মক্কা ও মদিনায় ২৭তম রাতে ৩,১৬,৪৮২ জন সুবিধাভোগীকে সেবা দিয়েছে হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের উপহার চ্যারিটেবল অ্যাসোসিয়েশন “হাদিয়াহ”।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৮ মার্চ ২০২৫-এ জানিয়েছে, মক্কা, মদিনা ও সীমান্ত ক্রসিংয়ে থাকা তাদের যোগাযোগ কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে ওমরাহ পালনকারী ও দর্শনার্থীদের সেবা দিতে এই কার্যক্রম চলে।
সংস্থাটি বলেছে, এই বরকতময় রাতে ওমরাহ পালনকারী ও ইবাদতকারীদের আচার পালনে সহায়তা ও সুবিধা দিতে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি ও সেবা দেওয়া হয়।
সেবার মধ্যে ছিল ইফতার খাবার, ঠান্ডা পানির বোতল ও জমজমের পানি বিতরণ, আতিথেয়তা ও সৌদি কফি, ইবাদতকারীদের পক্ষে কাফফারা সম্পাদন, আরামের জন্য ম্যাসাজ চেয়ার সরবরাহ এবং মসজিদে নববীর কেন্দ্রে হারিয়ে যাওয়া শিশুদের দেখাশোনা।
হাদিয়াহ বলেছে, দুই পবিত্র মসজিদের সেবা করা এবং তাদের দর্শনার্থীদের যত্ন নেওয়া তাদের জন্য সম্মান ও দায়িত্ব, যা প্রতিষ্ঠার পর থেকে তারা ধরে রেখেছে।
হাদিয়াহ হলো ওমরাহ পালনকারী ও দর্শনার্থীদের সেবায় নিবেদিত প্রথম বিশেষায়িত সৌদি চ্যারিটি। সংস্থাটি তাদের কর্মসূচি ও সেবা সমর্থনে আগ্রহীদের অনলাইন স্টোর HGC.org.sa অথবা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে স্বাগত জানায়।
রমজানের ২৭তম রাত মুসলিম বিশ্বে বিশেষ তাৎপর্যের। এই রাতে মক্কা ও মদিনায় বিপুল সংখ্যক ওমরাহ পালনকারী ও ইবাদতকারী সমবেত হন।
এমন ব্যস্ত সময়ে ইফতার, পানি বিতরণ ও চিকিৎসা-সহায়ক সেবা কীভাবে সমন্বয় করা হয়? হাদিয়াহ জানিয়েছে, মক্কা, মদিনা ও সীমান্ত ক্রসিংয়ে তাদের যোগাযোগ কেন্দ্রগুলো দিয়ে এই সেবা দেওয়া হয়।
৩,১৬,৪৮২ জন সুবিধাভোগীর হিসাব এক রাতের সেবার। এই সংখ্যা কীভাবে যাচাই করা হয়, তা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়নি।
জমজমের পানি ও ঠান্ডা পানির বোতল বিতরণ রমজানের তীব্র গরমে তৃষ্ণা মেটাতে সহায়ক। ইফতার খাবারও দেওয়া হয়।
ইবাদতকারীদের পক্ষে কাফফারা সম্পাদন একটি বিশেষ সেবা। এর বিস্তারিত পদ্ধতি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ নেই।
ম্যাসাজ চেয়ার সরবরাহ আরামের জন্য। মসজিদে নববীর কেন্দ্রে হারিয়ে যাওয়া শিশুদের দেখাশোনাও সেবার অন্তর্ভুক্ত।
দুই পবিত্র মসজিদের সেবা ও দর্শনার্থীদের যত্নকে হাদিয়াহ সম্মান ও দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই দায়িত্ব তারা ধরে রেখেছে বলে জানিয়েছে।
হাদিয়াহ প্রথম বিশেষায়িত সৌদি চ্যারিটি, যা ওমরাহ পালনকারী ও দর্শনার্থীদের সেবায় নিবেদিত।
আগ্রহীরা অনলাইন স্টোর HGC.org.sa অথবা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সংস্থার কর্মসূচি ও সেবা সমর্থন করতে পারেন।
২৭তম রাতে সেবার পরিধি বোঝা যায় সেবার ধরন দেখে। ইফতার, পানি, কফি, কাফফারা, ম্যাসাজ চেয়ার ও শিশুদের দেখাশোনা—এসবই একসঙ্গে দেওয়া হয়েছে।
সীমান্ত ক্রসিংয়ে যোগাযোগ কেন্দ্র থাকার অর্থ, মক্কা-মদিনায় পৌঁছানোর আগেই ওমরাহ পালনকারীরা সেবা পেতে পারেন।
তবে কোন সীমান্ত ক্রসিংয়ে কতজন সেবা পেয়েছেন, তা বিজ্ঞপ্তিতে আলাদা করে বলা হয়নি।
মক্কা ও মদিনার মধ্যে সেবার বণ্টনও আলাদা করে উল্লেখ নেই। শুধু মোট সুবিধাভোগীর সংখ্যা ৩,১৬,৪৮২ বলা হয়েছে।
রমজানের শেষ দশকের রাতে ওমরাহ পালনকারীর সংখ্যা বাড়ে। ২৭তম রাত সেই ব্যস্ততার একটি চূড়া।
এমন পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক ও কর্মীর সংখ্যা কত ছিল? বিজ্ঞপ্তিতে তা বলা হয়নি।
ইফতার খাবারের পরিমাণ বা পানির বোতলের সংখ্যাও উল্লেখ নেই।
কাফফারা সম্পাদনের সংখ্যাও আলাদা করে বলা হয়নি।
ম্যাসাজ চেয়ার কতটি ছিল, তাও জানানো হয়নি।
হারিয়ে যাওয়া শিশুদের সংখ্যা বা তাদের অভিভাবকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়াও বিস্তারিত বলা হয়নি।
তবে মসজিদে নববীর কেন্দ্রে শিশুদের দেখাশোনার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।
হাদিয়াহর সেবা শুধু এক রাতের নয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এটি তাদের চলমান প্রচেষ্টার অংশ।
মক্কা, মদিনা ও সীমান্ত ক্রসিংয়ে যোগাযোগ কেন্দ্র দিয়ে এই চলমান সেবা দেওয়া হয়।
দুই পবিত্র মসজিদের সেবা ও দর্শনার্থীদের যত্ন হাদিয়াহর প্রতিষ্ঠালগ্নের দায়িত্ব।
সংস্থাটি প্রথম বিশেষায়িত সৌদি চ্যারিটি, যা এই সেবায় নিবেদিত।
অনলাইন স্টোর HGC.org.sa-তে আগ্রহীরা সংস্থার কর্মসূচি ও সেবা সমর্থন করতে পারেন।
ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেও সহায়তা করা যায়।
২৭তম রাতে ৩,১৬,৪৮২ জন সুবিধাভোগীর মধ্যে কতজন ওমরাহ পালনকারী, কতজন ইবাদতকারী বা দর্শনার্থী—তা বিজ্ঞপ্তিতে আলাদা করা হয়নি।
সেবার সময়সূচি বা স্থায়িত্বও উল্লেখ নেই।
কোন সেবা কতজন পেয়েছেন, তার বিভাজনও দেওয়া হয়নি।
তবে সেবার তালিকা স্পষ্ট: ইফতার, ঠান্ডা পানি ও জমজমের পানি, আতিথেয়তা ও সৌদি কফি, কাফফারা, ম্যাসাজ চেয়ার এবং হারিয়ে যাওয়া শিশুদের দেখাশোনা।
এসপিএ জানিয়েছে, এই সেবা মক্কা, মদিনা ও সীমান্ত ক্রসিংয়ে দেওয়া হয়।
হাদিয়াহ প্রতিষ্ঠার পর থেকে দুই পবিত্র মসজিদের সেবা ও দর্শনার্থীদের যত্নকে সম্মান ও দায়িত্ব হিসেবে ধরে রেখেছে।
সংস্থাটি আগ্রহীদের অনলাইন স্টোর ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে মূল্য, স্বেচ্ছাসেবক সংখ্যা, সেবার সময়সূচি বা সুবিধাভোগীদের বিভাজন নেই।
২৭তম রাতে হাদিয়াহ কী কী সেবা দিয়েছে? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, সেবার মধ্যে ছিল ইফতার খাবার, ঠান্ডা পানির বোতল ও জমজমের পানি বিতরণ, আতিথেয়তা ও সৌদি কফি, ইবাদতকারীদের পক্ষে কাফফারা সম্পাদন, আরামের জন্য ম্যাসাজ চেয়ার সরবরাহ এবং মসজিদে নববীর কেন্দ্রে হারিয়ে যাওয়া শিশুদের দেখাশোনা। এসব সেবা মক্কা, মদিনা ও সীমান্ত ক্রসিংয়ে থাকা যোগাযোগ কেন্দ্রের মাধ্যমে দেওয়া হয়।
কতজন সুবিধাভোগী সেবা পেয়েছেন? এসপিএ জানিয়েছে, ২৭তম রাতে হাদিয়াহ ৩,১৬,৪৮২ জন সুবিধাভোগীকে সেবা দিয়েছে। এটি তাদের চলমান প্রচেষ্টার অংশ, যা মক্কা, মদিনা ও সীমান্ত ক্রসিংয়ে যোগাযোগ কেন্দ্র দিয়ে দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে সুবিধাভোগীদের মধ্যে ওমরাহ পালনকারী, ইবাদতকারী বা দর্শনার্থীদের আলাদা বিভাজন দেওয়া হয়নি।
হাদিয়াহ কী ধরনের সংস্থা? হাদিয়াহ হলো হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের উপহার চ্যারিটেবল অ্যাসোসিয়েশন। এসপিএ জানিয়েছে, এটি ওমরাহ পালনকারী ও দর্শনার্থীদের সেবায় নিবেদিত প্রথম বিশেষায়িত সৌদি চ্যারিটি। সংস্থাটি দুই পবিত্র মসজিদের সেবা ও তাদের দর্শনার্থীদের যত্নকে সম্মান ও দায়িত্ব হিসেবে ধরে রেখেছে, যা প্রতিষ্ঠার পর থেকে তারা পালন করে আসছে।
আগ্রহীরা কীভাবে সহায়তা করতে পারেন? এসপিএ জানিয়েছে, হাদিয়াহ তাদের কর্মসূচি ও সেবা সমর্থনে আগ্রহীদের অনলাইন স্টোর HGC.org.sa অথবা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে স্বাগত জানায়। সংস্থাটি ওমরাহ পালনকারী ও দর্শনার্থীদের সেবায় নিবেদিত প্রথম বিশেষায়িত সৌদি চ্যারিটি। বিজ্ঞপ্তিতে সহায়তার নির্দিষ্ট পরিমাণ বা শর্ত উল্লেখ করা হয়নি।
সেবা কোথায় দেওয়া হয়? এসপিএ জানিয়েছে, হাদিয়াহ মক্কা, মদিনা ও সীমান্ত ক্রসিংয়ে থাকা তাদের যোগাযোগ কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে সেবা দেয়। ২৭তম রাতে এই কেন্দ্রগুলো দিয়ে ৩,১৬,৪৮২ জন সুবিধাভোগী সেবা পেয়েছেন। সেবার মধ্যে ইফতার, পানি বিতরণ, আতিথেয়তা, কাফফারা, ম্যাসাজ চেয়ার ও হারিয়ে যাওয়া শিশুদের দেখাশোনা অন্তর্ভুক্ত।
বিজ্ঞপ্তিতে কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ-র বিজ্ঞপ্তিতে মূল্য, স্বেচ্ছাসেবক সংখ্যা, সেবার সময়সূচি বা সুবিধাভোগীদের বিভাজন নেই। কোন সীমান্ত ক্রসিংয়ে কতজন সেবা পেয়েছেন বা মক্কা ও মদিনার মধ্যে সেবার বণ্টন কী, তাও আলাদা করে বলা হয়নি। ইফতার খাবার, পানির বোতল, কাফফারা বা ম্যাসাজ চেয়ারের সংখ্যাও উল্লেখ করা হয়নি।