Sunday, October 18, 2026
সামাজিক

আরব পলস ওয়েভে সৌদি রেড ক্রিসেন্টের পূর্বাঞ্চল শাখা প্রথম, রিয়াদ তৃতীয়

আরব পলস ওয়েভে সৌদি রেড ক্রিসেন্টের পূর্বাঞ্চল শাখা প্রথম, রিয়াদ তৃতীয়

আরব বিশ্বে কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন (সিপিআর) ও প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণে প্রথম স্থান অর্জন করেছে সৌদি রেড ক্রিসেন্ট অথরিটির (এসআরসিএ) পূর্বাঞ্চল শাখা, যেখানে ১০১,০৭১ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। একই উদ্যোগে তৃতীয় স্থান পেয়েছে রিয়াদের স্বেচ্ছাসেবক সাধারণ অধিদপ্তর, যারা প্রশিক্ষণ দিয়েছে ৩২,০৬৭ জনকে। দুটি ফল মিলিয়ে এসআরসিএ মোট ১৩৩,১৩৮ জনকে জীবনরক্ষাকারী দক্ষতায় প্রশিক্ষণ দিতে সক্ষম হয়েছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১৮ অক্টোবর ২০২৬-এ দাম্মাম থেকে জানিয়েছে, ওয়ার্ল্ড রিস্টার্ট আ হার্ট ডে উপলক্ষে আরব রিসাসিটেশন কাউন্সিল আয়োজিত «আরব পলস ওয়েভ» উদ্যোগে এই স্থান নির্ধারিত হয়।

প্রশিক্ষণের বিষয় ছিল সিপিআর ও প্রাথমিক চিকিৎসা। এসআরসিএ-র পূর্বাঞ্চল শাখা আরব বিশ্বে প্রথম হয়েছে ১০১,০৭১ জনকে প্রশিক্ষণ দিয়ে, আর রিয়াদের স্বেচ্ছাসেবক সাধারণ অধিদপ্তর তৃতীয় হয়েছে ৩২,০৬৭ জনকে প্রশিক্ষণ দিয়ে। এই দুই ধারার যোগফলেই ১৩৩,১৩৮ জনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে।

এসপিএ বলছে, এই শীর্ষস্থান কমিউনিটি-ভিত্তিক প্রশিক্ষণ বিস্তারে এসআরসিএ-র কাজের প্রতিফলন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে জনসাধারণ যাতে কার্যকরভাবে সাড়া দিতে পারে সেজন্য মানুষকে জীবনরক্ষাকারী ও প্রাথমিক চিকিৎসার দক্ষতা দিয়ে সজ্জিত করার লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

একটি আরব-বিস্তৃত উদ্যোগে একটি জাতীয় সংস্থার আঞ্চলিক শাখা প্রথম আর রাজধানীর স্বেচ্ছাসেবক বিভাগ তৃতীয়—এই দুই অবস্থান একসঙ্গে কী বোঝায়? প্রশিক্ষণের সংখ্যা যখন লক্ষ ছাড়িয়ে যায়, তখন শহরের বাইরের জেলা ও গ্রামে সেই দক্ষতা কতটা পৌঁছায়? আরব পলস ওয়েভের মতো উদ্যোগে অংশ নেওয়া মানে কি শুধু প্রতিযোগিতা, নাকি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময়ও?

ওয়ার্ল্ড রিস্টার্ট আ হার্ট ডে উপলক্ষে এই উদ্যোগ আয়োজন করেছে আরব রিসাসিটেশন কাউন্সিল। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর দ্রুত সিপিআর শুরু করতে পারলে বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে—এই বার্তা ছড়িয়ে দিতে বিশ্বজুড়ে এই দিন পালিত হয়। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সাধারণ মানুষই অনেক সময় হাসপাতালে পৌঁছানোর আগে প্রথম সাড়া দেন।

এসআরসিএ-র পূর্বাঞ্চল শাখার ১০১,০৭১ জনের সংখ্যা এককভাবে আরব বিশ্বে সর্বোচ্চ। রিয়াদের স্বেচ্ছাসেবক সাধারণ অধিদপ্তরের ৩২,০৬৭ জন তৃতীয় স্থানে রেখেছে। দুই সংখ্যা যোগ করলে ১৩৩,১৩৮ জন—এই হিসাব এসপিএ-র প্রতিবেদনে সরবরাহ করা হয়েছে।

প্রশিক্ষণের ধরন কী ছিল? এসপিএ বলছে, বিষয় দুটি—সিপিআর ও প্রাথমিক চিকিৎসা। কে প্রশিক্ষণ দিয়েছে বা প্রশিক্ষণ কত দিনের ছিল, তা প্রতিবেদনে বলা হয়নি। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম কবে শুরু হয়েছিল বা কত সময় ধরে চলেছিল, সেই সময়সীমাও উল্লেখ নেই।

একটি আরব উদ্যোগে সৌদি আরবের দুই ভিন্ন প্রতিষ্ঠান—একটি আঞ্চলিক শাখা ও একটি রাজধানীভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবক বিভাগ—একসঙ্গে শীর্ষ তিনে থাকা কি দেশজুড়ে সমন্বিত প্রশিক্ষণ কাঠামোর ইঙ্গিত দেয়? স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকা সিপিআর প্রশিক্ষণে কতটা বাড়ছে? জরুরি অবস্থায় সাধারণ মানুষের হস্তক্ষেপের হার বাড়লে হাসপাতালের বাইরে হৃদরোগে মৃত্যু কমবে কি?

এসআরসিএ-র লক্ষ্য কমিউনিটি-ভিত্তিক প্রশিক্ষণ বিস্তার করা এবং মানুষকে জীবনরক্ষাকারী ও প্রাথমিক চিকিৎসার দক্ষতায় সজ্জিত করা, যাতে জনসাধারণ জরুরি পরিস্থিতিতে কার্যকরভাবে সাড়া দিতে পারে। এসপিএ-র ভাষ্যে, এই শীর্ষস্থান সেই লক্ষ্যের প্রতি সংস্থার কাজের প্রতিফলন।

আরব রিসাসিটেশন কাউন্সিলের আয়োজনে আরব পলস ওয়েভ উদ্যোগে কতটি দেশ অংশ নিয়েছিল, তা প্রতিবেদনে বলা হয়নি। অন্য দেশগুলোর প্রশিক্ষণ সংখ্যা বা তাদের অবস্থানও উল্লেখ নেই। ফলে প্রথম ও তৃতীয় স্থানের ব্যবধান কতটা, তা জানা যায় না।

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১৩৩,১৩৮ জনের মধ্যে কতজন পরে বাস্তবে সিপিআর প্রয়োগ করেছেন, বা প্রশিক্ষণের পর দক্ষতা ধরে রেখেছেন কি না—এমন তথ্য প্রতিবেদনে নেই। প্রশিক্ষণের স্থান, অংশগ্রহণকারীদের বয়স বা পেশার বিভাজনও দেওয়া হয়নি।

তবু একটি বিষয় স্পষ্ট: আরব বিশ্বে সিপিআর ও প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণে সৌদি আরবের দুই প্রতিষ্ঠান শীর্ষ তিনে থাকা মানে এই দক্ষতা ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে দেশটি এগিয়ে। প্রশিক্ষণের সংখ্যা বাড়লে জরুরি অবস্থায় প্রথম সাড়া দেওয়ার সক্ষমতাও বাড়ে—এই যুক্তিতেই কমিউনিটি-ভিত্তিক প্রশিক্ষণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এসআরসিএ-র পূর্বাঞ্চল শাখা ও রিয়াদের স্বেচ্ছাসেবক সাধারণ অধিদপ্তরের এই অর্জন ওয়ার্ল্ড রিস্টার্ট আ হার্ট ডে-র বার্তার সঙ্গে মিলে যায়—হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার মুহূর্তে দ্রুত পদক্ষেপই জীবন বাঁচায়। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মানুষের সংখ্যা যত বাড়ে, তত বেশি জায়গায় সেই দ্রুত পদক্ষেপের সম্ভাবনা তৈরি হয়।

প্রতিবেদনে পুরস্কার বা স্বীকৃতির ধরন, অনুষ্ঠান কোথায় হয়েছে বা কে উপস্থিত ছিলেন—এসবও বলা হয়নি। শুধু স্থান, প্রশিক্ষণের বিষয় ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মানুষের সংখ্যা এসপিএ-র প্রতিবেদনে রয়েছে।

সৌদি আরবের দুই প্রতিষ্ঠানের এই সাফল্য আরব পলস ওয়েভ উদ্যোগে দেশটির উপস্থিতিকে তুলে ধরে। কমিউনিটি-ভিত্তিক প্রশিক্ষণ বিস্তারে এসআরসিএ-র কাজ এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সম্পৃক্ততা—দুটি ধারা একসঙ্গে ১৩৩,১৩৮ জনকে জীবনরক্ষাকারী দক্ষতায় প্রশিক্ষণ দিয়েছে। জরুরি অবস্থায় সাধারণ মানুষের সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা বাড়ানোই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

আরব পলস ওয়েভ উদ্যোগে সৌদি রেড ক্রিসেন্টের অর্জন কী? আরব রিসাসিটেশন কাউন্সিল আয়োজিত আরব পলস ওয়েভ উদ্যোগে এসআরসিএ-র পূর্বাঞ্চল শাখা আরব বিশ্বে প্রথম স্থান পেয়েছে ১০১,০৭১ জনকে সিপিআর ও প্রাথমিক চিকিৎসায় প্রশিক্ষণ দিয়ে। রিয়াদের স্বেচ্ছাসেবক সাধারণ অধিদপ্তর তৃতীয় হয়েছে ৩২,০৬৭ জনকে প্রশিক্ষণ দিয়ে। দুই ধারা মিলিয়ে এসআরসিএ মোট ১৩৩,১৩৮ জনকে জীবনরক্ষাকারী দক্ষতায় প্রশিক্ষণ দিয়েছে বলে এসপিএ জানিয়েছে।

এই উদ্যোগ কে আয়োজন করেছে এবং কোন উপলক্ষে? উদ্যোগটি আয়োজন করেছে আরব রিসাসিটেশন কাউন্সিল, ওয়ার্ল্ড রিস্টার্ট আ হার্ট ডে উপলক্ষে। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর দ্রুত সিপিআর শুরু করার গুরুত্ব ছড়িয়ে দিতে এই দিন পালিত হয়। এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উপলক্ষেই আরব পলস ওয়েভ উদ্যোগে অংশ নিয়ে সৌদি রেড ক্রিসেন্ট অথরিটি প্রথম ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।

প্রশিক্ষণের বিষয় ও সংখ্যা কী ছিল? প্রশিক্ষণের বিষয় ছিল সিপিআর ও প্রাথমিক চিকিৎসা। এসআরসিএ-র পূর্বাঞ্চল শাখা ১০১,০৭১ জনকে এবং রিয়াদের স্বেচ্ছাসেবক সাধারণ অধিদপ্তর ৩২,০৬৭ জনকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। দুই সংখ্যা যোগ করলে মোট ১৩৩,১৩৮ জন হয়। এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্রশিক্ষণের সময়সীমা, স্থান বা অংশগ্রহণকারীদের বিভাজন উল্লেখ করা হয়নি।

এই অর্জনের তাৎপর্য কী? এসপিএ বলছে, এই শীর্ষস্থান কমিউনিটি-ভিত্তিক প্রশিক্ষণ বিস্তারে এসআরসিএ-র কাজের প্রতিফলন এবং মানুষকে জীবনরক্ষাকারী ও প্রাথমিক চিকিৎসার দক্ষতায় সজ্জিত করার লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সাধারণ মানুষ জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে পারেন। আরব বিশ্বে সিপিআর প্রশিক্ষণে সৌদি আরবের দুই প্রতিষ্ঠান শীর্ষ তিনে থাকা এই ক্ষেত্রে দেশটির উপস্থিতি তুলে ধরে।

প্রতিবেদনে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? আরব পলস ওয়েভ উদ্যোগে কতটি দেশ অংশ নিয়েছিল, অন্য দেশগুলোর প্রশিক্ষণ সংখ্যা বা অবস্থান, প্রথম ও তৃতীয় স্থানের ব্যবধান—এসব প্রতিবেদনে নেই। প্রশিক্ষণের সময়সীমা, স্থান, অংশগ্রহণকারীদের বিভাজন, পুরস্কারের ধরন বা অনুষ্ঠানের স্থানও উল্লেখ করা হয়নি। শুধু স্থান, প্রশিক্ষণের বিষয় ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মানুষের সংখ্যা এসপিএ-র প্রতিবেদনে দেওয়া হয়েছে।