কুয়ালালামপুরের আম্পাং এলাকার নুরুল ইসলাম মসজিদে রমজান মাস উপলক্ষে রোজাদারদের জন্য প্রতিদিনের ইফতার আয়োজনের কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে সৌদি আরবের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স, দাওয়াহ এবং গাইডেন্স মন্ত্রণালয়।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৫ মার্চ ২০২৫ তারিখে জানিয়েছে, টু হোলি মস্কসের কাস্টোডিয়ানের ইফতার প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত ধর্মীয় অ্যাটাশে এই কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মালয়েশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মসজিদ হিসেবে পরিচিত নুরুল ইসলাম মসজিদে এই ইফতার ভোজের আয়োজন করা হয়।
এই বিশেষ ইফতার অনুষ্ঠানে মসজিদের ইমামসহ মোট ৫০০ জন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন। এই ধরনের উদ্যোগগুলো কীভাবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধি করে? মালয়েশিয়ার মতো দেশে সৌদি আরবের এই মানবিক কার্যক্রমের প্রভাব কতটুকু হতে পারে? রোজাদারদের জন্য প্রতিদিনের এই খাবারের ব্যবস্থা কীভাবে স্থানীয় কমিউনিটির সাথে সম্পর্ক মজবুত করে? এই আয়োজনের মাধ্যমে ধর্মীয় সংহতি কতটা বৃদ্ধি পায়? এই কর্মসূচির মাধ্যমে কতজন মানুষ উপকৃত হচ্ছেন? এই উদ্যোগটি কি আগামী বছরগুলোতেও অব্যাহত থাকবে?
বিজ্ঞপ্তিতে ইফতারের মেনু, নির্দিষ্ট বাজেট বা এই কর্মসূচির মোট সময়সীমা সম্পর্কে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
মালয়েশিয়ায় ইফতার কর্মসূচিটি কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে? এই ইফতার কর্মসূচিটি কুয়ালালামপুরের আম্পাং এলাকায় অবস্থিত নুরুল ইসলাম মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা মালয়েশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মসজিদ। সৌদি আরবের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স, দাওয়াহ এবং গাইডেন্স মন্ত্রণালয় এই আয়োজনের দায়িত্বে ছিল।
এই ইফতার অনুষ্ঠানে কতজন অংশগ্রহণ করেছেন? নুরুল ইসলাম মসজিদে আয়োজিত এই ইফতার ভোজ অনুষ্ঠানে মসজিদের ইমামসহ মোট ৫০০ জন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেছেন। এটি টু হোলি মস্কসের কাস্টোডিয়ানের ইফতার প্রোগ্রামের একটি অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়।
এই কর্মসূচির তত্ত্বাবধান কে করছেন? মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত সৌদি আরবের ধর্মীয় অ্যাটাশে এই কর্মসূচির প্রতিনিধিত্ব করছেন। এটি ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স, দাওয়াহ এবং গাইডেন্স মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত একটি দৈনিক ইফতার কার্যক্রম।