Tuesday, September 22, 2026
পর্যটন

তায়েফের পাহাড়ে হাইকিং পর্যটনের প্রসার

তায়েফের পাহাড়ে হাইকিং পর্যটনের প্রসার

তায়েফের আল-শাফা এবং সারওয়াত পর্বতমালা হাইকিং প্রেমীদের জন্য হাঁটা এবং অন্বেষণের এক উন্মুক্ত স্থান হয়ে উঠেছে, যেখানে প্রাচীন জুনিপার গাছ, সুগন্ধি উদ্ভিদ এবং পাথুরে গঠনের দৃশ্য দেখা যায়।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৮ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি হাইকিং খেলাটিকে বৈচিত্র্যময় করে তোলে, যেখানে পাহাড়ের চূড়ায় ওঠা, ঢাল বরাবর হাঁটা এবং সংকীর্ণ পথ অতিক্রম করার অভিজ্ঞতা ভিন্ন ভিন্ন হয়।

আল-শাফা এর পরিবেশগত বৈশিষ্ট্যের কারণে হাইকারদের অন্যতম প্রিয় গন্তব্য, যেখানে জুনিপার এবং তালাহ গাছ ও বন্য সুগন্ধি উদ্ভিদ ছড়িয়ে আছে। এই যাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা স্থানীয় গ্রাম, খামার, কৃষি ধাপ এবং পাথুরে দালানের মাধ্যমে এলাকার সংস্কৃতি ও ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারেন।

হাইকিং দলগুলো ওয়াদি জি গাজাল এবং ওয়াদি খামাসসহ আশেপাশের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করে। হাইকিং নির্দেশক ক্যাপ্টেন আদেল ফায়রক এসপিএ-কে জানিয়েছেন যে, তায়েফে অনুশীলনকারীদের জন্য অনেক বিকল্প রয়েছে।

প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট কোনো প্রবেশ মূল্য বা নির্ধারিত ভ্রমণের তারিখ উল্লেখ করা হয়নি।

তায়েফে হাইকিংয়ের প্রধান আকর্ষণগুলো কী কী? তায়েফের প্রধান আকর্ষণের মধ্যে রয়েছে আল-শাফার প্রাচীন জুনিপার ও তালাহ গাছ এবং সুগন্ধি বন্য উদ্ভিদ। এছাড়া সারওয়াত পর্বতমালার চূড়া থেকে সূর্যাস্তের দৃশ্য এবং বিভিন্ন পাথুরে গঠন হাইকারদের আকর্ষণ করে।

হাইকিংয়ের মাধ্যমে স্থানীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে কীভাবে জানা যায়? যাত্রাপথে অংশগ্রহণকারীরা স্থানীয় গ্রাম, খামার এবং প্রাচীন পাথুরে দালানের মধ্য দিয়ে যান। এর মাধ্যমে তারা পাহাড় ও উপত্যকার বাসিন্দাদের জীবনযাপন, কৃষি পদ্ধতি এবং পরিবেশগত সম্পদের ব্যবহারের ইতিহাস জানতে পারেন।

হাইকাররা সাধারণত কোন কোন এলাকায় ভ্রমণ করেন? হাইকিং দলগুলো প্রধানত আল-শাফা এবং সারওয়াত পর্বতমালার বিভিন্ন অংশে ভ্রমণ করেন। এছাড়া তারা ওয়াদি জি গাজাল এবং ওয়াদি খামাসসহ আশেপাশের বিভিন্ন উপত্যকা ও ঢালু পথে দূরত্ব অতিক্রম করেন।