গাজা উপত্যকার সবচেয়ে অসহায় গোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন অব্যাহত রেখেছে King Salman Humanitarian Aid and Relief Center (KSrelief)।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১২ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, প্রশিক্ষণার্থীরা দর্জি কাজ, পুরুষদের চুল কাটা, নারীদের সৌন্দর্য সেবা, এক্সেসরিজ ও হস্তশিল্প, অনুবাদ এবং ফ্রিল্যান্সিং কাজের পাশাপাশি জীবন দক্ষতা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনে অগ্রগতি লাভ করেছে।
এই প্রকল্পের লক্ষ্য আটটি পেশাদার ও ডিজিটাল ট্র্যাকের অধীনে প্রায় ১৩০ ঘণ্টার বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে ১,০০০ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া। প্রশিক্ষণ শেষে সুবিধাভোগীরা একটি ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট এবং শ্রমবাজারে প্রবেশের জন্য একটি বিশেষায়িত পেশাদার টুলকিট পাবেন।
সুবিধাভোগীরা তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি, কাজের নতুন সুযোগ তৈরি এবং পরিবারের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সহায়তার জন্য সৌদি আরবের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে প্রকল্পের মোট বাজেট বা নির্দিষ্ট সমাপ্তি তারিখ উল্লেখ করা হয়নি।
KSrelief-এর এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য কী? এই প্রকল্পের লক্ষ্য গাজা উপত্যকার সবচেয়ে অসহায় গোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ক্ষমতায়ন, পুনর্বাসন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক ও মানবিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়তা করা। এর মাধ্যমে ১,০০০ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য কী কী কোর্স বা ট্র্যাক রয়েছে? প্রশিক্ষণার্থীরা দর্জি কাজ, পুরুষদের চুল কাটা, নারীদের সৌন্দর্য সেবা, এক্সেসরিজ ও হস্তশিল্প, অনুবাদ, ফ্রিল্যান্সিং এবং জীবন দক্ষতা প্রশিক্ষণের মতো আটটি পেশাদার ও ডিজিটাল ট্র্যাকের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন।
প্রশিক্ষণ শেষে সুবিধাভোগীরা কী পাবেন? প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পন্ন করার পর সুবিধাভোগীরা একটি ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট পাবেন। এর পাশাপাশি তাদের শ্রমবাজারে প্রবেশের সুবিধার্থে একটি বিশেষায়িত পেশাদার টুলকিট প্রদান করা হবে।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সময়সীমা কতটুকু? এই বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কর্মসূচিগুলো মোট প্রায় ১৩০ ঘণ্টার। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাদের শেখা বিষয়গুলোকে বাস্তব প্রয়োগ এবং উৎপাদনের স্তরে নিয়ে যেতে সক্ষম হচ্ছেন।