জেদ্দাহর Roi Abdulaziz আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবন্দর অ্যাকোয়ারিয়াম স্থাপন করা হয়েছে, যা ভ্রমণকারীদের জন্য লোহিত সাগরের সামুদ্রিক পরিবেশের একটি অনন্য দৃশ্য উপস্থাপন করে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১০ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই অ্যাকোয়ারিয়ামটির উচ্চতা ১৪ মিটার এবং ব্যাস ১০.২ মিটার, যার ধারণক্ষমতা প্রায় ১০ লাখ লিটার পানি। এর কাঁচের দেয়ালের পুরুত্ব ৩০০ মিলিমিটার।
এখানে লোহিত সাগরের ৬৫টি প্রজাতির প্রায় ২,০০০ সামুদ্রিক জীব, প্রবাল এবং বিরল প্রজাতির মাছ রয়েছে। পানির গুণমান বজায় রাখতে অ্যাকোয়ারিয়ামের নিচে চারটি রিজার্ভার এবং নতুন মাছের অভিযোজনের জন্য তিনটি কোয়ারেন্টাইন সিস্টেম রয়েছে।
প্রাকৃতিক দিন ও রাতের চক্র ফুটিয়ে তুলতে ২৬টি ল্যাম্প ব্যবহার করা হয়েছে এবং একজন বিশেষজ্ঞ ডাইভার মাছের যত্ন ও খাদ্যের দায়িত্ব পালন করেন। বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রকল্পের মোট ব্যয় উল্লেখ করা হয়নি।
অ্যাকোয়ারিয়ামটির আকার ও ক্ষমতা কত? অ্যাকোয়ারিয়ামটির উচ্চতা ১৪ মিটার এবং ব্যাস ১০.২ মিটার। এর পানি ধারণক্ষমতা প্রায় ১০ লাখ লিটার এবং এর কাঁচের দেয়ালের পুরুত্ব ৩০০ মিলিমিটার।
এখানে কী কী সামুদ্রিক জীব রয়েছে? এখানে লোহিত সাগরের ৬৫টি প্রজাতির প্রায় ২,০০০ সামুদ্রিক জীব রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ এবং বিরল প্রবাল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এর রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা কেমন? পানির গুণমান রক্ষায় নিচে চারটি রিজার্ভার এবং নতুন মাছের জন্য তিনটি কোয়ারেন্টাইন সিস্টেম আছে। একজন বিশেষজ্ঞ ডাইভার মাছের যত্ন ও খাদ্যের কাজ করেন।
আলোর ব্যবস্থা কীভাবে করা হয়েছে? প্রাকৃতিক দিন ও রাতের চক্র তৈরি করতে ২৬টি ল্যাম্প ব্যবহার করা হয়েছে। এটি সামুদ্রিক জীবের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে এবং দৃশ্যমান সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।