জেদ্দায় অনুষ্ঠিত গালফ ফুটবল ফেডারেশনের (জিএফএফ) নির্বাহী কমিটির এক সভায় ২৮তম আরবিয়ান গালফ কাপের আয়োজক হিসেবে ইরাককে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে খালিজি আরাবিয়ান দিয়ার ২৭-এর সমান্তরালে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, সভায় সভাপতিত্ব করেন জিএফএফ সভাপতি শেখ হামাদ বিন খলিফা বিন আহমেদ আল থানি এবং এতে নির্বাহী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় ইরাকি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজক হওয়ার প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হয়, যা সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর মধ্যে একমাত্র জমা দেওয়া প্রস্তাব ছিল। নির্বাহী কমিটি প্রস্তাবটি অনুমোদন করে জিএফএফের নিয়ম ও মানদণ্ড অনুযায়ী ইরাককে টুর্নামেন্ট আয়োজনের অধিকার প্রদান করে।
এই সিদ্ধান্তের আওতায় ইরাকি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জিএফএফকে আয়োজক শহরের নাম জানাতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক শর্ত ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তাহলে আয়োজক শহর কে হবে, তা নিয়ে এখনই আলোচনা শুরু হয়ে গেছে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
জিএফএফের এই সিদ্ধান্ত সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা ও সমন্বয় জোরদার করার প্রতিফলন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এর মাধ্যমে উপসাগরীয় ফুটবল প্রতিযোগিতাগুলো আরও বিকশিত হবে এবং সেগুলোর আয়োজনকে সহায়তা করা হবে, যাতে প্রতিযোগিতার অবস্থান আরও উন্নত হয়। কিন্তু এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবে কতটা রূপ নেবে, সেটাই এখন মূল প্রশ্ন।
উপসাগরীয় অঞ্চলের ফুটবলে আরবিয়ান গালফ কাপ একটি পরিচিত প্রতিযোগিতা। ২৮তম সংস্করণের আয়োজক নির্ধারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর মধ্যে একমাত্র ইরাকই প্রস্তাব জমা দিয়েছিল, যা নির্বাহী কমিটির সভায় পর্যালোচনার পর অনুমোদিত হয়। ইরাকের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এখন আয়োজক শহর নির্ধারণসহ বাকি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দায়িত্ব পেয়েছে। আয়োজক শহর কবে নিশ্চিত হবে, তা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ কম নয়।
জেদ্দায় অনুষ্ঠিত এই সভা খালিজি আরাবিয়ান দিয়ার ২৭-এর সমান্তরালে অনুষ্ঠিত হয়। জিএফএফ সভাপতি শেখ হামাদ বিন খলিফা বিন আহমেদ আল থানির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নির্বাহী কমিটির সদস্যরা অংশ নেন। সভার এজেন্ডায় ইরাকের প্রস্তাব ছাড়াও সংস্থার সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা ও সমন্বয়ের বিষয়টি ছিল। এই ধরনের সভা উপসাগরীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে কতটা ভূমিকা রাখে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকতেই পারে।
জিএফএফের নিয়ম ও মানদণ্ড অনুযায়ী আয়োজক নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ইরাকি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জিএফএফকে আয়োজক শহরের নাম জানাতে হবে। এরপর সাংগঠনিক শর্ত ও প্রক্রিয়া পূরণ করতে হবে। এই সময়সীমা কত দিনের, তা অবশ্য এসপিএর প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়নি। আয়োজক শহর নির্ধারণে ইরাকের ভেতরে কোন শহরগুলো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, সে বিষয়েও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তকে জিএফএফ সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা ও সমন্বয় জোরদার করার প্রতিফলন হিসেবে বর্ণনা করেছে। সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, এর মাধ্যমে উপসাগরীয় ফুটবল প্রতিযোগিতাগুলোর আরও উন্নয়ন হবে এবং আয়োজনে সহায়তা দেওয়া হবে, যাতে প্রতিযোগিতার অবস্থান উন্নত হয়। কিন্তু প্রতিযোগিতার মান উন্নয়নে আয়োজক পরিবর্তনই একমাত্র উপায় কি না, সেটাও ভেবে দেখার বিষয়।
২৮তম আরবিয়ান গালফ কাপের আয়োজক হিসেবে ইরাকের অনুমোদন উপসাগরীয় ফুটবলে একটি পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। এর আগে এই প্রতিযোগিতা বিভিন্ন সদস্য দেশে আয়োজিত হয়েছে। এবার ইরাক সেই তালিকায় যুক্ত হলো। তবে টুর্নামেন্টের তারিখ, অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বা ভেন্যু নিয়ে এখনো কিছু নিশ্চিত হয়নি। এসব বিষয়ে জিএফএফ পরে ঘোষণা দেবে বলে ধরে নেওয়া যায়। আয়োজক শহর ঘোষণার পর পরিকল্পনা কত দ্রুত এগোবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
জিএফএফের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইরাকি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে সংস্থার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আয়োজক শহরের নাম জানাতে হবে। এর বাইরে সাংগঠনিক শর্ত ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দায়িত্বও তার কাছেই রয়েছে। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে অবকাঠামো, নিরাপত্তা ও লজিস্টিক ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত কি না, তা স্পষ্ট নয়। এসপিএর প্রতিবেদনে এসব বিষয়ে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
উপসাগরীয় ফুটবল প্রতিযোগিতার ইতিহাসে আরবিয়ান গালফ কাপের গুরুত্ব কম নয়। এই প্রতিযোগিতা অঞ্চলের দলগুলোর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সহযোগিতার একটি মঞ্চ। ২৮তম সংস্করণের আয়োজক নির্ধারণ সেই ধারাবাহিকতারই অংশ। ইরাকের আয়োজক হওয়ার সিদ্ধান্ত সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কতটা চ্যালেঞ্জ থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।
জেদ্দার সভায় নির্বাহী কমিটি ইরাকের প্রস্তাব পর্যালোচনা করে তা অনুমোদন করে। সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর মধ্যে একমাত্র ইরাকই প্রস্তাব জমা দিয়েছিল। এর মানে হলো, প্রতিযোগিতার আয়োজক নির্ধারণে অন্য কোনো সদস্য দেশ আগ্রহ দেখায়নি। এই পরিস্থিতিতে ইরাকের ওপর আয়োজনের দায়িত্ব এসেছে। আয়োজনের প্রস্তুতি কতটা সময় নেবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
জিএফএফ জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা ও সমন্বয় জোরদার করার প্রতিফলন। সংস্থার লক্ষ্য উপসাগরীয় ফুটবল প্রতিযোগিতাগুলোর উন্নয়ন এবং আয়োজনে সহায়তা করা, যাতে প্রতিযোগিতার অবস্থান উন্নত হয়। ইরাকের আয়োজক হওয়ার মধ্য দিয়ে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের একটি ধাপ সম্পন্ন হলো। তবে প্রতিযোগিতার মান উন্নয়নে আরও কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা নিয়ে জিএফএফের পরবর্তী ঘোষণার অপেক্ষা থাকবে।
এসপিএর প্রতিবেদনে টুর্নামেন্টের তারিখ, ভেন্যু, অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বা আয়োজক শহর নিয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। ইরাকি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন কবে জিএফএফকে আয়োজক শহরের নাম জানাবে, সেই সময়সীমাও উল্লেখ করা হয়নি। ফলে ২৮তম আরবিয়ান গালফ কাপের পূর্ণ চিত্র এখনো স্পষ্ট নয়। আয়োজক শহর ঘোষণার পরই বাকি বিবরণ জানা যাবে বলে ধরে নেওয়া যায়।
২৮তম আরবিয়ান গালফ কাপের আয়োজক হিসেবে কাকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে? জেদ্দায় অনুষ্ঠিত জিএফএফ নির্বাহী কমিটির সভায় ২৮তম আরবিয়ান গালফ কাপের আয়োজক হিসেবে ইরাককে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, সভাটি ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে খালিজি আরাবিয়ান দিয়ার ২৭-এর সমান্তরালে অনুষ্ঠিত হয়। সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর মধ্যে ইরাকি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রস্তাবই একমাত্র জমা দেওয়া প্রস্তাব ছিল।
সভায় কে সভাপতিত্ব করেন এবং কারা উপস্থিত ছিলেন? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, সভায় সভাপতিত্ব করেন জিএফএফ সভাপতি শেখ হামাদ বিন খলিফা বিন আহমেদ আল থানি। সভায় নির্বাহী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভাটি জেদ্দায় অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে ইরাকি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজক হওয়ার প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হয়। নির্বাহী কমিটি জিএফএফের নিয়ম ও মানদণ্ড অনুযায়ী প্রস্তাবটি অনুমোদন করে।
ইরাকি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে কী করতে হবে? সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইরাকি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জিএফএফকে আয়োজক শহরের নাম জানাতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক শর্ত ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এসপিএর প্রতিবেদনে সেই সময়সীমা কত দিনের, তা উল্লেখ করা হয়নি। আয়োজক শহর কোনটি হবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
জিএফএফ এই সিদ্ধান্তকে কীভাবে ব্যাখ্যা করেছে? জিএফএফ জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা ও সমন্বয় জোরদার করার প্রতিফলন। সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, এর মাধ্যমে উপসাগরীয় ফুটবল প্রতিযোগিতাগুলোর আরও উন্নয়ন হবে এবং আয়োজনে সহায়তা দেওয়া হবে, যাতে প্রতিযোগিতার অবস্থান উন্নত হয়। এসপিএর প্রতিবেদনে এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট সময়সূচি দেওয়া হয়নি।
টুর্নামেন্টের তারিখ বা ভেন্যু নিয়ে কী জানা গেছে? এসপিএর প্রতিবেদনে ২৮তম আরবিয়ান গালফ কাপের তারিখ, ভেন্যু বা অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা নিয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। শুধু জানানো হয়েছে, ইরাকি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আয়োজক শহরের নাম জানাতে হবে। আয়োজক শহর ঘোষণার পর বাকি বিবরণ জানা যাবে বলে ধরে নেওয়া যায়।





