তাবুক অঞ্চলের তাইমা গভর্নরেটের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত আল-নাসলায়া (Al-Naslaa) নামক দুটি পাশাপাশি পাথরের গঠন তার অনন্য ভূতাত্ত্বিক কাঠামোর জন্য পরিচিত। একটি সোজা ও সংকীর্ণ ফাটল দ্বারা বিভক্ত এই পাথরটিকে প্রায়ই ‘যমজ’ পাথর বলা হয়, যা দেখে মনে হয় এটি নিখুঁতভাবে বিভক্ত করা হয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১৪ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, আরবি শব্দ ‘নাসালাত’ (পৃথক করা) থেকে আল-নাসলায়া নামের উৎপত্তি হয়েছে, যা আশেপাশের পাহাড় থেকে এই পাথরের বিচ্ছিন্নতাকে নির্দেশ করে।
প্রায় আট মিটার উচ্চতার এই গঠনটি দুটি প্রাকৃতিক পাথরের ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এর অস্বাভাবিক ভূতাত্ত্বিক কাঠামোর পাশাপাশি পাথরের উপরিভাগে খোদাই করা প্রাচীন লিপি এবং শিল্পকর্ম একে তাইমার অন্যতম প্রধান পর্যটন আকর্ষণে পরিণত করেছে।
হেরিটেজ কমিশনের মতে, আল-নাসলায়া এমন একটি বিস্তৃত এলাকার মধ্যে অবস্থিত যা বৈচিত্র্যময় প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এবং শিলালিপির জন্য বিখ্যাত। উত্তর-পশ্চিম আরবের প্রাচীন বাণিজ্য পথগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিরতিস্থল ছিল তাইমা।
প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা গঠিত এই ভূখণ্ডটি তার অনন্য গঠন এবং সংরক্ষিত লিপিগুলোর মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক ঐতিহ্য তুলে ধরে। বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট কোনো তারিখ বা লিপিগুলোর বিস্তারিত বিষয় উল্লেখ নেই।