএমএস উনাইজা।

সারাওয়াত প্রকল্পের আওতায় মোট আটটি অ্যাভান্তে ২২০০ করভেট সরবরাহের কথা রয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই প্রকল্পে দীর্ঘমেয়াদি লজিস্টিক সহায়তা, রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা এবং উন্নত সিমুলেশন প্রশিক্ষণও অন্তর্ভুক্ত।

প্রযুক্তি হস্তান্তর কীভাবে দেশীয় শিল্প সক্ষমতা বাড়ায়? এসপিএর তথ্য অনুযায়ী, সারাওয়াত ও তুওয়াইক—দুটি প্রকল্পই প্রযুক্তি হস্তান্তর ও দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পায়নের সঙ্গে যুক্ত, যা সামরিক শিল্পের দেশীয়করণের লক্ষ্যের অংশ।

নৌবাহিনীর আধুনিকীকরণে মানবসম্পদ উন্নয়নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এসপিএ জানিয়েছে, নৌবাহিনী যোগ্য জাতীয় জনবলে সজ্জিত একটি আধুনিক বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে, যেখানে উচ্চ পরিচালন দক্ষতা ও আধুনিক যুদ্ধব্যবস্থা একসঙ্গে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রশিক্ষণ ও সিমুলেশনের মাধ্যমে কীভাবে পরিচালন প্রস্তুতি বাড়ে? এসপিএ জানিয়েছে, সারাওয়াত প্রকল্পে উন্নত সিমুলেশন প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত, যা যুদ্ধজাহাজ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা বিকাশে সহায়ক।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় উন্নয়ন কর্মসূচির লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যয়ের সর্বোত্তম ব্যবহার, অস্ত্রশস্ত্রের আধুনিকীকরণ, যৌথ পরিচালন শ্রেষ্ঠত্ব নির্মাণ, মনোবল বৃদ্ধি এবং সামরিক শিল্পের দেশীয়করণ। এসপিএ জানিয়েছে, এই লক্ষ্যগুলো একটি পূর্ণাঙ্গ পরিচালন মডেল, সুশাসন কাঠামো ও সাংগঠনিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

নৌঘাঁটির অবকাঠামো সম্প্রসারণ ও রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা কীভাবে দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা নিশ্চিত করে? এসপিএ জানিয়েছে, সারাওয়াত প্রকল্পে দীর্ঘমেয়াদি লজিস্টিক সহায়তা ও রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা রয়েছে, যা জাহাজগুলোর পরিচালন সক্ষমতা টেকসই রাখার লক্ষ্যে সহায়ক।

সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে এই প্রকল্পগুলোর সংগতি স্পষ্ট। এসপিএ জানিয়েছে, সারাওয়াত ও তুওয়াইক—দুটি উদ্যোগই গুণগত আধুনিকীকরণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পায়ন, কর্মীবাহিনীর প্রশিক্ষণ এবং নৌঘাঁটির অবকাঠামো সম্প্রসারণে সরাসরি ভূমিকা রাখছে, যা সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।

রাজ্যের দুই উপকূল—লোহিত সাগর ও আরব উপসাগর—রক্ষার দায়িত্ব কতটা বিস্তৃত, তা বিবেচনায় নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এসপিএ জানিয়েছে, নৌবাহিনীর ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্য হলো গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক করিডর নিরাপদ রাখা, কৌশলগত সম্পদ সুরক্ষা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক স্থিতিশীলতায় সহায়তা করা।

সারাওয়াত প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি সিমুলেশন প্রশিক্ষণ যুক্ত হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই জাহাজগুলোর নাম এইচএমএস আল জুবাইল, এইচএমএস আল দিরিয়া, এইচএমএস হাইল, এইচএমএস জাজান এবং এইচএমএস উনাইজা।

দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পায়ন ও প্রযুক্তি হস্তান্তর কীভাবে কর্মসংস্থান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে? এসপিএ জানিয়েছে, এই প্রকল্পগুলো কর্মীবাহিনীর প্রশিক্ষণ ও দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পায়নের সঙ্গে যুক্ত, যা সামরিক শিল্পের দেশীয়করণের লক্ষ্যের অংশ।

এসপিএর প্রতিবেদনে সারাওয়াত প্রকল্পের আওতায় আটটি অ্যাভান্তে ২২০০ করভেট সরবরাহ, দীর্ঘমেয়াদি লজিস্টিক সহায়তা, রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা ও উন্নত সিমুলেশন প্রশিক্ষণের কথা বলা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে।

তুওয়াইক প্রকল্পের বিস্তারিত বিবরণ এসপিএর এই প্রতিবেদনে সীমিতভাবে এসেছে; প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সারাওয়াত ও তুওয়াইক—দুটি প্রকল্পই নৌবাহিনীর গুণগত আধুনিকীকরণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পায়ন, কর্মীবাহিনীর প্রশিক্ষণ এবং নৌঘাঁটির অবকাঠামো সম্প্রসারণে কাজ করছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় উন্নয়ন কর্মসূচি ২০১৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুমোদিত হয়। এসপিএ জানিয়েছে, এই কর্মসূচি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের দৃষ্টিভঙ্গির অধীনে চালু হয় এবং খাদেমুল হারামাইন শরিফাইন বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদ অনুমোদন করেন।

নৌবাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতি, কারিগরি ব্যবস্থা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন—এই তিনটি ক্ষেত্রে অগ্রগতি কীভাবে পরিমাপ করা হবে, তা এসপিএর প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়নি। প্রতিবেদনে সারাওয়াত প্রকল্পের আওতায় আটটি করভেট সরবরাহ, পাঁচটি যুদ্ধজাহাজের প্রথম পর্যায়, দীর্ঘমেয়াদি লজিস্টিক সহায়তা, রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা ও সিমুলেশন প্রশিক্ষণের তথ্য রয়েছে।

সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা স্থানীয়করণের লক্ষ্যে প্রযুক্তি হস্তান্তর ও দেশীয় শিল্পায়নের অগ্রগতি কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে, সে বিষয়ে এসপিএর প্রতিবেদনে বিস্তারিত সময়সূচি বা পরিমাপযোগ্য সূচক দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, এই প্রকল্পগুলো সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ এবং সামরিক শিল্পের দেশীয়করণে ভূমিকা রাখছে।

রয়্যাল সৌদি নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির এই ধারাবাহিকতায় সারাওয়াত ও তুওয়াইক প্রকল্প দুটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই উদ্যোগগুলো নৌবাহিনীর গুণগত আধুনিকীকরণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পায়ন, কর্মীবাহিনীর প্রশিক্ষণ এবং নৌঘাঁটির অবকাঠামো সম্প্রসারণে কাজ করছে।

প্রতিবেদনে সারাওয়াত প্রকল্পের আওতায় আটটি অ্যাভান্তে ২২০০ করভেট, দীর্ঘমেয়াদি লজিস্টিক সহায়তা, রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা ও উন্নত সিমুলেশন প্রশিক্ষণের তথ্য রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ—এইচএমএস আল জুবাইল, এইচএমএস আল দিরিয়া, এইচএমএস হাইল, এইচএমএস জাজান ও এইচএমএস উনাইজা—নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে।

তবে এসপিএর এই প্রতিবেদনে তুওয়াইক প্রকল্পের বিস্তারিত বিবরণ, ব্যয়, সময়সীমা বা নির্দিষ্ট সক্ষমতার পরিমাপ দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে শুধু বলা হয়েছে, দুটি প্রকল্পই নৌবাহিনীর আধুনিকীকরণ ও দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে এবং সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।

সারাওয়াত প্রকল্পে কী কী অন্তর্ভুক্ত? এসপিএ কী জানিয়েছে? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, সারাওয়াত প্রকল্প একটি সমন্বিত নৌ-পরিবেশ গড়ে তোলে, যার কেন্দ্রে রয়েছে বহুমুখী যুদ্ধজাহাজ, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সরবরাহের স্থায়িত্ব। এই উদ্যোগের আওতায় আটটি অ্যাভান্তে ২২০০ করভেট সরবরাহ, দীর্ঘমেয়াদি লজিস্টিক সহায়তা, রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা এবং উন্নত সিমুলেশন প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত। প্রথম পর্যায়ে পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে এবং সেগুলোর সঙ্গে সিমুলেশন প্রশিক্ষণ যুক্ত হয়েছে।

প্রথম পর্যায়ে কোন কোন যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, সারাওয়াত প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে—এইচএমএস আল জুবাইল, এইচএমএস আল দিরিয়া, এইচএমএস হাইল, এইচএমএস জাজান এবং এইচএমএস উনাইজা। এই পাঁচটি জাহাজের সঙ্গে সিমুলেশন প্রশিক্ষণও যুক্ত হয়েছে। সারাওয়াত প্রকল্পের আওতায় মোট আটটি অ্যাভান্তে ২২০০ করভেট সরবরাহের কথা রয়েছে, যার সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি লজিস্টিক সহায়তা ও রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধাও অন্তর্ভুক্ত।

তুওয়াইক প্রকল্প সম্পর্কে এসপিএ কী তথ্য দিয়েছে? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, সারাওয়াত ও তুওয়াইক—দুটি প্রকল্পই নৌবাহিনীর গুণগত আধুনিকীকরণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পায়ন, কর্মীবাহিনীর প্রশিক্ষণ এবং নৌঘাঁটির অবকাঠামো সম্প্রসারণে কাজ করছে। এই উদ্যোগগুলো সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। তবে এসপিএর প্রতিবেদনে তুওয়াইক প্রকল্পের বিস্তারিত বিবরণ, ব্যয় বা সময়সীমা সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় উন্নয়ন কর্মসূচি কখন অনুমোদিত হয় এবং এর লক্ষ্য কী? এসপিএ জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় উন্নয়ন কর্মসূচি ২০১৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুমোদিত হয়। এটি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের দৃষ্টিভঙ্গির অধীনে চালু হয় এবং খাদেমুল হারামাইন শরিফাইন বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদ অনুমোদন করেন। কর্মসূচির লক্ষ্যের মধ্যে রয়েছে ব্যয়ের সর্বোত্তম ব্যবহার, অস্ত্রশস্ত্রের আধুনিকীকরণ, যৌথ পরিচালন শ্রেষ্ঠত্ব নির্মাণ, মনোবল বৃদ্ধি এবং সামরিক শিল্পের দেশীয়করণ।

রয়্যাল সৌদি নৌবাহিনীর মূল দায়িত্ব কী কী? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, রয়্যাল সৌদি নৌবাহিনীর ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্য হলো রাজ্যের বিস্তীর্ণ লোহিত সাগর ও আরব উপসাগরীয় উপকূলরেখা রক্ষা করা, গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক করিডর নিরাপদ রাখা, কৌশলগত সম্পদ সুরক্ষা করা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক স্থিতিশীলতায় সহায়তা করা। এই লক্ষ্যে নৌবাহিনী যুদ্ধ প্রস্তুতি, কারিগরি ব্যবস্থা ও মানবসম্পদ উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

এই প্রকল্পগুলো সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে কীভাবে সংগতিপূর্ণ? এসপিএ জানিয়েছে, সারাওয়াত ও তুওয়াইক—দুটি উদ্যোগই গুণগত আধুনিকীকরণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পায়ন, কর্মীবাহিনীর প্রশিক্ষণ এবং নৌঘাঁটির অবকাঠামো সম্প্রসারণে সরাসরি ভূমিকা রাখছে, যা সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় উন্নয়ন কর্মসূচির লক্ষ্যগুলোর মধ্যে সামরিক শিল্পের দেশীয়করণও রয়েছে, যা এই প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।