Monday, September 14, 2026
Uncategorized

রিয়াদ ইকোনমিক ফোরামের দ্বাদশ অধিবেশনে ৫টি কৌশলগত গবেষণা উপস্থাপিত হবে

রিয়াদ ইকোনমিক ফোরামের দ্বাদশ অধিবেশনে ৫টি কৌশলগত গবেষণা উপস্থাপিত হবে

রিয়াদ ইকোনমিক ফোরামের দ্বাদশ অধিবেশনে সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যসমূহ অর্জনে সহায়ক ৫টি কৌশলগত গবেষণা উপস্থাপন করা হবে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১১ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, রিয়াদ ইকোনমিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ডক্টর আবদুল আজিজ আল-আনকারী এই তথ্য প্রদান করেছেন। ১২ থেকে ১৪ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য এই ফোরামটি সরকারি, বেসরকারি এবং একাডেমিক খাতের মধ্যে সহযোগিতার একটি মডেল হিসেবে কাজ করবে।

এই অধিবেশনের গবেষণায় বড় শহরগুলোর যানজট এবং এর অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব, জাতীয় জনশক্তির মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা স্থানান্তর, কৃষি খাতের উন্নয়নে স্মার্ট কৃষি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এবং খাদ্য ও পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়াও টেকসই উন্নয়নে সরকারি নীতি ও আইনের প্রভাব এবং আইনি ও বিচারিক পরিবেশের দক্ষতা বৃদ্ধির উপায় নিয়ে আলোচনা হবে।

ফোরামটি এক্সপো ২০৩০ এবং ২০৩৪ বিশ্বকাপের মতো বড় বৈশ্বিক ইভেন্ট আয়োজনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক রিটার্ন বৃদ্ধির উপায়গুলোও খতিয়ে দেখবে। বিজ্ঞপ্তিতে গবেষণার নির্দিষ্ট ফলাফল বা বাজেট উল্লেখ করা হয়নি।

রিয়াদ ইকোনমিক ফোরামের দ্বাদশ অধিবেশন কবে অনুষ্ঠিত হবে? রিয়াদ ইকোনমিক ফোরামের দ্বাদশ অধিবেশন ১২ থেকে ১৪ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ডক্টর আবদুল আজিজ আল-আনকারী জানান, এই ফোরামটি সরকারি, বেসরকারি এবং একাডেমিক খাতের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে।

এই অধিবেশনে কোন কোন কৌশলগত বিষয় নিয়ে গবেষণা করা হবে? অধিবেশনে বড় শহরের যানজট, স্মার্ট কৃষি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে খাদ্য ও পানি নিরাপত্তা এবং জাতীয় জনশক্তির জ্ঞান স্থানান্তরের বিষয়ে গবেষণা হবে। এছাড়া টেকসই উন্নয়নে আইনি পরিবেশের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হবে।

বৈশ্বিক ইভেন্ট সম্পর্কে ফোরামের লক্ষ্য কী? ফোরামটি এক্সপো ২০৩০ এবং ২০৩৪ বিশ্বকাপের মতো বড় বৈশ্বিক ইভেন্ট আয়োজনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক ও সামাজিক রিটার্ন বা মুনাফা বৃদ্ধির উপায়গুলো খতিয়ে দেখবে। এসপিএ-র তথ্যানুযায়ী এটি জাতীয় অর্থনীতির অংশ।

এই ফোরামের সামগ্রিক উদ্দেশ্য কী? এই ফোরামের উদ্দেশ্য হলো সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যসমূহকে সমর্থন করা এবং জাতীয় অর্থনীতি ও বেসরকারি খাতের ভূমিকা শক্তিশালী করা। এটি পূর্ববর্তী অধিবেশনেও উন্নয়নমূলক ও সামাজিক গবেষণার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করেছে।