জেদ্দা গভর্নরেট সৌদি আরবে টেকসই পর্যটনের এক নতুন অধ্যায় শুরু করেছে, যা বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের আকর্ষণ করছে এবং পশ্চিম উপকূলকে একটি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে পরিণত করেছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১০ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই রূপান্তর সৌদি ভিশন ২০৩০-এর প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে, যেখানে ঐতিহাসিক ঐতিহ্য এবং আধুনিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার সমন্বয় ঘটানো হয়েছে।
দর্শনার্থীদের যাত্রা শুরু হয় ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট Al-Balad-এর সরু গলি এবং প্রবাল পাথরের ঐতিহ্যবাহী বাড়ি ও rowshin নকশা করা স্থাপত্যের মধ্য দিয়ে, যা বহু শতাব্দীর ইতিহাস বহন করে।
জেদ্দা কর্নিশে আধুনিকতার ছোঁয়ায় সমুদ্র ও সবুজ এলাকার মিলন ঘটেছে, যেখানে কিং ফাহদ ফাউন্টেন, আল-রাহমা ভাসমান মসজিদ এবং ফাকিহ অ্যাকোয়ারিয়ামের মতো আকর্ষণ রয়েছে। এছাড়া Obhur সৈকতে হাই-এন্ড রিসোর্ট, জলক্রীড়া এবং প্রবাল প্রাচীর সমৃদ্ধ নীল পানিতে ডাইভিংয়ের সুযোগ রয়েছে।
শহরটি তার শপিং মল এবং গ্যাস্ট্রোনমিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে পর্যটকদের authenticity এবং আধুনিকতার এক অনন্য ভারসাম্য প্রদান করে। বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট পর্যটক সংখ্যা বা বাজেটের উল্লেখ নেই।
জেদ্দার ঐতিহাসিক আকর্ষণ কী? জেদ্দার Al-Balad এলাকাটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটে অন্তর্ভুক্ত। এখানে প্রবাল পাথরের ঐতিহ্যবাহী বাড়ি, rowshin নকশা এবং প্রাচীন বাজার রয়েছে যা শহরের বহু শতাব্দীর ইতিহাস তুলে ধরে।
জেদ্দা কর্নিশে কী কী দেখার মতো আছে? কর্নিশে বিশ্বের সর্বোচ্চ কিং ফাহদ ফাউন্টেন, আল-রাহমা ভাসমান মসজিদ এবং ফাকিহ অ্যাকোয়ারিয়াম অবস্থিত। এখানে পর্যটকরা হাঁটার পথ এবং সাইকেল ট্র্যাকের সুবিধা পান।
Obhur সৈকতের বিশেষত্ব কী? Obhur সৈকতটি হাই-এন্ড রিসোর্ট এবং প্রবাল প্রাচীর সমৃদ্ধ নীল পানির জন্য পরিচিত। এখানে পর্যটকরা ডাইভিং এবং বিভিন্ন জলক্রীড়ায় অংশ নিতে পারেন।