জেদ্দা সেন্টার ফর এক্সিবিশনস অ্যান্ড ইভেন্টস-এ ১৬০টিরও বেশি সিরিয়ান কোম্পানি ও কারখানার অংশগ্রহণে প্রথম সিরিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজ SYRIX এক্সপো ২০২৬ শেষ হয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই প্রদর্শনীতে সৌদি বাজারের বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ সুযোগের প্রতি আগ্রহী বিপুল সংখ্যক ব্যবসায়ী, আমদানিকারক এবং পরিবেশক উপস্থিত ছিলেন।
প্রদর্শনীর মূল লক্ষ্য ছিল সিরিয়ান প্রস্তুতকারক এবং সৌদি ব্যবসায়ীদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের মাধ্যমে সরবরাহ ও বিতরণে বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব স্থাপন করা। এর পাশাপাশি সিরিয়ান পণ্য সৌদি বাজারে প্রবেশের সহায়তার জন্য সরবরাহ ও বিতরণ চুক্তি এবং সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এই চুক্তিগুলো খাদ্য, টেক্সটাইল, রাসায়নিক এবং ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পসহ চারটি প্রধান খাতের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। যৌথ উদ্যোগ স্থাপনের জন্য বিনিয়োগ প্রণোদনা, সুবিধা এবং নিয়ন্ত্রক পদ্ধতিগুলোও এখানে প্রদর্শিত হয়েছে।
প্রদর্শনীতে সেমিনার ও প্যানেল আলোচনার মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়া সহজ করা, বাণিজ্য বিনিময়ের প্রণোদনা, অংশীদারিত্বের কৌশল এবং ঐতিহ্যগত বাণিজ্য থেকে শিল্প বিনিয়োগ ও যৌথ উৎপাদনের দিকে পরিবর্তনের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
প্যাভিলিয়নগুলোতে খাদ্য, টেক্সটাইল, ইঞ্জিনিয়ারিং, রাসায়নিক শিল্পের পাশাপাশি কৃষি, পর্যটন, সংস্কৃতি এবং শ্রম খাতের সুযোগগুলো তুলে ধরা হয়েছে। এই ইভেন্টটি দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার এবং অংশীদারিত্ব তৈরির একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে।
SYRIX এক্সপো ২০২৬-এ কারা অংশগ্রহণ করেছিল? এই প্রদর্শনীতে ১৬০টিরও বেশি সিরিয়ান কোম্পানি ও কারখানা অংশগ্রহণ করেছে। পাশাপাশি সৌদি বাজারের বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ সুযোগের প্রতি আগ্রহী বিপুল সংখ্যক ব্যবসায়ী, আমদানিকারক এবং পরিবেশক এতে উপস্থিত ছিলেন।
কোন কোন শিল্প খাতের ওপর চুক্তিগুলো স্বাক্ষরিত হয়েছে? চুক্তিগুলো মূলত চারটি প্রধান খাতের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে: খাদ্য, টেক্সটাইল, রাসায়নিক এবং ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প। এছাড়া কৃষি, পর্যটন, সংস্কৃতি এবং শ্রম খাতের সুযোগগুলোও এখানে প্রদর্শিত হয়েছে।
প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য কী ছিল? প্রদর্শনীর লক্ষ্য ছিল সিরিয়ান প্রস্তুতকারক ও সৌদি ব্যবসায়ীদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের মাধ্যমে সরবরাহ ও বিতরণে অংশীদারিত্ব স্থাপন করা। এর মাধ্যমে সিরিয়ান পণ্য সৌদি বাজারে প্রবেশের জন্য বিভিন্ন চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
জ্ঞানভিত্তিক কর্মসূচিতে কী কী আলোচনা করা হয়েছে? সেমিনার ও প্যানেল আলোচনায় আইনি প্রক্রিয়া সহজ করা, বাণিজ্য বিনিময়ের প্রণোদনা এবং অংশীদারিত্বের কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়া ঐতিহ্যগত বাণিজ্য থেকে শিল্প বিনিয়োগ ও যৌথ উৎপাদনের দিকে পরিবর্তনের বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।