সৌদি আরবে গড় আয়ু ২০২৪ সালে ৭৮.৮ বছরে পৌঁছেছে, যা ২০১৬ সালে ছিল ৭৪ বছর। স্বাস্থ্য খাত রূপান্তর কর্মসূচির অবদানে এই বৃদ্ধি ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২০ এপ্রিল ২০২৫-এ জানিয়েছে, কর্মসূচির তথ্য অনুযায়ী এই অগ্রগতির পেছনে রয়েছে ব্যাপক স্বাস্থ্যনীতি বাস্তবায়ন। এর মধ্যে আছে খাদ্যপণ্যে ক্ষতিকর উপাদান—যেমন হাইড্রোজেনেটেড তেল ও অতিরিক্ত লবণ—কমানো এবং ডায়াবেটিস, স্থূলতা ও ক্যান্সারের মতো দীর্ঘমেয়াদি রোগে আগাম স্ক্রিনিং জোরদার করা। এসব উদ্যোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসার বিকল্প উন্নয়নে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার অংশ।
এসপিএ জানিয়েছে, সৌদি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নাগরিক, বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের জন্য সেবার দক্ষতা ও গুণমান বাড়াতে কাজ করেছে। স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণ এবং রোগনির্ণয় ও চিকিৎসা সেবার আধুনিকায়ন করা হয়েছে। এতে জনস্বাস্থ্য সূচক ও সার্বিক জীবনমান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে।
এই অগ্রগতি স্বাস্থ্য রূপান্তর উদ্যোগের কৌশলগত লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, যেখানে ২০৩০ সালের মধ্যে রাজ্যের গড় আয়ু ৮০ বছরে উন্নীত করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
২০১৬ থেকে ২০২৪—এই আট বছরে গড় আয়ু বেড়েছে ৪.৮ বছর। বছরে গড়ে কতটা পরিবর্তন এসেছে, তা কি স্পষ্ট? কর্মসূচির তথ্য অনুযায়ী এই সময়ে প্রতিবছর গড়ে প্রায় শূন্য দশমিক ছয় বছর করে আয়ু বেড়েছে।
কর্মসূচি বলছে, এই অগ্রগতি সরাসরি ব্যাপক স্বাস্থ্যনীতির বাস্তবায়নের ফল। খাদ্যপণ্যে হাইড্রোজেনেটেড তেল ও অতিরিক্ত লবণ কমানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি রোগে আগাম স্ক্রিনিং বাড়ানো হয়েছে। ডায়াবেটিস, স্থূলতা ও ক্যান্সার—এই তিনটি রোগের নাম এসপিএ প্রতিবেদনে আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিরোধ ও চিকিৎসার বিকল্প উন্নয়নে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
খাদ্য উপাদান কমানো আর আগাম স্ক্রিনিং—এই দুই ধরনের উদ্যোগ কেন একসঙ্গে জরুরি? কারণ দুটিই প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যনীতির অংশ, যা দীর্ঘমেয়াদি রোগের বোঝা কমাতে কাজ করে।
এসপিএ আরও জানিয়েছে, স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নাগরিক, বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের জন্য সেবার দক্ষতা ও গুণমান বাড়াতে কাজ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণ এবং রোগনির্ণয় ও চিকিৎসা সেবার আধুনিকায়ন। এসব পদক্ষেপে জনস্বাস্থ্য সূচক এবং সার্বিক জীবনমান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
সেবার গুণমান বাড়ানোর কাজে নাগরিক, বাসিন্দা ও দর্শনার্থী—তিন শ্রেণিকেই আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বোঝা যায়, সৌদি আরবের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা শুধু স্থায়ী জনগোষ্ঠী নয়, দেশে আসা দর্শনার্থীদের সেবাও বিবেচনায় নিচ্ছে। প্রশিক্ষণ ও আধুনিকায়ন—এই দুই স্তম্ভের ওপর সেবার মান উন্নয়নের কাজ এগিয়েছে।
স্বাস্থ্য রূপান্তর উদ্যোগের কৌশলগত লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে রাজ্যের গড় আয়ু ৮০ বছরে উন্নীত করা। ২০২৪ সালে যা ৭৮ দশমিক ৮ বছরে দাঁড়িয়েছে। লক্ষ্য থেকে এখন বাকি ১ দশমিক ২ বছর। ২০৩০ সালের মধ্যে এই লক্ষ্য পূরণ সম্ভব হবে কি? কর্মসূচির তথ্য অনুযায়ী ২০১৬ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত আট বছরে ৪ দশমিক ৮ বছরের বৃদ্ধি হয়েছে, যা লক্ষ্যের দিকে ধারাবাহিক অগ্রগতি দেখায়।
প্রতিবেদনে গড় আয়ুর হিসাব দুটি নির্দিষ্ট বছরের মধ্যে তুলনা করে দেওয়া হয়েছে—২০১৬ সালের ৭৪ বছর এবং ২০২৪ সালের ৭৮ দশমিক ৮ বছর। এই তুলনার ভিত্তিতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য খাত রূপান্তর কর্মসূচি এই বৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে। কর্মসূচির তথ্যের বরাতেই এসপিএ এই অগ্রগতির কথা জানিয়েছে।
প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার মধ্যে খাদ্যপণ্যের ক্ষতিকর উপাদান কমানোর কথা বলা হয়েছে। হাইড্রোজেনেটেড তেল ও অতিরিক্ত লবণ—এই দুটি উপাদানের কথা প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি রোগে আগাম স্ক্রিনিংয়ের কথা বলা হয়েছে, যেখানে ডায়াবেটিস, স্থূলতা ও ক্যান্সারের নাম আছে। এসব উদ্যোগ প্রতিরোধ এবং চিকিৎসার বিকল্প উন্নয়নে বাড়তি মনোযোগের অংশ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
চিকিৎসা সেবার দিক থেকে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ কী কী করেছে? এসপিএ জানিয়েছে, পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণ এবং রোগনির্ণয় ও চিকিৎসা সেবার আধুনিকায়ন করা হয়েছে। এর ফলে জনস্বাস্থ্য সূচক ও সার্বিক জীবনমান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে। নাগরিক, বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের জন্য সেবার দক্ষতা ও গুণমান বাড়ানোর কাজও চলেছে।
গড় আয়ু বৃদ্ধির এই ধারা স্বাস্থ্য রূপান্তর উদ্যোগের কৌশলগত লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০ বছরে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। ২০২৪ সালের ৭৮ দশমিক ৮ বছরের হিসাব সেই লক্ষ্যের কতটা কাছে, তা কি পরিষ্কার? লক্ষ্য থেকে ব্যবধান এখন ১ দশমিক ২ বছর।
প্রতিবেদনে ২০১৬ সালের আগের বা ২০২৪ সালের পরের কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। গড় আয়ুর হিসাব কোন পদ্ধতিতে বা কোন সংস্থার পরিমাপে নির্ধারিত হয়েছে, তাও উল্লেখ নেই। খাদ্যপণ্যে ক্ষতিকর উপাদান কমানোর নির্দিষ্ট মাত্রা বা আগাম স্ক্রিনিংয়ের সংখ্যাগত তথ্যও প্রতিবেদনে নেই। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীদের সংখ্যা বা আধুনিকায়িত সেবার পরিমাণও উল্লেখ করা হয়নি।
স্বাস্থ্য খাত রূপান্তর কর্মসূচির আওতায় এই অগ্রগতির কথা জানানো হলেও প্রতিবেদনে কর্মসূচির সূচনার নির্দিষ্ট তারিখ বা সময়সীমা দেওয়া হয়নি। শুধু ২০১৬ ও ২০২৪ সালের তুলনা এবং ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রার কথা বলা হয়েছে। এসপিএ-র এই প্রতিবেদনে গড় আয়ু বৃদ্ধির পেছনে কোন কোন নির্দিষ্ট কর্মসূচি কতটা ভূমিকা রেখেছে, তার আলাদা হিসাব নেই।
প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, এই অগ্রগতি ব্যাপক স্বাস্থ্যনীতির বাস্তবায়নের সরাসরি ফল। প্রতিরোধ ও চিকিৎসার বিকল্প—দুই দিকেই মনোযোগ দেওয়া হয়েছে। জনস্বাস্থ্য সূচক ও জীবনমানের উন্নতির কথা বলা হয়েছে। তবে এসব সূচকের মধ্যে কোনটি কতটা বদলেছে, তার বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে অনুপস্থিত।
গড় আয়ু ৭৪ থেকে ৭৮ দশমিক ৮ বছরে ওঠার এই পরিবর্তন আট বছরের হিসাব। ২০৩০ সালের লক্ষ্য ৮০ বছর। এই লক্ষ্য পূরণের জন্য বাকি সময়ে কী কী অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা প্রতিবেদনে বলা হয়নি। শুধু কৌশলগত লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণ ও রোগনির্ণয়-চিকিৎসা সেবার আধুনিকায়ন—এই দুটি দিক প্রতিবেদনে আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। নাগরিক, বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের সেবার কথা বলা হয়েছে। এসব কাজের ফলে জনস্বাস্থ্য সূচক উন্নত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তবে কোন সূচক কীভাবে বদলেছে, তার সংখ্যাগত বিবরণ নেই।
খাদ্যপণ্যে হাইড্রোজেনেটেড তেল ও অতিরিক্ত লবণ কমানোর কথা প্রতিবেদনে আছে। দীর্ঘমেয়াদি রোগে আগাম স্ক্রিনিংয়ের কথা আছে, যেখানে ডায়াবেটিস, স্থূলতা ও ক্যান্সারের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এসব প্রতিরোধমূলক উদ্যোগের ফলে গড় আয়ু বেড়েছে বলে কর্মসূচির তথ্যে বলা হয়েছে।
সৌদি আরবের স্বাস্থ্য খাত রূপান্তর কর্মসূচির এই অগ্রগতি ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রার দিকে এগিয়ে চলার চিত্র তুলে ধরে। ২০২৪ সালের ৭৮ দশমিক ৮ বছরের হিসাব এবং ২০৩০ সালের ৮০ বছরের লক্ষ্য—এই দুই তথ্যই প্রতিবেদনের মূল ভিত্তি। এর বাইরে অতিরিক্ত কোনো সংখ্যা বা সময়সূচি এসপিএ-র প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।
সৌদি আরবে গড় আয়ু কত বেড়েছে এবং কোন সময়ে? এসপিএ জানিয়েছে, ২০২৪ সালে সৌদি আরবের গড় আয়ু ৭৮ দশমিক ৮ বছরে পৌঁছেছে, যা ২০১৬ সালে ছিল ৭৪ বছর। অর্থাৎ আট বছরে ৪ দশমিক ৮ বছর বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য খাত রূপান্তর কর্মসূচির অবদানে এই বৃদ্ধি ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
গড় আয়ু বৃদ্ধির পেছনে কোন স্বাস্থ্যনীতির কথা বলা হয়েছে? কর্মসূচির তথ্য অনুযায়ী খাদ্যপণ্যে ক্ষতিকর উপাদান—হাইড্রোজেনেটেড তেল ও অতিরিক্ত লবণ—কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিস, স্থূলতা ও ক্যান্সারের মতো দীর্ঘমেয়াদি রোগে আগাম স্ক্রিনিং জোরদার করা হয়েছে। এসব প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ এবং চিকিৎসার বিকল্প উন্নয়নে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সেবার গুণমান উন্নয়নে কী কী কাজ হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, সৌদি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নাগরিক, বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের জন্য সেবার দক্ষতা ও গুণমান বাড়াতে কাজ করেছে। স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এবং রোগনির্ণয় ও চিকিৎসা সেবা আধুনিকায়ন করা হয়েছে। এতে জনস্বাস্থ্য সূচক ও সার্বিক জীবনমান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে।
২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা কী? স্বাস্থ্য রূপান্তর উদ্যোগের কৌশলগত লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে রাজ্যের গড় আয়ু ৮০ বছরে উন্নীত করা। ২০২৪ সালে তা ৭৮ দশমিক ৮ বছরে দাঁড়িয়েছে। লক্ষ্য থেকে এখন বাকি ১ দশমিক ২ বছর। এই অগ্রগতি ওই লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? প্রতিবেদনে ২০১৬ সালের আগের বা ২০২৪ সালের পরের গড় আয়ুর তথ্য নেই। গড় আয়ু কোন পদ্ধতিতে পরিমাপ করা হয়েছে, তাও উল্লেখ নেই। খাদ্যপণ্যে ক্ষতিকর উপাদান কমানোর নির্দিষ্ট মাত্রা, আগাম স্ক্রিনিংয়ের সংখ্যা বা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পেশাজীবীদের সংখ্যাও প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।





